গ্রামেগঞ্জে পদযাত্রা করে নৈরাজ্য-সন্ত্রাস ছড়াতে চায় বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
গ্রামেগঞ্জে পদযাত্রা করে নৈরাজ্য-সন্ত্রাস ছড়াতে চায় বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

গ্রামেগঞ্জে পদযাত্রা করে নৈরাজ্য-সন্ত্রাস ছড়াতে চায় বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, 'বিএনপির উদ্দেশ্য শুভ নয়। তারা বিভিন্ন গ্রামেগঞ্জে পদযাত্রা করে তাদের নৈরাজ্য সন্ত্রাস গ্রাম পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ এটা হতে দেবে না এবং আওয়ামী লীগ সতর্ক পাহারায় থাকবে।'

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন আয়োজিত বাজুস ফেয়ারে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, 'আগে বিএনপি বিভিন্ন শহরে পদযাত্রা করেছে। এখন তারা ইউনিয়ন-ইউনিয়নে পদযাত্রা করবে বলেছে। শহরে যখন তারা পদযাত্রা করেছে, বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছে। তাদের উদ্দেশ্য শুভ নয়।'

তিনি বলেন, 'বিএনপি বিভিন্ন ইউনিয়নে অর্থাৎ গ্রামেগঞ্জে পদযাত্রা করে তাদের যে নৈরাজ্য সন্ত্রাস, সেটি গ্রাম পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ এটা হতে দেবে না। আমাদের দল সতর্ক পাহারায় থাকবে। তারা যদি গ্রামেগঞ্জে বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা চালায়, জনগণ তাদেরকে প্রতিহত করবে।'

বিএনপিনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, 'বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে শাস্তিপ্রাপ্ত একজন আসামি। তিনি এখন জেলেই থাকার কথা ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সদয় হয়ে তার প্রশাসনিক ক্ষমতাবলে আসামির বয়স ও নানা সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে তাকে ঘরে থাকার অনুমতি দিয়েছেন। এ জন্য বিএনপি মহাসচিবের উচিত ছিল প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দেওয়া।'

তথ্যমন্ত্রী এর আগে 'সেলিব্রিটিদের গহনা ভাবনা' সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, আমাদের রপ্তানি ঝুড়ি প্রায় পুরোটাই গার্মেন্টস শিল্পনির্ভর হয়ে গেছে। রপ্তানির শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগই তৈরি পোষাক। বাণিজ্যে বহুমুখিতা প্রয়োজন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এতে যুক্ত হয়েছে। জুয়েলারি শিল্প একটি বড় আঙ্গিকে রপ্তানিতে যুক্ত হতে পারে।

ড. হাছান বলেন, 'আমাদের দেশে ভাল কারিগর আছে। এখন থেকে প্রস্তুতি নিলে আগামীতে আমরা বছরে কয়েক বিলিয়ন ডলারের জুয়েলারি রফতানি করতে সক্ষম হবো।'

সেমিনারে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন-বাজুস সভাপতি সায়েম সোবহান আনভীরের ধারণকৃত বক্তব্য প্রচারিত হয়। বাজুসের সাবেক সভাপতি দিলীপ কুমার রায়ের সভাপতিত্বে বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলনের সঞ্চালনায় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, এফবিসিসিআই সহসভাপতি আমিন হেলালী, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অপু বিশ্বাস প্রমুখ সেমিনারে বক্তব্য দেন। এ সময় মঞ্চে উপস্থিতদের সাথে নিয়ে বাজুস প্রকাশিত 'সম্ভাবনার স্বর্ণদুয়ার' সাময়িকীর মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্যমন্ত্রী।

   

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেনের মুক্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেনের মুক্তি

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেনের মুক্তি

  • Font increase
  • Font Decrease

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি'র নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হন। 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান সোহাগ উদ্দিনের আদালত শুনানি শেষে তার জামিনের আদেশ দেন। 

উল্লেখ্য, গত ৪ নভেম্বর ভোরে রাজধানীর উত্তরা থেকে আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে আটক করে র‌্যাব। ৫ নভেম্বর আলতাফ হোসেন চৌধুরীর জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার সিএমএম আদালত। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। 

;

ছাত্রলীগের পরিচয়ে অপকর্ম, বিব্রত ক্ষমতাসীনরা



রুহুল আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টানা ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকার কারণে ক্ষমতাসীন দলের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মী অনেকটাই লাগামহীন হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেয়া বঙ্গবন্ধুর হাতেগড়া সংগঠনটির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা প্রায়ই নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হচ্ছে।

