কিরগিজস্তানে আতঙ্কিত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সিয়ামের খোলা চিঠি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সালমান ফারসী সিয়াম

সালমান ফারসী সিয়াম

  • Font increase
  • Font Decrease

কিরগিজস্তানের বিশকেকে সহিংসতার ঘটনায় আতঙ্কিত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সালমান ফারসী সিয়াম খোলা চিঠি পাঠিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের কাছে।

কিরগিজ স্টেট মেডিকেল একাডেমিতে এমবিবিএস দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম সোমবার (২০ মে) খোলা চিঠিতে লিখেছেন, কিরগিজস্তানে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় আছে এবং আতঙ্কিত।

তিনি লিখেছেন, আমি কিরগিজস্তানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সালমান ফারসী সিয়াম। বর্তমানে কিরগিজস্তানে যা অবস্থা, তার ওপর ভিত্তি করে ভারত, পাকিস্তানের সরকার তাদের সব শিক্ষার্থীদের জন্যে চার্টার ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছানোর ব্যবস্থা শুরু করে দিয়েছে। এখনকার যে অবস্থা তাতে করে সব বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থীরা প্রচণ্ড রকম আতঙ্কে রয়েছে। এবং তাদের পরিবারের মানুষদের চিন্তা কোনভাবেই কমছে না। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে আছে তাদেরকে আমরা নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারলেও ৬০-৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী ফ্ল্যাটে অবস্থান করছে, যাদের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এমতাবস্থায় আমরা চার্টার ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছি যেটার প্রসেস অনেক বেশি জটিলতা এবং খরচ অনেক বেশি হওয়ায় সব শিক্ষার্থী চাইলেই যেতে পারছে না। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র পক্ষ হতে একান্ত সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা চাই আমাদের জন্যে ১-২ দিনের মধ্যে চার্টার ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হোক।

উল্লেখ, গত ১৩ মে একদল মিশরীয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে কিরগিজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে কী নিয়ে তাদের মধ্যে এই বিরোধ হয় তা নিশ্চিত নয়। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে কিরগিজ রাজধানীতে বেশকিছু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল ও বেসরকারি আবাসনে হামলা চালায় স্থানীয়রা। এসব হোস্টেল ও ভবনে মূলত বিদেশি শিক্ষার্থীরা বসবাস করেন।

   

জেলেদের ১৬ টন চাল ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে!



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম চট্টগ্রাম ব্যুরো
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জেলেদের বিতরণের জন্য দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ দেওয়া ১৬ টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন হায়দারের বিরুদ্ধে।

এই অভিযোগে রবিবার (২৩ জুন) বাঁশখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল হামিদের আদালতে এই চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান সিআইপির ব্যক্তিগত সহকারী মীর মো. নজরুল ইসলাম।

মামলার অন্য আসামি হলেন খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শহিদুল ইসলাম সিকদার। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসাইন খান। তিনি বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

চাল আত্মসাতের কথা জানিয়ে মোশারফ হোসাইন খান আরও বলেন, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইজিপিপি ও মানবিক সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে খানখানাবাদ ইউনিয়নের নিবন্ধিত এক হাজার জেলে ও মৎসজীবীর জন্য প্রতিজন ৫৬ কেজি করে ৫৬ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু, সেখান থেকে যোগসাজশে ১৬ টন চাল মামলার আসামিরা যোগসাজশে আত্মসাৎ করেন। এই অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৬/৫০৬/৩৪ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১১ জুন রাতে বাঁশখালীর চাঁনপুরের আঞ্চলিক খাদ্যগুদাম থেকে নির্ধারিত ৫৬ টন চাল আসামিদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, সেখান থেকে কিছু চাল জেলেদের বিতরণ না করে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়।

পরে জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল আত্মসাৎ করে অবৈধভাবে বিক্রির খবর পৌঁছে বাঁশখালীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান সিআইপির কাছে।

