চসিকে সংযুক্ত হল ৪০ ময়লার কন্টেইনার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমে গতি আনয়নের লক্ষে চিটাগং ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) থেকে ৪০টি ময়লার কন্টেইনার কিনেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন৷

মঙ্গলবারর (২১ মে) দুপুরে টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ের রাস্তার সম্মুখে (বিন্নাঘাস এলাকা) চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর কাছে কন্টেইনার গুলো হস্তান্তর করেন সিডিডিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মো. বেনজীর মাহমুদ৷

এছাড়া, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের (বিআরটিসি) ব্যবস্থাপক মো. মফিজ উদ্দিন চসিকের ৪টি বর্জ্য অপসারণে ব্যবহৃত গাড়ি সংস্কার করে চসিক মেয়রের কাছে হস্তান্তর করেন৷

অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে আমরা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মনোযোগ দিচ্ছি। এজন্য আমরা সরকারি প্রতিষ্ঠান সিডিডিএল থেকে উন্নতমানের ৪০টি উন্নতমানের কন্টেইনার কিনেছি এবং বিআরটিসি থেকে পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমে ব্যবহৃত গাড়ি সংস্কার করছি৷ এর ফলে পরিচ্ছন্ন কাজের মান বাড়বে, বাঁচবে চসিকের ব্যয়৷

'চসিকের পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমের গতি বাড়াতে নানামুখী কার্যক্রম নেয়া হয়েছে। তবে, নগরবাসী পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রাম চাইলেও এসটিএস স্থাপন করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের বাধা প্রদান করেন। এজন্য আমরা ব্যয়বহুল হলেও আন্ডারগ্রাউন্ড এসটিএস করতে চাচ্ছি। বিদ্যমান দুটি ল্যান্ডফিল্ড পূর্ণ হয়ে আসায় ৫০ একর জায়গা ক্রয়ের চিন্তাও করছি। এছাড়া, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত একাধিক প্রস্তাব পেয়েছি। প্রস্তাবগুলো আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে।'

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমি, কাউন্সিলর নুরুল হক, নিছার উদ্দিন মঞ্জু, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আকবর আলী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, সহকারী প্রকৌশলী নাসিরুদ্দিন রিফাত, রুবেল চন্দ্র দাশ, সিডিডিএলের পক্ষে ক্যাপ্টেন আল আমীন চৌধুরী, ক্যাপ্টেন এম টি সাগর, ক্যাপ্টেন সাইফুল মুলক।

   

ডিএমপির ঈদের শুভেচ্ছা কার্ডে সবুজের বার্তা



আল-আমিন রাজু, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শুরু হয়ে গেছে ঈদুল আজহা অর্থাৎ কোরবানি ঈদের ক্ষণগণনা। ইতোমধ্যে কোরবানি দিতে সক্ষমরা গরুসহ নানা পশু কেনার হিসাব নিকেশ শুরু করে দিয়েছেন। কেনাকাটার পাশাপাশি রয়েছে নানা আয়োজনও।

তবে কোরবানির ঈদকে সামনে আলাদাভাবে নজর কেড়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঈদ কার্ড আয়োজন।

যান্ত্রিক এই সময়ে ঈদ কার্ড দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে একদিকে যেমন জৌলুশ হারানো একটি বিষয় লালন করা হচ্ছে, অন্যদিকে নগরায়ণের কারণে হারিয়ে যাওয়া সবুজ গাছ ও সবজি বাগানের কথা মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, আসন্ন কোরবানি ঈদ উপলক্ষে আট হাজারের বেশি ঈদের শুভেচ্ছা কার্ড ছাপিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। প্রতিটি কার্ডের সঙ্গে ছয় প্রকারের সবজির বীজ দেওয়া হচ্ছে। সেই হিসেবে প্রায় ৫০ হাজার প্যাকেট সবজির বীজ পাচ্ছেন গণমাধ্যম পুলিশসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষেরা।

ঈদের শুভেচ্ছার কার্ডের সঙ্গে সবজি বীজ উপহার দেওয়ার বিষয় জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, বীজ হলো অপার সম্ভাবনার একটি নাম। এটাকে বলা হয়, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও শুভ কামনার প্রতীক। একটি বীজের বহুমুখী সম্ভাবনা রয়েছে। একটি বীজ থেকে যেমন গাছ হয়, গাছ থেকে ফসল হয়। আবার গাছ ছায়া দেয়। গাছ অক্সিজেন দেয়। গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। সব কিছু মাথায় রেখে ঈদ সুন্দর ও সর্বাঙ্গীণ কামনা করে এই উপহার দিচ্ছে ডিএমপি।

ডিএমপির এই কমিশনার আরও বলেন, ঈদের ছুটিতে অনেকেই গ্রামের বাড়িতে ছুটে যাবেন। এই বীজ দিয়ে তারা নতুন একটা গাছের সূচনা করবেন। ছোট ছোট কিছু উদ্যোগ আমাদের চারপাশ সবুজে ভরিয়ে দেবে বলে আমার বিশ্বাস।

