খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় চট্টগ্রামে দোয়া মাহফিল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা নগরীর নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জামে মস‌জি‌দে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির কেন্দ্র ঘোষিত দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন ।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন গণতন্ত্রের বাতিঘর। তিনি বেরিয়ে এলে গণতন্ত্রের সংগ্রামের জন্য লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসবে। সেজন্যই তাঁকে আটক করে রাখা হয়েছে। তিনি আজ গুরুতর অসুস্থ। তিনি জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তার এখন প্রয়োজন বিদেশে উন্নত চিকিৎসা। চিকিৎসকরা পরিষ্কার করে বলেছেন, আমরা যা কিছু করা সম্ভব তা করেছি। আমাদের কাছে সেই উন্নত প্রযুক্তি নেই যা দিয়ে দেশে বেগম খালেদা জিয়াকে পরবর্তী চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে। অতি দ্রুত বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য উন্নত দেশ আমেরিকা, যুক্তরাজ্য বা জার্মানিতে না পাঠালে তাঁর জীবন রক্ষা করা মুশকিল হয়ে যাবে। অথচ সরকার তাঁকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে হত্যার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের অস্তিত্বকে বিলীন করার ষড়যন্ত্র করছে।

এসময় তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাদ দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে পরিপূর্ণ মুক্তি দিয়ে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এই উপ মহাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। তিনি এই দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আপসহীন ভূমিকা রেখেছেন। সে জন্য আজ সারা দেশের মানুষ তাঁর পরিপূর্ণ মুক্তি চায়, সুচিকিৎসা চায়। বেগম খালেদা জিয়া আর বাংলাদেশের গণতন্ত্র একাকার। তাকে গৃহবন্দি করে দেশে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে বন্দি করা হয়েছে

দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমাৎসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের জন্য দোয়া করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা এহসানুল হক।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক এড. আবদুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দীন, এস এম সাইফুল আলম, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মোঃ শাহ আলম, আহবায়ক কমিটির সদস্য জয়নাল আবেদীন জিয়া, হারুন জামান, হাজী মোঃ আলী, থানা বিএনপির সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন প্রমুখ।

   

বিরোধী দলীয় নেতার রাজনৈতিক সচিব হলেন রেজাউল ইসলাম ভূঞা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব অ্যাড. মো. রেজাউল ইসলাম ভূঞাকে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতার রাজনৈতিক সচিব নিযুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা জিএম কাদের ওই নিয়োগ প্রদান করেছেন। বার্তা২৪.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয় পার্টির যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম।

ওই আদেশ ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

;

গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, সাকি আহত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংক লোপাট ও অর্থ পাচারের প্রতিবাদে সচিবালয় অভিমুখে গণতন্ত্র মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিলে দুই দফা লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এসময় পুলিশের লাঠিচার্জে গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা জোনায়েদ সাকিসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা দেড়টার দিকে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা-কর্মীরা সচিবালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে জিরো পয়েন্ট মোড়ে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এসময় মঞ্চের নেতাকর্মীরা ব্যারিকেড ভাঙতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এসময় নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয় পুলিশ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মঞ্চের নেতাকর্মীদেরকে পুলিশ বাধা দিতে চাইলে তার পলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এসময় পুলিশ প্রথম দফা লাঠি চার্জ করে। এতে মঞ্চের অন্যতম নেতা জোনায়েদ সাকিসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। এসময় মঞ্চের নেতাকর্মীরাও পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পরে মঞ্চের নেতাকর্মীরা তাদের সেখান থেকে উঠয়ে নিয়ে যেতে চাইলে তাদের ওপর আবার লাঠিচার্জ করে পুলিশ সদস্যরা।

ডিএমপির রমনা জোনের এডিসি শাহ্ আলম মোহাম্মদ আক্তারুল ইসলাম বলেন, ওনারা অনুমতি ছাড়াই এখানে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসেছেন। আমরা তাদেরকে বারবার বলেছি যে তাদের এখানে অনুমতি নেই। কিন্তু ওনারা আমাদের কথা শুনেননি। ওনারা আমাদেরকে কথা দিয়েছিলেন যে সচিবালয়ের সামনে এসে শান্তিপূর্ণ মিছিল করে চলে যাবেন। কিন্তু আমাদের দেওয়া ব্যারিকেড অতিক্রম করে সচিবালায় ঢোকার চেষ্টা করেছেন। আমরা বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেও ওনারা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢুকতে চেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, যারা ব্যারিকেডে ধাক্কাধাক্কি করছিলো তাদের দেখেই মনে হচ্ছিল এরা ব্যারিকেড ভাঙার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। আমাদের মনে হয়েছে ওনারা এই ব্যারিকেড ভাঙার জন্য লোক ভাড়া করে নিয়ে এসেছে।

কতজন আটক হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা লাঠি হাতে নিয়ে পুলিশকে আক্রমণ করার চেষ্টা করেছে আমরা তাদের মধ্য থেকে দু-একজনকে আটক করেছি। তবে কতজন এখন পর্যন্ত আটক হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এসময় পুলিশের হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলাম কিন্তু পুলিশ আমাদের বাধা দিয়েছে। আমাদের অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তাদেরকে হসপিটালে পাঠানো হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে অনেক মেরেছে পুলিশ।

