জিয়া কখনই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না: হানিফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি বলে জিয়া মুক্তিযুদ্ধা ছিলেন। আমরা অস্বীকার করছি না। কিন্তু সে কি স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলো? অবশ্যই তার কর্মকাণ্ডে সেটি প্রমাণ হয় না। যদি তিনি সত্যি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হতেন তাহলে বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকাণ্ডের পর ইনডেমনিটি আইন করে খুনিদের রক্ষা করতেন না। জিয়া যদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত না থাকে তাহলে তিনি খুনিদের বিচার কেন করেননি? তাদের বিচার করতে তার কি সমস্যা ছিলো? সে উল্টো তাদের পুরস্কৃত করেছিলো। তাদের রাষ্ট্রদূত বানিয়েছিলো।

সোমবার (১৫ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদ আয়োজিত কেআইবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

হানিফ বলেন, বিএনপি জন্ম হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি দিয়ে। তারা এখনো এ রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তারা পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করে। তারা কখনো চায় না দেশের মানুষ ভালো থাকুক। তারা শুধু চায় যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় যেতে। তাদের এখন দেশে-বিদেশে সবখানে ষড়যন্ত্র করে। তারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। তাদের নেতারা সব সময় মিথ্যাচার নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখ ছিলো ৫ সেপ্টেম্বর। তিনি হঠাৎ করে ১৫ আগস্ট কেক কাটা শুরু করলেন। এর কারণ ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী। গোটা জাতির শোকের ও বেদনার দিন এরা আনন্দ করে, কারণ বঙ্গবন্ধু এ দেশকে স্বাধীন করেছেন আর খালেদা জিয়া পাকিস্তানের পক্ষের শক্তি। সে স্বাধীনতা চায়নি। ১৯৮৪ সালে যখন খালেদা জিয়া বিএনপির নেত্রী হন তখন তার পিতা তৎকালীন পত্রিকা ‘নিপুন’ এ সাক্ষাৎকারে বলেছেন ১৯৪৫ সালে যখন ২য় বিশ্ব যুদ্ধ শেষ হলো ৫ সেপ্টেম্বর সেদিন খালেদা জিয়া জন্মগ্রহণ করেছিলো। কতটা খারাপ মন মানসিকতার হলে এভাবে কারো শাহাদাত বার্ষিকীতে মানুষ আনন্দ উল্লাস করতে পারে।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মহাসচিব কৃষিবিদ মো. খায়রুল আলম প্রিন্সের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব কৃষিবিদ এম. আমিনুল ইসলাম। সভাপতির বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের সহ-সভাপতি কৃষিবিদ প্রফেসর এ. কে. এম. সাইদুল হক চৌধুরী।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ সভাপতি কৃষিবিদ ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের সাবেক মহাসচিব কৃষিবিদ মো. মোবারক আলী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী কৃষিবিদ মসিউর রহমান হুমায়ূন প্রমুখ।

‘লাঠির সাথে জাতীয় পতাকা নিয়ে নামলে খবর আছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূত মাথা থেকে নামিয়ে ফেলার আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, বিএনপির আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ভীত নয়, আওয়ামী প্রস্তুত ও সতর্ক আছে,রাজপথ থেকেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে- কাজেই আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, দলের পরিচয়ে যারাই অপকর্ম করবে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না ।

বিএনপিকে আবারও হুঁশিয়ার করে ওবায়দুল কাদের বলেন, লাঠির সাথে জাতীয় পতাকা নিয়ে নামলে খবর আছে, জাতীয় পতাকার অবমাননা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।

বিএনপি নেতাদের নতুন করে অবরোধ ঘোষণা দেওয়া প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, তারা তাদের আগের অবরোধ না তুলে নতুন করে কেন আবার অবরোধ ঘোষণা করেছে তা জানতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জিজ্ঞাসা করতে সাংবাদিকদের পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন যথাসময়ে সংবিধানে অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে, নির্বাচনকালীন সময়ে সরকার শুধুমাত্র রুটির দায়িত্ব পালন করবে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, নাট্য শিল্পী লাকী ইনাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো- ভিসি অধ্যাপক ডাক্তার ছায়েফ উদ্দিন আহমেদ ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আতিকুর রহমান   এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ২৮ সেপ্টেম্বর যেসব শিশু জন্মগ্রহণ করেছেন সেইসব শিশুদের প্রতিনিধিদের মাঝে বিশেষ উপহার প্রদান করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

;

কোমরভাঙা, হাটুভাঙা বিএনপি লাঠির ওপর ভর করেছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোমরভাঙা, হাটুভাঙা বিএনপি লাঠির উপর ভর করেছে। লাঠির দিন চলে গিয়েছিলো বিএনপি আবার তা ফিরিয়ে এনেছে। লাঠি নিয়ে রাজপথে যত আস্ফালন হোক, আমরা এর জবাব দিবো।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩ টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সামনের দিনে পতাকার সাথে লাঠি নিয়ে নামলে খবর আছে। পরিস্কার বলে দিতে চাই, সামনে খবর আছে, লাঠি নিয়ে খেলা চলেবে না। আগুন নিয়ে খেলা, অগ্নিসন্ত্রাস চলবে না।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মুজিবকে হারিয়ে আমরা অমানিসার অন্ধকারে ছিলাম। এর ৬ বছর পর শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিবাচিত হয়ে ফিরে এসেছিলেন রক্তভেজা দুঃখিনী বাংলায়।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করেছেন। তিনি দেশে এসেছিলেন বলে এসেছেন বলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। তিনি ফিরেছেন বলে দেশে উন্নয়নে অর্জনের ধারা সূচিত হয়েছে।

