ঘূর্ণিঝড় রিমাল: ১০ হাজার আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে থাকা গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমালে রূপ নিয়েছে যা বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে।

ইতোমধ্যে উপকূলীয় বিভিন্ন স্থানে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। এর ফলে ঘূর্ণিঝড় পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে স্থানীয় জনসাধারনের জানমালের যে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হবে তা মোকাবেলায় উপকূলীয় ১২ জেলায় ১০ হাজার আনসার-ভিডিপি সদস্যকে চার দিনের জন্য মোতায়েন করেছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

একই সাথে সংশ্লিষ্ট উপকূলীয় রেঞ্জ কমান্ডার, জেলা কমান্ড্যান্ট ও আনসার ব্যাটালিয়ন অধিনায়কগণকে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার আদেশ দেয়া হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে এক ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে এসকল কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশাবলী জারি করা হয়। রবিবার (২৬ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

ফ্যাক্সের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবেলায় সকল কর্মকর্তা- কর্মচারীদের ছুটি বাতিলপূর্বক স্টেশনে অবধারিতভাবে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য সদর দপ্তরে অপস কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

এরই প্রেক্ষিতে ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কমান্ডার ও জেলা কমান্ড্যান্টগণ স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে এবং ক্ষেত্রবিশেষে নিজ উদ্যোগে দুর্গত মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা ও মাইকিং করে প্রচারণার মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছেন।

এছাড়াও আনসার-ভিডিপি সদস্যগণ স্থানীয়দের গৃহপালিত প্রাণী যেমন- হাস, মুরগি, গরু, ছাগল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনতে সহায়তা করছেন। সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ, ব্যাটালিয়ন ও জেলা কমান্ড্যান্টের কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড দলনেতা-দলনেত্রী, উপজেলা ও ইউনিয়ন আনসার কমান্ডার ও সহকারী আনসার কমান্ডারদের ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় কবলিত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার ব্যাাটালিয়ন সদস্য, আনসার ও ভিডিপি সদস্য/সদস্যাদের নিয়োজিত করার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়াধীন দপ্তর ও সরকারী কোনো সংস্থা ও এজেন্সি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদেয় স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমে আনসার-ভিডিপি সদস্যগণ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছেন আনসার-ভিডিপি সদস্যরা।

   

খুলনায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
খুলনায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

খুলনায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর হাটে শেষ মুহূর্তে ব্যাপক ভিড়। তীব্র গরমকে উপেক্ষা করে মহানগরীর প্রতিটি হাটেই বেচাকেনা জমজমাট।

রোববার (১৬ জুন) কোরবানির হাটে পশু কেনার জন্য আগ্রহী ক্রেতারা ভোর থেকেই ভিড় করতে শুরু করেন। 

ক্রেতারা প্রতিটি গরু, ছাগল বা কোরবানির পশু পরিদর্শন করে দামদর ঠিক করছেন। বিক্রেতাদেরও ব্যস্ততা তুঙ্গে। কারণ একদিকে পশু বিক্রি, অন্যদিকে ক্রেতাদের সন্তুষ্টি বজায় রাখা, উভয়ই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

খুলনা সিটি করপোরেশন পরিচালিত মহানগরীর জোড়া গেট এলাকার পশুর হাটে সাতক্ষীরা তালা উপজেলা থেকে আসা মো. এবাদুল গাজী নামের এক গরু বিক্রেতা জানালেন, ‘সকাল থেকে ক্রেতাদের চাপ বাড়ছে। গরু দেখার পর দরদাম নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। আমাদেরও কষ্ট কম নয়, কিন্তু আমরা খুশি যে কোরবানির পশু বিক্রি করতে পারছি।’

খুলনা মহানগরীর টুটপাড়া এলাকা থেকে আগত মোঃ সজল মৃধা নামের এক ক্রেতা বললেন, ‘কোরবানির জন্য ভালো পশু বেছে নিতে চাই। ত্যাগের মহিমায় আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেয়।”

খুলনার অধিকাংশ কোরবানির পশুর হাটে পশু চিকিৎসকদের উপস্থিতি দেখা যায়। তারা প্রতিটি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন, যা ক্রেতাদের জন্য আশ্বাস প্রদান করে। কোরবানির হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনও তৎপর। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক দল কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

পশুর হাটে সাধারণত চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের পশু পাওয়া যাচ্ছে। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সবই রয়েছে। বিশেষ করে এ এলাকায় গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ক্রেতারা সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান গরু বেছে নিচ্ছেন। ক্রেতাদের মতে, কোরবানির পশু যেন নির্দিষ্ট মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয় সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ হাটে আসা মোহাম্মদ ইমরান হোসেন মিয়া নামের আরেক ক্রেতা জানালেন, “আমি প্রতি বছর কোরবানি দেয়। এটি আমার জন্য এক ধরনের আত্মিক প্রশান্তি এনে দেয়। আমরা সব সময় ভালো পশু বেছে নিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানি দিয়ে থাকি।” অন্যদিকে যশোর মনিরামপুর থেকে আসা খামারি মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম বলেন, “কোরবানির সময় আমাদের বিক্রি অনেক বেড়ে যায়। সারাবছর আমরা এই সময়ের জন্য অপেক্ষা করি।”

