নিরপেক্ষ সরকারের শর্তে বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ নয়: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

নিরপেক্ষ সরকারের শর্ত নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, গতবারের নির্বাচনের আগের কথা আমাদের মনে আছে; এক বার নয়, দুই বার তাদের সঙ্গে সংলাপে বসেছি। রেজাল্ট কী? কোনো লাভ হয়নি। নিরপেক্ষ সরকারের শর্ত নিয়ে দলটির সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না।’

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নিষেধাজ্ঞার জন্য নালিশ করতে করতে বিএনপি এখন নিজেরাই ফাঁদে পড়েছে। তারা নিজেরাই ‘ফাঁদে পড়ে কান্দে’। এখন তারা নালিশ করে নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে পেয়েছে ভিসানীতি।

তিনি বলেন, এই ভিসানীতি নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কাকে ভিসা দেবে, কাকে দেবে না, সেটা সেই দেশের ব্যাপার। আমরাও আমাদের দেশে কাকে ভিসা দেব, কাকে দেব না, সেটাও আমাদের ব্যাপার। এ নিয়ে ভয় পাওয়ার কী আছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে যারা বিশৃঙ্খলা করবে তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নীতি প্রয়োগ হবে। বিশৃঙ্খলা করতে চায় কারা? তারা হলো বিএনপি। তাদের সঙ্গে পূর্বে দুদফা সংলাপ হয়েছিল, কোনো লাভ হয়নি। নমিনেশন বাণিজ্য করার জন্যই কি তারা সংলাপ চায়? তাই তাদের সাথে সংলাপের কথা আমরা ভাবছি না।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমদ মন্নাফির সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম ও এডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নুরুল আমিন রুহুল, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীগের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ নয়, তা বাতিল করেছে সর্বোচ্চ আদালত।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংবিধান আছে, স্বাধীন নির্বাচন কমিশন আছে, তাই নির্বাচন নিয়ে চিন্তার কারণ নেই। বিদেশি বন্ধুরা চায় সুষ্ঠু নির্বাচন, আমরা সেটাই করব। বিএনপি চায় সংসদ ভেঙে দিতে, পৃথিবীর কোথাও যা হয় না, তারা সেটাই চায়। তারা চায় সরকারের পতন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের শপথ আবার নিতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে গণতন্ত্র গিলে খেয়েছে, নির্বাচন গিলে খেয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ গিলে খেয়েছে। এদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। বিএনপি ক্ষমতা ফিরে পেলে গোটা দেশ গিলে খাবে।

শিক্ষার্থীদের শাটডাউনে বিএনপির সমর্থন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে সর্বাত্মক শাটডাউনে সমর্থন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ১২টা ১৫ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া উইং এর সদস্য দিদার হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান। 

দিদার হাসান বলেন, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ ও সশস্ত্র ছাত্রলীগের হিংস্র আক্রমণে ৭ জন শহীদ হয়েছেন। এছাড়া আজও আন্দোলনরত সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উপর র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও সোয়াতের ব্যাপক হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন। এই ন্যাক্কারজনক রক্তাক্ত ঘটনায় আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি চাকুরীতে কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা আগামীকাল ১৮ জুলাই সারাদেশে 'কমপ্লিট শাটডাউন' কর্মসূচিতে সর্বাত্মক সমর্থন জানানো হয়েছে। 

;

শাহবাগে ছাত্রলীগ-যুবলীগের অবস্থান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শাহবাগে ছাত্রলীগ-যুবলীগের অবস্থান/ছবি: বার্তা২৪.কম

শাহবাগে ছাত্রলীগ-যুবলীগের অবস্থান/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

বুধবার ( ১৭ জুলাই) সকাল থেকেই শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে তারা এ অবস্থান গ্রহণ করে।

এসময় নেতাকর্মীদের ‘তুমি কে, আমি কে, বাঙ্গালি, বাঙ্গালি’, ‘মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মূহুর্তে বাংলা ছাড়’, ‘মুজিবের বাংলায়, রাজাকারের ঠায় নাই’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়।

উল্লেখ্য, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলায় নিহতদের প্রতিবাদে দুপুরে ‘গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এনিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে বাড়ে উত্তেজনা। এর জের ধরেই বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রক্টরিয়াল বডি।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) কোটা সংস্কার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পরিণত হয়। তাই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে এদিন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।

;

দেশবাসীকে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান মির্জা ফখরুলের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর/ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা আন্দোলনে বিএনপি জড়িত না, তবে সমর্থন আছে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজপথে থাকা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে দলের নেতা-কর্মীসহ সমমনা দল ও দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার(১৭ জুলাই) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে গায়েবানা জানাজা শেষে তিনি এই আহ্বান জানান। কোটা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এই কর্মসূচির আয়োজন করে বিএনপি।

বিএনপি এই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত নয় বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ছাত্রদের ন্যায়সংগত যৌক্তিক দাবিতে আমাদের সমর্থন আছে, থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বোমা ও লাঠি রেখে অভিযানের নাটক করেছে। শিক্ষার্থীদের এই ন্যায়সংগত আন্দোলন ভিন্ন খাতে নিতে অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার চাইলে কোটাব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কার করে সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। কিন্তু তা না করে ছাত্রদের খুন করেছে।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রদের ন্যায়সংগত দাবি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত। কিন্তু শুধু জেদের বশবর্তী হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর এমন হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সরকার।

দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব বলেন, পাকিস্তান আমলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে আন্দোলন দমনের চেষ্টা করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, বায়তুল মোকাররম মসজিদের গেট বন্ধ করে গায়েবানা জানাজায় বাধা দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নেতা-কর্মীদের গেট দিয়ে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

;