আওয়ামী লীগ কাউকে রাজপথ ইজারা দেয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজপথ কারো পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। আওয়ামী লীগ রাজপথে আছে, প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে থাকবে। আমরা জনগণের জন্য, উন্নয়ন ও অর্জনের জন্য রাজপথে নামবো।

২২ দলীয় জোটের নামে বিএনপি জগাখিচুড়ির আন্দোলনের মাঠে নেমেছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, বিএনপি ইচ্ছে করে উসকানি দিচ্ছে যাতে আওয়ামী লীগ সংঘাতে জড়ায়। তারা ইচ্ছে করে আওয়ামী লীগ, পুলিশকে উসকানি দেয়।

দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আবারো বিজয়ের বন্দরে পৌছাবো ইনশাআল্লাহ্‌।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি।

;

দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশের ডাক বিএনপির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবা গণসমাবেশের ডাক বিএনপির

দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবা গণসমাবেশের ডাক বিএনপির

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ ১০ বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশের ডাক দিয়েছে বিএনপি।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুলশানে দলটির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বিএনপির মহাসচিব জানান, গত সোমবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দলের এই সিদ্ধান্ত জানাতে আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম বিভাগ দিয়ে শুরু হবে এই সমাবেশ। সর্বশেষ সমাবেশ হবে ১০ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায়।

ফখরুল বলেন, ‘সরকারের চাল, ডাল, জ্বালানি তেল, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, চলমান আন্দোলনে ভোলায় নুরে আলম ও আব্দুর রহিম, নারায়ণগঞ্জে শাওন, মুন্সিগঞ্জে শহিদুল ইসলাম শাওন ও যশোরে আব্দুল আলিমসহ পাঁচ নেতাকর্মী হত্যার প্রতিবাদে, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে সারা দেশে বিভাগীয় গণসমাবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ৮ অক্টোবর চট্টগ্রামে, ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহে, ২২ অক্টোবর খুলনায়, ২৯ অক্টোবর রংপুরে, ৫ নভেম্বর বরিশালে, ১২ নভেম্বর ফরিদপুরে, ১৯ নভেম্বর সিলেটে, ২৬ নভেম্বর কুমিল্লায়, ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে এবং ১০ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় এই গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’

গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণে দলের ঘোষিত ১৬টির মধ্যে ১৪টি সমাবেশ করেছে বিএনপি। মিরপুরের পল্লবীর সমাবেশ সংঘর্ষের কারণে পণ্ড হয় এবং লালবাগের সমাবেশ স্থগিত করা হয়। ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে। এসব কর্মসূচি করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সংঘর্ষে সারা দেশে বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মী নিহত হয়।

বিএনপি চাচ্ছে যে কোনভাবেই হোক, আগামী বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে বা ২০২৪ সালের জানুয়ারির শুরুতে নির্ধারিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা তাদের চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাবে। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখবে এবং জনসাধারণকে আরও বেশী করে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চালাবে।, 

;

শুভ জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা



প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, ভাইস চ্যান্সেলর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
শুভ জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা

শুভ জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের ইতিহাসে, আধুনিক-উন্নততর বাংলাদেশ বিনির্মাণের মহাযাত্রা পথে আজ ২৮ সেপ্টেম্বর এক ঐতিহাসিক দিন। আজ প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্মদিন। এদিনে তিনি স্পর্শ করেছেন ত্যাগ, সংগ্রাম ও অর্জনের ঘটনাবহুল ৭৫ বছর।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী-বিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশ ও জাতির উন্নতির জন্য দূরদর্শী নেতৃত্ব দিয়ে তুনি রাষ্ট্রনায়ক থেকে নিজেকে নিয়ে গেছেন বিশ্বনেতার কাতারে আর বিশ্বসভায় বাংলাদেশকে উন্নীত করেছেন মর্যাদার আসনে।

চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে। বিশ্বের কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ এখন একটি রোল মডেল। বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও প্রশংসা কুড়িয়েছেন বিশ্বনেতাদের। মিয়ানমারে জাতিগত নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত।


আজ দেশবাসীর মতো সারা বিশ্ব বিশ্বাস করে, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই করোনা মহামারীর পরও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এশিয়ার প্রায় সব দেশের ওপরে। মানুষের জন্য আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা, সঠিক নেতৃত্ব, সময়োচিত পদক্ষেপ, অর্থনীতিকে বাঁচাতে প্রণোদনা ঘোষণা এবং বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষকে করেছেন ক্ষুধামুক্ত। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য সম্পন্ন করা, সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সমুদ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ-এতসব অর্জন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলেই হয়েছে।

জননেত্রী অর্জনের তালিকায় আরো আছে নিজেদের অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত, দারিদ্র্যের হার হ্রাস, মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭৪ বছর ৪ মাসে উন্নীত, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, সাক্ষরতার হার ৭৫.৬০ শতাংশে উন্নীত করা। বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ধর্মীয় শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ফাইভ-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার চালুসহ অসংখ্য ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা'র ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আনন্দঘন পরিবেশে অনাড়ম্বরভাবে উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় ফজরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মসজিদসমূহে বিশেষ মোনাজাত ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়েছে। আজ বেলা ১১.৩০ টায় উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের কেক কাটা ও বিশেষ মোনাজাত করা হবে।

আমরা প্রত্যাশা করি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ, সুযোগ্য ও কুশলী নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ দৃঢ়প্রত্যয়ে এগিয়ে যাবে উন্নয়নে স্বর্ণশিখরে। প্রতিরোধ করবে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, ক্ষুধা, দারিদ্র, অন্ধকার ও পশ্চাৎপদতার। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পূর্ণ বাস্তবায়নের বহুমুখী কর্মযজ্ঞে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমগ্র বাংলাদেশের মতো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারও তাঁর সর্বক্ষণের সহযাত্রী।

;