বাংলা ব্লকেডে যাত্রীর চাপ মেট্রোরেলে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বাংলা ব্লকেডে যাত্রীর চাপ মেট্রোরেলে

বাংলা ব্লকেডে যাত্রীর চাপ মেট্রোরেলে

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের বাংলা ব্লকেডে ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই মেট্রোরেলে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এরফলে মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোতে যাত্রীর চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। এমনকি চাপ সামলাতে কয়েকটি স্টেশনের গেটও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগ, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, সাইন্সল্যাবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এতে যান চলাচল বন্ধ হওয়ায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তাই নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেকেই মেট্রোরেলকে বেছে নিয়েছেন।

রাজধানীর সচিবালয়ের মেট্রোরেলের স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, অনেকেই নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে বাস, সিএনজি থেকে নেমে মেট্রো স্টেশনে যাচ্ছেন। টিকিট কাউন্টার থেকে স্টেশনের সিঁড়ি পর্যন্ত যাত্রীরা লাইনে দাঁড়িয়েছেন। ফলে চাপ বেড়েছে কাউন্টারে।

সাব্বির রহমান যাবেন উত্তরা। তিনি গুলিস্তানে নেমে হেঁটে এসেছেন সচিবালয়ের মেট্রো স্টেশন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে আমার সমর্থন আছে। যদিও আন্দোলনে আমাদের ভোগান্তি হচ্ছে। তবে বিষয়টি দ্রুত সমাধান হওয়া উচিত। এই গরমে জনজীবনে অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে। বাস ছেড়ে মেট্রোতে যাওয়ার জন্য টিকিটের লাইনে দাঁড়িয়েছি। দেখতেই পাচ্ছেন মেট্রোতে অনেক চাপ।

সচিবালয়ের স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে দায়িত্বরতদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্যদিনের ‍তুলনায় আজ চাপ অনেক বেশি।

ফার্মগেট থেকে আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগর বালক স্কুলে সন্তানকে নিতে এসেছেন মো. মিল্লাত আমিন। তিনি বলেন, অনেক কষ্ট করে মেট্রোরেলে উঠতে হয়েছে। অবস্থা এমন যে মানুষ একে অন্যের ঘাড়ের ওপর চড়ে আসে।

মিরপুর-১০ নম্বর থেকে আগারগাঁও আসা আরেক যাত্রী তাহমিনা আক্তার বলেন, প্রথমে এক ট্রেনে উঠতেই পারিনি। পরের ট্রেনে করে আসছি। অনেক লোক।

শুধু মেট্রোরেল নিয়মিত চলাচল করা যাত্রীরাই নন, আশপাশের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা রিকশায় করে, হেঁটে মেট্রোরেল স্টেশন পর্যন্ত এসে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

যাত্রীর চাপ সামলাতে আগারগাঁও স্টেশনের পশ্চিম পাশের গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে অনেক যাত্রী এসে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে যাত্রী গেট বন্ধ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। গেটে কোনও গার্ড না থাকায় মেট্রোরেল চালু নাকি বন্ধ, এমন কোনও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। গার্ডরা গেটে তালা দিয়ে সরে গেছেন।

জানা গেছে কবে শুরু হচ্ছে স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চলমান এইচএসসি ও সমমানের চার দিনের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো আগামী ১১ আগস্টের পর অনুষ্ঠিত হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘স্থগিত হওয়া সব পরীক্ষা ১১ আগস্টের পর অনুষ্ঠিত হবে।’

আর কোনও পরীক্ষা স্থগিত হতে পারে কিনা জানতে চাইলে অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, ‘এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কোনও সিদ্ধান্ত নিলে জানানো হবে।’

পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে সূচি অনুযায়ী আগামী ২৮ জুলাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারা দেশে একযোগে শুরু হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে ১১ আগস্ট এইচএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল।

;

ধ্বংসযজ্ঞ দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার বিভিন্ন স্থানের ধ্বংসযজ্ঞ দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, কূটনীতিকরা বলেছেন ‘এটি তোমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি’।

বুধবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের ব্রিফকালে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বিদেশি মিশনপ্রধান ও কূটনীতিকদেরকে নিয়ে সম্প্রতি দুষ্কৃতকারীদের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডবলীলায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে যাওয়া ঢাকাস্থ চারটি স্থাপনা পরিদর্শন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজ আমরা বাংলাদেশে কর্মরত কূটনীতিকদের ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান যেমন মেট্রোরেল, সেতু ভবন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতো জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের পরিকল্পনা ছিল তাদের কয়েক জায়গায় নিয়ে যাওয়া, বিশেষ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ডাটা সেন্টার। কিন্তু রাস্তায় প্রচুর জ্যাম ও বৃষ্টির কারণে ধারণার চেয়েও অনেক বেশি সময় লেগেছে। সেজন্য তাদের মিরপুরের মেট্রোরেলের ধ্বংসযজ্ঞ দেখিয়েছি। সেখানে যেভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, এমনকি ফুটওভার ব্রিজও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেতু ভবনে যেভাবে তাণ্ডব চালানো হয়েছে, সেখানে ১২ তলা পর্যন্ত আগুন দিয়েছে। সাততলা পর্যন্ত তারা উঠে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বিটিভি হচ্ছে টেলিভিশনের আতুরঘর। আজ যারা টেলিভিশন চ্যানেলগুলো চালায় তাদের অনেকের হাতেখড়ি হয়েছে বিটিভিতে। এই অঞ্চলের প্রথম টিভি চ্যানেল বিটিভি। ১৯৬৪ সালে এটি স্থাপিত হয়। তখন এটি বাংলা ভাষার প্রথম চ্যানেল, ভারতে তখনও টেলিভিশন চ্যানেল হয়নি। সেখানে যেভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এবং কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞ, সারি সারি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেতু ভবনেও একই অবস্থা। মেট্রোরেলের পাশের গাড়িগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো রাষ্ট্রের ওপর হামলা। এগুলো জনগণের সম্পত্তি, এগুলো কোনো সম্পত্তি নয়। তাদের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর তাণ্ডবকেও হার মানিয়েছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কিন্তু আমাদের টেলিভিশন চ্যানেল জ্বালিয়ে দেয়নি, কিন্তু তারা জ্বালিয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে মানুষের ঘরবাড়ি পুড়িয়েছে তারা একই কায়দায় মানুষের সম্পত্তি পুড়িয়েছে, রাষ্ট্রের সম্পত্তি পুড়িয়েছে। ঘরবাড়ি পুড়িয়েছে।

ড. হাছান বলেন, লস অ্যাঞ্জেলসে আমাদের মিশনের সামনে একটি বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে পাকিস্তানিরা যোগ দিয়েছিল। বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেটি আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একইভাবে আমাদের বিভিন্ন মিশনের সামনে যে বিক্ষোভ হয়েছে সেখানে বিএনপি-জামায়াত চক্র পাকিস্তান কমিউনিটির সহায়তা নিয়েছে। সেই সহায়তা নিয়ে এসব জায়গায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এবং গুজব ছড়াচ্ছে। আজ কূটনীতিকরা যাওয়ার পর অনেকেই বলেছেন ‘দিস ইজ শেম’। অনেকেই আমার কাছে তাদের অনুভূতি শেয়ার করেছেন, সবাই বলেছে ‘উই আর উইথ ইউ, আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি’। তোমাদের এটি ‘ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার, আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি’।

মন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে সবার কাছে নোট পাঠিয়েছিলাম যে এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, এটি নিয়ে যেন বিদেশি দূতাবাসগুলো বা কূটনীতিকরা গণমাধ্যমে কোনো বিবৃতি না পাঠায়। তাদের রাষ্ট্রীয় পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে এবং তারা সেটি মেনে চলেছে। আজ সেজন্য গণমাধ্যমকে সেখানে ডাকিনি। তারাও গণমাধ্যমে কথা বলতে চাননি। তারা এটি মেনে চলেছেন। অতীতে এ ধরনের কিছু ঘটলেই আমাদের কূটনীতিকদের উদ্বুদ্ধ করা হতো কথা বলার জন্য। এবার আপনারা (গণমাধ্যম) করেননি সেজন্য আপনাদেরও ধন্যবাদ জানাই।

;

লাশ ফেলার নির্দেশটা কে দিয়েছে, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির পেছনে অনেক বড় ষড়যন্ত্র ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এটা যে একটা বিরাট চক্রান্ত বোঝাই যাচ্ছিল। আমরা কিন্তু আগে থেকে খবর পেয়েছি লোক ঢুকবে। গোয়েন্দা দিয়ে সমস্ত হোটেল, যেখানে তারা থাকতে পারে সেগুলো কিন্তু নজরদারিতে আনা হয়েছে। ওরা সেখানে ছিল না, এরা চলে এসেছে ঢাকার ঠিক বাইরের পেরিফেরিতে (ঢাকার কাছাকাছি এলাকায়)।’

আন্দোলনে লাশ ফেলার নির্দেশনা কার এমন প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আরেকটা জিনিস খেয়াল করবেন, তখনও কিন্তু লাশ পড়েনি। কিন্তু স্টেট ডিপার্টমেন্টের (যুক্তরাষ্ট্রের) বক্তব্যে এসে গেলো যে লাশ পড়েছে। লাশের খবর তাদের কে দিলো? তাহলে লাশ ফেলার নির্দেশটা কে দিয়েছে? এটাও খবর নেওয়া দরকার। এবং তারপরে কিন্তু লাশ পড়তে শুরু করলো।’