সিটি কর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, চলতি মাসের ১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে কোরবানির পশুর হাট শুরু হয়। ২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর কোরবানি ঈদের আগে এ হাটের আয়োজন করে থাকে সিটি কর্পোরেশন। তবে এহাট জমতে শুরু করে ঈদের দুদিন আগে থেকে। গতকাল থেকে এ হাটে দায়িত্বরত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাপ বেড়েছে কয়েক গুনে। ২০২৩ সাল এ হাটে ৪ হাজার ৮৯টি গরু, ১ হাজার ৯শ ১১টি ছাগল এবং ২০টি বিক্রি হয়েছিল ভেড়। সিটি কর্পোরেশন হাসিল আদায় করেছিল প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;

ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদুল আজহার বন্ধকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর সাগরকন্যা কুয়াকাটায় ভ্রমনে আসা আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে বাড়তি প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

শনিবার (১৫ জুন) বিকেল ৪টায় কুয়াকাটা ট্যুরিজম পার্কে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এই ছুটিতে কুয়াকাটায় অতিরিক্ত পর্যটকদের আগমন ও মাসিক মিটিংয়ের অংশ হিসাবে "কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট" কমিটির এ সভায় একথা জানান জেলা প্রশাসক ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির আহ্বায়ক মো. নুর কুতুবুল আলম।

কুয়াকাটাকে অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি উল্লেখ করে তিনি বলেন,প্রতিবছরের ন্যায় ঈদুল আযহার লম্বা ছুটিতে কুয়াকাটায় ব্যাপক পর্যটকের সমাগম হবে। এজন্য আমরা সার্বিকভাবে একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ, মহিপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আগে থেকেই বাড়তি নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এছাড়াও এখানে উপজেলা প্রশাসন এবং একজন বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক তদারকি করবেন যাতে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা বা দূর্ঘটনা না ঘটতে পারে। প্রতিবছরই আমরা এই ধরনের প্রোগ্রাম করে আসছি তাই আমরা প্রতি বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এ বছর একটু বাড়তি প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো: আনসার উদ্দিন, কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম, কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হাওলাদার, ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার, হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল এম.এ মোতালেব শরীফ,সাংবাদিক আবুল হোসেন রাজুও আসাদুজ্জামান মিরাজ সহ কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন, প্রমুখ।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;

রংপুরে ৯ ঘণ্টা ধরে তীব্র যানজট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ৮ শতাধিক যাত্রীবাহী বাস রংপুরে তীব্র যানজটের কবলে পড়েছে। এসব বাসে থাকা কয়েক হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন।

রোববার (১৬ জুন) রংপুর নগরীর মডার্ন মোড় থেকে দমদমা পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই যানজটে ৮ শতাধিক যাত্রীবাহী বাস আটকা পড়ে। ভোর ৫টা থেকে শুরু হওয়া এই যানজট দুপুর ২টা পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এতে যাত্রীরা সীমাহীন দুর্ভোগ পড়েছে।

রংপুরসহ ৫ জেলায় যানবাহন যাতায়াত প্রবেশ মুখ মর্ডান মোড়। ফলে সময় যতই সময় গড়াচ্ছে ততই যানবাহনের চাপ বাড়ছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক শাখার ইন্সপেক্টর কেরামত আলী জানান, দমদমা এলাকায় দুটি বাস বিকল হয়ে যাওয়ায় এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে যাত্রীদের অভিযোগ, পুলিশের দায়িত্বহীনতার কারণে এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী এক বাসে যাত্রী বলেন, ভোর ৫টা থেকে তিনি আটকা পড়েছেন। এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি পঞ্চগড়গামী এক বাসের যাত্রী জানান, যেভাবে তারা যানজটে আটকা পড়েছেন, বাসায় কখন ফিরবেন নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;

ভারী বৃষ্টিতে সিকিমে আটকা হাজারো পর্যটক



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিকিমে ভারী বৃষ্টিতে গাছপালা ভেঙে, পাহার ধ্বসে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে আটকা পড়েছেন অনেক পর্যটক। খারাপ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কাজও চালাতে পারছে না প্রশাসন।

এদিকে উত্তর সিকিমে দু’‌হাজার পর্যটক আটকা পড়েছেন। তা‌দের উদ্ধারে বিমান বাহিনীর সাহায্য চেয়েছে সিকিম প্রশাসন। আর পাকইয়াং বিমানবন্দরের কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার সিং বলেছেন, ‘রাজ্যের পক্ষ থেকে নির্দেশ পেয়েছি। লাচুং এবং চুংথাং থেকে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধার করার জন্য। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ায় সেটা থমকে আছে। আমরা উদ্ধার কাজ করতে প্রস্তুত।’‌

লাচুংয়েই তিনদিন ধরে আটকে রয়েছেন ১২০০ পর্যটক। মঙ্গনের পুলিশ সুপার সোনম ডিকচু ভুটিয়া জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ার জেরে এখনও উত্তর সিকিমের দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়নি। স্থানীয়ভাবে সবরকম চেষ্টা চলছে। হেলিকপ্টার নামার মতো আবহাওয়া না থাকায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী, সিকিম আর্মড পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। রংপোয় হেল্প ডেস্ক চালু করা হয়েছে। যোগাযোগের নম্বর ৮৭৬৮০৯৫৮৮১ এবং ৯০৫১৪৯৯০৯৬। সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং শনিবার ধস বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। রোববার সকাল পর্যন্ত মঙ্গন জেলায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।

আগামী কয়েকদিন সিকিম, দার্জিলিংসহ উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। চারদিন ধরে টানা বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিমের দিকে যাওয়ার একাধিক রাস্তা ডিকচু-সঙ্কলং-টুং, মাগান-সঙ্কলং, সিংথাম-রাংরাং, রাংরাং-টুং ধসে বিধ্বস্ত হয়েছে।

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল

;