ছাগল খেতে এসে প্রাণ গেলো মেছো বাঘের!



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরগুনা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আমতলীর গুলিশাখালী ইউনিয়নের খেকুয়ানি গ্রামে রাতে ছাগল খেতে এসে প্রান গেলো এক মেছো বাঘের। ঘটনা ঘটেছে রেজাউল করিমের বাড়িতে। মেছো বাঘটি প্রায় সাড়ে ৩ ফুট লম্বা।

জানা গেছে, রবিবার (৩ মার্চ) গভীর রাতে আমতলী উপজেলা গুলিশাখালী গ্রামের রেজাউল করিমের বাড়িতে ছাগলের খোয়ারে একটি মেছো বাঘ প্রবেশ করে ছাগল উপর আক্রমণ করেন। এসময় ছাগলের ডাক চিৎকার শুনে গৃহকর্তা রেজাউল করিম বাহিরে এসে ছাগলের খোয়ারে প্রবেশ করে দেখেন একটি ছোট আকারের বাঘ ছাগলের ঘার মটকে ধরে আছেন।

এসময় তিনি ডাক চিৎকার শুরু করলে মেছো বাঘটি ছাগল ছেড়ে তার উপর আক্রমণ করে। তার ডাক শুনে বাড়ির অন্যরা এগিয়ে আসেন এবং মেছো বাঘটির মাথায় ভারী কাঠের গুড়ি দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই বাঘটি।

রেজাউল করিম বলেন, বাঘের আক্রমনে আমার প্রায় ৩ হাজার টাকা মূল্যের ১টি ছাগল মারা গেছে। সোমবার (৪ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে মৃত্যু ওই বাঘটি স্থানীয় খেকুয়ানি খালে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আমতলী উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, আমাদের এই অঞ্চলে বাঘ থাকার কথা নয়। এটি মূলত মাছ খেকো প্রানী। দেখতে অনেকটা বাঘের মত। তাই এটির নাম মেছো বাঘ। এটি মারা বেআইনী। জীবিত পাওয়া গেলে এটি বনে অবমুক্ত করা যেত।

   

এবার বাংলাদেশে পালিয়ে এল মিয়ানমারের ২ সেনা সদস্য



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের চলমান সংঘর্ষের মধ্যে এবার মিয়ানমার থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিল মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ২ সদস্য। গতকাল সকাল থেকে আজ পর্যন্ত ১৬ মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী এবং সেনাসদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিল।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশফাঁড়ি সীমান্ত দিয়ে সবশেষ দুই সেনা সদস্য পালিয়ে আসে। তাদের নিরস্ত্র করে হেফাজতে নিয়েছে বিজিবি।

এর আগেরদিন রোববার রাতের দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং খারাংখালী এবং ঝিমংখালী সীমান্ত দিয়ে জীবন বাঁচাতে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির ৫ সদস্য বাংলাদেশে ঢুকে আশ্রয় নিয়েছে। এর আগে একইদিন সকালে খারাংখালী সীমান্ত দিয়ে অস্ত্রসহ মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের ৯ জন সদস্য আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

এর আগে ৩০ মার্চ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের তুমব্রু কোনাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৩ সেনা সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আসে। এছাড়া ১১ মার্চ নাইক্ষ্যংছড়ির জামছড়ি সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে এসেছিল ১৭৯ জন মিয়ানমার বর্ডার পুলিশ -বিজিপি সদস্যরা। এরাও নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি ব্যাটালিয়নে রয়েছে। তাদের মিয়ানমারের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

তারও আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জের ধরে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন বিজিপিসহ ৩৩০ জন। যার মধ্যে ৩০২ জন বিজিপি সদস্য, ৪ জন বিজিপি পরিবারের সদস্য, ২ জন সেনা সদস্য, ১৮ জন ইমিগ্রেশন সদস্য ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন। এদের ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত পাঠানো হয়।

;

