প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে উৎসবমুখর চট্টগ্রাম



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ও দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘ দশ বছর পর জনসভায় যোগ দিতে রোববার চট্টগ্রামে আসছেন। এ উপলক্ষে উৎসবের আমেজ পুরো চট্টগ্রামে।

নগরজুড়ে চলছে সাজসজ্জা ও প্রচার-প্রচারণার কাজ। চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নগরীর পলোগ্রাউন্ডে এ জনসভার আয়োজন চলছে।

তিনি সকালে ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে সামরিক বাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখান থেকে দুপুরে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে আসবেন। স্টেডিয়াম থেকে গাড়িতে করে প্রধানমন্ত্রী পলোগ্রাউন্ডে জনসভায় যোগ দেবেন।

তিনি চট্টগ্রামে সর্বশেষ জনসভায় এসেছিলেন ২০১২ সালের ২৮ মার্চ। সেদিন তিনি পলোগ্রাউন্ডে ১৪ দলের মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন। ১০ বছর ৯ মাস পর একই মাঠে আবার ভাষণ দেবেন তিনি।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে নেতাকর্মীদের মধ্যে। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এমপি, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, উত্তর জেলা সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ ইতোমধ্যে জনসভার মাঠ পরিদর্শন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ গত ১৯ নভেম্বর মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে প্রস্তুতি সভা করেছিলেন।

চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার স্থলকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি বলেন, চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভূতপূর্ব উন্নয়ন কাজ করেছেন। তাই ৪ ডিসেম্বর জনসভায় আওয়ামী লীগ ছাড়াও সাধারণ জনগণও উপস্থিত হবে। এ কারণে এবারের জনসভা একটি ঐতিহাসিক জনসভায় রূপ নিবে। পলোগ্রাউন্ড মাঠ ছাপিয়ে বাইরেও জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, আমাদের নেত্রী আসবেন। এটা আমাদের জন্য পরম আনন্দের। দীর্ঘদিন পর আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশ হচ্ছে পলোগ্রাউন্ডে। এখানে ভাষণ দেবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী।

উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন, আগামী ৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি সমাপ্তির পথে। আশা করি, এবার জনসভায় লোক জমায়েতে অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। জনসভা স্বাচ্ছন্দ্যে দেখতে মাঠের বাইরেও এলইডি টিভি বসানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, পটিয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ৬ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছেন। তাই পটিয়াবাসী উন্মুখ হয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রীকে তাদের কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য। পটিয়া থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সর্বস্তরের মানুষ জনসভায় উপস্থিত হবেন।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম সফরে ৩০টি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ৪টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এ জন্য জনসভার মঞ্চের পাশে ভিত্তিফলকগুলো স্থাপন করা হয়েছে।

   

সংসদ নির্বাচনে ১৯৬৯ প্রার্থী মধ্যে ১৪৫৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত



জাহিদ রাকিব, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন (ইসির) নিবন্ধিত দল হিসেবে ৪৪টি রাজনৈতিক দলের ২৮টি দল অংশগ্রহণ করে। এ নির্বাচনে ২৮ দলের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে এক হাজার ৯শ ৬৯ জন অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে এক হাজার চারশ ৫৪ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে, ২৮টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৩ দলের কোনো প্রার্থী নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারেননি।

প্রায় ৭৩ শতাংশ প্রার্থী তাদের জামানত রক্ষার জন্য ন্যূনতম ভোটও পাননি। রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থীর সঙ্গে এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়া রেকর্ড সংখ্যক দলও জামানত হারিয়েছে। ইসি সূত্রে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া ২৮ দলের মধ্যে ২০ দলের প্রার্থীরা সবাই জামানত হারিয়েছেন।

৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দল নির্বাচন বর্জন করে। বর্জন করা রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ১৬টি।

ইসি সূত্রে জানা যায়, ৩০০ আসনের সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে সরকারি দল আওয়ামী লীগ, সংসদে বিরোধীদল জাতীয় পার্টিসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন।

বাজেয়াপ্ত তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ঢাকা জেলা প্রার্থীদের। এখানে ১৩১ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এসময় সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে দুই কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

