মানুষের অধিকার নিয়ন্ত্রণে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে: টিআইবি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা বিধিমালা ২০২৪ এ বাংলাদেশের মানুষের অধিকার বিশেষ করে বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, পেশাগত স্বাধীনতাসহ তথ্য প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির কার্যালয়ে টিআইবি ও আর্টিকেল নাইনটিন এর যৌথ উদ্যোগে 'প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা বিধিমালা ২০২৪ পর্যালোচনা ও সুপারিশ ' শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কিছু ক্ষেত্রে নামমাত্র পরিবর্তন এনে ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইনের প্রণয়ন করা হয়েছে। মানুষের অধিকার নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা বিধিমালা আইন ২০২৪ এ টিআইবির পক্ষ থেকে প্রস্তাবনা ও সুপারিশ তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিষয়ের অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক সুপন। তিনি বলেন, আমরা মনে করি সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ নিবর্তনমূলক, অনেকাংশে অগণতান্ত্রিক এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার অন্তরায়। আমরা বিশ্বাস করি মূল আইনে এধরনের অসংগতি রেখে অধস্তন আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য অনেকটাই নিষ্ফল হয়ে যাবে। তাই সাইবার নিরাপত্তা বিধিমালা ২০২৪ চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও সকল অংশীজনের উদ্বেগ, মতামত ও পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে এবং অর্থপূর্ণ ও কার্যকর অংশগ্রহণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ সংশোধন করতে হবে।

প্রস্তাবনা ও সুপারিশগুলো 

১। বিধিমালাটি আমাদের সীমিত অর্থনৈতিক, প্রাযুক্তিক সক্ষমতা এবং মানব সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

২। সাইবার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ন্যূনতম ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত এবং প্রযুক্তিগত যোগ্যতার বিধিমালা দিয়ে নির্দিষ্ট করে দেয়া উচিত।

৩। দেশের ভেতর এবং বাইরে থেকে ডিজিটাল সাক্ষ্য সংগ্রহের জন্য বিধিমালায় আইনি কার্যবিধি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত যাতে ডিজিটাল সাক্ষ্য আদালত কর্তৃক সহজেই গৃহীত হতে পারে।

৪। জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির একটি কার্যকর ও অর্থপূর্ণ সাংগঠনিক কাঠামো থাকা দরকার।

৫। নতুন ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা না করে বর্তমান ফরেনসিক ল্যাবটিকে আধুনিক যন্ত্রপাতি, সফটওয়্যার এবং লোকবল দিয়ে সমৃদ্ধ করা উচিত। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উপযুক্ত সময়ে নতুন ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা যেতে পারে।

৬। জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি, জাতীয় সাইবার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম এবং ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের কার্যক্রমে যাতে নাগরিকদের মানবাধিকার ক্ষুণ্ন না হয় সে সংক্রান্ত মানবাধিকার সুরক্ষা বিধান প্রস্তাবিত বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আর্টিকেল নাইন্টিনের বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক শেখ মঞ্জুর-ই-আলম, টিআইবির উপদেষ্টা (নির্বাহী ব্যবস্থাপনা) অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের প্রমুখ।

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন জাহাঙ্গীরের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম

ছবি: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটাবিরোধী আন্দোলনে রাজধানীর উত্তরায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। দুর্বৃত্তদের হামলায় তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছেন।

জানা গেছে, গাজীপুর থেকে ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য বেশ কিছু নেতাকর্মী নিয়ে রওনা দিলে পথিমধ্যে উত্তরা হাউজ বিল্ডিং এলাকা পার হওয়ার সময় তার গাড়ি বহরে অতর্কিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। বর্তমানে তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে। দুর্বৃত্তদের হামলায় জুয়েল মোল্লা নামে জাহাঙ্গীর আলমের এক ব্যক্তিগত সহকারী নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে মহানগর আওয়ামী লীগের ৩২নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জাহাঙ্গীর আলমের ঘনিষ্ঠজন মোখলেছুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

