আমের শহরে মুকুল কম, চাষিদের দুশ্চিন্তা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তাপমাত্রার ধীরগতির বৃদ্ধি প্রকৃতিতে নানা পরিবর্তন আনছে। দিনে গরমের প্রকোপ থাকলেও রাতে তা কমে আসছে। বসন্তের ১৩ দিন অতিক্রান্ত হলেও, ফাগুনের প্রত্যাশিত উত্তাপ এখনও প্রকৃতিতে পূর্ণরূপে অনুভূত হচ্ছে না। তবে, ফাগুনের আগমনে শিমুল ও পলাশ ফুটেছে, যদিও আমের মুকুলের ঝিলিক এখনও মিলছে না। এ সময়ে আমের গাছে মুকুলের প্রাচুর্য দেখা যাওয়ার কথা থাকলেও, অধিকাংশ গাছে মুকুলের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। কৃষিবিদরা মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও তীব্র শীত এর অন্যতম কারণ হতে পারে।

প্রকৃতির এই পালাবদলে মানুষের মন আন্দোলিত হচ্ছে। ঋতু বৈচিত্র্যে ভরা আমের শহর রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের সবুজ প্রকৃতি এখন এক আবেগময় আমেজে ডুব দিয়েছে। বসন্তের ফাগুন এবং আমের মুকুল যেন একই সুতোয় বাঁধা। এই সময়ে, রাজশাহীর আম চাষি ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের চোখ আম বাগানের দিকে। আমের সবুজ পাতা ও মুকুল চাষিদের রঙিন স্বপ্নকে দোলা দিচ্ছে। এই দৃশ্য শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত।

রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার প্রায় সব এলাকায় এখন প্রচুর আম বাগান রয়েছে। নতুন নতুন জাতের আমের উদ্ভাবন ও বাগান তৈরি হচ্ছে, যা অল্প সময়ে ফলন দিচ্ছে। তবে, অধিকাংশ গাছে মুকুল না আসায় চাষিরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

বাংলাদেশে আম অর্থনীতিতে একটি লাভজনক মৌসুমী ফলের ব্যবসা। এর ফলে, প্রতি বছর আমবাগানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষত, নতুন গড়ে উঠা বাগানগুলো মূলত বনেদি জাতের আমের চাষে মনোনিবেশ করছে, যেমন ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত এবং আশ্বিনা জাতের হাইব্রিড গাছ বেশি পরিমাণে লাগানো হচ্ছে।

সাধারণত, মাঘের শেষে আম গাছে মুকুল আসার কথা থাকলেও, এবার এক ব্যতিক্রম ঘটেছে। পূর্বে, রাজশাহীতে আমের মৌসুমে 'অফ ইয়ার' এবং 'অন ইয়ার' নামে পরিচিত একটি ধারা ছিল, যেখানে 'অফ ইয়ার' এ ফলন কম এবং 'অন ইয়ার' এ ফলন বেশি হত। তবে, গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজশাহীর গবেষক ও আম চাষিদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই প্রথা ভেঙে গেছে। নিয়মিত পরিচর্যার ফলে, এখন প্রতি বছরই রাজশাহীর সব বাগানে আমের ভালো ফলন হচ্ছে এবং উৎপাদন বাড়ছে।

অতিরিক্তভাবে, এ বছর পৌষের শেষেও রাজশাহীর অনেক আমবাগানে আগাম মুকুল দেখা গেছে। যদিও অতীতে গাছজুড়ে মুকুলের আধিক্য থাকত, এ বছর তা ব্যতিক্রমী। গাছে মুকুলের সংখ্যা অল্প। গত বছরগুলোতে মুকুলের প্রাচুর্যের দৃশ্যের পরিবর্তে, এ বছরের বাগানগুলো দেখে চাষিদের মনে আশার প্রদীপ জ্বালাতে ব্যর্থ হচ্ছে। কারণ আমের মুকুল ও কৃষকের স্বপ্ন একই সুতোয় বাঁধা। তাই, প্রতিদিনই চলছে আম গাছের যত্ন। গাছের গোড়ায় মাটি দিয়ে উঁচু করার মাধ্যমে সেচ দেওয়া হচ্ছে।

রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আম গাছে মুকুলের প্রাচুর্য কম। চাষিরা বলছেন, শীতের কারণে মুকুল এখন কম দেখা গেলেও পরে আরও বাড়বে। তবে বৈজ্ঞানিক মহল কিছুটা সতর্ক বার্তা দিচ্ছে। তাদের মতে, শীতকাল সম্পূর্ণরূপে বিদায় নেওয়ার আগে আমের মুকুল আসা অত্যন্ত ইতিবাচক নয়। বর্তমানে প্রকৃতিতে মাঝে মাঝেই ঘন কুয়াশার সাক্ষী হচ্ছি আমরা। হঠাৎ হঠাৎ এই ধরণের ঘন কুয়াশা আমগাছের মুকুলের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে মুকুল ক্ষতিগ্রস্থ হয়, যা পরবর্তীতে ফলনে প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী, ফাগুন মাসে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা খুবই কম হলেও, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রকৃতি যদি বিরূপ আচরণ করে, তবে আমের মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মাঝে মধ্যে ঘন কুয়াশা নামলে মুকুলের ক্ষতি হয়। পাউডারি মিলডিউ নামক রোগে আক্রান্ত হয়ে বেশিরভাগ মুকুলই ঝরে পড়ে। এতে আক্রান্ত বাগান মালিকরা ক্ষতির মুখে পড়বেন। তবে, কী পরিণাম আসবে তা শেষ পর্যন্ত দেখে না বলা বেশ কঠিন।

