‘অভিবাসী কর্মীদের টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে কাজ করছে সরকার’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান সরকার প্রবাসী কর্মীদের আরও উন্নত, সমৃদ্ধ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে সব অংশীজনদের সমন্বয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী।

রোববার (১৯ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘দি প্রজেক্ট লঞ্চিং এন্ড স্টেকহোল্ডার নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট ফর দ্য রিইন্টিগেশন অব মাইগ্রান্ড ওয়ার্কার্স প্রজেক্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

এ সময় পার্লামেন্টারি ককাস অব মাইগ্রেশন এন্ড ডেভেলপমেন্টের চেয়ারপারসন তানভীর শাকিল জয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন, বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ডের হেড অব কো-অপারেশন করিন হেনচজ পিনানি, আইলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টার তুমো পৌতিয়াইনেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও এনজিওর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন এবং তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, সরকার অভিবাসী শ্রমিকদের বিশাল অবদানকে সর্বদা স্বীকার করে। প্রধানমন্ত্রী সবসময় বলেন, আমরা তাদের (অভিবাসী কর্মী) থেকে অনেক কিছু নিয়েছি, এখন তাদের কিছু ফেরত দিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশে ফেরত আসা অভিবাসী কর্মীদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহায়তা ও কাউন্সেলিং দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, অভিবাসী শ্রমিকরা যাতে সমাজে সুষ্ঠুভাবে বসবাস করতে পারে, চাকরি খুঁজে পায়, ব্যবসা শুরু করতে পারে এজন্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে।

এ সকল প্রকল্পের মাধ্যমে প্রবাসী কর্মীদের দেশে এবং দেশের বাইরে উন্নত সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

   

ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদুল আজহার দিন সোমবার মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়াও মেট্রোরেলে পশুর চামড়া ও মাংস পরিবহন করা যাবে না।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেলে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, আগামী ১৬ জুন থেকে শনিবার ব্যতীত সব সরকারি ছুটির দিনে মেট্রোরেল চলাচলে নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

;

নারী-পুরুষ বৈষম্য সূচকে বাংলাদেশের বড় পতন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈশ্বিক লিঙ্গ সমতা সূচকে বাংলাদেশে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। নারী-পুরুষ বৈষম্য আরও প্রকট হওয়ার ফলে এ পতন ঘটেছে। অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ, শিক্ষার সুযোগ, স্বাস্থ্য সেবাপ্রাপ্তি ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষে যে বৈষম্য, তার ভিত্তিতেই বৈশ্বিক লিঙ্গ সমতা সূচক তৈরি করে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রকাশিত বার্ষিক সূচকে দেখা গেছে, গত বছরের তুলনায় ৪০ ধাপ নেমে গিয়ে ১৪৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ এবার ৯৯তম। তবে দক্ষিণ এশিয়ার সাত দেশের মধ্যে বাংলাদেশ এখনও সবার ওপরে। এবার দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর অবস্থা- নেপাল ১১৭, শ্রীলঙ্কা ১২২, ভুটান ১২৪, ভারত ১২৯, মালদ্বীপ ১৩২ ও পাকিস্তান ১৪৫ নম্বরে।

২০২৩ সালের সূচকে ১২ ধাপ এগিয়ে ৫৯তম অবস্থানে উঠে এসেছিল বাংলাদেশ, তার আগের বছর ছিল ৭১ নম্বরে।

বুধবার (১২ মে) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) ২০২৪ সালের ‘গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে ১৪৬টি দেশের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়। ২০০৬ সাল থেকে ডব্লিউইএফ এ সূচক প্রকাশ করে আসছে।

লিঙ্গ বৈষম্য সূচকে টানা ১৫ বছর শীর্ষে রয়েছে আইসল্যান্ড। শীর্ষ দশের অন্য নয়টি দেশ হলো- ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, নিউ জিল্যান্ড, সুইডেন, নিকারাগুয়া, জার্মানি, নামিবিয়া, আয়ারল্যান্ড ও স্পেন। সূচকে সবার নিচে ১৪৬তম অবস্থানে রয়েছে সুদান। আর ১৪৫ নম্বরে পাকিস্তান।

এবারের সূচকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পতন হয়েছে অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ও সুযোগ সৃষ্টির দিক থেকে। শিক্ষাক্ষেত্রেও বৈষম্য বেড়েছে। স্বাস্থ্য সেবায় বৈষম্য আরও বেড়েছে। কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ গত পাঁচ বছর ধরে টানা কমেছে। শ্রমঘন কাজেও নারীর অংশগ্রহণ কমেছে। ছয় বছর আগের তুলনায় নারী-পুরুষের আয় বৈষম্য বেড়ে হয়েছে পাঁচ গুণ। কর্মক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ পদে নারীর অনুপাত কমেছে।

;

রাঙামাটিতে শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামির ফাঁসির আদেশ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাঙামাটিতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যাকারী অংবাচিং মার্মাকে (৪৬) মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাঙামাটির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ.ই.এম. ইসমাইল হোসেন এর আদালত আসামি ও ভিকটিমের পিতা-মাতাসহ আইনজীবী, পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে এই রায়ের আদেশ প্রদান করেন।

