প্রতি আসনে একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী, দলীয় প্রার্থীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, পটুয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেলেই হয়তো এমপি হবেন এমন ধারণা ছিল অনেক নেতাকর্মীর মধ্যে। কিন্তু সেই চিন্তা পাল্টে গেছে গত ২৬ নভেম্বর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী সভানেত্রী শেখ হাসিনার এক ঘোষণার মধ্য দিয়ে।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে বাধা নেই এবং দলীয়ভাবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না এমন ঘোষণায় অনেক আওয়ামী লীগ নেতা নির্বাচন করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছেন।

পটুয়াখালী-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আফজাল হোসেন।

তবে পটুয়াখালী-১ (সদর উপজেলা, দুমকি উপজেলা, মির্জাগঞ্জ উপজেলা) আসনে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত বেশ কয়েকজন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এর মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পটুয়াখালী সদর উপজেলা ও পটুয়াখালী পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. সুলতান আহম্মেদ মৃধা। আলোচনায় রয়েছেন পটুয়াখালী সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. তারিকুজ্জামান মনি। তারিকুজ্জমান মনি পটুয়াখালী-১ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য এড. শাহজাহান মিয়ার মেঝ পুত্র।
এ বিষয় জানতে চাইলে এড.সুলতান আহম্মেদ মৃধা বলেন, আমি নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করতে চাই না। তবে আমি যেন নির্বাচনে অংশ নেই সে জন্য আমার নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের চাপ রয়েছে। তাদের কথা রাখতে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়া লাগতে পারে। তবে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি।

এছাড়া এই আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান পটুয়াখালী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.বি.এম রুহুল আমিন হাওলাদার। গত ২৭ নভেম্বর তার পক্ষে পটুয়াখালী জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

পটুয়াখালী ২ (বাউফল ) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন সাত বারের সংসদ সদস্য বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজ।

এ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেতায় গুঞ্জনে রয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি হাসিবুর রহমান তালুকদার। তিনিও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। এছাড়া গত কয়েক বছর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির বিভিন্ন কার্যক্রমেও সক্রিয় ছিলেন।

পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এস এম শাজহাদা। এস এম শাহজাদা আওয়ামী লীগের রাজনীতির মাঠে তেমন কোন রিচিতি না থাকলেও সাবেক সিইসি নুরুল হুদার ভাগ্নে হিসেবে দেশের রাজনীতিতে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন।

এ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেনেন্ট জেনারেল মোঃ আবুল হোসেন। তিনি এবার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন।

পটুয়াখালী-৪ আসন (কলাপাড়া উপজেলা-রাঙ্গাবালী উপজেলা) আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মহিববুর রহমান মহিব।

এ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহবুবুর রহমান তালুকদার। ইতিমধ্যে তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে।
আলোচনায় রয়েছেন এই আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম এর পুত্র আব্দুল্লাহ আল ইসলাম লিটন। এছাড়া এ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন রাঙ্গবালী উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ডা. জহিরুল উদ্দিন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের খবরে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাওয়া নেতাদের কপালে অনেকটাই চিন্তার ভাজ পরেছে।

অনেকেই দুশ্চিন্তায় সুষ্ঠু ভোটে অনেক আসনে ভোটের হিসাব নিকাশ পাল্টে যেতে পারে।সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন আওয়ামীলীগের এই কৌশলে নির্বাচনের আমেজ কিছুটা হলেও ফিরে আসতে পারে। এর ফলে নির্বাচনের মাঠে সাধারণ ভোটারদের গুরুত্ব বাড়বে।

তবে এমন পরিস্থিতিতে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে আবারও চাঙ্গা হতে পারে বলে মনে করেন অনেকে।

পটুয়াখালী শহরের কলাতলা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, ‘নির্বাচনের তফসিল হয়েছে মনোনয়ন পত্র দাখিল হইতেছে কিন্তু মানুষের মধ্যে নির্বাচন লইয়া কোন শীত গরম দেহি না। কিন্তু ২৬ তারিখ প্রধানমন্ত্রী যখন ঘোষণা দিয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচন হরতে পারবে হেইপর পরিস্থিতি কিছুটা পালডাইয়া গেছে। অনেকেই নির্বাচন লইয়া আলোচনা করছে। ভেটের পরিবেশ ভালো থাকলে কেন্দ্রে ভোট দিতে যামু।

