সাংবাদিক মিলনের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
সাংবাদিক মিলনের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা

সাংবাদিক মিলনের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের পীরগাছায় সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম মিলনের ওপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এসময় তাকে বাচাতে তার বোন এগিয়ে আসলে তাকেও মারপিটসহ শ্লীলতাহানী করা হয়।

এ ঘটনায় সাংবাদিক মিলনের বোন ফিরোজা খাতুন বাদী হয়ে ছয় জনের নাম উল্লেখসহ চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

মঙ্গলবার (০২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন পীরগাছা থানার ওসি সুশান্ত কুমার সরকার। এর আগে সোমবার (০১ এপ্রিল) মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- উপজেলার পারুল ইউনিয়নের সুন্দর গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৩৮), আজিজুল ইসলাম(৫৫), তুষার মিয়া (৩০), শহিদুল ইসলাম (৩০), শরীফ সুন্দরের আজাদুল ইসলাম (৪৫) ও ত্রিপুর গ্রামের সুলতান হোসেন (৩০)।

মামলার এজাহার ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাংবাদিক মিলন দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার পীরগাছা প্রতিনিধি। তার পৈত্রিক সম্পত্তির উপর রংপুর অঞ্চলে ভূউপরিস্থ পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়ন ও সেচ দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় গভীর নলকূপ স্থাপন করে বিএডিসি। এ জন্য এক হাজার মিটার ভূগর্ভস্থ সেচনালা নির্মাণ করা হয়। পরে আজিজুল ইসলাম নামে একজনকে এটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে ওই স্কিমে তার নিজস্ব কোনো জমি নেই। এছাড়া তিনি অন্যত্র বিএডিসির একাধিক গভীর নলকূপ পরিচালনা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় পৈত্রিক সম্পত্তিতে স্থাপিত গভীর নলকূপটি পরিচালনার দায়িত্ব চেয়ে বিএডিসি, রংপুর (ক্ষুদ্রসেচ) সার্কেল বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মিলন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে মিলন ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয় আজিজুল ইসলামসহ তার লোকজন। পরে গত ১৭ মার্চ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পীরগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন মিলন। এতে তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়।

গত বৃহস্পতিবার আকস্মিকভাবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে আসে বিএডিসি'র দুই কর্মকর্তা। এ সময় মিলন সেখানে গেলে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় আজিজুল ও তার লোকজন। ভাইকে বাঁচাতে তার বোন ফিরোজা খাতুন এগিয়ে আসলে তাকেও লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে বেদম পিটুনি দেওয়া হয়। এতে তাদের হাতে, পায়ে, বুকে, পিঠে, কানে, গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। একপর্যায়ে তার শ্লীলতাহানী করা হয় বলে অভিযোগ করেন ফিরোজা খাতুন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মিলন ও তার বোন ফিরোজা খাতুনকে উদ্ধার করে পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায় স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় ছয় জনের নাম উল্লেখসহ চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন ফিরোজা খাতুন। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতা র করতে পারেনি।

সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম মিলন বলেন, বিএডিসির কর্মকর্তারা আমার অভিযোগের তদন্তে এসেছিল কিন্তু আমাকে জানায়নি। তাদের উপস্থিতিতে আমাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়। আমি হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

মিলনের বোন ও মামলার বাদী ফিরোজা খাতুন বলেন, মামলা রেকর্ড হলেও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানোসহ মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। অনেক লোকের সামনে আমার শ্লীলতাহানী করা হয়েছে। আমি দোষীদের বিচার চাই।

পীরগাছা থানার ওসি সুশান্ত কুমার সরকার বলেন, মামলায় যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

   

এমপি আনারের দেহাবশেষ খুঁজতে ফের তল্লাশি চালাচ্ছে সিআইডি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের খণ্ডিত মরদেহ খুঁজতে আবারও তল্লাশি চালাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (সিআইডি)। কসাই জিহাদ হাওলাদারের দেয়া তথ্যানুয়ায়ী শনিবার (২৫ মে) সঞ্জীভা গার্ডেনে জাল নিয়ে বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালাচ্ছেন তারা। 

সিআইডির আশঙ্কা, এমপি আনরের মরদেহের খণ্ডিত অংশ এরই মধ্যে হয়তো চলে গেছে বিভিন্ন জলজ প্রাণীর পেটে।