পরদিন (১২ জুন) সকালে এমপি মুজিবুর রহমান সিআইপি খানখানাবাদ ইউপি কার্যালয়ে চাল বিতরণস্থলে সরেজমিন পরিদর্শনে যান। এ সময় নিবন্ধিত জেলেরাও চাল নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ানো ছিলেন। তখন চাল বিতরণ স্থানে হঠাৎ এমপির উপস্থিতি দেখে সবাই হতবাক হয়ে যান। এমপি চালের বস্তায় কি পরিমাণ চাল আছে জানতে চাইলে খানখানাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন হায়দার ৫৬ টন রয়েছে বলে জানান।

তখন এমপি গোপন সূত্রের খবরে পাওয়া ১৬ টন চাল বিক্রি করার বিষয়টি উল্লেখ করেন। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি অস্বীকার করেন। তখন এমপি চ্যালেঞ্জ করে তাৎক্ষনিক এক হাজার টাকা পারিশ্রমিকে দশ জন শ্রমিক দিয়ে চালগুলো পরিমাপ করান। তখন ইউপি চেয়ারম্যানের সামনে পরিমাপ করে ৪০ টন চাল পাওয়ার সত্যতা মিলে।

এ সময় ইউপি সচিব মো. জালাল মিয়াও ৫৬ টন চালের চালান কপি না পাওয়ার বিষয়টি জানান। তখন উপস্থিত জেলে ও স্থানীয়রা চেয়ারম্যানের চাল আত্মসাতের বিষয়টি ধরা পড়লে উত্তেজিত হয়ে পড়েন।

তাৎক্ষনিকভাবে এমপি মুজিবুর রহমান চাল আত্মসাতকারীর বিরুদ্ধে মামলা করার আশ্বাস দিলে উত্তেজিত মানুষেরা শান্ত হন। মামলার কথা বলায় এ সময় আসামিরা উল্টো এমপি মুজিবুর রহমানকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

এমপি মুজিবুর রহমান সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকায় তার ব্যক্তিগত সহকারী মামলা করেছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে চাল আত্মসাৎকারী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ায় এমপির প্রশংসা করছেন বাঁশখালী উপজেলার মানুষেরা। ভবিষ্যতেও এমপি এমন পদক্ষেপ নেবেন, সেটিই আশা করছেন তারা।

;

২৪ ঘণ্টা না গেলে মন্তব্য করা বিব্রতকর হতে পারে : ডা. জাহিদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২৪ ঘণ্টা না গেলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শারীরিক অবস্থার সম্পর্কে কোনো ধরনের মন্তব্য করা বিব্রতকর হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

রবিবার (২৩ জুন) রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের গেটে সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান তিনি।

জাহিদ হোসেন বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সর্বশেষ অবস্থা হচ্ছে, আজকে প্রথমে সাময়িক পেসমেকার বসানো হয়েছে, পরে পার্মানেন্ট পেসমেকার লাগানো লাগবে। আজকে এই মুহূর্তে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে সার্বক্ষণিক নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। আগামী ২৪ ঘণ্টা না গেলে উনার শারীরিক অবস্থার সম্পর্কে কোনো ধরনের উক্তি ও কমেন্ট করা বিব্রতকর হয়ে যেতে পারে। কাজেই দেশবাসীর কাছে উনার পরিবার, দলের এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে দোয়া কামনা করছি।

তিনি বলেন, ‘গত শুক্রবার গভীর তাকে অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় তার মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে (এখন পর্যন্ত) তিনি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসকদের সর্বসম্মতি সিদ্ধান্তক্রমে, উনার হৃদযন্ত্রের কার্যক্রমে এমন একটি অবস্থানে পৌঁছে গিয়েছিল, উনার তিনটি ব্লক ছিল- আপনারা জানেন। আমি বারবার বলতেছিলাম যে কোনো সময় যে কোনো অঘটন ঘটে যেতে পারে। সেই অঘটনটি গত শুক্রবার রাতে ঘটতে যাচ্ছিল। সেই অবস্থায় উনার মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা দ্রুত হসপিটালে নিয়ে আসেন। সেই অনুযায়ী তার যে চিকিৎসা সেটা শুরু করেন।’