ছাত্রলীগ যখন গণমাধ্যমে নেতিবাচক শিরোনাম হচ্ছে তখন বিব্রতকর অবস্থার মুখোমুখি হচ্ছেন অভিভাবক সংগঠন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরাও। ৭৬ বছরের পুরোনো এই সংগঠনটির ঐতিহ্য কোনোভাবেই যেন ম্লান না হয় তা নিয়ে সতর্ক জ্যেষ্ঠ নেতারা।

সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ধর্ষণ, মাদকসহ নানা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে প্রায়ই শিরোনাম হচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের ভ্রাতৃপ্রতিম এই সংগঠনটি।

জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সারা দেশে সমালোচনায় মুখে ফেলেছে ছাত্রলীগকে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে আবাসিক হলে স্বামীকে আটকে রেখে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। তার সঙ্গে ছিলেন তার পরিচিত মামুনুর রশীদ মামুনসহ আরও ছয়জন।

চায়ের দোকানে বসার মত তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তিনটি গ্রুপ। গত বুধবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত টানা তিনদিন সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশসহ আহত হন প্রায় ৮০ জন। ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পূজার কনসার্টকে কেন্দ্র করে দুই নেতার অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হন প্রায় ১৫ জন।

১৭ ফেব্রুয়ারি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগ সভাপতির সামনে লুঙ্গি পরে চলাচল ও সালাম না দেওয়ায় এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের খবরও উঠে এসেছে গণমাধ্যমের খবরে।

ছাত্রলীগের এমন নেতিবাচক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে গত ২০ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিকরা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি এ ধরণের ঘটনায় কঠোর হওয়ার বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংগঠনটির সাবেক কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারাও বিব্রত হচ্ছেন। বলছেন, অনেক ভাল কাজও একটি-দুটি মন্দ কাজের কারণে হারিয়ে যাচ্ছে। তাই তারাও চান, ছাত্রলীগ যেন ভুলগুলো শুধরে নিয়ে ছাত্রদের কল্যাণে, দেশের কল্যাণে কাজ করে।

শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নেতিবাচক ঘটনা এড়াতে ছাত্রলীগের কর্মী সংগ্রহ ও কমিটি দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। এরপরেও যদি কোন ঘটনা ঘটে যায় সেক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি সংগঠনটি এই দুইটি ক্ষেত্রে সচেতন থাকে তাহলে অনেকক্ষেত্রেই অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে। অভিভাবক সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগেরও দায়িত্বের কথাও তুলে ধরেন তারা। ছাত্রলীগের যে কোন অন্যায় কাজ যেন প্রশ্রয় না পায় সে বিষয়ে নজর রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের পথ বিচ্যুতির কারণ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বার্তা২৪.কমকে বলেন, ছাত্রলীগে ছাত্র পরিচয়ে এমন কিছু ব্যক্তি ঢুকে গেছে তারা ছাত্র কি না সন্দেহ আছে। তাদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিন্দুমাত্র নেই। তারা এখানে ঢুকেছে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের জন্য। আওয়ামী লীগ যেহেতু এখন ক্ষমতায় এবং ছাত্রলীগ তাদের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন তাই ক্ষমতার সুযোগ সুবিধাগুলো নেওয়ার জন্য এখানে ঢুকেছে।

ছাত্রলীগ পরিচয়ে অপকর্মরোধে কর্মী সংগ্রহে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, যারা অপকর্মে জড়িত তারা বাণিজ্যিক স্বার্থে বা ব্যক্তিগত স্বার্থে ছাত্রলীগে প্রবেশ করছে। ছাত্রলীগে ঢুকে ছাত্রলীগের সুনাম ক্ষুন্ন করার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সুনামও ক্ষুন্ন করছে এরা।

ভবিষ্যতে ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে কেউ যেনো অপকর্ম না করতে পারে সেজন্য পরামর্শ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই উপাচার্য বলেন, ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণ যেহেতু আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেই হয় তাই নেতৃবৃন্দের উচিত হবে ছাত্রলীগকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য যে ধরণের নেতৃত্বের প্রয়োজন হবে সে ধরণের নেতৃত্বকে দায়িত্ব দেয়া। নেতৃত্বে গিয়ে কেউ যদি বিচ্যুত হয় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সে নেতৃত্বকে বহিষ্কার করা। ছাত্রলীগ ও তার প্রতিটি ইউনিটের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব হবে সংগঠনে যে অনৈতিক কার্যকলাপ হচ্ছে সেগুলো যারা করে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

