র‍্যাব হেফাজতে মৃত্যু, নান্দাইল থানার এসআই প্রত্যাহার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ময়মনসিংহ
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

র‍্যাব হেফাজতে সুরাইয়া খাতুন (৫২) মৃত্যুর ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ মে) রাতে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে নান্দাইল থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

রবিবার (১৯ মে) রাতে নান্দাইল মডেল থানার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল মজিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, নান্দাইলে গৃহবধূ রেখা আক্তার (২০) মৃত্যু মামলার আসামি তার শ্বশুর আজিজুল ইসলাম ও শ্বাশুড়ি স্ত্রী সুরাইয়া খাতুন। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন এসআই নাজমুল হাসান। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুই আসামিকে নান্দাইল মডেল থানায় ডেকে নেন এসআই নাজমুল। সেখানে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে কিছুক্ষণ পরে তাদের ছেড়ে দেন। থানার সামনে আসতেই র‍্যাবের একটি দল আজিজুল ইসলামকে ছেড়ে দিয়ে সুরাইয়াকে আটক করে ভৈরব ক্যাম্পে নিয়ে যায়। এর পর শুক্রবার সকালে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সুরাইয়া খাতুনকে মৃত ঘোষণা করে।

এ মৃত্যুর ঘটনায় সুরাইয়া খাতুনের স্বামী আজিজুল ইসলাম র‍্যাবের হেফাজতে স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। পরে মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত করে নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই দিন শনিবার দুপুরে সুরাইয়া খাতুনের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয় উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের বরুনাকান্দা গ্রামে।

নান্দাইল মডেল থানার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মজিদ জানান, উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসআই নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেছেন। এর চাইতে বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মো. শামীম হোসেন বলেন, বিভিন্ন কারণে তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মনে করেন, কাজের প্রতি তার আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। তাই, তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

   

ফেনীতে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম, ভরণপোষন নিয়ে দুশ্চিন্তায় মা-বাবা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ফেনী
ফেনীতে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম, ভরণপোষন নিয়ে দুশ্চিন্তায় মা-বাবা

ফেনীতে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম, ভরণপোষন নিয়ে দুশ্চিন্তায় মা-বাবা

  • Font increase
  • Font Decrease

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন হোসনে আরা নামে এক গৃহবধূ । মঙ্গলবার (১৮ জুন) ফেনী জেনারেল হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তান জন্ম দেন তিনি। তবে দরিদ্র পরিবার হওয়াতে সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন মা-বাবা। বর্তমানে মা ও নবজাতকেরা সুস্থ আছেন।

গৃহবধূ হোসনে আরা জেলার সোনাগাজী উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের সুলাখালী গ্রামের বাসিন্সা। তার স্বামী জিয়া উদ্দিন। তিনি পেশায় টাইলস মিস্ত্রি।

গৃহবধূ হোসনে আরা বলেন, আমার স্বামী দিনমজুরের কাজ করে কোনোমতে পরিবারের ভরণপোষণ করেন। এখন একসঙ্গে তিন শিশুর খরচ মেটানো তার জন্য অনেক কষ্টকর হয়ে যাবে। সন্তানদের লালন পালনে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা চান তিনি।

নবজাতকের বাবা জিয়া উদ্দিন বলেন, এলাকায় টাইলস মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করি। যেদিন কাজ থাকে সেদিন টাকা পাই। যখন কাজ থাকে না তখন বসে থাকি। আমার পরিবারে এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। এরমধ্যে একসঙ্গে আবার তিন সন্তানের আগমনে খুশি হলেও তাদের লালনপালন কীভাবে করবো সেই চিন্তায় আছি। সন্তানদের জন্য সরকারি বা বেসরকারিভাবে সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স শান্তা মজুমদার বলেন, মঙ্গলবার ১০টার দিকে এই গৃহবধূ হাসপাতালে ভর্তি হন। তারা সোনাগাজীর গ্লোবাল হেলথ মেডিকেল সেন্টার নামের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গত ২১ মে একটি আলট্রা করায়। যেখানে রিপোর্টে দুইজন যমজ শিশুর কথা উল্লেখ ছিল। কিন্তু আজ প্রসূতি হাসপাতালে আসলে সিনিয়র স্টাফ নার্স কল্পনা মণ্ডলের তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে মা ও নবজাতকেরা সুস্থ আছেন।

