পশু কোরবানি দিতে গিয়ে ঢামেকে ৯৪



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলছে ঈদুল আজহা। ঈদে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানি দিতে গিয়ে গরুর শিংয়ের আঘাত, গরুর লাথি এবং মাংস কাটতে গিয়ে ৯৪ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৭ জুন) দুপুর সাড়ে বারোটার টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক ) হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জরুরি বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) আবাসিক সার্জন ডা. আমান।

তিনি বলেন, কোরবানি দিতে গিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত আহত অবস্থায় আমাদের এখানে ৯৪ জন এসেছে। আহতদেরকে জরুরি বিভাগ থেকে সেলাই এবং চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ডেমরার সারুলিয়া থেকে গরুর শিংয়ের আঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় মো. বাবুল (৫৫) নামে একজনকে হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে ১০২ নং ওয়ার্ডের ভর্তি দেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে কোরবানি দিতে গিয়ে আহত অবস্থায় ৯৪ জন জরুরি বিভাগে এলে হাসপাতালের জরুরিভাবে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আলোচিত সুজন হত্যা মামলার আসামি ইলিয়াছ গ্রেফতার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, হবিগঞ্জ
সুজন হত্যা মামলার আসামি ইলিয়াছ গ্রেফতার

সুজন হত্যা মামলার আসামি ইলিয়াছ গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে সুজন হত্যা মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ইলিয়াছ মিয়া ওরফে ছোটনকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোবারক হুসেন ভুইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে বুধবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ইলিয়াছ মিয়া ওরফে ছোটন শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের দাউদনগর চরনুরআহম্মদ গ্রামের মো. সালেহ মিয়া ওরফে কনা মিয়ার ছেলে।

ওসি জানান, ইলিয়াছ দুইটি হত্যা মামলাসহ অন্যান্য দুইটি মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন।

উল্লেখ্য, ইলিয়াছ ২০০৮ সালের ১৩ এপ্রিল দক্ষিণ লেঞ্জাপাড়া গ্রামের মরম আলীর ছেলে আলী আহমদ সুজনকে হত্যা করে ভারতে পালিয়ে যায়। ২০১১ সালের ১৬ জুলাই সে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। পরে চুনারুঘাট থেকে বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী বাজারে যাওয়ার জন্য আব্দুল জলিলের অটোরিকশা ১ হাজার টাকায় ভাড়া নেয়। সন্ধ্যায় বাহুবল বাজারে পৌঁছে জলিল আর যাবে না বলে তার ভাড়া দাবি করে। এ সময় ছোটন ৪শ টাকা দিয়ে বাকি টাকা পুটিজুরী বাজারে গিয়ে দেবে বলে চালক জলিলকে জানায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে জলিলকে ছুরিকাঘাত করতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এছাড়া ইলিয়াছ জেলা কারাগারে হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা জি কে গউছকে ছুরিকাঘাত করেন। এসব ঘটনায় মামলা হলে তাকে একমাত্র আসামি করা হয়।

;

ময়মনসিংহে ১৪ মামলায় আসামি সাড়ে ৩ হাজার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে পুলিশের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ, নাশকতা এবং সরকারি স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনায় ময়মনসিংহে ১৪ মামলা হয়েছে। এতে আসামি করা হয়েছে সাড়ে তিন হাজার জনকে। এসব মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন ১২২ জন। এছাড়া আন্দোলনকারীদের তাণ্ডবে জেলাজুড়ে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফাল্গুনী নন্দী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও নাশতার ঘটনায় ময়মনসিংহ সদর, গৌরীপুর এবং ফুলপুরসহ বিভিন্ন থানায় ১৪টি মামলা করা হয়েছে। ১৮-২৩ জুলাই পর্যন্ত এসব মামলা দায়ের করা হয়।

ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা বলেন, নাশকতার অভিযোগে এ পর্যন্ত জেলায় ১৪টি মামলা হয়েছে। আসামি করা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার জনকে। তবে বেশির ভাগ আসামিই অজ্ঞাত পরিচয়। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ১২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের ও সমর্থন ছিলো। কারণ এটা শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি। তবে আন্দোলনে নাশকতারীরা প্রবেশ করে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালিয়েছে। পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও বিভিন্ন স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ করছে।

জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মাকসুদ চৌধুরী বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে পুলিশের ওপর হামলা এবং অগ্নিসংযোগ, নাশকতা এবং সরকারি স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনায় ময়মনসিংহে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রত্যেকটি ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

হিজলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ১



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, বরিশাল
বরিশালের হিজলা থানা

