ঈদ ও নববর্ষের ছুটিতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি: ডিএমপি কমিশনার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, ডিএমপির প্রতিটি সদস্যের তৎপরতার কারণেই এবার রমজান, ঈদ ও বাংলা নববর্ষে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে ঈদ-উল-ফিতর পরবর্তী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত সকল পুলিশ কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ, দাপ্তরিক কর্মচারিবৃন্দ এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে কর্মরত সকল স্তরের পুলিশ সদস্যদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

সবাইকে ঈদ ও বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে প্রায় ৩৪ হাজার সদস্য কাজ করেন। এটা শুধু বাংলাদেশ পুলিশের জন্য নয়, এটা সমগ্র বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়। এক সঙ্গে এতো অফিসার ও ফোর্স বাংলাদেশের আর কোনো প্রতিষ্ঠানে নেই। আমরা একসঙ্গে একটি টিম হয়ে কাজ করি। ঢাকা মহানগরীতে দুই কোটি লোক বসবাস করে তাদের নিরাপত্তা দিতে ডিএমপির প্রতিটি সদস্য কাজ করেন।

কমিশনার আরও বলেন, সদ্য সমাপ্ত রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে পুলিশের তৎপরতার জন্য কোনো প্রকার ছিনতাইয়ের ঘটনা বা অজ্ঞান ও মলম পার্টির কোনো অপতৎপরতা চোখে পড়েনি। আমি আমার সহকর্মীদের নিয়ে অবশ্যই গর্ববোধ করি। কারণ সচরাচর অতীতে যে ধরনের অপরাধ সংগঠনের কথা আমরা শুনে এসেছি তার একটি অপরাধও এবারের রমজানে ঘটেনি। সেই সঙ্গে সদ্য সমাপ্ত পহেলা বৈশাখের নানা অনুষ্ঠান আয়োজন হয়েছে, সেখানেও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সবগুলো অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি নগরবাসীর যে প্রত্যাশা তার পুরোপুরি পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, এবারের রমজানে কাজ শেষে নগরবাসীর বাসায় ইফতার করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। অতীতে আমরা দেখেছি লোকজনকে রাস্তায় ইফতার করতে। অন্যান্য বারের চেয়ে এবার ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি ক্রাইম বিভাগের তৎপরতার কারণে রোজাদাররা বাসায় গিয়ে ইফতার করতে পেরেছে। অতিরিক্ত কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার ও ডেপুটি কমিশনারগণ সকলেই দায়িত্ব পালন করেছেন, অনেকেই রাস্তায়ই ইফতার করেছেন। এজন্য আমি ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

   

যশোরে জেলি পুশ করা ২৬০ কেজি চিংড়ি জব্দ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোর থেকে ২৬০ কেজি জেলি পুশ করা বাগদা চিংড়ি মাছ জব্দ করেছে র‌্যাব-৬। 

বুধবার (২২ মে) বিকেলে রাজারহাট বাজারে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ লাখ টাকার চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি এ এস পি হাবিবুর রহমান। মাছ ধ্বংস করার সময় উপস্থিত ছিলেন- যশোর সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ।

একই সাথে এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে ওই মাছের মালিক খুলনা পাইকগাছা উপজেলার শামুকপোতা গ্রামের মা ফিশের প্রশান্ত মন্ডলকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

যশোরের কোম্পানি এ এস পি হাবিবুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে তারা জানতে পারেন একটি ট্রাকে জেলি পুশ করা চিংড়ি মাছ পাইকগাছা থেকে মণিরামপুর হয়ে যশোরের দিকে আসছে। তখন আমরা ১৬ জন সদস্য বিশিষ্ট তাৎক্ষণিক রাজার হাট এলাকায় অবস্থান করি। ট্রাকের মধ্যে ১৮ ট্রেতে জেলি পুশ করা চিংড়ি মাছের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এক পর্যায় গাড়িতে থাকা কামাল হোসেন স্বীকারও করেন। পরে তাদেরকে জরিমানা করে জেলি পুশ করা সব মাছ ধ্বংস করা হয়।

যশোর সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ বলেন, চিংড়ি মাছের মধ্যে ওজন বৃদ্ধি করার জন্য কিছু অসৎ ব্যবসায়ী জেলি পুশ করে। কিন্তু তারা বোঝে না জেলি মানব দেহের জন্য কি পরিমাণ ক্ষতি। এ জেলিতে ক্যান্সারের মত মারাত্মক রোগ হওয়ার সম্ভবনা খুব বেশি। তবে এ ধরনের অন্যায় মাছ চাষিরা করে না। এগুলো করে একটি অসৎ ব্যবসায়ী চক্র। আমরা গোপন তথ্যের মধ্য দিয়ে বিষয়টি জানতে পারি। ‘মা ফিশ’র প্রশান্ত মন্ডলকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

;

এমপি আনোয়ারুলের নিহতের ঘটনায় ঢাকায় মামলা, যা আছে এজাহারে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের কলকাতায় ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার খুনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়েছে।

বুধবার (২২ মে) রাত আটটায় শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন আনারের ছোট মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

মামলা নং-৪২। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় তিনি থানায় অভিযোগ করলেও সেটি মামলা হিসেবে রুজু হয় রাত আটটায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যের মেয়ে মামলা করেছে। তবে আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি। সংখ্যা কত সেটাও উল্লেখ করা হয়নি।

মামলার এজাহারে যা যা উল্লেখ করা হয়েছে: 