ভুল রিপোর্টের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত গ্লোবাল হেলথ মেডিকেল সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও সাড়া মেলেনি।

এ ব্যাপারে সোনাগাজীর মতিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রবিউজ্জামান বাবু বলেন, একসঙ্গে তিন সন্তান প্রসবের বিষয়টি শুনেছি। নবজাতকদের লালন-পালনে কোনো ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো।

সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান বলেন, নবজাতকের সুরক্ষায় উপজেলা পরিষদ থেকে সরকারি বিভিন্ন সেবা দেওয়া হয়। ওই দম্পতি আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে তাদের অবশ্যই সহায়তা করবো। এছাড়া ভুল রিপোর্টের বিষয়ে অভিযুক্ত ওই প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপারেও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

;

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৪ জনসহ মৃত্যু বেড়ে ১০



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৪ জনসহ মৃত্যু বেড়ে ১০

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৪ জনসহ মৃত্যু বেড়ে ১০

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০। রোহিঙ্গা ক্যাম্প পাহাড় ধসপ্রবণ এলাকা হওয়ায় গতকাল থেকে একটানা ভারি বৃষ্টির কারণে এঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (১৯ জুন) সকালে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-১৪ তে ১জন, ক্যাম্প ১০ এ ৪ জন, ক্যাম্প ০৯ এ একজন বাংলাদেশিসহ ৩জন, ক্যাম্প ০৮ এ ১জন এবং ক্যাম্প-১ ডাব্লিউ তে ১জন মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তাদের মধ্যে একই পরিবারের ৪ জন রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা।

তিনি বলেন, "রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল থেকে একটানা ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে"

তিনি জানান, পাহাড়ি এলাকায় রোহিঙ্গাদের বসবাস হওয়ায় এলাকাগুলো পাহাড় ধস প্রবণ। একারণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন জানিয়েছেন, নিহত এক স্থানীয়ের পরিবারকে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।

কক্সবাজার গতকাল থেকে একটানা ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। একারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছাড়াও কক্সবাজারের কিছু কিছু পাহাড়ি এলাকা ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা, যাদের বেশিরভাগই ২০১৭ সালে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর নৃশংসতার মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে বসবাস করছে। তাদের অনেকেই ভূমিধসের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করছেন।

;

নেত্রকোনায় বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নেত্রকোনার পূর্বধলায় বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. শাকিল (১৭) নামে এক অটোরিকশার যাত্রী মারা গেছেন।

বুধবার (১৯ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহত শাকিল পূর্বধলার শালদিঘা গ্রামের মো. হেলাল উদ্দিনের ছেলে।

এর আগে বুধবার সকালে উপজেলার শ্যামগঞ্জ-বিরিশির আঞ্চলিক সড়কে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ ছয়জন আহত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি আঞ্চলিক সড়কের মহিষবের এলাকায় পূর্বধলাগামী বাসের সাথে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার চালকসহ ছয়জন আহত হয়।

আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে মো. শাকিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এদিকে দুর্ঘটনার পর বাসটিতে আগুন লেগে যায়। এতে বাসটি পুড়ে যায়।

পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

;

কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কে ট্রাক-জিপ ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে কামরুল হাসান অনু (৪২) নামে মোটরসাইকেলের এক আরোহী নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কের বটতৈল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কামরুল হাসান অনু কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার শোমসপুর এলাকার ইয়াসিন আলী মুন্সির ছেলে। তারা কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকায় বসবাস করতো। কামরুল হাসান অনু পাবনার উত্তরা ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

স্থানীয়রা জানান, কামরুল হাসান অনু বাইপাস সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি জিপ গাড়ির সাথে মোটরসাইকেলটি ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় দুজন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক কামরুল হাসান অনুকে মৃত ঘোষণা করে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

;