জাতীয় পার্টি জাতির জন্য একটা বিষফোড়া: ইসলামী আন্দোলন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বেচাঁকেনার হাটের মত প্রার্থী ও দলকে নির্বাচনে আনা হচ্ছে জানিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানি বলেছেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছিল ১৪ দল। এখন আওয়ামী লীগ তাদের কোন সিট দিচ্ছেনা। এজন্য ইনু-রাশেদ খান মেনন খুব পেরেশানিতে আছেন। তাদের সিটও গেছে। সব স্বার্থপর। জাতীয় পার্টি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টিকে গৃহপালিত বিরোধী দল বানাইছে। জাতীয় পার্টি জাতির জন্য একটা বিষফোড়া।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর ) দুপুরে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিতর্কিত নির্বাচন কমিশন কর্তৃক একতরফা নির্বাচনী তফসিল বাতিল, সকল রাজবন্দীদের মুক্তি ও বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর এই সমাবেশের আয়োজন করে।

জাতীয় পার্টি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমি ডায়রেক্ট বলি তারা একটা বিষফোড়া। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে, আবার ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তারা নির্বাচন করে। ওরা অংশীদার, মন্ত্রীত্ব হয়- তারা বিরোধী দল হয় কীভাবে। এটা তো ধোকাবাজি। অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলেছে জিএম কাদের। এখন তারা নির্বাচনে চলে গেছে। জাতীয় পার্টি বলছে তারা ভোট করবে। অথচ আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করে আসন ভাগাভাগি করেছে। জাতীয় পার্টি চায় ৭২ টি আসন, সরকার বলছে ২০টার বেশি দিতে পারবো না। এই দরকাষাকষির ভোট চলছে।

তিনি বলেন, এদিকে তৃণমূল বিএনপিতে সব বিশ্বাসঘাতকরা এক হয়েছে। এইগুলো জাতির জন্য কলঙ্ক। এদের থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। এরা আওয়ামী লীগের তল্পিবাহক। টাকা ও সিট ছেড়ে আওয়ামী লীগ তাদের নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আলেমরাও টাকার কাছে বিক্রি হচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন মানুষের সঙ্গে আছে, প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারতে উৎখাত করবে। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল বাতিল করতে হবে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে স্বচ্ছ নির্বাচন করতে হবে। ২০১৪ ও ২০১৮ এর মত নির্বাচন আমরা চাইনা।
৭ জানুয়ারির নির্বাচন থেকে সরকারকে ব্যাক করানোর জন্য ইসলামী আন্দোলন রাজপথে নেমেছে। সরকারকে বলবো ফিরে আসুন। আগামীতে যে রক্তপাত, গৃহযুদ্ধ হবে এর দায় দায়িত্ব আওয়ামী লীগ সরকারকে নিতে হবে।

সমাবেশে দলটির শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। পরে পল্টন সড়কে মিছিল ও দোয়ার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করে ইসলামী আন্দোলন।

   

গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, সাকি আহত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংক লোপাট ও অর্থ পাচারের প্রতিবাদে সচিবালয় অভিমুখে গণতন্ত্র মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিলে দুই দফা লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এসময় পুলিশের লাঠিচার্জে গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা জোনায়েদ সাকিসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা দেড়টার দিকে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা-কর্মীরা সচিবালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে জিরো পয়েন্ট মোড়ে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এসময় মঞ্চের নেতাকর্মীরা ব্যারিকেড ভাঙতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এসময় নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয় পুলিশ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মঞ্চের নেতাকর্মীদেরকে পুলিশ বাধা দিতে চাইলে তার পলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এসময় পুলিশ প্রথম দফা লাঠি চার্জ করে। এতে মঞ্চের অন্যতম নেতা জোনায়েদ সাকিসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। এসময় মঞ্চের নেতাকর্মীরাও পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পরে মঞ্চের নেতাকর্মীরা তাদের সেখান থেকে উঠয়ে নিয়ে যেতে চাইলে তাদের ওপর আবার লাঠিচার্জ করে পুলিশ সদস্যরা।