বরিশালের হিজলা থানা

  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশালের হিজলায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুফিয়ান সরদারকে (৩২) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।

নিহত সুফিয়ান সরদার উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চর দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. জামাল সরদারের ছেলে। তিনি মেমানিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি।

বুধবার (২৪ জুলাই) রাতে ১০টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় অপর পক্ষের ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বিষয়ে নিশ্চিত করে বরিশাল হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবাইর আহম্মেদ জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও কোপাকুপির ঘটনা ঘটে। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছেন ৫ জন। আহতদের মধ্যে একজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ৪ জনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের বাবা এ ঘটনায় মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সুফিয়ানের মামা ও মেমানিয়া ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নোমান সরদার জানান, মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় মাছঘাট দেয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের সঙ্গে সাবেক ইউপি সদস্য মাইনুল, ওহাব আলী গোলদারের বিরোধ রয়েছে। ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি সুফিয়ানের কারণে প্রতিপক্ষরা এলাকায় সন্ত্রাসী করতে পারে না। এ কারণে তার ওপর ক্ষিপ্ত ছিল।

ইউপি সদস্য নোমানের দাবি, বুধবার রাত ১০টার দিকে সুফিয়ান তার দুই বন্ধুকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও বিএনপি নেতা মাইনুলের বাড়ির সামনে পৌঁছলে প্রতিপক্ষ হামলা করে। এতে তার দুই বন্ধু পালিয়ে গেলে সুফিয়ানকে একা পেয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে। খবর পেয়ে তারা গিয়ে সুফিয়ানকে উদ্ধার করে প্রথমে হিজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে পথে মারা যান সুফিয়ান।

;

সন্ত্রাসীরা যেন ঢাকা ছাড়তে না পারে, সে পরিকল্পনা করছে ডিএমপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত, ঢাকা  মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)

ছবি: সংগৃহীত, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার সরকার বলেছেন, সরকারি চাকরিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় যারা সহিংসতা করেছে, তারা যেন ঢাকা শহর না ছাড়তে পারে, সেই লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) পরিকল্পনা করছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে ডিএমপি সদর দফতরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিপ্লব কুমার বলেন, আমরা অত্যন্ত ক্ষোভ ও দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, দেশে উন্নয়নের যে জোয়ার প্রধানমন্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, এই সন্ত্রাসী চক্র কিন্তু বেছে বেছে সেগুলোতে হামলা করেছে। ‘সেতু ভবন’-এ হামলা করেছে সন্ত্রাসীরা।

মেট্রোরেল প্রকল্পের মূল সেন্টার সেতু ভবন ও পদ্মাসেতুরও মূল সেন্টারও সেতু ভবন। প্রধানমন্ত্রী যে উন্নয়ন করেছেন দেশে, সেই উন্নয়নের যাত্রাকে ব্যাহত করার জন্য, যেখানে থেকে উন্নয়নের কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে, সেগুলোকে বেছে বেছে সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। সমস্ত নথিপত্র তারা পুড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ জন্য জামাত ও বিএনপি চক্রকে ধরার জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সেটাই করবে। সন্ত্রাসীদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার জন্য ডিএমপি কাজ করছে।

এই কাজ আরো বেগবান করা হবে। আমরা আরো পরিকল্পনা করছি যেন এই ধরনের সন্ত্রাসীরা ঢাকা না ছাড়তে পারে। ঢাকার ভেতরে যারাই থাকুক না কেন, তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে ডিএমপি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

আরো কতসংখ্যক লোকজন ঢাকায় আছে বলে সন্দেহ করছে ডিএমপি, নিরাপত্তার কোনো হুমকি আছে কি না জানতে চাইলে ডিএমপির এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, গত দুই, তিনদিন যাবত সন্ত্রাসীরা গা ঢাকা দিয়ে আছে। আমাদের কিন্তু ‘ব্লকড রেইড’ চলমান রয়েছে।

‘ব্লকড রেইড’ ছাড়াও ঢাকায় দিন-রাত পুলিশের অপারেশন চলমান। সন্ত্রাসীরা গা ঢাকা দিয়ে যেখানেই থাকুক, পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে কক্সবাজার কিংবা পঞ্চগড়ে পালিয়ে যাক, বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে পালিয়ে যাক না কেন, আমরা তাদের গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করবো। পুলিশের পোশাকের ওপর আঘাত করা মানে আইজিপি স্যারের ওপর আঘাত করা! কমিশনার স্যারের ওপর আঘাত করা! যারা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করেছে, তাদের এই ‘কালো হাত’ আইনগতভাবে ভেঙে দেওয়া হবে।

;