স্বাস্থ্যখাত হচ্ছে দুর্নীতির বড় আখড়া: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, স্বাস্থ্যখাত হচ্ছে দুর্নীতির বড় আখড়া, দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে চিকিৎসকরা। স্বাস্থ্যখাতের সাথে সংশ্লিষ্ট আমলা ও ব্যবসায়ীরা লাখ-কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) জাপার বনানী’র কার্যালয় মিলনায়তনে এক যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. জাহিদুল বারী’র নেতৃত্বে শতাধিক চিকিৎসক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগ দেন।

তিনি আরও বলেন, করোনা মোকাবিলায় সাফল্যের চেয়ে দুর্নীতি বেশি হয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ করেছে। কোভিড মোকাবিলায় আমরা নাকি প্রাইজ পেয়েছি। বিদেশ থেকে পুরস্কার কীভাবে আসে আমরা তা জানি। দেশের মানুষ কী আপনাদের পুরস্কার দিয়েছে? বিদেশি প্রাইজের কথা বলে দেশের মানুষকে আর বোকা বানানো যাবে না। দুঃখজনক হলো, কোভিডের কথা বলেও কিছু মানুষ হাজার-হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। সকল খাত থেকেই লুটপাটের টাকা বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতে জড়িত ব্যবসায়ীরা আঙুল ফুলে কলাগাছ নয়, বটগাছ হয়েছে। দুর্নীতিরোধে কোন ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালে নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী ডাক্তার নেই এই কথা সংসদে বললে ওই হাসপাতালে ডাক্তারের সংখ্যা আরও কমে যায়। বাথরুমের সামনেও রোগী থাকে যেনো নারকীয় পরিবেশ।

তিনি বলেন, দেশের চিকিৎসা খাতে হযবরল চলছে। দেশের মানুষ কখনোই চিকিৎসা সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। দেশের বেশির ভাগ মানুষের চিকিৎসার জন্য একমাত্র ভরসা সরকারি হাসপাতাল। হাসপাতালে ডাক্তার নেই, সেবা নেই, যন্ত্রপাতি নেই। দেশের চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নেই। সংখ্যা কম থাকায় চিকিৎসকদের ওপর বাড়াবাড়ি রকমের দাবি থাকে সাধারণ মানুষের। যেটা অনেক সময় চিকিৎসকরা ম্যানেজ করতে পারে না। এ কারণেই অনেক সময় সংঘাত সৃষ্টি হয়। প্রয়োজনীয় ডাক্তার, নার্স এবং যন্ত্রপাতি থাকে না হাসপাতালে। যন্ত্রপাতি যা দেয়া হচ্ছে তা চলছে না।

তিনি আরও বলেন, বড় বড় অবকাঠামো বা বিল্ডিং বানানো হচ্ছে। মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষায় উন্নয়ন করা হচ্ছে। সকল উন্নয়নের পেছনে কিছু মানুষের ব্যক্তিগত স্বার্থ আছে। জনগণের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে কোন উন্নয়ন করা হচ্ছে না। ডাক্তার দেয়া হলে তাদের সাহ্যায্য করার লোক নেই। যারা দায়িত্বে আছেন তাদের একটাই লক্ষ্য কি করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়া যায়। যার কারণে বেশির ভাগ মানুষ চিকিৎসা সহায়তা পাচ্ছে না। চিকিৎসা খাতে কোন সাফল্য নেই।

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চেয়ে প্রতিটি উপজেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল জরুরি। বর্তমানে সরকার সংবিধানের প্রতি খুবই শ্রদ্ধাশীল। সংবিধানের বাইরে নির্বাচন তারা চায় না। একইভাবে বিএনপিও এক সময় সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তত্বাবধায়ক সরকারের বিরোধীতা করেছিলো। এখন বিএনপি তত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন করছে। আসলে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কোন সমাধান নয়। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনের পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। আনুপাতিক হারে নির্বাচন করতে পারলেই নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে।

যোগদানকারীদের মধ্যে ছিলেন প্রফেসর ডা. আজগর হোসাইন, প্রফেসর ডা. সিদ্দিকুর রহমান, প্রফেসর ডা. শহিদুল হক, ডা. আসাদুজ্জামান, ডা. মামুনুর রহমান, ডা. মো. ইমতিয়াজ, ডা. মো. জাবেদ, ডা. মো. ফয়সাল, ডা. মো. আসাদ, ডা. মাহফুজ আলম, ডা. ইসমাইল হোসেন, ডাঃ. হাসামি রাফসান জানি শাওন, ডা. রাফি, ডা. ফাহাদ খান, ডা. জিএম মাহবুব, ডা. ইসমাইল হোসেন, ডা. মাহফুজুর রহমান, ডা. দুর্জয়, ডা. বিবেক বণিক, ডা. ইরান, ডা. আশিক, ডা. আব্দুল্লাহ, ডা. শায়েব, ডা. মিনহাজ।

অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও জাতীয় পার্টি রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট উইংয়ের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম মিলনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম সেন্টু, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, কেন্দ্রীয় নেতা লে. কর্নেল তসলিম উদ্দিন, ড. জাফর সিদ্দিকী, যোগদানকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. জাহিদুল বারী, ডা. মোস্তাকিমুল ইসলাম, ডা. খালেদ সুফিয়ান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মমতাজ উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান লিপটন, ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল আহসান শাহজাদা, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নাসির উদ্দিন সরকার, মো. হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন খালেদ, এমএ রাজ্জাক খান প্রমুখ ।

   