ডিএমপির রমনা জোনের এডিসি শাহ্ আলম মোহাম্মদ আক্তারুল ইসলাম বলেন, ওনারা অনুমতি ছাড়াই এখানে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসেছেন। আমরা তাদেরকে বারবার বলেছি যে তাদের এখানে অনুমতি নেই। কিন্তু ওনারা আমাদের কথা শুনেননি। ওনারা আমাদেরকে কথা দিয়েছিলেন যে সচিবালয়ের সামনে এসে শান্তিপূর্ণ মিছিল করে চলে যাবেন। কিন্তু আমাদের দেওয়া ব্যারিকেড অতিক্রম করে সচিবালায় ঢোকার চেষ্টা করেছেন। আমরা বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেও ওনারা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢুকতে চেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, যারা ব্যারিকেডে ধাক্কাধাক্কি করছিলো তাদের দেখেই মনে হচ্ছিল এরা ব্যারিকেড ভাঙার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। আমাদের মনে হয়েছে ওনারা এই ব্যারিকেড ভাঙার জন্য লোক ভাড়া করে নিয়ে এসেছে।

কতজন আটক হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা লাঠি হাতে নিয়ে পুলিশকে আক্রমণ করার চেষ্টা করেছে আমরা তাদের মধ্য থেকে দু-একজনকে আটক করেছি। তবে কতজন এখন পর্যন্ত আটক হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এসময় পুলিশের হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলাম কিন্তু পুলিশ আমাদের বাধা দিয়েছে। আমাদের অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তাদেরকে হসপিটালে পাঠানো হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে অনেক মেরেছে পুলিশ।

মিছিলের আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জোনায়েদ সাকি বলেন, একটা মহল এই সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে আছে। মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুটপাটের জন্য। এই লুটের টাকা সবাই ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছে।

জনগণকে মাঠে নামার আহ্বান জানিয়ে সাকি বলেন, মাঠে না নামলে এই সরকারকে হঠানো যাবে না। বিদেশিদের ওপর ভরসা করবেন না, তারা শুধু সুবিধা নেয়। জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এই সরকারকে বিদায় করে আমাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সরকার যতই হাবভাব দেখাক না কেন, রোজায় দাম কমাতে পারবে না। বাংলাদেশ এখন যেভাবে চলে এর থেকে খারাপভাবে একটা দেশ চলতে পারে না।

;

এরিক এরশাদ ও বিদিশার ওপর হামলার অভিযোগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে এরিক এরশাদ ও তার মা বিদিশার ওপর হামলা-শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর 'পল্লী নিবাস' বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ছেলে এরিক এরশাদ।

রংপুরে ট্রাস্টভুক্ত প্রতিষ্ঠান পল্লীবন্ধু কোল্ড স্টোরেজে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলন এরিক এরশাদ বলেন, আমার বাবা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মৃত্যুর আগে আমার ভরণ-পোষণের জন্য বেশকিছু সম্পদ ট্রাস্টের নামে করে যান। সেই সম্পদগুলো ভোগ করবো আমি। এর মধ্যে রংপুরের মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জের পল্লীবন্ধু কোল্ড স্টোরেজও রয়েছে। তবে এই হিমাগারের ৩০ ভাগ শেয়ার দেওয়া হয় বাবার চাচাতো ভাই সামছুজ্জামান মুকুলের নামে।

তিনি অভিযোগ করেন, বাবার মৃত্যুর পর ট্রাস্টের আওতাধীন হিমাগারটি পরিচালিত হলেও আমি এর লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছি। ট্রাস্টের কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও জবরদখলের মাধ্যমে পল্লীবন্ধু হিমাগারটি কুক্ষিগত করে রেখেছেন বাবার চাচাতো ভাই মুকুল ও স্থানীয় প্রভাবশালী বারী মুন্সি।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আমি ও মা বিদিশা ঢাকা থেকে রংপুর নগরীর পল্লীনিবাসে আসি। বাবার কবর জিয়ারত শেষে পল্লীবন্ধু কোল্ড স্টোরেজে যাই। সেখানে বারী মুন্সি, মুকুল ও তার ছেলেসহ অপরিচিত লোকজন আমাকে এবং মাকে (বিদিশা এরশাদ) ধাক্কাধাক্কি, গালিগালাজ করে হিমাগার থেকে বের করে দেয়। এক পর্যায়ে তারা মারমুখী হলে পুলিশে খবর দেই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করলে আমরা পল্লী নিবাসে ফিরে আসি।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে আমি ন্যায্য বিচার চাই।

