ছাত্রদলের কমিটির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, নেতাদের বাড়িতে হামলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছাত্রদলের কমিটির প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ছাত্রদলের কমিটির প্রতিবাদে বিক্ষোভ

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন আহবায়ক কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তিন নেতার বাড়িতে হামলা করেছে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৯ জুন) দুপুরে জেলা শহরের কান্দিপাড়ায় জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আবু শামীম মো. আরিফ (ভিপি শামীম) এর বাড়িতে হামলা করে পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। একই দিন বিকেলে কান্দিপাড়ায় জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহবায়ক শাহীনুর ইসলাম শাহীন ওরফে ইব্রাহিম হোসেন শাহীন ও কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক কাউসার কাউন্সিলরের বাসভবনে হামলা করে তারা। এর আগে, বিকেলে পদবঞ্চিত ছাত্রদলের নেতাকর্মী কর্মীরা জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা ছাত্রদলের ৭ সদস্যের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে আহবায়ক শাহীনুর রহমান ও সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তীকে করা হয়। নবগঠিত কমিটির আহবায়ক শাহীন, সদস্য সচিব সমীর, যুগ্ম আহবায়ক এলভীন লস্কর ও আব্দুল গাফফার রিমন (শুক্রবার) সকালে জেলা কৃষকদলের আহবায়ক আবু শামীম মো. ভিপি শামিমের কান্দিপাড়ার বাসায় যান। সেখানে সদ্য ঘোষিত কমিটির সদস্যদের শুভেচ্ছা দেওয়া হচ্ছে বলে জানতে পারেন পদবঞ্চিত ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। জেলা ছাত্রদলের বিদায়ী কমিটির আহবায়ক রুবেল চৌধুরী, সদস্য সচিব মহসিন মিয়া ও যুগ্ম আহবায়ক সাজিদুর রহমানের নেতৃত্বে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা কৃষক দলের আহ্বায়কের কান্দিপাড়ার বাড়িতে দা ও লাটিশোটা নিয়ে হামলা হামলা চালায়। এসময় আবু শামীমের বাড়ির পেছন দিয়ে সদ্য ঘোষিত কমিটির সদস্যরা পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ও যুবদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের বুঝালে ছাত্রদলের বিদায়ী কমিটির সদস্যরা সেখানে থেকে চলে আসেন।

এরপর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা শহরের টিএ রোড ও পাওয়ার হাউস রোডে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। মিছিল শেষে তারা কান্দিপাড়ায় জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহবায়ক শাহীনুর রহমান ও কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক কাউসার কাউন্সিলরের বাড়িতে হামলা করে ভাংচুর চালায়। এসময় ভাঙচুর করা হয় ঘরের দরজস জানালা, গেইট ও একটি মোটরসাইকেল। তবে এসময় শাহীনুর রহমানের বাড়িতে কেউ ছিল না।

এ বিষয়ে জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আবু শামীম মো. আরিফ সাংবাদিকদের বলেন, কান্দিপাড়ার দক্ষিণ দিকের পুকুর পাড় থেকে একদল ছেলে এসে আমার বাড়ির ফটকে হামলা চালায়। তারা ফটক ভাঙার চেষ্টা করেন। তারা কেন এমন করল বুঝতে পারছি না।

এই বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক আহবায়ক ফুজায়েল চৌধুরী বলেন, যারা দীর্ঘদিন সরকার বিরোধী আন্দোলনে চালিয়ে যাচ্ছেন এবং হয়রানিমূলক মামলা খেয়েছেন তাদেরকে বাদ দিয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কবির আহমেদের অনুসারীদের দিয়ে কমিটি দেওয়া হয়েছে। কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে। যে নিজের নাম একেক জায়গায় একেক নাম ব্যবহার করেন। অথচ মাঠের কর্মীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। তাই পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে আন্দোলন শুরু করেছে।

জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহরাব আল হোসাইন বলেন, কান্দিপাড়ার বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলার বিষয়ে জানতে পেরেছি। এগুলো তাদের রাজনৈতিক অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এসব বিষয়ে তারা আমাদের সহযোগিতা চায়নি।

‘মতিহারের সবুজ চত্বরে আর কোনো রাজাকারের স্লোগান হবে না’



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

রাবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য ‘মতিহারের সবুজ চত্বরে আর কোনো রাজাকারের স্লোগান হবে না’ বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব।

স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা, রাজাকারের পক্ষে সাফাই গাওয়া ও আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীলতা তৈরির প্রতিবাদে সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এই বক্তব্য দেন।

তিনি আরও বলেন, যে রাজাকারের শাবকরা গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহারের সবুজ চত্বরে নিজেদের রাজাকার দাবি করেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ তাদেরকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। রাবি ছাত্রলীগ শেখ হাসিনার পক্ষে ছিল, শেখ হাসিনার পক্ষে থাকবে, ইনশাল্লাহ। কাল যখন আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে নিজেদের রাজাকার দাবি করিয়েছে, তখনো কিছু শিক্ষার্থী আমাদের সঙ্গে বসে খেলা দেখেছে। আমরা হুশিয়ারি করে বলতে চায়, এই মতিহারের সবুজ চত্বরে রাজাকারের পক্ষে আর কোনো স্লোগান হবে না। আমরা স্বাধীনতার পক্ষের মানুষ, স্বাধীনতার পক্ষেই থাকবো।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সর্বোচ্চ ধৈর্য্য ও ভদ্রতা দেখিয়েছে। আর একটি জামায়াত-শিবির বা, রাজাকারের প্রেতাত্মা যদি রাজাকার বলে কোনো স্লোগান দেয়, তাহলে রাবি শাখা ছাত্রলীগ আর কোনো ছাড় দিবে না। ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আমরা সবসময় কাজ করে যাবো। আমি প্রত্যেকটা হলের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছি, এখন থেকে সবাই সবার অবস্থান থেকে নিজেরা ঐক্যবদ্ধভাবে থাকবেন যেন, জামায়াত-শিবিরের প্রেতাত্মারা আর একটি সাউন্ডও না করতে পারে।