ছাত্রলীগ ছাত্রদের নিয়ে কাজ করুক এটাই প্রত্যাশা জানিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল বার্তা২৪.কমকে বলেন, ছাত্রলীগ ভাল থাকবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টা আমাদের না, পদক্ষেপ নেবে ছাত্রলীগ। আমরা পরামর্শ দিতে পারি। ওরা চেষ্টা করছে। আমাদের পরামর্শ থাকবে ভালভাবে চলবে। নিয়মনীতির মধ্যে থাকবে, দেশপ্রেমের মধ্যে থাকবে, শিক্ষাঙ্গন নিয়ে কথা বলবে, ছাত্রদের নিয়ে এগিয়ে যাবে।

ছাত্রলীগের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বার্তা২৪.কমকে বলেন, সংগঠনকে গতিশীল করতে, সবরকম নেতিবাচক বিষয় থেকে দূরে রাখার স্বার্থে আমরা সংগঠনের গঠনতন্ত্রকে কঠোরভাবে পালন করছি। নিজেদের মধ্যে নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও মুজিববাদের চেতনাকে আরও জাগ্রত করে যেন সুন্দর একটি বাংলাদেশ তৈরি করতে পারি সে লক্ষ্যে আমরা নিবেদিতভাবে কাজ করছি।

;

বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনা হত্যা সুপরিকল্পিত: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনা হত্যা সুপরিকল্পিত: রিজভী

বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনা হত্যা সুপরিকল্পিত: রিজভী

  • Font increase
  • Font Decrease

বিডিআর বিদ্রোহের নামে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সুপরিকল্পতভাবে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  

তিনি বলেন, সুপরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের পর বাংলাদেশ আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এখন হুমকির সম্মুখীন। অস্তিত্ব সংকটে দেশ। অরক্ষিত দেশের সীমান্ত। দেশটাকে নিয়ে ভাগবাটোয়ারার হাট বসানো হয়েছে।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন দলের পক্ষ থেকে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ঘটে। ইতোমধ্যে ১৫ বছর পার হয়ে গেলেও এমন বর্বরোচিত ঘটনার আজ পর্যন্ত বিচার সম্পন্ন হয়নি। বরং বিডিআর বিদ্রোহের নামে পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞের দায়ে যাদের কারাগারে থাকার কথা ছিল তারাই এখন অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছে। অথচ বছরের পর বছর ধরে কারাগারে বিনা বিচারে মানবেতর জীবনযাপন করছে শত শত বিডিআর সেনা।

একদিনে একসঙ্গে এতসংখ্যক সেনা কর্মকর্তার প্রাণ দেওয়া বিশ্বে নজির উল্লেখ করে বিএনপি নেতা বলেন, মাত্র একদিনে এত সংখ্যক সেনা কর্মকর্তা হত্যার নজির বিশ্বের আর কোথাও নেই। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে এতসংখ্যক সেনা কর্মকর্তাকে প্রাণ দিতে হয়নি।

রিজভীর দাবি, ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন মানুষের বীভৎস হত্যাকাণ্ডের এই দিনটি অবশ্যই প্রতিবছর জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হওয়া উচিত ছিল। প্রতি বছর যেভাবে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ২১ ফেব্রুয়ারি পালিত হয়, উচিত ছিল দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার শপথ নিয়ে একইভাবে যথাযথ রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব সহকারে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনটিও পালন করা। অথচ সচেতনভাবেই গুরুত্বহীন আর অবহেলায় বাংলাদেশের ইতিহাসের ভয়াবহতম দিনটি প্রতিবছর প্রায় নীরবেই পার করে দেওয়া হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসের ভয়াবহ এই দিনটিকে কেন যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছেনা? সংশয়-সন্দেহ-রহস্য এখানেই।

তিনি আরও বলেন, প্রশ্ন হচ্ছে, মিয়ানমারের তিন শতাধিক সেনা ফেরত পাঠানো গেলেও এত বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও কেন মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো যায়নি। ক্ষমতালিপ্সা কারণে স্বাধীন বাংলাদেশ মনে হয় এখন ‌‘ব্যানানা রিপাবলিকে’ পরিণত হয়েছে। সীমান্তে একের পর বাংলাদেশি নাগরিক খুন হচ্ছে। এমনকি বিজিবি সদস্য হত্যা হলেও বাংলাদেশ প্রতিবাদ করার সাহস পর্যন্ত হারিয়ে ফেলেছে।

;

খালেদা জিয়ার সঙ্গে আমীর খসরুর সাক্ষাৎ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে খালেদা জিয়ার গুলশনের বাসভবন ফিরোজায় যান তিনি। রাত ৯টা ৫মিনিটে আমীর খসরু সেখান থেকে বের হন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি কারামুক্ত হয়ে আজ বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।

এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ৩ মাসের বেশি সময় কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান মির্জা ফখরুল ও আমীর খসরু।

;