সংবাদ সম্মেলনে বিদিশা এরশাদ বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্টের যে কমিটি ছিল, তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও তারা এরিকের সম্পত্তি হ্যান্ডওভার করছে না। এরিক একজন প্রেসিডেন্টের সন্তান। তার বাবা বেঁচে থাকাকালীন সে বিলাসবহুল জীবনযাপন করেছে। বর্তমানে ট্রাস্টের সম্পত্তির টাকা না পাওয়ায় সে আর্থিক সংকটে ভুগছে। তার স্বাভাবিক জীবনযাপন নেই। আজ হিমাগারে গেলে ধাক্কাধাক্কি, গালিগালাজ করাসহ আমার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর ন্যায্য বিচার চাই।

তিনি বলেন, এরিকের চাচা (জিএম কাদের) জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, বিরোধীদলীয় নেতা হলেও কেউ এরিকের খোঁজ-খবর রাখেনি। আমাদের ওপর অন্যায়-অত্যাচার হচ্ছে, দলের কোনো নেতা একবার ফোন করেও খবর নেয়নি। তাই, এরিক বিষয়টি জাপা চেয়ারম্যানকে জানায়নি।

এদিকে, মিঠাপুকুর থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, এরিক এরশাদ থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি। হিমাগার যারা পরিচালনা করছেন, তাদের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য হলেন মোস্তাফিজুর ও জিন্নাহ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যানের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য একেএম মোস্তাফিজুর রহমান এমপি ও শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপিকে প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাপার চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জি এম কাদের তাদের মনোনীত করেন।

জাপার কেন্দ্রীয় যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা জিএম কাদের এমপি পার্টির গঠনতন্ত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই আদেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে এই মনোনয়ন কার্যকর করা হয়েছে।

একেএম মোস্তাফিজুর রহমান কুড়িগ্রাম থেকে এবং শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ বগুড়া থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

;

বাজার সিন্ডিকেটের পৃষ্ঠপোষক সরকারের মন্ত্রীরা: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

'বাজার সিন্ডিকেটের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে ডামি সরকারের ডামি মন্ত্রীরা' বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, অযথা বিতর্ক সৃষ্টি করে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে বিএনপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে। আওয়ামী লুটেরা চক্রের কারণে ডামি সরকার সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, ডামি প্রধানমন্ত্রী নির্লজ্জভাবে বিএনপির ওপর দায়ভার চাপিয়ে দেওয়ার পর নেত্রীর অনুসরণে ওবায়দুল কাদের এবং হাছান মাহমুদ একই সুরে গান গাইছেন। সরকারের কাজ অভিযোগ তোলা নয়, বাজার সিন্ডিকেট করে যারা জনজীবন দুর্বিষহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস সমাগত। সিয়াম সাধনার এই মাসে দেশের জনগণ একটু স্বস্তি চায় কিন্তু প্রতিদিন রকেট গতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলেছে। প্রতিবছর রমজানকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কতিপয় চিহ্নিত অসাধু আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী নানা ছুতায় ভোক্তার পকেট কেটে ফতুর করে দিচ্ছে। মানুষ এখন সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, 'সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ তার বাসভবনে এক মতবিনিময় সভায় বলেছেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর বিএনপি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে তারাই ষড়যন্ত্র করে বিডিআর বিদ্রোহ ঘটিয়েছিল'। কিন্তু সেদিন পিলখানায় কী ঘটেছিল, কারা ঘটিয়েছিল, কেন ঘটেছিল, ঘটনার নেপথ্যের নায়ক কারা, কারা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে, সবকিছু হাছান মাহমুদ স্বীকার না করলেও দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে সত্য ঘটনা সোমবারও প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্দেশ করে বলেন, সোমবারও পিলখানার সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা নিয়ে বিডিআররের সাবেক ডিজি লে. জে. (অব.) মইনুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমে যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, তা দেখে কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গেছে! সাবেক ডিজি পরিষ্কার বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা বিদ্রোহীদের সঙ্গে জড়িত ছিল ও বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার সময় বাইরে তারা জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে।

;