  • নির্বাচনে প্রার্থী- এক হাজার ৯শ ৬৯ জন
  • জামানত বাজেয়াপ্ত- এক হাজার চারশ ৫৪ জনের
  • সরকারি কোষাগারে টাকা জমা- দুই কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা
  • নির্বাচনে নেওয়া ২৮ দলের ২৩ দলের কেনো প্রার্থী জিততে পারেননি

গত ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনেও রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। সেখানে ২৯৮ আসনে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে এক হাজার ৮৫৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে এক হাজার ৪২২ জন অর্থাৎ প্রায় ৭৭ শতাংশ (৭৬.৬১) প্রার্থীই জামানত হারান। তার মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে ২৫৬ আসনে বিএনপি প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারান ১৫২ জন।

একাদশ সংসদের ৫৭ সদস্য পরাজিত
এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া একাদশ সংসদের ৫৭ জন সংসদ সদস্য পরাজিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নয়জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছেন। বাকি ছয়জনের তিনজন জাতীয় পার্টির, একজন বিকল্পধারা বাংলাদেশের, একজন গণফোরামের ও আরেকজন তরীকত ফেডারেশনের।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান সিলেট-৬ আসনের শমশের মবিন চৌধুরী। চট্টগ্রাম-২ আসনে তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, মুন্সীগঞ্জ-২ থেকে বিকল্পধারা দলের প্রার্থী মাহি বি চৌধুরী। সিলেট-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি মোকাব্বির খান, নেত্রকোনা-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত কিশোরগঞ্জ-২ আসনে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।

এছাড়া এই তালিকায় আরো রয়েছেন, চাঁদপুর-৪ আসনে বিএনএমের মহাসচিব ড. মোহাম্মদ শাহজাহান, ঢাকা-১৮ আসনে জাতীয় পার্টির শেরিফা কাদের, পাবনা-২ আসনে বিএনএম–এর প্রার্থী সংগীতশিল্পী ডলি সায়ন্তনী, রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। রাজশাহী-৬ আসনে জাতীয় পার্টির শামসুদ্দিন রিন্টু। নাটোর-৩ আসনে জাতীয় পার্টির আনিসুর রহমান। কুমিল্লা-২ আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আবদুছ ছালাম। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এছাড়া, চট্টগ্রাম-১০ আসনে ১০ প্রার্থী অংশ নিয়ে আটজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারান আটজন। ঢাকা-৮ থেকে ১১ জন প্রার্থী হয়ে ১০ জনই জামানত হারান। ঢাকা-১৪ আসনে ১৪ প্রার্থী অংশ নিয়ে ১২ জনই জামানত হারান।

জামানত বাজেয়াপ্তের বিষয়ে ইসি কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুসারে, মনোনয়নপত্র কেনার সময় একজন প্রার্থীকে জামানত হিসাবে ২০ হাজার টাকা নির্বাচন কমিশনে জমা রাখতে হয়। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা তার বেশি ভোট পেলে জামানত হিসাবে রাখা ২০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়। নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট কোনো প্রার্থী যদি না পান, তা হলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়।

বিগত নির্বাচনগুলোতে যত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
নির্বাচন কমিশনের ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৮ সাল থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিসংখ্যান প্রতিবেদন অনুযায়ী- ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১৫৩ আসনের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন। সেই নির্বাচনে ১৪৭ আসনে ৩৯০ জন প্রার্থী মধ্যে ১৬৩ জন জামানত হারান।

২০০৮ সালের নির্বাচনে মোট এক হাজার ৫৫৭ প্রার্থীর মধ্যে ৯৪১ জন জামানত হারান। তার আগে ২০০১ সালের নির্বাচনে এক হাজার ৯৩৯ জন প্রার্থীর মধ্যে এক হাজার ২৫৯ জন, ১৯৯৬ সালের ১২ জুনে নির্বাচনে দুই হাজার ৫৭৪ জন প্রার্থীর মধ্যে এক হাজার ৭৬০ জন, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে দুই হাজার ৭৮৭ প্রার্থীর মধ্যে এক হাজার ৯৩৪ জন জামানত হারান।