এবার বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের দোলাপাড়া সীমান্তে থেকে আমিনুর রহমান (৩০) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ধরে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রংপুর ৬১ ব্যাটালিয়ন (তিস্তা-২) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ মুসাহিদ মাসুম।

এর আগে সোমবার (১৫ এপ্রিল) ভোর রাতে ওই উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের দোলাপাড়া সীমান্তের ৮৮৮ নম্বর প্রধান ও ২ এবং ৩ নম্বর উপ- পিলারের নিকট এ ঘটনা ঘটে। আটককৃত আমিনুর রহমান ওই এলাকার জাবেদ আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহায়তায় দোলাপাড়া সীমান্তের ৮৮৮ নম্বর প্রধান এবং ২ ও ৩ নম্বর উপ- পিলার এলাকা দিকে ভারতে প্রবেশ করে আমিনুর রহমানসহ ৩/৪জন যুবক। এ সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১৫৭ ব্যাটালিয়নের অমৃত ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা চোরাকারবারীদেরকে ধাওয়া করে। এতে তার অন্য সহযোগীরা পালিয়ে গেলেও আমিনুর রহমানকে আটক করে নিয়ে যায় বিএসএফ।

ওই যুবকের পরিবার জানান, সোমবার ভোরে কয়েকজন লোক আমিনুরকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে আর ফিরেনি সে। পরদিন সকালে স্থানীয়দের নিকট জানতে পারি আমিুনরকে আটক করে নিয়ে গেছে বিএসএফ।

বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য হাফিজুল ইসলাম বার্তা২৪.কম-কে জানান, সীমান্ত থেকে আমিনুর রহমানকে বিএসএফ আটক করে নিয়ে গেছে বলে পরিবারের লোকজন বিষয়টি তাকে জানিয়েছেন।

বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ওই যুবক আটক হয়েছে বলে ইউপি সদস্যের মাধ্যমে জেনেছি।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৬১ ব্যাটালিয়ন (তিস্তা-২) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ মুসাহিদ মাসুম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আমিনুর রহমান ভারতের ভেতরে গেলে বিএসএফ তাকে আটক করেছে। এ ব্যাপারে পতাকা বৈঠকের জন্য বিএসএফকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

;

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: রাঙামাটিতে ৩৭ জনের মনোনয়নপত্র জমা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটে তিন পদে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির সদর উপজেলাসহ মোট চার উপজেলায় মোট ৩৭ জন প্রার্থী প্রথমবারের মতো অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হওয়ার পর এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি জেলার সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, জুড়াছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন, কাউখালী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন ও বরকল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

তফসিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৭ এপ্রিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। পরদিন প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু হবে।

প্রথম ধাপে রাঙামাটির চার উপজেলাসহ সর্বমোট ১৫০টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ হবে চলতি বছরের আগামী ৮ মে।

এ ধাপের নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করবেন জেলা প্রশাসক।

;

মেয়ের অস্ত্রোপচারের টাকা পুড়ে ছাই, সুগন্ধার চোখে অন্ধকার



তাসনীম হাসান, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দুই মাস ধরে গুরুতর অসুস্থ নবম শ্রেণির ছাত্রী অর্পিতা দাশ। জ্বর কমছিলই না। কারণ খুঁজতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানা গেল অর্পিতার পেটে বসতি গেড়েছে টিউমার। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন দ্রুতই করতে হবে অস্ত্রোপচার। সেজন্য এখান থেকে ওখান থেকে নিয়ে টাকা জমাতে শুরু করেন চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতালে কর্মরত মা সুগন্ধা দাশ। ৫০ হাজার টাকা জমিয়ে বড় যত্নে রেখেছিলেন বাসায়। অস্ত্রোপচারের অপেক্ষায় থাকা মেয়েকে কিছুদিন ধরে ভর্তি করিয়েছেন হাসপাতালেও।