   

জাপার প্রেসিডিয়াম ও সংসদ সদস্যদের যৌথসভা ৬ মার্চ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম ও সংসদ সদস্যদের যৌথসভার তারিখ পরিবর্তন করে ৬ মার্চ করা হয়েছে। অনিবার্য কারণবশত ২ মার্চের পরিবর্তে ৬ মার্চ সকাল ১০ টায় বনানী চেয়ারম্যান কার্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে পার্টির দপ্তর সুত্র জানিয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা জিএম কাদের এমপি।

পরিবর্তিত তারিখে সভায় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান, কো-চেয়ারম্যান, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্যদের উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি।

;

আ.লীগ বিদেশি শক্তি নিয়ে রাজনীতি করে: মঈন খান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেছেন, বিএনপি কোনো বিদেশি শক্তি নিয়ে রাজনীতি করে না। আমরা বাংলাদেশকে নিয়ে গর্ব করি, বিদেশকে নিয়ে রাজনীতি করি না। এটা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার করে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মৎস্যজীবী দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা ও ফাতিহা পাঠ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মঈন খান বলেন, জিয়াউর রহমান ঐক্যের রাজনীতি করেছেন, বিভাজনের রাজনীতি করেননি। যেটা আজকে আওয়ামী লীগ করছে। আওয়ামী লীগ দেশের মধ্যে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ও বিপক্ষের বলে বিভেদ তৈরি করে আজীবন ক্ষমতায় থেকে শাসন করতে চায়। তারা ক্ষমতার লোভে বিভাজনের মাধ্যমে এই জাতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশে গণতন্ত্রের পরিবর্তে লুটেরা-চোর সৃষ্টি করেছে। যারা দেশের সম্পদ কুক্ষিগত করে টাকা বিদেশে পাচার করেছে। এ অবস্থা থেকে আমরা মুক্তি চাই।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জেড রিয়াজ উদ্দিন নসু, মৎসজীবী দলের সদস্য সচিব মো. আবদুর রহিম, কেন্দ্রীয় নেতা ওমর ফারুক পাটোয়ারী, অধ্যক্ষ সেলিম মিয়া প্রমুখ।

;

সরকার একের পর এক ড্রাকোনিয়ান আইন তৈরি করছে: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারের দুঃশাসন, লুটপাট ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কেউ যাতে কোনো কথা বলতে না পারে সেজন্যই একের পর এক ‘ড্রাকোনিয়ান আইন’ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, নাগরিকদের ওপর নজরদারি আরও তীব্র হবে, এটি সমগ্র জাতিকে পর্যবেক্ষণে রাখার এক নতুন কালো আইন প্রণয়নের আলামত।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ডামি সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংসদে বলেছেন ‘মিথ্যা তথ্য ও মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধে সংসদে আইন আনা হবে’। অলরেডি একটি আইন আছে, যেটা হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট। আরও কিছু আইন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংসদে আসবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ছিটেফোঁটাও নেই। সরকারি সংস্থাগুলোকে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য নানাভাবে কাজে লাগিয়ে তাদের মিথ্যা জয়গান প্রচার করেও শান্তি পাচ্ছে না তারা। তারপরেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ দেশি ও বিদেশি কিছু মিডিয়ায় তাদের অনেক অপকর্ম প্রকাশিত হয়। সেটিও যাতে প্রকাশ হতে না পারে সেজন্য কিছুদিন আগে সাইবার সিকিউরিটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

আগামী ১ মার্চ থেকে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি সর্বনিম্ন ৩৪ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ পয়সা বৃদ্ধি কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, এই হিসেবে বিদ্যুতের দাম গড়ে ইউনিট প্রতি ৫২ পয়সা করে বাড়বে। শতকরা হিসাবে তা ছয় শতাংশের মতো। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম আড়াই শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. মো. আবদুল কুদ্দুস, অধ্যাপক ড. শাহিদা রফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদসহ অন্যান্যরা।

;