মিছিলের আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জোনায়েদ সাকি বলেন, একটা মহল এই সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে আছে। মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুটপাটের জন্য। এই লুটের টাকা সবাই ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছে।

জনগণকে মাঠে নামার আহ্বান জানিয়ে সাকি বলেন, মাঠে না নামলে এই সরকারকে হঠানো যাবে না। বিদেশিদের ওপর ভরসা করবেন না, তারা শুধু সুবিধা নেয়। জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এই সরকারকে বিদায় করে আমাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সরকার যতই হাবভাব দেখাক না কেন, রোজায় দাম কমাতে পারবে না। বাংলাদেশ এখন যেভাবে চলে এর থেকে খারাপভাবে একটা দেশ চলতে পারে না।

;

এরিক এরশাদ ও বিদিশার ওপর হামলার অভিযোগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে এরিক এরশাদ ও তার মা বিদিশার ওপর হামলা-শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর 'পল্লী নিবাস' বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ছেলে এরিক এরশাদ।

রংপুরে ট্রাস্টভুক্ত প্রতিষ্ঠান পল্লীবন্ধু কোল্ড স্টোরেজে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলন এরিক এরশাদ বলেন, আমার বাবা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মৃত্যুর আগে আমার ভরণ-পোষণের জন্য বেশকিছু সম্পদ ট্রাস্টের নামে করে যান। সেই সম্পদগুলো ভোগ করবো আমি। এর মধ্যে রংপুরের মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জের পল্লীবন্ধু কোল্ড স্টোরেজও রয়েছে। তবে এই হিমাগারের ৩০ ভাগ শেয়ার দেওয়া হয় বাবার চাচাতো ভাই সামছুজ্জামান মুকুলের নামে।

তিনি অভিযোগ করেন, বাবার মৃত্যুর পর ট্রাস্টের আওতাধীন হিমাগারটি পরিচালিত হলেও আমি এর লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছি। ট্রাস্টের কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও জবরদখলের মাধ্যমে পল্লীবন্ধু হিমাগারটি কুক্ষিগত করে রেখেছেন বাবার চাচাতো ভাই মুকুল ও স্থানীয় প্রভাবশালী বারী মুন্সি।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আমি ও মা বিদিশা ঢাকা থেকে রংপুর নগরীর পল্লীনিবাসে আসি। বাবার কবর জিয়ারত শেষে পল্লীবন্ধু কোল্ড স্টোরেজে যাই। সেখানে বারী মুন্সি, মুকুল ও তার ছেলেসহ অপরিচিত লোকজন আমাকে এবং মাকে (বিদিশা এরশাদ) ধাক্কাধাক্কি, গালিগালাজ করে হিমাগার থেকে বের করে দেয়। এক পর্যায়ে তারা মারমুখী হলে পুলিশে খবর দেই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করলে আমরা পল্লী নিবাসে ফিরে আসি।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে আমি ন্যায্য বিচার চাই।

সংবাদ সম্মেলনে বিদিশা এরশাদ বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্টের যে কমিটি ছিল, তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও তারা এরিকের সম্পত্তি হ্যান্ডওভার করছে না। এরিক একজন প্রেসিডেন্টের সন্তান। তার বাবা বেঁচে থাকাকালীন সে বিলাসবহুল জীবনযাপন করেছে। বর্তমানে ট্রাস্টের সম্পত্তির টাকা না পাওয়ায় সে আর্থিক সংকটে ভুগছে। তার স্বাভাবিক জীবনযাপন নেই। আজ হিমাগারে গেলে ধাক্কাধাক্কি, গালিগালাজ করাসহ আমার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর ন্যায্য বিচার চাই।

তিনি বলেন, এরিকের চাচা (জিএম কাদের) জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, বিরোধীদলীয় নেতা হলেও কেউ এরিকের খোঁজ-খবর রাখেনি। আমাদের ওপর অন্যায়-অত্যাচার হচ্ছে, দলের কোনো নেতা একবার ফোন করেও খবর নেয়নি। তাই, এরিক বিষয়টি জাপা চেয়ারম্যানকে জানায়নি।

এদিকে, মিঠাপুকুর থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, এরিক এরশাদ থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি। হিমাগার যারা পরিচালনা করছেন, তাদের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য হলেন মোস্তাফিজুর ও জিন্নাহ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যানের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য একেএম মোস্তাফিজুর রহমান এমপি ও শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপিকে প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাপার চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জি এম কাদের তাদের মনোনীত করেন।

জাপার কেন্দ্রীয় যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা জিএম কাদের এমপি পার্টির গঠনতন্ত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই আদেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে এই মনোনয়ন কার্যকর করা হয়েছে।

একেএম মোস্তাফিজুর রহমান কুড়িগ্রাম থেকে এবং শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ বগুড়া থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

;