মামলার বাদি ডরিন এজাহারে উল্লেখ করেছেন, গত ৯ মে তার বাবা ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানার মানিকমিয়া এভিনিউয়ের ন্যাম ভবন (সংসদ সদস্যদের আবাসিক ভবন) থেকে গ্রামের বাড়ী ঝিনাইদহ যাওয়ার জন্য বের হন। দুই দিন পর ১১ মে বিকেল পৌনে পাঁচচার দিকে তার বাবার সাথে মোবাইল ফোনে কথা হয়। কিন্তু তার সাথে কথা বার্তার এক পর্যায়ে তিনি বুঝতে পারেন, তার বাবা অসংলগ্ন কথা বার্তা বলছেন। এরপর তিনি তার বাবার ফোনে একাধিকবার কল করলেও সেটি বন্ধ পান। পরে ১৩ মে তার বাবার ভারতীয় সিম নম্বর থেকে উজির মামা নামের একজনের মোবাইলে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। তাতে জানানো হয়, 'আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি, আমার সাথে ভিআইপি আছে। আমি অমিত সাহার কাছে যাচ্ছি। আমাকে ফোন দেওয়ার দরকার নাই। আমি পরে ফোন দিব।'

এছাড়াও আরও কয়েকটি বার্তা আসে। সেই ম্যাসেজগুলি আমার বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরনকারীরা করে থাকতে পারে। এরপর আমরা বিভিন্ন জায়গায় আমার বাবার খোঁজ খবর করতে থাকি। আমার বাবার কোন সন্ধান না পেয়ে আমার বাবার বন্ধু শ্রী গোপাল বিশ্বাস গত ১৮ মে কলকাতার রাধানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। আমরা আমার বাবাকে খোঁজাখুঁজি অব্যাহত রাখি। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি অজ্ঞাত ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে আমার বাবাকে অপহরণ করেছে। আমার বাবাকে সম্ভব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও না পেয়ে থানায় এসে এজাহার দায়ের করতে সামান্য বিলম্ব হলো। শেষে তিনি উল্লেখিত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করেন পুলিশকে।

ঘটনার সময় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৯ মে রাত আটটা থেকে ১৩ মে যেকোন সময়।

এর আগে, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, নিহত এমপির মেয়ে আমাদের কাছে এসেছেন। তার বাবা বাসা থেকে বের হয়ে গেলেন। এরপর আর পাওয়া যায়নি। সেখানে কী ঘটেছে, এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করার জন্য এসেছেন। মামলা কীভাবে কোথায় করবেন, তা আমরা বলেছি। তার বাবা সংসদ ভবন এলাকায় থাকতেন। সেখান থেকে তিনি ভারতে গেছেন। আমরা তাকে বলেছি শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা করতে। মামলা করতে আমাদের কর্মকর্তারা তাকে সহযোগিতা করছে। মামলাটি আজকের মধ্যেই হবে।

উল্লেখ্য, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার এ মাসের ১২ মে ভারতে বেড়াতে যান। সেখানে তিনি কলকাতায় একজনের ফ্লাটে ওঠেন। এরপর ১৩ মে বিকেলে বের হন। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে তার পরিবার জানায়। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছিলেন ডিবির প্রধান হারুন অর রশীদ।

সর্বশেষ বুধবার (২২ মে) সকালে কলকাতার গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বাংলাদেশি গণমাধ্যমগুলো খবর প্রকাশ করে যে, কলকাতায় আনারের মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনার পর তার মেয়ে দুপুরে ডিবিতে গিয়েছিল। সেখান থেকে বের হয়ে তিনি বিকেলে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। 

;

সোনা চুরি করে বিদেশ পালানোর সময় কর্মচারী ধরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
সোনা চুরি করে বিদেশ পালানোর সময় কর্মচারী ধরা

সোনা চুরি করে বিদেশ পালানোর সময় কর্মচারী ধরা

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট বিপণী বিতান শপিং মলের একটি সোনার দোকান থেকে ২২ ভরি ওজনের ৬টি নেকলেস চুরি করে বিদেশ পালানোর সময় কর্মচারী চন্দন ধরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তার দেয়া তথ্য মতে চুরি হওয়া ১৪ ভরি ৪ আনা সোনা উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২১ মে) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালী থানা পুলিশ তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারের পর বুধবার (২২ মে) তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

গ্রেফতার চন্দর ধর চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া থানাধীন বেতাগী ইউনিয়নের মধ্য বেতাগী বণিকপাড়ার গৌরাঙ্গ চন্দ্র ধরের ছেলে। তিনি বিপণিবিতান শপিং মলের চৌধুরী জুয়েলার্সের কর্মচারী ছিলেন।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম ওবায়েদুল হক জানান, গত ২৩ মার্চ চৌধুরী জুয়েলার্সের কর্মচারী চন্দন ধর ২২ ভরি ওজনের ৬টি সোনার নেকলেস চুরি করে পালিয়ে যায়। ঘটনা টের পেয়ে দোকান মালিক কাঞ্চন মল্লিক থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ এপ্রিল মামলা নেয় থানা পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, মামলার তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে বিদেশ পালানোর চেষ্টাকালে আসামি চন্দন ধরকে শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নগরীর হাজারী গলি এবং হাটহাজারীর মদুনাঘাট এলাকা থেকে ১৪ ভরি ৪ আনা ওজনের সোনা উদ্ধার করা হয়।

;

বাড্ডায় বোমা তৈরির কারখানা ঘিরে রেখেছে র‍্যাব



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন পূর্ব বাড্ডার টেকপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ হাতবোমা ও বোমা তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। বাড়িটি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব ৩।

বুধবার (২২ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক (এএসপি) ইমরান খান।

তিনি বলেন, বাড্ডা থানার টেকপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে হাতবোমা তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে র‍্যাব। বাড়িটি ঘিরে রেখেছে। ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।

ইমরান আরও বলেন, এ বিষয় ঘটনাস্থল থেকে বিস্তারিত জানাবেন র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ কবীর। রাত সাড়ে ১০টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক বিস্তারিত জানাবেন।

;