;

কালো টাকা সাদা করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ বিরোধীদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাজেটে ১৫ শতাংশ ট্রাক্স প্রদানের মাধ্যমে কালো টাকা বা অপ্রদর্শিত অর্থ সাদা করার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা। তারা বলেছেন, এতে সাধারণ সৎ ট্যাক্স দাতারা ক্ষুন্ন হবেন এবং ট্যাক্স দিতে চাইবেন না। যা দেশে বিরুপ প্রভাব ফেলবে।

রবিবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদের ২০২৪-২৫ বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় তারা এই কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী।

অধিবেশনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন কোনো আশার বাণী নেই। বরং কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়ে নিয়মিত ট্যাক্স দাতাদের নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। আর যারা কর দেননি তাদের উৎসাহিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈধ পথে সকলেই ৩০-৩৫ শতাংশ ট্যক্স দেন। আর যারা দীর্ঘদিন ট্যাক্স দেননি, সেই কালো টাকা ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে অর্থ সাদা করে ফেলবেন। তাহলে কেন সাধারণ মানুষ নিয়মিত ট্যাক্স দেবে? এটা অনৈতিক, এর ফলে বহু মানুষ ট্যাক্স না দিয়ে এই সুযোগ নিবে।

তিনি বলেন, এই কালো টাকার দুই রকমের, এটা অর্জন করা অবৈধভাবে, সেটার জন্য সেটা প্রদর্শনও করা হয়নি। আর এক ধরনের বাটপারি করে ইনকাম করছে, তারাও ট্যাক্স দেননি। এদের মধ্যে বেশী কালো টাকা, অবৈধভাবে আয় করা টাকাকে বৈধ করার তীব্র বিরোধীতা করে তিনি তাদের শাস্তির দাবি জানান। এসময় তিনি মূল্যস্ফিতির জন্য সাধারণ মানুষের সমস্যার কথাও বলেন।

তিনি বলেন, রেমিটেন্স আমাদের অর্থনীতির একটা বড় চালিকা শক্তি। প্রায় ১ কোটি মানুষ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা রেমিটেন্স পাঠায়। তার মধ্যে মালয়েশিয়া নিয়ে অনেক লেখালেখি হচ্ছে, তারা প্রতি মাসে ৪ হাজার কোটি টাকা, বছরে ৫১ হাজার কোটি পাঠান। অনেকে মনে করে এতো টাকা কেন আসবে, এটা নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। এ নিয়ে সিণ্ডিকেটও রয়েছে। ফলে রেমিটেন্স পাঠাতে তাদের সমস্যাও হচ্ছে, সেখানে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। তাই রেমিটেন্স যোদ্ধাদের অর্থ পাঠানো সুবিধা দেবার এবং ব্যাংকিং খাতে দুর্নীতি অর্থ পাচার ব্যাংক ডাকাতি ইত্যাদি বন্ধের দাবি জানান তিনি।

জাতীয় পার্টির আরেক সংসদ সদস্য এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাজেটে উচ্চবিত্তদের সুবিধা রাখা হয়েছে। আর মধ্যবিত্তরা চাপের মধ্যে পড়বেন। বাজেটের বিভিন্ন নীতি গরীবদের পক্ষে যায়নি।

তিনি বলেন, সিগারেটের দাম তেমন না বাড়ানোয় সরকারের আয় কমে যাবে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব, কিন্তু সবখানেই দুর্নীতি, যদিও বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে। মেগা প্রকল্প ঋণ নেওয়া হচ্ছে, তার বিশাল অংশ বাইরের ঠিকাদার ইঞ্জিনিয়াররা নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে তরুন সমাজকে এ বিষয়ে দক্ষ করতে হবে।

কালো টাকা সাদা করার যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তার সমালোচনা করে তিনি বলেন এর ফলে সাধারণ করদাতারা কর দিতে চাইবে না। তাই ওই প্রম্তাব থেকে সরে আসতে হবে।