২০১৮ সালের নির্বাচন এক হাজার ৮৫৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তার মধ্য থেকে এক হাজার ৪২২ প্রার্থী জামানত হারান। এছাড়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি ছাড়া মাত্র একটি দল নির্বাচনে অংশ নেয়। ১২ দিনের সংসদের মেয়াদের এই নির্বাচনের বিস্তারিত কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি ইসি।

;

আওয়ামী লীগ বাংলা ভাষা ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে: রিজভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আওয়ামী লীগ বাংলা ভাষা ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে: রিজভী

আওয়ামী লীগ বাংলা ভাষা ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে: রিজভী

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সরকার বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও শিক্ষা ব্যবস্থাকেও ধ্বংস করেছে উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই সরকার  দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের বাংলা ভাষার চর্চাকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য নানা কায়দায় ভিনদেশী ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, দখলদার সরকাররা ঐতিহ্যগতভাবেই জনগণকে শত্রুপক্ষ ভাবে। তাই ক্ষমতা দখলে রেখে সাধারণ মানুষের প্রতি জুলুম করে। জনগণের প্রতি এই তাচ্ছিল্যভাব ক্ষমার অযোগ্য।

তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণে প্রতিশোধ নিতেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানো হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত হবে অতীব নিষ্ঠুর।

বিএনপি নেতা বলেন, গণবিরোধী সরকার জবাবদিহিতার ধার-ধারে না। এই সরকারের পক্ষে কোনো গণরায় নেই। 

;

‘পাকিস্তানি শাসকদের মতোই পরিস্থিতি তৈরি করেছে সরকার’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান সরকার পাকিস্তানি শাসকদের মতোই পরিস্থিতি তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিউ মার্কেট সংলগ্ন মিউনিসিপ্যাল স্কুল মাঠের অস্থায়ী শহীদ মিনারে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক জমায়েতে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর।

ডা. শাহাদাত বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে পাকিস্থানি শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল সে সময়ের তরুণ যুবকরা। পুলিশি হামলা, মামলা জব্বার বরকতদের দমাতে পারেনি। তাদের চোখে মুখে ছিল বাংলা মায়ের ভাষা রক্ষা আর গণতন্ত্র সমুন্নত রাখার দীপ্ত অঙ্গীকার। সেসময় যে পরিস্থিতি তৈরি করেছিল পাক শাসকেরা, আজকের দিনেও সে পরিস্থিতি তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। যেভাবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের মাতৃভাষার অধিকার হরণ করেছিল। ঠিক একইভাবে একই কায়দায় জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে সরকার। তিনি ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, অধিকার আদায় ও অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে ভাষা শহীদগণ আমাদের প্রেরণার উৎস। অধিকার বোধের চেতনাকে শাণিত করেছিল মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। সেই চেতনা নস্যাৎ করে একদলীয় শাসনের জগদ্দল পাথর আজ জনগণের কাঁধের ওপর চেপে বসেছে। আজকে দেশের জনগণ ভোট দিতে পারে না। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ভোটাধিকার হারা দেশের মানুষ। তাই একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে বিজয় করতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক মো. মিয়া ভোলা, এস এম সাইফুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, আহবায়ক কমিটির সদস্য হারুন জামান, এস এম আবুল ফয়েজ, আনোয়ার হোসেন লিপু, মো. কামরুল ইসলাম, থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ূন প্রমূখ। 

;

বিএনপি নেতা আলাল কারামুক্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কাশিমপুর কারাগার থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের বিরুদ্ধে করা ছয় মামলার সবকটিতেই জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল বিন আতিক তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত বছরের ৩১ অক্টোবর শাহজাহানপুরের একটি বাসা থেকে মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গত ১ নভেম্বর তাকে আদালতে হাজির করে ডিবি ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। এরপর তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এরপর মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে আরও পাঁচ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে এসব মামলায় তার জামিন চাইলে আদালত মঞ্জুর করেন।

;