প্রথমবারের মতো রাঙামাটিতে এই ধরনের মামলায় ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। এদিকে এই প্রথমবারের মতো নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক শিশু নির্যাতন ও হত্যাকারি আসামীর ফাঁসির রায়ে একই সাথে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম অভি ও আসামী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ এজলাশে রায় ঘোষণার পূর্বে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিজে লিখিত বিবরণে উল্লেখ করেন, রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা থানাধীন ২নং রাইখালী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পূূর্ব কোদালা এলাকার বাসিন্দা সাথুই অং মার্মার ৯ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিশু কন্যা মিতালী মার্মাকে স্থানীয় শিক্ষক অংবাচিং মার্মা প্রকাশ আবাসু প্রকাশ বামং এর কাছে প্রাইভেট পড়াতে দেন। ঘটনার দিন ২০১৯ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি ভিকটিম প্রাইভেট পড়াতে পাঠালে অন্য শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে ভিকটিম শিক্ষার্থী মিতালী মার্মাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টাকালে সে চিৎকার করতে থাকে। তখন ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে গলায় সুতলি ও কাপড় পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

পরে মরদেহ বস্তায় ভরে ঘরের মাচায় তুলে রাখে হত্যাকারী শিক্ষক অংবাচিং মার্মা। এদিকে ভিকটিমের পরিবার তাকে খুঁজতে আসলে তাকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট পড়িয়ে ছুটি দিয়ে দিয়েছে বলে শিক্ষক অংবাচিং মার্মা জানালেও তার কথায় সকলের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে আসামিকে নজরদারিতে রাখে এলাকাবাসী। ৩রা ফেব্রুয়ারিতে ভোর ৪টার সময় বস্তায় ভরে ভিকটিমের মরদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় আসামিকে হাতেনাতে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করে স্থানীয়রা।

এই ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদি হয়ে চন্দ্রঘোনা থানায় অংবাচিং মার্মাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(২) ও তৎসহ পেনাল কোড ১৮৬০ এর ২০১ ধারায় ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নাম্বার-০১। এই মামলায় একই বছরের আগস্টের ৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(৪)(খ) ও তৎসহ পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩০২ ও ২১০ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি উক্ত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

এদিকে মামলার রায় সমাজের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এবং ভিকটিমের পরিবার ন্যায় বিচার পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম অভি।

অপরদিকে, এই মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে সমাজের প্রতি একটি ম্যাসেজ যাবে এবং এসকল ক্ষেত্রে সকলের মাঝে সচেনতা বৃদ্ধি পাবে।

তিনি বলেন, আমি একজন আইনজীবী হিসেবে আসামির পক্ষে দাঁড়াবো এটাই স্বাভাবিক। আসামি দরিদ্র হওয়ায় জাতীয় আইন সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে আমি তার পক্ষে দাঁড়িয়েছি। আসামির স্বজনরা যদি চায় এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার চেষ্টা করবো।

রাঙামাটিতে সেশনজট ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের পর এবারই প্রথমবারের মতো শিশু নির্যাতনকারী ও হত্যাকারী আসামিকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ.ই.এম. ইসমাইল হোসেন। ইতোপূর্বে এই ট্রাইব্যুনাল চাঞ্চল্যকর বেশ কয়েকটি ধর্ষণ ও নারী-শিশু নির্যাতন মামলার সর্বোচ্চ সাজার রায় ঘোষণা করেছেন।

;

কোরবানিতে ২২ লাখ পশু উদ্বৃত্ত আছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন কোরবানির ঈদে প্রয়োজনের তুলনায় ২২ লাখ পশু সরবরাহ বেশি আছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা এক কোটি সাত লাখ; গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ সব মিলিয়ে। সেখানে আমাদের প্রস্তুত আছে প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ।


বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

দেশে কোরবানির পশু উৎপাদন বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, যারা কৌশল করে কিংবা ছলচাতুরির মাধ্যমে কোরবানির পশুর চড়া দাম হাঁকাচ্ছেন, তাদের মাথায় হাত পড়তে বাধ্য।

মন্ত্রী বলেন, বাজারে যে কোনো পণ্যের দাম নির্ধারিত হয় চাহিদা এবং সরবরাহের ওপরে। আমার দায়িত্ব হলো প্রয়োজনের তুলনায় সেই সরবরাহ আছে কি না তা নিশ্চিত করা। আমি তো পরিসংখ্যান দিলাম। আরও ২২ লাখ পশু উদ্বৃত্ত আছে।

তিনি আরও বলেন, আজকে হয় তো কেউ নানাভাবে হ্যাল্ডেলিং করে গরুর দাম বাড়াতে পারে। চড়া দাম হাঁকাতে পারে। কিন্তু দিন শেষে ওদের মাথায় হাত পড়বে। কারণ আমার তো গরুর যোগান আছে। যারা কৌশলে বা নানা ছলচাতুরির মাধ্যমে দাম হাঁকাচ্ছে ওদের মাথায় হাত পড়তে বাধ্য।

মন্ত্রী আরও বলেন, দাম নির্ধারণ করার দায়িত্ব আমার না। দাম নির্ধারণ করবে বাজার। আমরা সাধারণত অর্থনীতির সংজ্ঞায় বুঝি, সরবরাহ ও চাহিদার যদি সমন্বয় থাকে সে ক্ষেত্রে বাজারই বাজারমূল্য নির্ধারণ করে। আমি কিভাবে বাজার মূল্য নির্ধারণ করবো।

ডিমের দাম বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে আব্দুর রহমান বলেন, আমরা যখন তাদের (খামারি) সঙ্গে বসি, তারা একটা অজুহাত দেয় খাদ্য শস্যের দাম বেশি। আমদানি করতে হয়। আমি আমার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটা বৈঠক করবো। তাদের এই অজুহাত কোনো অবস্থায় গ্রহণযোগ্য না। প্রয়োজনে আমরা তাদের সঙ্গে আবার বসে তাদের একটা ডিমের জন্য কতো খরচ হয় এবং লাভ কতো করতে হয়, তারপর দাম নির্ধারণ করবো। এই ব্যাপারে নিশ্চয় আমাদের নজরদারি থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল কাইয়ূম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. আলমগীর প্রমুখ।

;