আজীম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বনগাঁ সীমান্ত থেকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় জিহাদকে। এরপর শুক্রবার আদালতের নির্দেশে নিজেদের হেফাজতে পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ সিআইডির গোয়েন্দাদের জেরায় খুনের পর ফ্ল্যাটেই দেহ টুকরো টুকরো করে লোপাটের লোমহর্ষক তথ্য স্বীকার করে সে। 

জিহাদকে গ্রেফতারের পরই তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের দেহাবশেষের উদ্ধারের জন্য বৃহস্পতিবার রাতেই কলকাতা সংলগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙ্গড়-পোলেরহাট এলাকার ব্যাপক তল্লাশি চালায় সিআইডি। তবে মরদেহের কোনো অংশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর আজ আবারও তল্লাশিতে নেমেছে সিআইডি। 

এদিকে কলকাতায় খুন হওয়া বাংলাদেশি সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহ অন্তত ৮০ টুকরায় বিভক্ত করা হয়। পরে তা ফেলা হয় খালসহ বিভিন্ন স্থানে। পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই জানিয়েছেন জিহাদ হাওলাদার।

মূলত আনারকে হত্যার জন্য ভারতের মুম্বাই থেকে ‘কসাই’ খ্যাত জিহাদ হাওলাদারকে কলকাতায় আনা হয়। কলকাতায় গ্রেফতার হওয়ার পর আনোয়ারুলকে হত্যার পর কীভাবে তার মরদেহ টুকরা টুকরা করে ফেলে দেওয়া হয়, তার রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন তিনি। 

;

শ্যামনগরে ডাম্পারে পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষার্থী নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাতক্ষীরা
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ইটভাটার ডাম্পারের চাকায় পিষ্ট হয়ে পলাশ আউলিয়া (১৮) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৫ মে) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের নওয়াবেকী-আড়পাঙ্গাশিয়া সড়কের বড়কুপট এলাকার মেসার্স জামান ব্রিকসের সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত পলাশ উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালি এলাকার ভোলানাথ আউলিয়ার ছেলে ও নওয়াবেকী ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্র।

নিহত পলাশের সহপাঠী রিয়াদ হোসেন ও সুদীপ মণ্ডল জানান, পলাশ আটুলিয়া ইউনিয়নের বয়ারশিং গ্রামে তার দাদু শচীন মণ্ডলের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করতো। শনিবার সকালে সেখান থেকে সহপাঠী সাদিকের মোটরসাইকেলে করে কলেজে আসার পথে মেসার্স জামান ব্রিকসের সামনে পৌঁছালে একটি ডাম্পার ট্রাক্টর তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে পলাশ ছিটকে ডাম্পারের তলায় পড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে পলাশের মৃত্যু হয়। তবে সঙ্গে থাকা সহপাঠী সাদিক প্রাণে বেঁচে যায়।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাকির হোসেন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই পলাশের মৃত্যু হয়।

এদিকে, এই ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক ডাম্পারটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় ও জামানের ইটভাটা (মেসার্স জামান ব্রিকস) ভাঙচুর শুরু করে। বর্তমানে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

রোববার রাতে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ 



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ও ভারত আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে আজ ভোরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) নিম্নচাপটি উত্তরদিকে অগ্রসর হয়ে ঘনীভূত হয়ে সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এ পরিণত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি পরবর্তীতে উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল রোববার (২৬ মে) মধ্যরাত নাগাদ বাংলাদেশের কুয়াকাটা হতে পশ্চিম-বঙ্গের দীঘার মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

শনিবার (২৫ মে) দুপুরে বিষয়টি জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সজল কুমার রায়।

তিনি জানান, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে বাংলাদেশের মংলা সমুদ্রবন্দর হতে ৫৪০ কি.মি., পায়রা সমুদ্রবন্দর হতে ৪৯০ কি.মি. দক্ষিণে এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর হতে ৫৬৫ কি. মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ দিয়ে অতিক্রমের সময় ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ২২০ থেকে ১২০ কিলোমিটার থাকতে পারে।

এছাড়া বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ মে এবং তৎপরবর্তী সময়ে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' দেশের উপকূল হয়ে ভূমি সমতল অতিক্রমের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে। ফলে, আগামী ৭ দিনে (২৫ মে হতে ৩১ মে) দেশের উজানে এবং অভ্যন্তরে সম্ভাব্য ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে।