কিন্তু তার আগেই আগুন এসে কেড়ে নিয়েছে সুগন্ধার সব, মেয়ের অস্ত্রোপচারের টাকা। সেসব ভেবে কান্না থামছেই না এই মধ্যবয়সী নারীর। পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া ঘরের সামনে বসে এই নারী বিলাপ করছিলেন, ‘আমি এখন কোথায় যাব, মেয়েকে কীভাবে অস্ত্রোপচার করাব।’

২০১৭ সালে স্বামী পরিমল দাশকে হারান সুগন্ধা। এরপর থেকে ছেলে ও মেয়ের কথা ভেবে আর বিয়েমুখী হননি। বড় ছেলের বয়স মাত্র ২০। তিনি অবশ্য এখনো তেমন কিছু করেন না। আর ১৬ বছরের মেয়ে অর্পিতা নবম শ্রেণিতে পড়ছে পাথরঘাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। বন্দর হাসপাতালে দৈনন্দিন ভিত্তিতে কাজ করা মায়ের আয়েই চলছিল অর্পিতাদের সংসার। এর মধ্যে অর্পিতা অসুস্থ হয়ে পড়ায় আরও বিপাকে পড়েন মা।

দুই সপ্তাহ আগে অর্পিতাকে ভর্তি করানো হয় মায়ের কর্মস্থল বন্দর হাসপাতালে। আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে অর্পিতার অস্ত্রোপচার করার কথা ছিল। সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতালে একদিকে নিজের কাজ, অন্যদিকে মেয়েকে দেখভাল করা-দুটোই করছিলেন সুগন্দা। এমন সময় খবর পান তার বাসাসহ আশপাশের সব বাসা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। মেয়েকে হাসপাতালের বিছানায় রেখে দ্রুত আসলেও কিছুই রক্ষা করতে পারেননি সুগন্ধা। তার আগেই পুড়ে গেছে বাসার সবকিছুই, মেয়ের অস্ত্রোপচারের জন্য রাখা ৫০ হাজার টাকাও।

সোমবার বিকেলে চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গিবাজার এলাকার এয়াকুবনগর লইট্টাগাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পুড়ে যাওয়া বাসায় বসে কেঁদেই চলেছেন সুগন্ধা দাশ। বোন এসে সান্ত্বনা দেওয়ার সব চেষ্টাই করছিলেন। কিন্তু কিছুতেই যেন থামছিল না সুগন্ধার কান্না। অস্ফুট স্বরে বলতে থাকেন, ‘ও মারে, ও বাপরে, আমার তো কিছুই রইল না।’

সোমবার দুপুরে হঠাৎ লাগা আগুনে এই এলাকার ৮৭টি কক্ষ পুড়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া সেই কক্ষের একটিতে ছেলে আর মেয়েকে নিয়ে থাকতেন সুগন্ধা।

সুগন্ধা দাশ বলেন, ঘটনার সময় আমি বন্দর হাসপাতালে ছিলাম। একদিকে সেখানে ভর্তি থাকা মেয়েকে দেখতে হচ্ছিল, অন্যদিকে নিজের কাজও সারতে হচ্ছিল। আগুনের খবর পেয়ে মেয়েকে হাসপাতালে রেখে বাসায় এসে দেখি তিলে তিলে গড়ে তোলা আমার সবকিছুই ছাই।’

মেয়েকে এখন কীভাবে অস্ত্রোপচার করাবেন, সেই ভাবনায় চোখে অন্ধকার দেখছেন সুগন্ধা। বললেন, ‘কত কষ্ট করে মেয়ের অস্ত্রোপচারের জন্য ৫০ হাজার টাকা জমিয়েছিলাম। আগুনে টাকাগুলো পুড়ে গেছে। এখন কোথায় টাকা পাব জানি না।’

এক আগুন শুধু সুগন্ধাদের সব কেড়ে নেয়নি। অর্পিতার জীবনটাকেও ফেলে দিয়েছে বড়সড় ঝুঁকির মুখে!

;