এবার ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিলেন রওশন এরশাদ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
এবার ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙ্গে দিলেন রওশন এরশাদ

এবার ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙ্গে দিলেন রওশন এরশাদ

  • Font increase
  • Font Decrease

এবার জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙ্গে দিলেন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ। ছাত্র সমাজের আসন্ন সম্মেলনকে সামনে রেখেই গঠন করা হয়েছে আহবায়ক কমিটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফকির আল মামুন আহবায়ক ও আবু সাঈদ লিয়নকে সদস্য সচিব করে ৭৩ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব ও বিরোধী দলীয় নেতার রাজনৈতিক সচিব গোলাম মসীহ্।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) জাতীয় পার্টি ও বিরোধী দলীয় নেতার মূখপাত্র কাজী মামুনূর রশীদ এবং জাতীয় ছাত্র সমাজ মনিটরিং কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি খন্দকার মনিরুজ্জামান টিটুর সুপারিশক্রমে কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ৯০ উত্তর সংগ্রামী ছাত্র সমাজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় পার্টির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, নূরুল ইসলাম নূরু, জাতীয় ছাত্র সমাজের সাবেক সভাপতি খন্দকার মনিরুজ্জামান টিটু,আইডিয়াল কলেজের সাবেক ভিপি মোস্তাকুর রহমান,এজাজ খান, মঞ্জুরুল হক সাচ্চা, জহির উদ্দিন জহির,শেখ রুনা, মো. নাসির উদ্দিন মুন্সী ও ইসরাফিল হোসেনসহ অন্যান্য নের্তৃবৃন্দ।

কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন, যুগ্ম আহ্বায়করা হচ্ছেন হাফসা সুলতানা, আব্দুস সালাম খান, মো. সোয়াইব ইসলাম, অমিত সিকদার, সোবহান মজিব বিদ্যুৎ, খালিদ হাসান অনিক, ফরহাদ হোসেন, ওয়াজেদ মোল্লা, মো. মোমিন, শামসুজ্জোহা রিপন, সাব্বির হোসেন বেলাল, অপু রায়হান আকাশ, টগর কুমার ঘোষ, নাজমুল হোসেন জিকু, আরব আলী জয়, শওকত আলী, আসাদুজ্জামান টিটু, মো. সম্রাট কাজী , জানেবুর রহমান বিপুল, মো. রুবেল ইসলাম, নূর মোহাম্মদ, আমিনুল ইসলাম ইমন ও শাহ্ দেলোয়ার হোসেন শিপন।

সদস্যরা হলেন রাহুল দেব বর্মণ, গোলাম রাব্বানী, রেদোয়ান সরদার, রিপন মাহমুদ, শাহীনুর রহমান, বিথিয়া ইসলাম তিথি, আরিফ হোসেন, রায়হানা পারভীন, আব্দুর রহমান, ইমরান হোসেন, মুকুল হোসেন, হামিদুল ইসলাম, সবুজ ইসলাম, সিয়াম আহমেদ, মোছা. রওনক জাহান, জাকির হোসেন বাবুল, আহসান হাবীব, মো. সোহেল রানা, আফ্রিদি শাহ, আব্দুল্লাহ সাব্বির জিওন, নাদিরা পারভীন, শেখ ফরিদ, আবরার শাহরিয়ার আফিফ, মো. সুমন ফকির, নাজমুল হাসান হৃদয়, ওসমান গণি, রোকন ইসলাম খান, সৌরভ চন্দ্র, আনসারুল হক সালমন, সারোয়ার হোসেন, সাঈদ বিন আবি, মিজানুর রহমান রনি, নুরুল ইসলাম পাপু, তানভির হাসান মিলন, আসমা আজিজ, মো. আজাহারুল ইসলাম, মেহেদী হাসান রাকিব, মিজানুর রহমান সাজু, মো. ইমরান, রাজা হোসেন, মো. তুহিন, মো. ইয়াসিন, আল মামুন, সজিব চৌধুরী, মো. কাইফ, মো. সুমন, মো. আব্দুল হামিদ, হুসাইণ আজাদ ও তাহমিদ হাসান দিপু।

