বাংলাদেশে এখন রিকশাওয়ালারাও রিজার্ভের কথা বলে: কাদের



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির সভা-সমাবেশ করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদারতার অর্থ দলটির নেতারা বুঝেন না।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে কষ্ট লাগে আমাদের নেত্রী বলেছেন, বিএনপি সমাবেশ করুক, জনসভা করুক কোনো বাধা আমরা দেব না। নেত্রী আপনার এ উদারতার অর্থ আমরা বুঝি। তারা তো সেটা বুঝে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা বলে, বিদেশিদের চাপে আপনি এটা করছেন। লন্ডন থেকে স্লোগান দেয় আর স্লোগানের প্রতিধ্বনি হয় পল্টনে। কী স্লোগান ? টেক ব্যাক বাংলাদেশ। টেক ব্যাক করে কোথায় যাবে? লুটপাটের হাওয়া ভবনের বাংলাদেশ। পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ বিসর্জনের বাংলাদেশ।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, সংকটের বিস্তীর্ণ কাঁটাবন পেরিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখনো বাংলাদেশ স্ট্যাবিলিটি বজায় রেখেছে। এখনো বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এখনো রেমিট্যান্স আছে হাজার হাজার কোটি টাকার। এখনো ৪০ থেকে ৪২ বিলিয়ন ডলার আমাদের রিজার্ভে। বললাম কেন? বাংলাদেশে এখন রিকশাওয়ালারাও রিজার্ভের কথা বলে। শ্রীলঙ্কার রিজার্ভ ফুরিয়ে গেছে। পাকিস্তানের রিজার্ভ তলানিতে। এ জন্য বাংলাদেশকে নিয়েও তারা দুঃস্বপ্ন দেখে।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মানুষের কান কথা শুনে, গুজব শুনে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাও হবে না, পাকিস্তানও হবে না। এটা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। এটা বীরের দেশ। শেখ হাসিনার বাংলাদেশ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সবাই শুধু ঐক্যবদ্ধ থাকুন। দলটাকে সুশৃঙ্খল রাখুন। যেভাবে এগিয়ে চলছে আমরা যদি নেত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এগিয়ে যেতে পারি, আগামী নির্বাচনে আমরা আবারও বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারব। আওয়ামী লীগে সব আছে। এখানে ভালো মানুষের অভাব নেই। শুধু ঐক্যটা রাখলেই হবে। ঐক্যটা থাকলে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবে। আওয়ামী লীগের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

সোহরাওয়ার্দীর বদলে নয়াপল্টনে সমাবেশের উদ্দেশ্য জনগণকে ব্লাফ দেওয়া



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সোহরাওয়ার্দীর বদলে নয়াপল্টনে সমাবেশের উদ্দেশ্য জনগণকে ব্লাফ দেওয়া

সোহরাওয়ার্দীর বদলে নয়াপল্টনে সমাবেশের উদ্দেশ্য জনগণকে ব্লাফ দেওয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমরা ৭ মার্চ রেসকোর্সে সভা করেছি, নানা আন্দোলনে বড় বড় সভা করেছি। অথচ এখন বিএনপি বলে তাদের পল্টনে সভা করতে দিতে হবে। কারণ ওখানে মাত্র ২০-৩০ হাজার লোক হলেই মঞ্চ ভরে যায়।  ব্লাফ দেবার জন্যে বিএনপি এটা করতে চাই।

আমরা অনুমতি দিয়েছি, ছাত্রলীগের সমাবেশ ২ দিন এগিয়ে নিয়েছি। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু পল্টনে বিশৃঙ্খলা করতে সমাবেশ করতে চায় বিএনপি।

শনিবার (৩ডিসেম্বর) দুপুরে বঙ্গবন্ধু ২৩ এভিনিউ'তে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির ৮৪তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

দেশের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র চলছে মন্তব্য করে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল বলেন, অথচ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল সবকিছু বঙ্গবন্ধু কন্যার কারণে সম্ভব হয়েছে।

যুবলীগ কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাই। যুবলীগ সভাপতির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন, যেন দেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে।

'কথায় কথায় সরকারের পতন। সরকার পতন এতো সহজ। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তৃণমূলে বিস্তৃত'।

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

;

নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজশাহীতে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজশাহীতে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু

নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজশাহীতে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ শুরু হয়েছে।

শনিবার দুপুর ২টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে গণসমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়।

দুপুর ২টা থেকে অনুমতি দিলেও পুলিশ মাঠের নিয়ন্ত্রণ সকাল ৬টার দিকে ছেড়ে দেয়। এরপর ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা মাঠে প্রবেশ করতে থাকেন। সকালেই বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু মঞ্চে উঠেন।

গণসমাবেশ আয়োজন কমিটির দলনেতা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু জানান, বেলা ২টা থেকে গণসমাবেশ শুরুর পূর্বনির্ধারিত সময় ছিল। কিন্তু নেতাকর্মীরা চলে আসায় আগেই গণসমাবেশ শুরু হয়।

গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি থাকবেন- বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল মাহমুদ হাসান টুকু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের এমপি হারুন অর রশিদ, বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। সভাপতিতত্ব করবেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি এরশাদ আলী ঈশা।

দুপুর ২টা থেকে অনুমতি দিলেও বেলা ১১টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা।

এদিকে রাজশাহীর বিভাগীয় এ গণ-সমাবেশে ১৫ লাখ লোকের সমাগমের টার্গেট করেছে বিএনপি। বিএনপির দাবি আগামীকালের সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলা ও আশপাশের জেলা থেকে গণসমাবেশে ১৫ লাখের বেশি লোকের সমাগম হবে।

এর আগে শুক্রবার গণসমাবেশস্থলের মঞ্চ পরিদর্শন করতে গিয়ে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘সমাবেশে আসতে পথে পথে পুলিশ বাধা দিচ্ছে। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে লাখো নেতাকর্মী সমাবেশস্থলের আশপাশে এবং কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ মাঠে অবস্থান করছেন।

;

বাধা ডিঙিয়ে রাজশাহীতে বিএনপির নেতাকর্মীরা, দুপুরে সমাবেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশের দুই দিন আগে বৃহস্পতিবার থেকে বিভাগজুড়ে থেকে চলছে গণপরিবহন ধর্মঘট। শুক্রবার থেকে এর সঙ্গে শুরু হয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ধর্মঘটও। এতো বাধা বিপত্তির পরও রাজশাহীমুখী বিএনপির নেতাকর্মীরা।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ। নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ সমাবেশকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে বিভাগের বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরা সমাবেশ মাঠের পাশের ঈদগাহ মাঠে শীতের রাতে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। তবে গতকাল রাত পর্যন্ত সমাবেশ মাঠে প্রবেশের অনুমতি পাননি বিএনপির নেতাকর্মীরা। পুরো মাঠ ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।

এদিকে, সমাবেশে যোগ দিতে শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) রাতে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

মোহাম্মদ আলী পেছনে একজনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বগুড়া থেকে ১১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে রাজশাহী এসে পৌঁছান বৃহস্পতিবার রাত ৯টায়। পথে যেখানেই পুলিশের চেকপোস্ট দেখেছেন, সেখানেই ভিন্নপথে সেই চেকপোস্ট পার হয়েছেন তিনি।

তার মতো বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশের দুদিন আগেই সমাবেশস্থলে এসে পৌঁছেছেন বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী।

বাস মালিকদের ডাকা পরিবহন ধর্মঘটের কারণে মোহাম্মদ আলীর মতো শত শত নেতাকর্মী ভিন্ন উপায়ে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের জন্য রাজশাহী আসছেন। তবুও পথে বাধা পড়ছে।

নওগাঁ সদর থেকে ১২ জনের একটি দলের সঙ্গে এসেছেন বৃদ্ধ মো. আবুজার (৬৬)। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় নওগাঁ থেকে তারা রওনা দেন রিকশায় চড়ে। বান্দাঘরা এলাকায় এসে রিকশা থেকে নেমে সিএনজিতে ওঠেন। এরপর বাগমারায় এসে নামেন। এখানে ওঠেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায়। বাগমারা থেকে মোহনগঞ্জ আসার পর আবার সিএনজিতে ওঠেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র রফিকুল আলম বলেন, পুলিশ সবগুলো প্রবেশপথেই চেকপোস্ট পরিচালনা করছে যেন অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা না ঘটে। তবে নেতাকর্মীদের সমাবেশে আসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ সঠিক নয়। কিন্তু অবৈধ যানবাহন, যেগুলো শহরে ঢোকা বারণ, সেগুলোতে কেউ এলে তো বাধা দেওয়া হবে।