ঈদের শুভেচ্ছা কার্ড বিতরণের দায়িত্ব পালন করে ডিএমপি মিডিয়া বিভাগ। ডিএমপি মিডিয়া সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমের অপরাধ বিভাগের সাংবাদিক, রাজনৈতিক দল, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, বিচার বিভাগ, মন্ত্রী, সিটি করপোরেশন, সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন পেশার গুণী ব্যক্তিরা এই শুভেচ্ছা কার্ড পাবেন। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন থানার ওসি, জেলার গুণী ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকেও এই শুভেচ্ছা কার্ড পাঠানো হয়েছে।

বুধবার থেকে ডিএমপি মিডিয়া বিভাগের কর্মকর্তারা কার্ড বিতরণ শুরু করেছেন।

;

যানজট নিরসনে উড়বে স্পিকার যুক্ত ড্রোন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

হাইওয়ে পুলিশ প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, সড়কে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি যানজট নিরসনে স্পিকার যুক্ত ড্রোন ক্যামেরা উড়বে আকাশে। দুর্ঘটনা এড়াতে খোলা ট্রাকে বা বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে থাকবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী জানিয়েছেন ।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরে সাভারের বাইপাইল মোড় এলাকায় নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি। এর আগে ঢাকা-আরিচা মহাসড়েকসহ বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেন তিনি।

অতিরিক্ত আইজিপি শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে। যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সড়কের পাশের গরুর হাট ও সড়কের চলমান উন্নয়ন কাজের কারণে যেন যানজটের সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ নজরদারি রয়েছে। এছাড়া ঈদযাত্রায় সড়কের যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। স্পিকারযুক্ত ড্রোন ব্যবহার করে যেখানে প্রয়োজন আমরা নির্দেশনা দিচ্ছি। রেকার, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। সেই সাথে এবারও মহাসড়কে হঠাৎই বিকল হয়ে যাওয়া যানবাহন মেরামতের জন্য মেকানিক্যাল টিম রাখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কোথায় কোথায় যানজটের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে সেগুলো চিহ্নিত করেছি। প্রতিবারের ন্যায় এবারও কিন্তু আমরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। হাইওয়ে পুলিশ স্পেশালিস্ট ইউনিট সড়ক মহাসড়কে নিরাপত্তার জন্য ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য প্রস্তুত। এছাড়াও আমাদের জেলা পুলিশ রয়েছে, মেট্রোপলিটন রয়েছে অন্যান্য সংস্থাগুলো রয়েছে। সবাই মিলে আমরা এখন মাঠ পর্যায়ে আছি। প্রয়োজন বুঝে সেখানে স্পেশাল ব্যবস্থা নিয়েছি, নজরদারির ব্যবস্থা নিয়েছি। যা যা প্রয়োজন আমরা যেমন ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করেছি, গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে সাব কন্ট্রোল তৈরি করা হয়েছে।

এসময় হাইওয়ে ও ঢাকা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

;

ওয়াহিদা রহমানের পলায়ন ঠেকাতে ইমিগ্রেশনে দুদকের চিঠি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাস্টমসের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে সেজন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম শেখ স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এতথ্য জানা যায়।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে আইন বহির্ভূতভাবে একক নির্বাহী সিদ্ধান্তে ১৬টি নথিতে চার মোবাইল কোম্পানির ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা অপরিশোধিত সুদ মওকুফ করে সরকারের আর্থিক ক্ষতি করায় কাস্টমস কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, চারটি মোবাইল কোম্পানির স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য হওয়ায় তা মেনে নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে যথাসময়ে ১৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার কথা জানায় । কিন্তু তারা নির্ধারিত কর মেয়াদে ওই অর্থ পরিশোধ না করায় ভ্যাট আইন অনুযায়ী সুদের পরিমাণ হয় ১৫২ কোটি ৮৯ লাখ ৩৯০ টাকা। আইন অনুসারে সুদ আদায়ের জন্য কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী অতি দ্রুত সুদের হিসাব করার নির্দেশ দেন।

সুদ হিসাবে সরকারের পাওনা অর্থের মধ্যে গ্রামীণ ফোনের কাছে ৫৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭ টাকা, বাংলালিংকের কাছে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫১ টাকা, রবির কাছে ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং এয়ারটেলের কাছে ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ টাকা রয়েছে। পরবর্তীকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩ থেকে ৫ মাস পর ভিন্ন আদেশে ওই সুদ মওকুফ করে দেন ওয়াহিদা রহমান।

;

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খাগড়াছড়ি
কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

খাগড়াছড়ির রামগড় পাহাড় অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে আবু মিয়া নামের এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টার দিকে গবেষণা কেন্দ্রের টাওয়ার টিলা এলাকা থেকে ঐ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত আবু মিয়া রামগড় উপজেলার ১নং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নুরপুর এলাকার মৃত আমির হোসেন এর ছেলে। সে দীর্ঘদিন যাবত কৃষি গবেষণায় নিয়মিত শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিল।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন জানান, ‘‘গতকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকে টাওয়ার টিলা পোস্টে কাজে যান গবেষণার কেন্দ্রের শ্রমিক আবু মিয়া। দুপুরের পর থেকে সে নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বাগান কর্তৃপক্ষ খোঁজাখুঁজি শুরু করে। আজ সকালে জঙ্গলে মরদেহ পাওয়া যায়’’

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার পর মরদেহ ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল শেষে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

;