সুষ্ঠু উপ নির্বাচনে 'গণতন্ত্রের বিজয়' হয়েছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ছেড়ে দেয়া আসনগুলোর উপ নির্বাচন সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ হওয়ার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মোড়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে উপনির্বাচন হয়েছে, বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মোট ছয়টি উপনির্বাচন। মির্জা ফখরুল বলেছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাকি মাগুরার দাদা হয়েছে, দাদা হবে। দাদাও হয়নি, নানাও হয়নি, মাগুরাও হয়নি, নির্বাচন হয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটু হাতাহাতি হয়েছে, এছাড়া সব কয়টি নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ হয়েছে।

কে জিতল কে হারলো এটা আমাদের মূল বিষয় নয়, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আবারও গণতন্ত্রের বিজয়, গণতন্ত্র এখানে বিজয়ী। এরা অপপ্রচার করে এই সরকারের আমলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না। বিদেশিদের কাছে নালিশ করে।

আসন ছেড়ে দিয়ে বিএনপি ভুল করেছে দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেব ছয়টি সিট আপনাদের ছিল, পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করে কত বড় ভুল করেছে তা যতই দিন যাবে ততই অনুধাবন করতে পারবেন।

বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা আব্বাস বলে সরকার নাকি ভয় পেয়ে গেছে। সরকার ভয় পেয়েছে না আপনারা ভয় পেয়েছেন। সরকার শান্তি সমাবেশ দিয়ে শুরু করেছে, এখনো শান্তি সমাবেশ করে যাচ্ছে, আপনারা সরকারের পতন, গণঅভ্যুত্থান, লাল কার্ড দেখে এখন কেনো অন্তিম পদযাত্রায় নামলেন, জিজ্ঞাসা, ভয় পেলো কে, বিক্ষোভ থেকে নীরব পদযাত্রা, কোথায় বিক্ষোভ, আমরা শান্তিতে ছিলাম, শান্তিতে আছি, শান্তিতেই থাকবো।

কাদের বলেন, খেলা হবে... আগামী নির্বাচনে, সেদিন প্রমাণ হবে কাদের পায়ের তলায় মাটি আছে, কাদের নাই। নির্বাচনে জনপ্রিয়তা যাচাই হবে, জনগণ ভোট দিয়ে যাচাই করবে। কাজেই এখন আপনি দাবি করছেন সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই। আপনাদের পায়ের তলায় মাটি আছে? জনগন আছে?

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবু-উল আলম হানিফ, সাংগঠনি সম্পাদক মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি শান্তি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

;

সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার শক্তি বিএনপির নেই: শেখ পরশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার শক্তি বিএনপি জামায়াতের নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও তাণ্ডবের প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানার সভাপতিত্বে সমাবেশে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, বিএনপি-জামায়াতের যে কোন ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার জন্য রাজপথে যুবসমাজ ঐক্যবদ্ধ। তারা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অত্যন্ত প্রহরীর মতো রাজপথে থেকে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাখে।

;

সাহস থাকলে দেশে আসুন: তারেক রহমানকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে এসে মামলা মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিদেশ বসে থেকে ষড়যন্ত্র না করে সাহস থাকলে দেশে আসুন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা কোনো দিন পালাননি। আমাদের নেত্রী পালাননি। আপনি (তারেক রহমান) দেশে এসে মামলা ফেস (মোকাবিলা) করুন। এ দেশের মানুষ দেখতে পারবে কী করেছিলেন আপনি।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বিদেশে থেকে মানুষ হত্যার পরিকল্পনা না করে সাহস থাকলে দেশে আসেন, আইনি পথে মোকাবিলা করুন। বিএনপি করে নৈরাজ্য আওয়ামী লীগ করে শান্তি সমাবেশ।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজনীতির নামে যদি আবারও নৈরাজ্য করেন তাহলে নিরাপত্তা বাহিনী লাগবে না জনগণকে নিয়েই আওয়ামী লীগ মোকাবিলা করবে।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন বাংলাদেশকে বদলে দেবেন। তিনি সেটা করে দেখিয়েছেন। শত শত উন্নয়ন প্রকল্প তিনি করে দেখিয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন।

;