বিএনপির সমাবেশের আগে সাধারণ মালিকদের পাশাপাশি সরকারি বিআরটিসি বাসও বন্ধ রয়েছে। তবে চলাচল করছে ট্রেন। একটি কমিউটার ট্রেনে চড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এসেছেন সোনাইচণ্ডিহাট এলাকার বাসিন্দা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক মজিবর রহমান। ট্রেনের ভেতরে এবং স্টেশনে পুলিশ রাজশাহী যাওয়ার কারণ জানতে চেয়েছে বলে জানান তিনি।

মজিবর বলেন, রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যাচ্ছি বললে পুলিশ বলেছে যেতে দেওয়া হবে না। আমি বলেছি, আমি যাবই। টিকিট কেটেছি, আমি যাব।কেউ আটকাতে পারবে না। তখন আর পুলিশ ঝামেলা করেনি। তিনি বলেন, বিএনপি তিন ঘণ্টার একটা সমাবেশ করার অনুমতি পেয়েছে। কিন্তু বাস বন্ধ করে দেওয়ার কারণে এই সমাবেশ তিন দিনের হয়ে গেছে। তিন দিন আগে থেকেই নেতাকর্মীরা এসে একত্রে থাকছে।

;

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে উৎসবমুখর চট্টগ্রাম



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ও দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘ দশ বছর পর জনসভায় যোগ দিতে রোববার চট্টগ্রামে আসছেন। এ উপলক্ষে উৎসবের আমেজ পুরো চট্টগ্রামে।

নগরজুড়ে চলছে সাজসজ্জা ও প্রচার-প্রচারণার কাজ। চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নগরীর পলোগ্রাউন্ডে এ জনসভার আয়োজন চলছে।

তিনি সকালে ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে সামরিক বাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখান থেকে দুপুরে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে আসবেন। স্টেডিয়াম থেকে গাড়িতে করে প্রধানমন্ত্রী পলোগ্রাউন্ডে জনসভায় যোগ দেবেন।

তিনি চট্টগ্রামে সর্বশেষ জনসভায় এসেছিলেন ২০১২ সালের ২৮ মার্চ। সেদিন তিনি পলোগ্রাউন্ডে ১৪ দলের মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন। ১০ বছর ৯ মাস পর একই মাঠে আবার ভাষণ দেবেন তিনি।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে নেতাকর্মীদের মধ্যে। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এমপি, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, উত্তর জেলা সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ ইতোমধ্যে জনসভার মাঠ পরিদর্শন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ গত ১৯ নভেম্বর মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে প্রস্তুতি সভা করেছিলেন।

চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার স্থলকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি বলেন, চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভূতপূর্ব উন্নয়ন কাজ করেছেন। তাই ৪ ডিসেম্বর জনসভায় আওয়ামী লীগ ছাড়াও সাধারণ জনগণও উপস্থিত হবে। এ কারণে এবারের জনসভা একটি ঐতিহাসিক জনসভায় রূপ নিবে। পলোগ্রাউন্ড মাঠ ছাপিয়ে বাইরেও জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, আমাদের নেত্রী আসবেন। এটা আমাদের জন্য পরম আনন্দের। দীর্ঘদিন পর আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশ হচ্ছে পলোগ্রাউন্ডে। এখানে ভাষণ দেবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী।

উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন, আগামী ৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি সমাপ্তির পথে। আশা করি, এবার জনসভায় লোক জমায়েতে অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। জনসভা স্বাচ্ছন্দ্যে দেখতে মাঠের বাইরেও এলইডি টিভি বসানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, পটিয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ৬ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছেন। তাই পটিয়াবাসী উন্মুখ হয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রীকে তাদের কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য। পটিয়া থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সর্বস্তরের মানুষ জনসভায় উপস্থিত হবেন।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম সফরে ৩০টি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ৪টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এ জন্য জনসভার মঞ্চের পাশে ভিত্তিফলকগুলো স্থাপন করা হয়েছে।

;