বাধা ডিঙিয়ে রাজশাহীতে বিএনপির নেতাকর্মীরা, দুপুরে সমাবেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশের দুই দিন আগে বৃহস্পতিবার থেকে বিভাগজুড়ে থেকে চলছে গণপরিবহন ধর্মঘট। শুক্রবার থেকে এর সঙ্গে শুরু হয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ধর্মঘটও। এতো বাধা বিপত্তির পরও রাজশাহীমুখী বিএনপির নেতাকর্মীরা।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ। নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ সমাবেশকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে বিভাগের বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরা সমাবেশ মাঠের পাশের ঈদগাহ মাঠে শীতের রাতে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। তবে গতকাল রাত পর্যন্ত সমাবেশ মাঠে প্রবেশের অনুমতি পাননি বিএনপির নেতাকর্মীরা। পুরো মাঠ ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।

এদিকে, সমাবেশে যোগ দিতে শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) রাতে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

মোহাম্মদ আলী পেছনে একজনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বগুড়া থেকে ১১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে রাজশাহী এসে পৌঁছান বৃহস্পতিবার রাত ৯টায়। পথে যেখানেই পুলিশের চেকপোস্ট দেখেছেন, সেখানেই ভিন্নপথে সেই চেকপোস্ট পার হয়েছেন তিনি।

তার মতো বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশের দুদিন আগেই সমাবেশস্থলে এসে পৌঁছেছেন বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী।

বাস মালিকদের ডাকা পরিবহন ধর্মঘটের কারণে মোহাম্মদ আলীর মতো শত শত নেতাকর্মী ভিন্ন উপায়ে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের জন্য রাজশাহী আসছেন। তবুও পথে বাধা পড়ছে।

নওগাঁ সদর থেকে ১২ জনের একটি দলের সঙ্গে এসেছেন বৃদ্ধ মো. আবুজার (৬৬)। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় নওগাঁ থেকে তারা রওনা দেন রিকশায় চড়ে। বান্দাঘরা এলাকায় এসে রিকশা থেকে নেমে সিএনজিতে ওঠেন। এরপর বাগমারায় এসে নামেন। এখানে ওঠেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায়। বাগমারা থেকে মোহনগঞ্জ আসার পর আবার সিএনজিতে ওঠেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র রফিকুল আলম বলেন, পুলিশ সবগুলো প্রবেশপথেই চেকপোস্ট পরিচালনা করছে যেন অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা না ঘটে। তবে নেতাকর্মীদের সমাবেশে আসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ সঠিক নয়। কিন্তু অবৈধ যানবাহন, যেগুলো শহরে ঢোকা বারণ, সেগুলোতে কেউ এলে তো বাধা দেওয়া হবে।

বিএনপির সমাবেশের আগে সাধারণ মালিকদের পাশাপাশি সরকারি বিআরটিসি বাসও বন্ধ রয়েছে। তবে চলাচল করছে ট্রেন। একটি কমিউটার ট্রেনে চড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এসেছেন সোনাইচণ্ডিহাট এলাকার বাসিন্দা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক মজিবর রহমান। ট্রেনের ভেতরে এবং স্টেশনে পুলিশ রাজশাহী যাওয়ার কারণ জানতে চেয়েছে বলে জানান তিনি।

মজিবর বলেন, রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যাচ্ছি বললে পুলিশ বলেছে যেতে দেওয়া হবে না। আমি বলেছি, আমি যাবই। টিকিট কেটেছি, আমি যাব।কেউ আটকাতে পারবে না। তখন আর পুলিশ ঝামেলা করেনি। তিনি বলেন, বিএনপি তিন ঘণ্টার একটা সমাবেশ করার অনুমতি পেয়েছে। কিন্তু বাস বন্ধ করে দেওয়ার কারণে এই সমাবেশ তিন দিনের হয়ে গেছে। তিন দিন আগে থেকেই নেতাকর্মীরা এসে একত্রে থাকছে।

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কে হবেন, ঠিক করবেন শেখ হাসিনা: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়ভার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করতে দলীয় সভাপতিকে একক ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করি। তখন সভায় উপস্থিত সবাই তা সমর্থন করে।

ইতিমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে আগ্রহী প্রার্থীদের।১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।

১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তাতে নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওই আইনের সপ্তম ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী কর্মকর্তা নির্ধারিত দিন, সময় ও স্থানে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করবেন। প্রার্থী একজন হলে এবং পরীক্ষায় তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে ইসি।

;

আ.লীগের সংসদীয় দলের বৈঠক শুরু, কে হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কে হচ্ছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি! এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। এরমধ্যে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্বাচনে মঙ্গলবার (৭ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় বৈঠকে বসেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দল।