বুধবার (২৪ জুলাই) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এডিটরস গিল্ডসের উদ্যোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও হেড অব নিউজ এবং সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকার প্রধান বলেন, ‘আমি জানতাম যে নির্বাচন করতে দেবে না। তারপরও নির্বাচন করে ফেলেছি। নির্বাচন করার পর গ্রহণযোগ্য হবে না, সেটাও গ্রহণযোগ্য আমরা করতে পেরেছি, সরকার গঠন করতে পেরেছি। আমার একটা ধারণা ছিল এই ধরনের একটা আঘাত আবার আসবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন) এইভাবে কেন সুযোগটা সৃষ্টি করে দিলো সেই জবাবটাও জাতির কাছে তাদের দিতে হবে। আমরা তো বারবার তাদের সঙ্গে বসলাম। প্রজ্ঞাপনও করা হলো। তাদের কোনও দাবি পূরণ করা ছাড়া রাখিনি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে দাবি তারা করেছিল কোটা সংস্কারে, যতটুকু চেয়েছিল তার থেকে অনেক বেশি দিয়েছি। যখন তাদের দাবি মেনে নেওয়া হলো, তারপরও তারা এই জঙ্গিদের সুযোগ করে দিলো কেন? কোটা আন্দোলনকারীদের কিন্তু জাতির কাছে একদিন এই জবাব দিতে হবে। কেন মানুষের এত বড় সর্বনাশ করার সুযোগ করে করে দিলো? আমরা সবসময় তাদের সঙ্গে সহানুভূতি দেখিয়েছি। তাদেরকে সব সময় নিরাপদ রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে এটা কখনও ক্ষমা করা যায় না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশ থেকে শিবির-জামায়াত এরা এসেছে। সঙ্গে ছিল ছাত্রদলের ক্যাডাররাও। যত ঘটনা ঘটেছে এরাও (বিএনপি) সক্রিয় ছিল।’

দেশবাসীকে সব ধরনের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ, কালো প্যান্ট-সাদা শার্টের পোশাক, ভুয়া আইডি কার্ড, তাদের পেছনের ব্যাগের মধ্যে কি ছিল? পাথর আর অস্ত্র ধারালো। মসজিদে অস্ত্র নিয়ে ইমামকে মাইকিং করতে বাধ্য করা, এই যে জঙ্গিবাদের একটা বীভৎস চেহারা আজকে সকলের সামনে চলে এলো, এটার বিরুদ্ধে জাতিকে, সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

সাম্প্রতিক সহিংসতায় মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বাংলাদেশ টেলিভিশন, দুর্যোগ ভবন, সেতু ভবন, বিআরটিএ অফিস, ডাটা সেন্টারে হামলা ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘যারা দেশের এই সর্বনাশটা করলো, যারা আজকে গণমানুষের আর্থসামাজিক উন্নতির জন্য, তাদের আয় বৃদ্ধি, তাদের চলাচলের সুবিধার জন্য, জীবনমান উন্নত করবার জন্য যত স্থাপনা তৈরি করেছি সবগুলোতেই তারা আঘাত করেছে, ভেঙে দিয়েছে। এতে ক্ষতিটা কার হলো? নিশ্চয়ই জনগণের। এখানে তো জনগণকেই রুখে দাঁড়াতে হবে, এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, জনগণকেই সোচ্চার হতে হবে। কারণ এরা তো কোনোদিনই কোনও দেশে ভালো কিছু করতে পারেনি।’

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে কারফিউ দেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমি চাইনি আমাদের গণতান্ত্রিক ধারায় এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটুক, কারফিউ জারি হোক। একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশে এটা আসুক আমাদের কাম্য ছিল না। কিন্তু না দিয়ে কোনও উপায় ছিল না। না দিলে আরও যে কত লাশ পড়তো তার হিসেব নেই।’

গণমাধ্যমগুলোকে সঠিক সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা ঠিক অনেকে গুজবে কান দেয়। কান নিয়ে গেছে চিলে, ওটার পেছনে ছোটে, কানে হাত দিয়ে দেখে না—কান আছে কিনা। মিথ্যাচারের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করেন, মানুষ যাতে সঠিক তথ্য জানতে পারে সেভাবে সংবাদগুলো পরিবেশন করুন।’

মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান। স্বাগত বক্তব্য দেন এডিটরস গিল্ডসের প্রেসিডেন্ট মোজাম্মেল হক বাবু। এরপর বক্তব্য রাখেন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতারা বক্তব্য রাখেন।

;

বৃহস্পতিবার রংপুর পরিদর্শন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন দুস্কৃতিকারীদের হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা পরিদর্শন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে তারা রংপুর সফর করবেন।

বুধবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান। সফরকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন ধ্বংসযজ্ঞ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা পরিদর্শনসহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে বেলা ১১টার দিকে সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মতবিনিময় করবেন।

রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বলেন, রংপুরের যেসব স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, সেই সব স্থাপনায় ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের জন্য একটি কমিটি গঠন করার প্রক্রিয়া চলছে। তাছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সচিব ও আইজিপি রংপুরে আসছেন। উনারা ক্ষতিগ্রস্থ ভবন ও স্থাপনা পরিদর্শন করবেন।’

;