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ ওবায়দুল কাদেরের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্বে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমাদের অস্তিত্বের প্রতি হামলা এসেছে, হুমকি এসেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা আমাদের করতেই হবে। কাজেই আপনারা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান।’

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগর (উত্তর ও দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তেজগাঁও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কেন রাস্তাঘাট দখল করতে যাবে? সহিংসতায় জড়াবে? এই আন্দোলনের নেতৃত্ব নিঃসন্দেহে অশুভ শক্তির হাতে চলে গেছে। সেই অবস্থায় আমরা নিশ্চুপ থাকতে পারি না।

তিনি বলেন, আমরা যারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করি, লালন করি, বিশ্বাস করি সেই চেতনা বিশ্বাসীরা আমরা চুপ করে বসে থাকতে পারি না। আমাদের অস্তিত্বের প্রতি হামলা এসেছে, হুমকি এসেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা আমাদের করতেই হবে। কাজেই আপনারা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান। এখানে বেশিক্ষণ আপনাদের ধরে রাখতে চাই না। যার যার এলাকায় যান, আজকেও তাদের ভয়াবহ তান্ডব সৃষ্টির এজেন্ডা আছে, বিধ্বংসী এজেন্ডা আছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এখানে শুধু পুলিশের শক্তি নয়, আমাদের দল, দলের যে শক্তি, যে শক্তি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ করেছে, যে শক্তি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে শৃঙ্খল মুক্ত করেছে সেই শক্তি হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আমাদের এই শক্তিকে আজ কাজে লাগাতে হবে। আমাদের যার যার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে।

দলের নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের সারাদেশের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে আমাদের নেত্রীর পক্ষ থেকে নির্দেশ দিচ্ছি, সারা দেশে সতর্ক হয়ে শক্ত অবস্থান নিয়ে এই অশুভ অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। 

তিনি বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব দম্ভ করে বলেছেন, আমরা যা পারি নাই ছাত্ররা তা করিয়ে দেখিয়েছে। এতে বোঝা যায় কোটার দাবিতে তারা নামেনি। তারা নির্বাচিত সরকারকে হটাতে চায়। ক্ষমতা দখলের জন্য কতটা মরিয়া হলে তারা শিশু কিশোরদের মিছিল ব্যবহার করে। ছাত্রদল ও শিবিরের কর্মীরা উসকানিমূলক স্লোগান, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের স্টেটাস আন্দোলনকে সরকার বিরোধী আন্দোলনে পরিণত করেছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির এক নেতার ফোনালাপের অডিও ক্লিপ থেকে বোঝা গেছে ছাত্রদলের ক্যাডারদের সংঘর্ষ হামলার নির্দেশ দিচ্ছে। এতে প্রমাণ হয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগকে পুঁজি করে বিএনপি জামায়াত আবারও সহিংসতার প্রতি হাঁটছে। তারা তাদের সশস্ত্র কেডার বাহিনী সারা বাংলাদেশ থেকে এনে এই শহরে গুপ্ত হত্যা করা শুরু করেছে। আরও অনেক বাজে পরিস্থিতি, ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টির আহবান জানাচ্ছে, উসকানি দিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়গুলো আমরা জানতে পেরেছি।

বিএনপি সারাদেশ থেকে ক্যাডার বাহিনী, প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসীদের ঢাকায় এনেছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, নাশকতা ও নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিএনপির পল্টন কার্যালয়ে গতকাল রাতে ৫/৬ বোতল পেট্রল, বিপুল সংখ্যক লাঠিসোঁটা, ৬০ টি দেশি-বিদেশি অস্ত্র, শতাধিক ককটেল জড়ো করেছিলো যা পুলিশের তল্লাশিতে উদ্ধার করা হয়।

শিক্ষার্থীদের পিতামাতার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে কাদের বলেন, আপনাদের প্রাণপ্রিয় সন্তানদের এই ধরণের আত্মবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার। কারণ বিএনপি জামায়াতের সশস্ত্র ক্যাডাররা এই আন্দোলনের নেতৃত্ব তারা নিজেরাই গ্রহণ করেছে। এই সশস্ত্র ক্যাডাররা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মিশে গিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা চরিতার্থ করার জন্য হত্যা, গুপ্ত হত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। অভিভাবকদের অনুরোধ করব তাদের সন্তানদের বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডার বাহিনীর এই আন্দোলন থেকে দূরে রাখার।

সেতুমন্ত্রী বলেন, কোনো অপশক্তির সাথে আপোষ করা যাবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধীদের আমরা কোনো ছাড় দিবো না। স্বাধীনতা বিরোধীদের আমরা কোনো ছাড় দিবো না। বিএনপি জামায়াত যদি মনে করে এসব করে তারা ছাড় পাবে, তবে তাদের বলতে চাই, আওয়ামী কোনো ছাড় লীগ দিবে না।

আমরা সবসময় ছাত্রসমাজের দাবির প্রতি সহনশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের রাষ্ট্রের অভিভাবক। সকলের যৌক্তিক দাবি তার বিবেচনায় রয়েছে। আমরা আন্দোলনকারীদের বলবো, আইনের পাশে থাকুন। সর্বোচ্চ আদালতের নির্ধারিত তারিখের শোনানির জন্য অপেক্ষা করুন। ধৈর্য ধারণ করুন। কোনো অপশক্তির উসকানি বা ষড়যন্ত্রে পা দিবেন না। ফাঁদে পা না দিয়ে অপেক্ষা করুন। তরুণ প্রজন্মের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ আশা করি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে দেশের অর্জিত গণতন্ত্র উন্নয়ন অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, আসুন আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সর্বশক্তি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সব শক্তি নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, শাজাহান খান, কামরুল ইসলাম, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী মোজাম্মেল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম প্রমুখ। 

;