মোখলেছুর রহমান জানান, গত শুক্রবার (১৯ জুলাই) জাহাঙ্গীর আলমের গাড়ি বহর উত্তরা হাউজ বিল্ডিং এলাকা পার হওয়ার সময় আন্দোলনকারীরা তার গাড়ি বহরের গতিরোধ করে। এ সময় জাহাঙ্গীর আলমের গাড়ি বহরে অতর্কিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় ইট-পাটকেল ছুঁড়তে থাকে দুর্বৃত্তরা। ইটের আঘাতে জাহাঙ্গীর আলমের মাথা ফেটে যায়। তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরাও আহত হন। তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ তৈরি করলে জাহাঙ্গীর আলমের ব্যক্তিগত সহকারী জুয়েল মোল্লাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে জাহাঙ্গীর আলম পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। কিছু সময় পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পাশের একটি হাসপাতালে পাঠান। এ সময় তার মাথায় ১৭টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। পরে জাহাঙ্গীর আলমকে চিকিৎসার জন্য রাজধানীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর একদিন পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে। জাহাঙ্গীর আলমের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে বলে জানান এই আওয়ামী লীগ নেতা।

;

মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদে চাকরি

হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্সের ডিজিএমের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন

ছবি: বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এম এম জামিল আহম্মদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদ দেখিয়ে কোটায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি এম এম জামিল আহম্মদ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন। তা সত্ত্বেও প্রতারণার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ থেকে মুক্তিযোদ্ধা সনদ সংগ্রহ করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং কর্পোরেশনে ২০০০ সালের এপ্রিল থেকে চাকরি নিয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন।

ওই সময়ে বেতন ভাতা বাবদ মোট এক কোটি ৩১ লাখ ৭৬ হাজার ৭৩৪ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। যা দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) এর ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। জামিল আহম্মদ বর্তমানে বরিশালে কর্মরত রয়েছেন।

;

‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম

রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রেলমন্ত্রী এ কথা বলেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতায় এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল। এতে রেলের ২২ কোটি ৩ লাখ ৮ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানান রেলমন্ত্রী।

রেলমন্ত্রী বলেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার ফলে বিক্রি করা টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। যার পরিমাণ ১৬ কোটি ৩৫ লাখের বেশি।

গত মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) ভিয়েতনাম ও জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম।

রেল খাতে বিদেশি বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের ফলে সহিংসতা রেল যোগাযোগে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে পারে।

এর আগে, রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) সরদার সাহাদাত আলী বলেন, রেল সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কবে থেকে ট্রেন চলবে।

তিনি বলেন, ট্রেন চলাচলের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ট্রেন চালানো কোনো বিষয় না, বিষয় হচ্ছে নিরাপত্তা। সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে মন্ত্রী, সচিব এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে কবে থেকে ট্রেন চলবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন জানান, স্বল্প দূরত্বে কিছু ট্রেন আজ বৃহস্পতিবার থেকে চলাচলের কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।

;

বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের ঘটনায় ফখরুলের নিন্দা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিন ধরে বিএনপিসহ বিরোধীদলগুলোর নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এক বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী বিএনপিসহ বিরোধীদল ও মতের মানুষদের নির্বিচারে গ্রেফতার করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল ইসলাম তেনজিং এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর ছেলে সানিয়াতকে গ্রেফতার করেছে এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আন্দোলনে ভূমিকা রাখার মিথ্যা অভিযোগে ঢালাওভাবে বিএনপি ও বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ওপর সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্য দোষারোপ করছে। যদি তাই হয়, তাহলে তাদের ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়নি কেন? এটাই জনগণের প্রশ্ন। এতে প্রমাণিত হয়, বিএনপি কিংবা বিরোধীদলের কেউই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত নয়।

তিনি বলেন, জনগণ পুরো ঘটনা ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি করে। এ ছাড়া ব্যর্থতার সব দায় নিয়ে অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত বলে জনগণ মনে করে।

তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে পুলিশ ও আনসার সদস্য যারা নিহত হয়েছেন তাদের জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি, তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

একই সঙ্গে বিনা অপরাধে গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার ও অবিলম্বে তাদের মুক্তির জোর আহ্বান জানাচ্ছি।

;