‘পদ্মা সেতু দৃশ্যমান-শেখ হাসিনার অবদান’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পূর্ণাঙ্গ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হওয়া আনন্দ মিছিল করেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ

পূর্ণাঙ্গ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হওয়া আনন্দ মিছিল করেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মার বুকে মাথা উঁচু করে কেবল সেতুই দাঁড়ায় নাই, বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দ এই মন্তব্য করেন।

সংগঠনের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু’র নেতৃত্বে এদিন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগ কার্যালয় ১৯, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-এ জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল শেষে সংগঠনের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু’র নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল বায়তুল মোকাররম দক্ষিণ গেইট, জিরো পয়েন্ট হয়ে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-এর সম্মুখে এসে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা স্লোগান তোলেন, "পদ্মাসেতু দৃশ্যমান-শেখ হাসিনার অবদান।"

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগ কার্যালয় ১৯, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-এ জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়

সংগঠনের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ তার বক্তব্যে বলেন, মহান সৃষ্টি কর্তা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য। বিশ্বব্যাংক ও ইউনুস গংদের শত ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির বহু কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের পদ্মাসেতু আজ বাস্তব, আজ জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রগতির বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়েও তারা অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু বলেন, বাঙালি জাতির দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তব। সমালোচকদের মুখে চুন কালি দিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বৃহৎ মেগা প্রকল্প সমূহ বাস্তবায়নের পথে। মাননীয় নেত্রী ১৮ ঘণ্টা পরিশ্রম করেন, তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ আজ স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, তানভির শাকিল জয় এমপি, নির্মল চ্যার্টাজী, মজিবুর রহমান স্বপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি কামরুল হাসান রিপন, সাধারণ সম্পাদক তারিক সাঈদসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর উত্তর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগ-এর বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

‘সমাবেশে আগুন-লাঠি নিয়ে খেলতে এলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে কোন বাধা দিবে না সরকার তবে আগুন ও লাঠি নিয়ে খেলতে এলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্যে বিএনপিকে এ হুঁশিয়ারি করেন।

ওবায়দুল কাদের তাঁর রাজধানীর বাসভবন থেকে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বিএনপি সমাবেশ যেন সুষ্ঠু ভাবে করতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগের ৮ ডিসেম্বরের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ৬ তারিখে করা হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন কানাডার আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা করেছ।তাদের রাজনীতি হচ্ছে আন্দোলনের নামে জ্বালাও পোড়াও।

রাজনীতি না করার শর্তে মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়ে যাওয়া নেতাকে নেতা বানানো এতো সহজ নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন মানুষকে ধোকা দেওয়ার সময় শেষ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন দুনিয়ার কোন দেশে তত্বাবধায়ক সরকার আছে? আপনাদের নেত্রীই তো বলেছিলেন পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়।

তিনি বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ, এটা এখন মিউজিয়ামে।

ওবায়দুল কাদের বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুঃস্বপ্ন দেখে কোন লাভ নেই, আগামী জাতীয় নির্বাচন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেভাবে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশেও সেভাবে হবে।

কুমিল্লার সমাবেশে কোথায় গেল হাঁকডাক, জনগণের উপস্থিতি ছিল খরা,কোথায় গেল স্রোত আর ঢল এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন ঢাকা শহরে দেখা যাবে কত ধানে কত চাল।

তিনি আবারও পিরোজপুর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপস্থিত লাখো মানুষের উদ্দেশে বলেন বিএনপির দুঃশাসন, অপকর্ম,ভোটচুটি,হাওয়া ভবন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে খেলা হবে।

পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম আউয়ালের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু।

এছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডক্টর শাম্মি আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদারসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

;

বিভক্তি নয় জাপায় ঐক্য চান বললেন রওশন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিভক্তি নয় জাপায় ঐক্য চান বললেন রওশন

বিভক্তি নয় জাপায় ঐক্য চান বললেন রওশন

  • Font increase
  • Font Decrease

বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ এমপি বলেছেন, আগেও বলেছি, আজও বলছি, জাতীয় পার্টির ঐক্য চাই বিভক্ত করার প্রশ্নই উঠে না। বরং যারা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, নাজিউর রহমান মঞ্জু, কাজী জাফর আহমদের সঙ্গে চলে গেছেন এবং নিস্ক্রিয় হয়ে গেছেন, তাদের ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছি।

