সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম করোনায় আক্রান্ত



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মোহাম্মদ নাসিম

মোহাম্মদ নাসিম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সোমবার (১ জুন) তার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছে। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মহিউদ্দন আহমেদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আল ইমরান চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘তিনি সোমবার দুপুরে হাল্কা শ্বাস কষ্ট নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। উনার কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। কিছুক্ষণ আগে উনাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।’

মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে তানভীর শাকিল জয় দেশবাসীর কাছে তার বাবার জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি জানান, চার দিন আগে পরিবারের সবাই বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পরীক্ষা করিয়েছেন। সবারই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। কিন্তু তার বাবা শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন। আজকেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এবং করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেন চিকিৎসকরা।

জয় আরও জানান, আপাতত তার বাবাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালেই রাখা হবে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হবে।

মোহাম্মদ নাসিমের শ্বাসকষ্ট না থাকলেও প্রস্রাবে সমস্যা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

   

ঝরবে বৃষ্টি, কমবে তাপমাত্রা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নিয়ে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয়ভাবে অবস্থান করছে। এর ফলে আগামীকাল (২৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

একইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

;

খাবার জোটাতে আশ্রয় কেন্দ্রে দোকান দিয়েছে সেলিনা



রাজু আহম্মেদ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নিজের পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করেছেন সুনামগঞ্জ সদরের সেলিনা বেগম। তবে বিয়ের কিছুদিন পর অসুস্থ হয়ে পড়েন স্বামী। অভাবের সংসারের হাল ধরে ঘরে সাথে দোকান দিয়ে চালাতেন সংসার। তবে মেঘালয় পাহাড়ের ঢল আর ভারী বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে সেলিনার বাড়ি। সাথে ভেঙে গেছে দোকানের স্বপ্ন। এখন বাড়ি ও দোকান হারিয়ে গত ৮ দিন ধরে আশ্রয় কেন্দ্রে কাটছে সেলিনার দিন।

সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ আশ্রয় কেন্দ্রে অস্থায়ী ঠাঁই মিললেও হয়নি সেলিনার পরিবারের খাবারের ব্যবস্থা। তাই আশ্রয়ের জায়গায় দোকান দিয়ে আয় করার চেষ্টা করছেন এই নারী।

সেলিনা বলেন, আমার আয়ের একমাত্র পথ ছিল দোকানটি। তবে এই দোকানটাই তলিয়ে গিয়েছে ঘরের সাথে। এখন পরিবারের খরচ চালানোর মত তো উপায় নাই। তাই বাধ্য হয়ে এখানে দোকান দিয়েছি। এখানে থাকার জায়গা পেলেও খাবার মিলছে না।

তিন ছেলে মেয়ের জননী সেলিনা। সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে আশ্রয় কেন্দ্রের এক দিকে সামলাচ্ছেন দোকান, আরেক দিকে সামলাতে হচ্ছে সংসার। দৈন্যদশার জীবনে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে চললেও তলিয়ে যাওয়া ঘর বাড়ি নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন তিনি।

সেলিনা বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমার ছেলে মেয়েগুলোকে ঈদের দিন থেকে ভালো কিছু খাওয়াতে পারি নাই। একটা ডিম কিনে এনে খাওয়ানোর সামর্থ্য এখন নেই। শুধু চিড়া মুড়ি আর গুড় খেয়ে আছি আমরা। জেলা প্রশাসন থেকে খাবার দিচ্ছে না। আমরা তো আরও বেশ কিছুদিন যেতে পারব না বাসায়। গেলেও বাড়ি ঘর ঠিক করতে আমাদের সময় লাগবে। ঘর ঠিক করার টাকাও নাই। আমাদের গরিবের কপালেই এমন হয়।

সেলিনার মত এই আশ্রয় কেন্দ্রসহ সুনামগঞ্জের ৫৩০টি আশ্রয় কেন্দ্রে কয়েক হাজার পরিবারের গল্পটা একই রকম। বন্যার কবলে পড়ে বাড়ি ঘর সর্বস্ব হারিয়ে দুর্বিষহ জীবন পার করছে বানভাসি মানুষ। খাদ্য সংকট ও পানি সংকটে নাজুক অবস্থা আশ্রয় নেওয়া মানুষের।

আশ্রয় কেন্দ্রের বাসিন্দাদের অভিযোগ কোন সহায়তা পাননি জেলা প্রশাসন কিংবা স্থানীয়দের পক্ষ থেকে। ত্রাণ ও খাবার দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তা মেলেনি তাদের ভাগ্যে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবায়ন করা হয়নি কিছুই এমন অভিযোগও মিলছে বানভাসি মানুষদের কাছ থেকে।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাসেল ইকবাল চৌধুরীকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

;

ভালুকায় তিন মিষ্টির দোকানকে জরিমানা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের ভালুকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরী, স্টিকার বিহীন খাবার পরিবেশনা ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার রাখার অপরাধে তিন তিন মিষ্টির দোকানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (২২ জুন) দুপুরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে উপজেলার পৌর সদরে অবস্থিত ওই তিন দোকানে জরবমানা আদায় করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারহান লাবীব জিসান।

এসময় রসের মিষ্টিকে ২০০০০ টাকা, টাঙ্গাইল পোড়াবাড়ি মিস্টির দোকানকে ১০০০০ ও আলীবাবা সুইটসকে ১০০০০ টাকা সর্বমোট ৪০,০০০ টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ভালুকা পৌরসভার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও ভালুকা মডেল থানার পুলিশ সহযোগিতা করেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারহান লাবীব জিসান বলেন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, স্টিকারবিহীন খাবার রাখার পরিবেশন ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার রাখার অপরাধে তিন মিষ্টি ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযান। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

;

ব্রিজ ভাঙার ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরগুনা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বরগুনার আমতলীতে বৌভাতের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে হলদিয়া হাট ব্রীজ ভেঙে মাইক্রোবাস ও অটোরিকশা ডুবে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই শিশুসহ ৭ নারী নিহত হয়েছেন। 

শনিবার (২২ জুন) দুপুর ২টার দিকে বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন রুবিয়া (৪৫), রাইতি (২২), ফাতেমা (৫৫), জাকিয়া (৩৫), রুকাইয়াত ইসলাম (৪), তাহিয়া মেহজাবিন আজাদ (৭), তাসফিয়া (১৪), ঋধি (৪) ও রুবি বেগম (৩৫)। এদের মধ্যে রুকাইয়াত ইসলাম ও জাকিয়ার বাড়ী আমতলী উপজেলার দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামে। অপর ৭ জনের বাড়ী মাদারিপুর জেলার শিবচর উপজেলার কোকরার চর গ্রামের বাসিন্দা। এরা কনে হুমায়রার মামা বাড়ীর আত্মীয়স্বজন।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ব্রীজ ভেঙে খালে মাইক্রোবাস ও অটোরিকশা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিহতদেরকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ওয়ার ইনচার্জ মোঃ হানিফ বলেন, প্রায় চার ঘণ্টার অভিযানে খাল থেকে সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে যদি ব্রিজ নির্মাণে কোন অনিয়ম পাওয়া যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

;