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় উপকূলীয় অঞ্চল অতিক্রমকালীন সময়ে চন্দ্রের অবস্থানগত কারণে স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় পানি সমতল কিছুটা বেশি থাকবে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রেমাল খুলনা থেকে পটুয়াখালীর খেপু পাড়ার মাঝামাঝি স্থানে আঘাত হানতে পারে। অপেক্ষাকৃত বেশি এলাকা ধরে ঘূর্ণিঝড়টির বিস্তৃতি থাকতে পারে। সমুদ্র উপকূলের সুন্দরবনে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে নিম্ন চাপের প্রভাবে পটুয়াখালীর উপকূলীয় এলাকা কলাপাড়ায় মেঘলা আকাশ। এক ধরনের গুমোট পরিবেশ বিরাজ করছে। কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে উঠছে। সাগরের তীরে বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে। পানির তীব্রতা বাড়ছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ পর্যটকদের সতর্ক করছে। এই মুহূর্তে সাগরে নামা ও গোসল করা থেকে বিরত থাকতে মাইকিং করছে। ওইে এলাকায় ফোঁটা বৃষ্টি পড়ছে। তবে বাতাসের তেমন কোনো চাপ নেই। উপকূলীয় এলাকার অনেক স্থানে যে কোনো সময় অস্থায়ী দমকা হাওয়া, ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এদিকে সমুদ্রে মাছধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকায় অধিকাংশ মাছধরা ট্রলার নিরাপদে রয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য সংশ্লিষ্টরা।

;

ফরচুনের শ্রমিকদের ওপর গুলিবর্ষণে জড়িতদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ 



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, বরিশাল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরচুন কারখানায় পাওনা বেতনের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকের উপর গুলিবর্ষণে জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে শনিবার (২৫ মে) সকাল ১১টায় মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট বরিশাল জেলা শাখা।

এসময় আহতদের চিকিৎসা ব্যয় ও যথাযথ ক্ষতিপূরণসহ শ্রমিকদের সকল বকেয়া বেতন-বোনাস ও ওভারটাইমের সমুদয় পাওনা পরিশোধ করার দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট বরিশাল জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দুলাল মল্লিক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়কারী ডা. মনীষা চক্রবর্তী, ভোলার গ্যাস রক্ষায় নাগরিক আন্দোলনের ভোলা জেলা শাখার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান, বাসদ গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সংগঠক অধ্যক্ষ মোশায়েদ হোসেন ঢালী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান সেলিম, সিপিবি ঝালকাঠি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত দাস হরি, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ বরিশাল মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহ আজিজ খোকন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট বরিশাল জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক শহিদুল হাওলাদার, সোনারগাঁও টেক্সটাইল শ্রমিক-কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন, বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সদস্য বেল্লাল গাজী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বরিশাল মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক সুজন শিকদার প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, বরিশালে ফরচুন সুজ কম্পানির মালিক শ্রম আইন লঙ্ঘন করে শ্রমিকদের হকের টাকা না দিয়ে দুই মাসের বেতন বকেয়া রাখে। অথচ ক্রিকেট দলের ফ্রাঙ্কাইজ স্বত্ত্ব কিনতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেছে। ওভারটাইমের মজুরি না দিয়ে ১০-১২ ঘণ্টা খাটিয়ে মাসের পর মাস শ্রম আইন লঙ্ঘন করে শ্রমিকদের শোষণ করেছে। দুই মাস শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ না করে এক মাসের অর্ধেক মজুরি দিয়েছে।

হামলা করানোর সাথে জড়িত ফরচুনের মালিকপক্ষের ব্যক্তিদের গ্রেফতার করার দাবি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশের কেন্দ্র শ্রমিকরা, ব্যাংক লুটেরা কারখানা মালিকরা নয়। অথচ সরকারের বিভিন্ন বাহিনী শ্রমিকদের রক্ষার পরিবর্তে শিল্প মালিকদের ভাড়াটে বাহিনীর মত নিন্দনিয় ভূমিকা পালন করছে। তারা শ্রমিকের বকেয়া বেতন ভাতা আদায় করে দেওয়ার জন্য কোনো ভূমিকা পালন না করলেও মালিকদের অন্যায় আচরণকে প্রতিষ্ঠায় শ্রমিকের উপর নির্যাতকের ভূমিকা পালন করে। নেতৃবৃন্দ, শ্রমিকের উপর গুলিবর্ষণকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি শ্রম আইন বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। 

বক্তারা আহত শ্রমিকদের জন্য যত্থাযত্থ ক্ষতিপূরণ দাবি করেন এবং শ্রমিকদের ওভারটাইমসহ সমুদয় বকেয়া অবিলম্বে পরিশোধ করার দাবি জানান।

;