এতে সভাপতিত্ব করছেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সূত্র জানায়, সোমবার পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে দুটি নাম বেশি আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান। এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোশাররফ হোসেন।

ইতিমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে আগ্রহী প্রার্থীদের।১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।

১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তাতে নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওই আইনের সপ্তম ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী কর্মকর্তা নির্ধারিত দিন, সময় ও স্থানে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করবেন। প্রার্থী একজন হলে এবং পরীক্ষায় তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে ইসি।

আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সবশেষ ষষ্ঠ সভা হয় ১২ জানুয়ারি। ওই সভায় প্রবীণ রাজনীতিক মতিয়া চৌধুরীকে সংসদ উপনেতা করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

;

অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করে: জিএম কাদের

অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করে: জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, দেশের মানুষের পক্ষে সরকারের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিতে সরকারের সমালোচনা করছি, সরকারের সমালোচনা কখনোই রাষ্ট্রদ্রোহিতা হতে পারে না। অনেকেই সরকারের বিরোধিতাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মনে করেন।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয়ে কুমিল্লা জেলা জাতীয় পার্টি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের আরও বলেন, সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের রাজনীতি দেশের মানুষের জন্য তাই, আমরা দেশের মানুষের জন্য কথা বলি। সরকার দেশের মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। সরকারি দল না করলে চাকরি মেলে না, ব্যবসা করা যায় না। স্বাধীনতার আগে পাকিস্তানীরা আমাদের সাথে বৈষম্য করেছিল। সেই বৈষম্যের বিরুদ্ধেই আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখনো দেশের মানুষ বৈষম্যের শিকার। দেশের মানুষের সাথে বৈষম্য হচ্ছে স্বাধীনতার চেতনা পরিপন্থী।

তিনি বলেন, নির্বাচনে আমরা জোটবদ্ধ হওয়াকে বন্ধুত্ব মনে করি। জোটবদ্ধ হওয়া মানে ক্রীতদাস হওয়া নয়, জোটবদ্ধ মানে দাসত্ব নয়। আমরা রাজনীতি করি, দেশের মানুষের স্বার্থই আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষ বিভিন্নভাবে নিষ্পেশিত হচ্ছে। প্রতিদিন দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে। আবার মানুষের আয়ও কমে যাচ্ছে। এ কারণেই মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। দেশের মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক রওশন আরা মান্নান এমপি, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক এয়ার আহমেদ সেলিম, সদস্য সচিব হুমায়ুন কবির মুন্সি বক্তব্য রাখেন।

উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা প্রফেসর গোলাম মোস্তফা, মমতাজ উদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দিন, এনাম জয়নাল আবেদীন, দফতর সম্পাদক-২ এমএ রাজ্জাক খান প্রমুখ ।

;

যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান। এখন অগ্রাধিকার হলো অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিশৃঙ্খলাকে নিয়ন্ত্রণে আনা। এ জন্য প্রয়োজন জনগণের সচেতনতা।’

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মৎস ভবন মোড়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উদ্যোগে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

ইজিবাইকগুলো নীতিমালার মধ্যে নিয়ে আসার কাজ শেষ পর্যায়ে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেলের পিলারে যারা পোস্টার লাগিয়েছেন তারা নিজ দায়িত্বে সেগুলো সরাবেন, অন্যথায় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সড়কে নিরাপত্তা সবাই চায়, ফলে সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রতিদিন আছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে যে কর্মসূচি তা পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচি নয়। জনগণের জানমাল রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। আর তাই নির্বাচনের আগে আমাদের দলীয় কর্মসূচি থাকবে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের কর্মসূচি পালন করছি, কোনো সংঘাতে যাচ্ছি না। ২০১৩-১৪ সালে আমরা দেখেছি তারা (বিএনপি) কর্মসূচির নামে আগুন সন্ত্রাস, রেল স্টেশন, ভূমি অফিস পুড়িয়ে দিয়েছিল। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া আমাদের কর্তব্য। কাজেই সারা বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সতর্ক পাহারায় থাকবো।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের সংসদীয় বৈঠকে এটা এজেন্ডা আকারে আসতে পারে। আজ সবকিছু হয়ে যাবে এমন নয়। ১৯ তারিখ নির্বাচন, তার আগে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটিই বাস্তবায়ন করা হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত যেটা সিদ্ধান্ত নেবেন সেটি আমাদের দল মেনে নেবে। আমাদের সভাপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এমনও হতে পারে আমরা সংসদীয় দলের প্রধানের কাছে দায়িত্ব দিতে পারি।

;