এর আগে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিকেল সাড়ে চারটা থেকে দলীয় টেন্টে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা। বিকেল পাঁচটার দিকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড প্রদক্ষিণ করে আবার দলীয় টেন্টে এসে জড়ো হয় সবাই। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক কাইয়ূম মিয়া। এসময় শাখ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

;

‘আমি রাজাকার’ স্লোগানধারীদের দেখে নেব: সাদ্দাম হোসেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন

ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা ‘আমি রাজাকার’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন, তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুরে রাজু ভাস্কর্যের সামনে আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল-পূর্ব অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, আজকের কোটা সংস্কার আন্দোলন যারা কন্ট্রোল করছে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্পূর্ণ বিরোধী। তাদের হাতে আন্দোলনের রিমোর্ট কন্ট্রোল চলে গেছে। যে কারণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এটিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে আমরা এটাকে মোকাবিলা করব। যারা আজকেও বাংলাদেশে থেকে আমি রাজাকার বলার হিম্মত রাখে আমরা তাদের দেখে নেব।

তিনি বলেন, আমরা সুস্পষ্টভাবে বলছি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যারা নৈরাজ্য তৈরি করতে চায়, রাজাকারদের তোষণ করার রাজনীতি বাংলাদেশে যারা বাস্তবায়ন করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা অনেক দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছি, বিনয়ের পরিচয় দিয়েছি, যৌক্তিক পরিকল্পিত উপায়ের জন্য শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু আজ আমরা মনে করি যে, আন্দোলনকে কন্ট্রোল করছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যারা লালন করে না তারা। তাদের হাতেই আন্দোলনের রিমোট কন্ট্রোল চলে গেছে।

;

‘ঢাবিতে ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে শিবির-ছাত্রদল’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত

ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে শিবির-ছাত্রদল বলে দাবি করেছেন ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৪টায় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, হলে হলে ঢুকে ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে শিবির-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

এদিকে, বিজয় একাত্তর হলে হামলার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ছাত্রলীগ ও ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জড়ো হচ্ছেন। এসময় তাদের দেশিও অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠিসোঠা নিয়ে ক্যাম্পাসে শোডাউন দিতে দেখা যায়।

ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈকত দাবি করেছেন, ছাত্রলীগের অন্তত ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছে খবর পাওয়া গেছে।

;

রাজাকারের চেতনা যারা ধারণ করে তারাও রাজাকার: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের/ছবি: বার্তা২৪.কম

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজাকারের চেতনা যারা ধারণ করে তারাও রাজাকার বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডাকা এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

কাদের বলেন, গতকাল (১৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত বক্তব্য আন্দোলনের নেপথ্যে নেতা, মতলববাজ, কুশিলবরা স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য বিকৃত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সংবাদ কর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, কোটা সুবিধা মুক্তিযোদ্ধার নাতি-পুতিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে! একথা তিনি যথার্থই বলেছেন।

তিনি বলেন, ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তস্নাত দেশে রাজাকারের আইন হতে পারে না। দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, মহান মুক্তিযুদ্ধ, বীর মুক্তিযুদ্ধাদের কোনো অপমান বাঙ্গালী জাতি সহ্য করবে না। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় পরাজিত অপশক্তির কোনো রকম আস্ফালন আমরা মেনে নিবো না।

সেতুমন্ত্রী বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা বা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী বেঁচে থাকতে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত পরাজিত অপশক্তির অপতৎপরতা প্রতিরোধ করা হবে। যে ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের মহান আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না, নিজেদের রাজাকার পরিচয় দিতে গৌরববোধ করে তাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে না?

যারা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল প্রতিজ্ঞাকে অবজ্ঞা করে তারা কিভাবে মেধাবী হয় প্রশ্ন রেখে কাদের বলেন, তারা কিভাবে জাতি কিংবা ছাত্র সমাজের আকাঙ্খাকে ধারণ করে?

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে ববঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা করছি। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে যে কোনো অপশক্তিকে আমরা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করবো। এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

আন্দোলনের নামে জন জীবনে কোনো রকম দুর্ভোগ মেনে নিবো না মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে কোনো সভা সমাবেশ আমরা মেনে নিতে পারি না। ইতোমধ্যে লক্ষ্য করছি, এই আন্দোলনের কুশিলব জামায়াত-বিএনপিসহ অপশক্তির স্বরুপ উম্মোচিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকলকে মুক্তিযুদ্ধের অপশক্তির আস্ফালনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবার আহবান জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রীকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দৃষ্টতা কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, অবশ্যই দৃষ্টতা, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। এটা অডাসিটি অফ হায়েস্ট অর্ডার!

প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে আন্দোলনকারীরা এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, এটা চরম দৃষ্টতা।

গতকাল রাতে ছাত্ররা নিজেদের রাজাকার বলে স্লোগান দেয়ার বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে তার জবাব দেয়ার জন্য ছাত্রলীগসহ যারা তাদের আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে তার জবাব তারাই দিবে। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত।

;