স্থলভাগে ঘূর্ণিঝড় রিমাল, চলছে তাণ্ডব

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের চোখ স্থলভাগে ঢুকে পড়েছে। রোববার (২৬ মে) রাত সাড়ে ১০টা থেকে বাগেরহাটের মোংলার খেপুপাড়া উপকূলে তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রিমালের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সাতক্ষীরা, কুয়াকাটাসহ উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতে ঘর-বাড়ি, গাছ-পালা ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

জানা যায়, স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি ৪-৫ ফুট উপরে উঠে যাচ্ছে। জলোচ্ছ্বাসের কারণে বাঁধ ভেঙে হু হু করে পানি ঢুকছে নিম্নাঞ্চলে। সুন্দরবনসহ বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকা এসব এলাকার লাখ লাখ মানুষ নিকটবর্তী আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ছুটে গেছেন।

৪০০ কিলোমিটার আকৃতির ঘূর্ণিঝড় রিমালের কেন্দ্র সন্ধ্যা ৬টার পরপরই উপকূল অঞ্চল ছুঁয়েছে। ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার গতিতে রিমাল স্থলভাগে উঠছে। আগামী দেড় থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে পুরোপুরি উপকূলে প্রবেশ করবে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ে আতঙ্কে সাইক্লোন সেন্টারে নদীর তীরবর্তী ও বিভিন্ন গ্রামের সাধারণ মানুষ আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান নিচ্ছেন।

খুলনা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ বলেন, প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় রিমাল খুলনাসহ উপকূল অতিক্রম করছে।

খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার জন্য খুলনার ৬০৪টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুপুরে প্রবল জোয়ারে কয়েক এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় অনেকেই সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন। ইতোমধ্যে প্রায় এক লাখ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছেন।

অবহাওয়া অধিদফতর, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে।

আবহাওয়া অফিসের আশঙ্কা, প্রবল এ ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

   

গাইবান্ধায় গাড়ি চাপায় নারী নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সরকারির গাড়ি চাপায় গাইবান্ধায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গাড়ির চালক শহিদুল ইসলামসহ ঘাতক সরকারি গাড়িটিকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ।

বুধবার (১৯ জুন) সকালে সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমড়পুর নামক এলাকার গাইবান্ধা-পলাশবাড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম রহিমা বেগম (৭৫)। তিনি ওই এলাকার আবু মন্ডলের স্ত্রী। দারিদ্র রহিমা বেগম কোমড়পুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি সরকারি ঘরে ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অপরদিকে, পুলিশের হাতে আটক চালকের নাম শহিদুল ইসলাম (২৮)। তিনি টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার, করটিয়া কাজিবাড়ি এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে ওই এলাকায় রহিমা বেগম রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এসময় গাইবান্ধা থেকে টাঙ্গাইলগামী টাঙ্গাইল-ঘ, ১১০০৬৪ নম্বরের একটি গাড়ি রহিমা বেগমকে চাপা দেয়। এতে গুরতর আহত হন ওই নারী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, দুর্ঘটনার সময় টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.সাজ্জাত হোসাইন গাড়িতে ছিলেন। তিনি গাইবান্ধার পৌর এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে ওই গাড়ি করে ঈদের দাওয়াত খেতে আসছিলেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনার বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

তিনি বলেন, আজ সকালে কোমড়পুর এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় টাঙ্গাইল জেলার নির্বাহী প্রকৌশীর গাড়িতে চাপা পড়ে এক নারী নিহত হয়েছেন। স্থানীয়দের খবরে ঘটনাস্থল থেকে ওই গাড়ির চালকসহ সরকারি গাড়িটি আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.সাজ্জাত হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;

কবি সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মবার্ষিকী বৃহস্পতিবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে ‘নারী জাগরণের অগ্রদূত’ মহীয়সী নারী কবি সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মবার্ষিকী বৃহস্পতিবার (২০ জুন)।

‘জননী সাহসিকা’ হিসেবে খ্যাত এই কবি ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেন।

সুফিয়া কামাল আজীবন মুক্তবুদ্ধির চর্চার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের বিপক্ষে সংগ্রাম করে গেছেন। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর মহিয়সী এই কবি ঢাকায় মারা যান।

কবির জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তাঁরা নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সংগঠনের সুফিয়া কামাল ভবনে (১০, বি/১, সেগুনবাগিচা, ঢাকা) কবির প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

অনুষ্ঠানে মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ, সম্পাদকমণ্ডলি এবং কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

রাষ্ট্রপতির বাণী

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এ উপলক্ষে এক বাণীতে বলেন, কবি সুফিয়া কামাল রচিত সাহিত্যকর্ম নতুন ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি বলেন, কবির জীবন ও আদর্শ এবং তাঁর কালোত্তীর্ণ সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।

সুফিয়া কামাল ছিলেন বাংলাদেশের নারী সমাজের এক অনুকরণীয় উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি নারী সমাজকে কুসংস্কার আর অবরোধের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন।

তিনি ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। নারীদের সংগঠিত করে মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, দেশাত্মবোধ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সুফিয়া কামাল ছিলেন অগ্রদূত।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সুফিয়া কামালের জীবনব্যাপী সংগ্রামের প্রধান লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বাণীতে বলেন, কালজয়ী কবি বেগম সুফিয়া কামালের জীবন ও দর্শন এবং সাহিত্যকর্ম প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পাঠকের হৃদয় আলোকিত করবে।