রোববার (২৭ নভেম্বর ) দীর্ঘদিন ব্যাংককে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ১৯৯১ হতে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় পার্টির কঠিন ও প্রতিকুল সময়, যারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন-তাদের আমাদের অবশ্যই যথাযথ স্বীকৃতি দিতে হবে। আমি ঢাকায় ফিরে এসেছি, আমি পার্টির সব এমপি, প্রেসিডিয়াম এবং অন্যান্যদের সঙ্গে যেকোনো বিভ্রান্তি ও ভুল বোঝাবঝি দূর করতে বসবো। আমি নিশ্চিত, সেই ভুল বোঝাবুঝি দূর করে ঐক্যবদ্ধভাবে শিগগিরই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ফিরতে পারবো। এসব ভুল বোঝাবুঝির জন্য এবং পার্টিকে দুর্বল করতে কিছু ষড়যন্ত্র হতে পারে; যেমনটি আমরা ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০১৪ সালে দেখেছি। সেই ষড়যন্ত্রগুলোকে নস্যাৎ করব এবং ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী জাতীয় পার্টি গড়ে তুলবো।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন আমার স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা কত কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। আমি দেখেছি গত ৩২ বছরে জাতীয় পার্টি নেতাকর্মীরা কতটা কঠোর পরিশ্রম করেছেন। জাতীয় পার্টির জন্য যারা কষ্ট করেছেন, জেল খেটেছেন এবং জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের সবার নিকট আমি কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, বর্তমানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন বজায় রাখতে সর্ববাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। দুর্নীতি, অর্থনীতিতে অব্যবস্থাপনা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির মতো কিছু ক্রটি রয়েছে। আমি নিশ্চিত যে, প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে অবগত আছেন এবং আমি তাঁকে অনুরোধ করব এই বিষয়গুলোকে আরো ঘনিষ্টভাবে সমাধান করতে এবং তাঁর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের আরো বেশি আন্তরিক ও সক্রিয় হতে হবে।

বর্তমান ভূ-রাজনীতি বিশেষ করে ইউক্রেনের যুদ্ধ গুরুতর অর্থনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে আমাদের দেশেও। তাই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের সবাইকে আরো সতর্ক হওয়া উচিত এবং সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত।

তিনি বলেন, বিএনপির অধীনে জাতীয় পার্টি খুবই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমাদের নেতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং আমি ও আমার নাবালক সন্তানসহ দলের হাজার হাজর নেতাকর্মী জেল খেটেছিলেন। তখন আমাদের জনসভাও করতে দেয়া হয়নি। ঢাকাসহ বিভিন্নস্থানে অনেক জনসভায় হামলা চালিয়ে কতশত নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই অন্ধকার দিনগুলো আমরা ভুলবো কি করে? তাছাড়া আমরা তাদের শাসনামলে “হাওয়া ভবনের” দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও অপতৎপরতা দেখেছি। জনগণ উন্নতি ও শান্তির জন্য পরিবর্তন চায়, যা জাতীয় পার্টিই দিতে পারে সেই শান্তি। অবশ্যই তা বিএনপি নয়। বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না।

রওশন বলেন, মনে রাখবেন রংপুর জাতীয় পার্টি প্রাণ। এটা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বাড়ি। তাই আসনটি যেকোনো মূল্যে ধরে রাখতে হবে এবং জাতীয় পার্টির প্রতীক ‘লাঙল’ নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হবে এমন যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেবো। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্নেহধন্য পুত্রতুল্য এবং তাঁর পছন্দের যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীকেই আসন্ন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে লাঙ্গলের মেয়রপ্রার্থী ঘোষণা করছি, তিনি হলেন সাবেক মেয়র ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য, জনমানুষের প্রিয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা। তার নির্বাচন ও বিজয়ের মধ্যদিয়ে জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী দল হিসেবে নতুন করে প্রতিষ্ঠা পাবে।

নিজের স্বাস্থ্যের অবস্থা প্রসঙ্গে বলেন, আমি এখন ঠিক আছি কিন্ত আমার পায়ে কিছু সমস্যা আছে এবং ফিজিওথেরাপি নিচ্ছি। আমার সুস্থতা কামনায় দোয়া করার জন্য পার্টির নেতাকর্মী এবং দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। ব্যাংককে চিকিৎসার সময় সহযোগিতা এবং স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

;

ছাত্রলীগের সম্মেলন ৬ ডিসেম্বর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছাত্রলীগ

ছাত্রলীগ

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ৬ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে নেতারা নানান তারিখের কথা বললেও প্রধানমন্ত্রীর শিডিউল হিসেবে ৬ ডিসেম্বরই সম্মেলন হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার (২৭ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, সম্মেলনের তারিখ নিয়ে আর কোন কথা হবে না।

প্রথমে এই সম্মেলনের জন্য ৩ ডিসেম্বর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরে তা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্থগিত করা হয়। সেসময় সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছিল, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান যাচ্ছেন ২৯ নভেম্বর। তিনি ফিরবেন ৩ ডিসেম্বর। সে কারণে ছাত্রলীগের সম্মেলন ৩ ডিসেম্বরের বদলে ওই মাসের অন্য কোনোদিন নির্ধারণের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

এর আগে সংগঠনটির সম্মেলন হয়েছিল ২০১৮ সালের মে মাসে। ওই বছরের জুলাইয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি পদে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক পদে গোলাম রাব্বানী দায়িত্ব পান। তারা পদ হারালে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে সভাপতি পদে আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক পদে লেখক ভট্টাচার্য আসেন। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ‘ভারমুক্ত’ হন তারা।

;

‘বিএনপির সরকার পতনের স্বপ্ন কর্পূরের মতো উবে যাবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির সরকার পতনের স্বপ্ন কর্পূরের মতো উবে যাবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার (২৭ নভেম্বর) শহীদ ডা. মিলন দিবসে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, বিএনপির উচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা ভুলে গিয়ে নির্বাচনে আসা।

ওবায়দুল কাদের আরও জানান, আওয়ামী লীগের একার পক্ষে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়, গণতন্ত্র বিকাশে বিরোধীদলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি দাবি করেন, ১৯৯০ সালে স্বৈরশাসক এরশাদের পতনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন শেখ হাসিনা। 

;