সরকারের কাছে মানুষের জীবনের মতো তুচ্ছ আর কিছু নেই: মান্না



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে মানুষের জীবনের মতো তুচ্ছ আর কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

শনিবার (২ মার্চ) বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ব্যাংক-অর্থনীতি ধ্বংসকারী ও অর্থ পাচারকারী সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করে। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার আন্দোলন।

সভায় বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গ তুলে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বেইলি রোড নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, সেটি দেখে আমি খুব অবাক হয়েছি, ব্যথিত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ওই ভবনে একটি অগ্নি নির্বাপন যন্ত্রও ছিল না। এই লোকগুলোকে এত করে বলেছি, তারা সচেতন হয়নি। মানে উনি বোঝাতে চেয়েছেন, এই যে দুর্ঘটনা হলো, দোষ সব মানুষের যারা মরেছে, যারা এখানে দোকান, রেস্টুরেন্ট, ব্যবসা করেছে। উনি বলছেন, ওরা কথা শুনেনি, মানেনি, তাই মরেছে। কথার মানে কি তাই দাঁড়ায় না? এই ঘটনায় কি কোনো মামলা হতে পারে? আমি পত্রিকায় বিবৃতি দেখলাম, নগর পরিকল্পনাবিদ ও সমাজ নিয়ে যারা ভাবেন তারা বলেছেন, এটা একটি হত্যাকাণ্ড। এটা নিমতলীর সময় বলা হয়েছিল, এফ আর টাওয়ারের সময় বলা হয়েছিল। আমাদের দেশে মানুষের জীবনের মতো তুচ্ছ আর কিছু নেই অন্তত সরকারের কাছে।

তিনি আরও বলেন, রাজপথের বিজয়, জনগণের বিজয় বোঝার মতো ক্ষমতা আওয়ামী লীগ হারিয়ে ফেলেছে। একদিন এই পরিস্থিতি বদলাবে। সেই বদলানোর জন্যই আমরা কাজ করছি। সেই দিন সমাগত। সামনে মানুষ নিজেরা বাঁচার তাগিদে ভোট, ভাত ও গণতন্ত্রের দাবিতে রাজপথে নামবে। সেই লড়াই হবে চূড়ান্ত।

বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইঞ্জি. মোফাজ্জল হোসেনের সঞ্চালণায় প্রতিবাদ সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাড. সৈয়দ এহসানুল হুদা। আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এ জেড খান মো. রিয়াজ উদ্দিন নসু, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমতুল্লাহ, আলমগীর হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম, তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মনিরুজ্জামান মনির, কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ আব্দুল্লাহ আল বাকি, যুব জাগপার সভাপতি মীর আমির হোসেন আমু, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ।

;

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের দায় সরকার এড়াতে পারে না: প্রিন্স



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় অর্ধশত মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, এই মর্মান্তিক মৃত্যুর দায় সরকার এড়াতে পারে না। বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড এবং অসংখ্য মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু প্রমাণ করে সরকার রাষ্ট্রীয় প্রশাসনকে কতটা অক্ষম এবং ভঙ্গুরে পরিণত করেছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) বিকালে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার গাঙীনা বাজার ও ধারা বাজারে গণ সংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, বিদ্যুৎ খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে সরকারের লোকেরা নিজেদের পকেট ভরে সেই লুটপাটের দায় জনগণের ওপর চাপাতে বিদ্যুৎ এর মূল্য বৃদ্ধি করছে। জনগণের নির্বাচিত সরকার নয় বলেই জনগণের চরম দুঃসময়ে তারা বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মতো গণবিরোধী পদক্ষেপ নিতে পারে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ,গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নতুন বছরে ডামি সরকারের ডামি উপহার। সরকারের এই ডামি উপহার বিরাজমান অর্থনৈতিক সঙ্কটকে আরও তীব্র করবে। জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাবে। এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধগতিতে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আসলাম মিয়া বাবুল, হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ, সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ,বিএনপি নেতা আলী আমজাদ দিপু, মোতালেব হোসেন, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সদস্য মোতালেব হোসেন, বিএনপি নেতা মোরশেদ খান, হালুয়াঘাট উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান, সহ-সভাপতি আবুল কাশেমসহ প্রমুখ।

;

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাসির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে নতুন সভাপতি হিসেবে রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাসির উদ্দীন নাসিরকে মনোনীত করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, দপ্তর সম্পাদক মোহা. জাহাঙ্গীর আলম এবং প্রচার সম্পাদক শরিফ প্রধান শুভ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের নেতৃত্বাধীন বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের ৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আংশিক কমিটির অনুমোদন করা হলো। নবগঠিত এই আংশিক কমিটিতে রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি এবং নাসির উদ্দীন নাসিরকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

 

;

ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি সাহস, সাধারণ সম্পাদক শিপন



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কমিটিতে সভাপতি পদে মনোনীত হয়েছেন গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন নাহিদুজ্জামান শিপন।

শুক্রবার (১ মার্চ) বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিজ্ঞপ্তিতে একইসাথে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদেরও নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ বি এম ইজাজুল কবির রুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি দেওয়া হয়েছে।

নতুন এ কমিটির সভাপতি গণেশ সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য বিদায়ী কমিটিতে ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০-১১ শিক্ষা বর্ষের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনিও সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া নবগঠিত এ কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মাসুম বিল্লাহ, সহ-সভাপতি পদে আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন শাওন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শামীম আক্তার শুভ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নূর আলম ভুইয়া ইমনকে মনোনীত করা হয়েছে।

;