দেশের অর্থ বিদেশে পাঁচার করেছে, তাদের চিহ্নিত করে অর্থ ফেরৎ ও তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ।

তিনি সার্বভৌম এই পার্লামেন্টে কীভাবে কালো টাকা সাদা করা সুযোগ দেয় তার সমালোচনা করেন। তিনি অর্থ পাচার, দুর্ণীতি, ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নিয়ে না দেওয়াসহ অর্থ আত্মস্বাদকারীদের চিহ্নিত ও শাস্তির দাবি করেন।

আরেক স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দীন বলেন, সম্প্রতি সঙ্কটগ্রস্থ ব্যাংকের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, এই সঙ্কটগ্রস্থ ব্যাংকগুলোকে সলভেন্ট ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু কার্যকারী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বিধায় এই সঙ্কটগ্রস্থ ব্যাংকগুলোর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, গ্রাহকরা তাদের সব টাকা তুলে নিয়ে গেছে। এর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হটকারী সিদ্ধান্তের নিন্দা জানা তিনি।

সোহরাব উদ্দীন বলেন, বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রী যে ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে সাদা করার কথা বলেছেন। তাতে উদ্দেশ্য সাধিত হবে না। ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে কেউ এ অপ্রদর্শিত টাকা প্রদর্শন করবে না, অতীতে ১০ শতাংশ ছিল তাতেও কিন্তু তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, যদি এটা ৫ শতাংশ ট্যাক্স করা যায় তাহলে দেশে যে বিপুল পরিমান অপ্রদর্শিত অর্থ আছে তা প্রদর্শন করবে, অর্থমন্ত্রীর যে উদ্দেশ্য তা সাধিত হবে। তাই বিপুল পরিমান টাকা সাদা করতে আমি ৫ শতাংশ ট্যাক্স ধার্য্য করার জন্য অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো।

তিনি বলেন, দেশে উন্নয়ন দ্রুত গতিতে চলছে, কিন্তু তাতে সমস্যা হচ্ছে দুর্নীতি। দুর্নীতি বেড়ে গেছে এর লাগাম টানা যদি না যায় তাহলে উন্নয়নের গতি হ্রাস পাবে। আজকে এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে দুর্নীতি নেই। ব্যাংকেও প্রচণ্ড অর্থ নয়ছয় হচ্ছে, দুর্নীতি বেড়ে গেছে, ব্যাংকের যে পদস্থ কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান তারাই আজ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। এদের কোনো বিচার হয়নি।

;

‘সেনানিবাস না থাকলে কক্সবাজার দখল করে নিত আরাকান আর্মি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারে সেনানিবাস না থাকলে এতো দিনে ওই এলাকা মিয়ানমারের আরাকান আর্মি দখল করে নিত বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার।

রবিবার (২৩ জুন) রাতে জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন কক্সবাজার-৩ আসনের এই সংসদ সদস্য। তিনি সংসদের হুইপও।

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজার-৩ আসনের (কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও উপজেলা) এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘মিয়ানমারের আরাকান আর্মি সশস্ত্র লড়াই করছে। আমার নির্বাচনী এলাকা থেকে মাত্র দুই কিলোমিটারের মধ্যে তাদের অবস্থান। প্রধানমন্ত্রী সেনানিবাস না দিলে আজ কক্সবাজার অনিরাপদ হয়ে যেত। এতো দিনে তারা দখল করে ফেলত। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন সেনানিবাসের জন্য। আমাদের রক্ষিত করেছেন।’

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি দেশটির জান্তা সরকার উৎখাতে লড়াই করছে। তারা রাখাইন রাজ্যের বেশির ভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়ে আজ সংসদে সাইমুম সরওয়ার আরও বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা নিয়ে একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিষদ গঠন করতে হবে। তাহলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাড়বে, ভারতের নিরাপত্তা বাড়বে।

;