বিএনপি নেতাদের শক্তি কমে আসছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতাদের শক্তি কমে আসছে। তাই তারা পদযাত্রা করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মানুষের শক্তি যখন কমে আসে, তার মুখের বিষ তখন উগ্র হয়ে যায়, বিএনপির নেতাদের শক্তি কমে আসছে, দম ফুরিয়ে আসছে, দম ফুরিয়ে আসছে বলে লাফালাফি বন্ধ করে নিরব পদযাত্রা, শেষ পদযাত্রা শুরু করেছে। বিএনপির এ যাত্রা দেখে মনে হয় আমরা কেউ মারা গেলে নিরব চেয়ে একটা শোভাযাত্রা হয়, তাদের এ পদযাত্রা অনেকটা সেরকম নিরব শোভাযাত্রা।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া, মির্জা ফখরুল ভীষণ গোসা হয়ে গেছে, তিনি বলছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচন মাগুরার উপনির্বাচন সকাল ১০টা মাঝে ভোট শেষ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেব মাগুরা স্টাইলের নির্বাচন হবে না, মাগুরার দাদাও হবে না, নানাও হবে না। ফখরুল সাহেব, আগামীকাল মাগুরার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে, আমি আজই বলে দিচ্ছি। আওয়ামী লীগ সরকার কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। নির্বাচন, নির্বাচনের মতোই হবে। ঠিক আছে? ঠিক তো আছেই, খেলা তো হবেই।

রেডি আছেন? খেলা হবে, ফাইনাল খেলা, আগামী নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন, নৌকা চলছে, চলছে নৌকা ভাসিয়া, নৌকা চলে ভাসিয়া, ভোট দিবেন আসিয়া। তৈয়ার হয়ে যান, অন্ধকারে আর ফিরে যাবো না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, লন্ডনে বসে হুংকার দিচ্ছেন, Take back Bangladesh, কোথায় Take back? , আলো থেকে অন্ধকারে? আর যাব না ফিরে। আলো থেকে অন্ধকারে বাংলাদেশ আর ফিরে যাবে না। যারা আমার জননীর সহস্র বুক খালি করেছে, যারা শত শত নারীর কোল খালি করেছে, যারা এই দেশে বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত, যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছে, পুনর্বাসিত করেছে, হত্যার রায় থেকে দায়মুক্তি দিতে বিবৃতি দিয়েছে, যারা জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছে, যারা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে গ্রেনেড হামলা করে আইভী রহমানসহ ২৩টি প্রাণ নিঃশেষ করেছে তাদের রাজত্বে ফিরে যাব, তাদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দিবো, তাদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দিতে হবে যারা বাংলা ভাই, শায়খ রহমান সৃষ্টি করেছে, যারা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে, যারা সাম্প্রদায়িকতার উত্থান ঘটিয়েছে আমার এই জন্মভূমিতে যারা সন্ত্রাস করেছে, যারা বার বার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যারা বাংলাদেশের টাকা বিদেশে পাচার করেছে, এফবিআইয়ের সাক্ষ্য দিয়ে এসেছে, সেই লুটেরাদের দেশে, সেই হাওয়া ভবনের লুটপাটকারীদের হাতে বাংলাদেশ আর ফিরে যাবে না।

আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা বলেন, সৎ সাহস থাকে তো আসুন, লন্ডন থেকে হুংকার ছাড়েন কেনো, দেশে আসুন, সৎ সাহস থাকলে এখানে এসে রাজনীতি করুন।

আপনি তো কাপুরুষ, কাপুরুষ কেনো, রাজনীতি আর করবো না, মুচলেকা দিয়ে জরুরি সরকারের কাছে তিনি লন্ডনে পারি দিয়েছেন। ২০০৭ থেকে ১৫-১৬ বছর দেখতে দেখতে শেষ হয়েছে, এখন ফখরুল করছে তার রিমোট কন্ট্রোল নেতৃত্বে আন্দোলন। বাংলাদেশে রিমোট কন্ট্রোল আন্দোলন হবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা পদ্মাসেতু করেছি, বঙ্গবন্ধু টানেল করেছি, মেট্রোরেল করছি, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এই বছরই উদ্বোধন হবে।
নারীদের সম্মান দিয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আজকে একজন নারী সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, এসপি, ডিসি, ওসি, একজন নারী সচিবালয়ের দায়িত্বে। নারীদের এই ক্ষমতায়ন কি আগে ছিল?

;