বরিশাল আ.লীগের দলীয় কার্যালয়ে ঝুলছে তালা, থমকে গেছে কার্যক্রম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের আনাগোনা নেই। বিগত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর থেকে চুপসে গেছেন জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

সন্ধ্যার পর দলীয় কার্যালয়ে থাকে সুনসান নীরবতা। অফিস কেয়ারটেকার দুই বেলা অফিস খুললেও বড় কোনা কর্মসূচি ছাড়া সিনিয়র নেতাদের দেখা মেলে না আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে। দলের একাংশের যাবতীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় ব্যক্তির বাসায়। অন্যদিকে দলের অপর এক পক্ষের যে কোনো রাজনৈতিক আয়োজন হয় সিটি এবং সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত সার্কিট হাউস চত্বরের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে।

গত বছরের ১২ জুনের সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগেও জমজমাট ছিল বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়। প্রতিদিন দুই বেলা দলীয় নেতা-কর্মীদের পদভারে মুখরিত থাকত কার্যালয়টি। কিন্তু সিটি নির্বাচনে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহকে মনোনয়ন না দিয়ে তার চাচা আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার পর পাল্টে যায় চিরচেনা সেই চিত্র।

সাদিক আবদুল্লাহ মনোনয়ন না পাওয়ায় তার অনুসারী নেতা-কর্মীরা চুপসে যায়। দলীয় কার্যালয়ে তেমন একটা আনাগোনা নেই তাদের। অফিস কেয়ারটেকার প্রতিদিন দুই বেলা অফিস খুললেও বড় কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছাড়া দলীয় সিনিয়র নেতাদের দেখা মেলে না কার্যালয়ে। বিভিন্ন দিবস ভিত্তিক কর্মসূচির প্রস্তুতি এবং দলীয় সভা আয়োজন হয় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর কালীবাড়ি রোডের বাসায়।

বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়

অন্যদিকে বরিশাল আওয়ামী লীগে সাদিক আবদুল্লাহর পরিবার বিরোধী হিসেবে পরিচিতরা ভিড় করেন সিটি এবং সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত সার্কিট হাউসের সামনের অফিসে। বিভিন্ন দিবস ভিত্তিক আয়োজন এবং দলীয় কর্মসূচি প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়েই পালন করে- সিটি মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত এবং সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ ফারুকের অনুসারীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আফজালুল করিম বলেন, সংগঠনের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি তারা। এ কারণে আমরা সংগঠনের ব্যানারে কোনো দলীয় কর্মসূচি করতে পারি না। মেয়র এবং সদর আসনের এমপির অনুসারীরা যাদের বিভিন্ন সময় সংগঠন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে তারাও দলীয় কর্মসূচি করতে চায়। আমরা তাদের নিয়ে প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করি। কর্মসূচি কোথায় হলো সেটা বিষয় নয়, আমরা কর্মসূচি পালন করি সেটাই মুখ্য বিষয়। আমরা চাই মহানগর আওয়ামী লীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি যারা সিটি এবং সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিরোধিতা করেছে সেই কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি করা হোক। বর্তমান কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি করা হলে দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের চাঞ্চল্য ফিরবে বলে তিনি আশা করেন।

বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গাজী নাইমুল হোসেন লিটু বলেন, আমরা যে কোনো দিবস ভিত্তিক কর্মসূচি দলীয় কার্যালয়ের সামনেই করে থাকি। স্থান সংকটের কারণে অনেক সময় বিভিন্ন প্রস্তুতি সভা ও দলের বর্ধিত সভা দলীয় কার্যালয়ে আয়োজন না করে নেতার বাসায় আয়োজন করা হয় আধুনিক প্রযুক্তি এবং সুযোগ-সুবিধা থাকার কারণে। তবে কর্মসূচি থাকলে অবশ্যই নেতা-কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে যায়।

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, নেতারা নিয়মিত দলীয় কার্যালয়ে যাওয়া আসা করেন। যে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি জেলা ও মহানগর একত্রে কার্যালয়ে করে থাকে। এ ছাড়া অনেক সভা আয়োজন করা হয়ে থাকে আমাদের রাজনৈতিক গুরু শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতের কালীবাড়ি রোডের বাসায়।

;