তিনি বলেন, নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা ও প্রতিজ্ঞা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সঞ্চারিত হয় ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। তাঁর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম ছাত্রীনিবাসের নাম ‘রোকেয়া হল’ রাখা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে। তাঁর স্মরণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য ‘বেগম সুফিয়া কামাল হল’ নির্মাণ করে।

বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সুফিয়া কামালের ছিল আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সুফিয়া কামাল পরিবারসহ কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং এই আন্দোলনে নারীদের উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন।

পাকিস্তান সরকার ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে তার প্রতিবাদে সংগঠিত আন্দোলনে তিনি জড়িত ছিলেন এবং তিনি ছায়ানটের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর ধানমণ্ডির বাসভবন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেন। স্বাধীন বাংলাদেশে নারী জাগরণ ও নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও তিনি উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন।

‘সাঁঝের মায়া’, ‘মন ও জীবন’, ‘শান্তি ও প্রার্থনা’, ‘উদাত্ত পৃথিবী’ ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এছাড়া ‘সোভিয়েতের দিনগুলো’ এবং ‘একাত্তরের ডায়েরি’ তাঁর অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ। সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা দিবস পদক, বেগম রোকেয়া পদক, সোভিয়েত লেনিন পদক ও জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;

জমির আইল কাটা নিয়ে দু’ভাইয়ের দ্বন্দ্ব, প্রাণ গেল ভাতিজার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের নান্দাইলে জমির আইল কাটা নিয়ে চাচাতো ভাইয়ের ছুরির আঘাতে প্রাণ গেল লাল মিয়া (২৫) নামে এক যুবকের। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন চাচা।

বুধবার (১৯ জুন) সকালে উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের মাটিকাটা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত লাল মিয়া ওই এলাকার সিরাজ উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার দিন সকালে সিরাজ উদ্দিন তার ছেলে লাল মিয়াকে নিয়ে বাড়ির পাশেই নিজ জমিতে আমন ধানের বীজতলা তৈরি করার কাজ করছিল। এসময় সিরাজ উদ্দিনের ভাই গিয়াস উদ্দিন ও তার ছেলে হাফেজ মিজান আইল বেশি করে কাটার অভিযোগ করেন এবং আইল কাটতে বাধা দেন। এই নিয়ে দুই ভাইয়ের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গিয়াস উদ্দিনের ছেলে হাফেজ মিজান ধারালো ছুরি দিয়ে তার চাচাতো ভাই লাল মিয়া ও চাচা সিরাজ উদ্দিনকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। এতে লাল মিয়া ও তার পিতা সিরাজ উদ্দিন গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে লাল মিয়া ও পিতা সিরাজ উদ্দিনকে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক লাল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করে। তার পিতা সিরাজ উদ্দিনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

নান্দাইল মডেল থানার ইনচার্জ (ওসি) আ. মজিদ বলেন, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক নারীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানান তিনি।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ফিরছেন কর্মজীবীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা। বুধবার (১৯ জুন) থেকে খুলেছে অফিস। তবে রাজধানীর কোথাও আজ দেখা যায়নি যানজট। সড়কে গণপরিবহন ছিল সংকট।

অনেকে ছুটির সঙ্গে বাড়তি ছুটি নিলেও বেশিরভাগ মানুষই ঈদের তৃতীয় দিনেই রাজধানীতে ফিরছেন। এছাড়া কর্মস্থলে যোগ দিতে ও ভিড় এড়াতে অনেকে আগেভাগেই চলে আসছেন। কোলাহলপূর্ণ ব্যস্ত নগরী এখনও চিরচেনা রূপে ফেরেনি। 

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাস টার্মিনাল গুলোতে দেখা যায়, ঢাকামুখী ও ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মানুষের ভিড়। অনেকে ঈদের পরে যাচ্ছেন ছুটি কাটাতে।

এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড়। তবে রাজধানীতে ফেরার ভিড় এখনও শুরু হয়নি বলে জানিয়েছে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বাড়তে পারে বলে জানান পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।


এদিকে ঈদযাত্রা শেষে ফিরতি পথে ভোগান্তি তুলনামূলক কম ছিল বলে জানান যাত্রীরা। পাঁচ দিনের ছুটি শেষে পরিবারসহ সাতক্ষীরা থেকে রাজারবাগ বাস টার্মিনালে এসে নেমেছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. জিয়াউল হক।

তিনি বার্তা২৪.কমকে জানান, ‘রাস্তায় কোনো ভোগান্তি ছিল না নির্বিঘ্নে চলে এসেছি। পদ্মাসেতু হয়ে মাত্র ৫ ঘণ্টায় ঢাকা পৌঁছেছি।’

গ্রীনলাইন পরিবহনের জসিম বলেন, ঈদে ঢাকা ফেরত যাত্রীদের চাপ এখনও শুরু হয়নি। তবে, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বাড়তে পারে।

অন্যদিকে মানুষ ফিরতে শুরু করলেও চিরচেনা রূপে এখনও ফেরেনি ঢাকা। গত কয়েকদিনের মতো নগরীর প্রধান সড়কগুলো আজ অনেকটাই যানজটমুক্ত। সড়কে ব্যক্তিগত গাড়িসহ গণপরিবহনের সংখ্যাও কম দেখা গেছে। কিছু স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও ঢাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;