রাজশাহীর পবা উপজেলার আম ব্যবসায়ী আবদুর রহিম বলেছেন, একবার ফলন হলে প্রায় সারা বছর আমবাগানের পরিচর্যায় তাদের সময় কেটে যায়। সাধারণত, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যভাগে আমের মুকুল আসার কথা, কিন্তু এবার আগে ভাগেই মুকুল এসেছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে আমের মুকুল রক্ষার জন্য, আগাম কীটনাশক প্রয়োগসহ গাছের যত্নে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন আমচাষি ও বাগান মালিকরা। মুকুল সুরক্ষিত রাখতে অনেকে গাছে গাছে ওষুধ স্প্রে করছেন। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে, এ বছর আমের বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছেন বাগান মালিকরা।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ৩৫% গাছে মুকুল এসেছে। এসব গাছের মুকুল রক্ষা ও যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোজদার হোসেন জানান, এবার রাজশাহীতে ১৯ হাজার ৬০২ হেক্টর জমির আমবাগানে ২ লাখ ৬০ হাজার ১৬৪ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে পারলে, আম রফতানিতে বৃদ্ধি প্রাপ্তি সম্ভব হবে।

   

নির্বাচনটা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে হতে হবে: ইসি আলমগীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনটা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে হতে হবে। কোনো প্রার্থীর প্রচারণায় বা ভোটারকে বাঁধা দিতে না পারে এবং কোনো ধরনের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি না হয় এই ম্যাসেজ গুলো আমরা দিয়েছি।

তিনি বলেন, অনেক রাজনৈতিক দল অফিসিয়ালি সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও কিন্তু আন-অফিসিয়ালি একটি পক্ষকে নির্বাচনে সমর্থন করছে। এটি কোনো রাজনৈতিক নির্বাচন নয় এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এখানে কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রয়োজন নেই।

শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের হল রুমে হরিরামপুর ও সিংগাইর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ইসি বলেন, নির্বাচনটা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে হতে হবে। কোনো প্রার্থীর প্রচারণায় বা ভোটারকে বাঁধা দিতে না পারে এবং কোনো ধরনের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি না হয় এই ম্যাসেজ গুলো আমরা দিয়েছি। অনেক রাজনৈতিক দল অফিসিয়ালি সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও কিন্তু আন-অফিসিয়ালি একটি পক্ষকে নির্বাচনে সমর্থন করছে।

নির্বাচন বর্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবার সহযোগিতায় একটি উৎসব মুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে একটি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হলো স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এখানে আরও উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। এই নির্বাচন হবে ইভিএম পদ্ধতিতে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক রেহেনা আখতার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান মিঞাসহ সরকারি আরও অনেক দপ্তরের কর্মকর্তা।

;

রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবার (২০ এপ্রিল) জেলায় তাপমাত্রার পারদ উঠেছে ৪১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা এই মৌসুমের সবোর্চ্চ তাপমাত্রা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজশাহীতে হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। প্রখর রোদে সুস্থ থাকতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরে রাজশাহীতে চলমান তীব্র তাপদাহ জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। শহরের মানুষজন মধ্যাহ্নভোজের পর থেকে বিকেল পর্যন্ত ঘরের ভেতর অবস্থান করছেন, রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জনগণকে সচেতন করে তাপদাহ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। শিশু ও বয়স্কদের বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, সুস্থ থাকতে প্রচুর পানি পান করুন, হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরা এবং সরাসরি সূর্যের আলো থেকে বাঁচার জন্য ছাতা বা টুপি ব্যবহার করা উচিত।

অস্বাভাবিক এই তাপমাত্রার পিছনে বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন কারণ দেখছেন। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, এল নিনো ঘটনা এবং স্থানীয় পর্যায়ে বৃক্ষনিধন ও শহরায়ন প্রক্রিয়া এর জন্য দায়ী হতে পারে।

রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক এএসএম গাওসুজ্জামান বলেন, শনিবার রাজশাহীতে চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সবনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সকালে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৭ শতাংশ।

এর আগে, ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল রাজশাহীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি ছিল দীর্ঘ ৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

;

বাংলাদেশকে ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশকে ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি

বাংলাদেশকে ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি

  • Font increase
  • Font Decrease

জলাবদ্ধতা নিরসনে বাংলাদেশকে ৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে।

ক্লাইমেট রেজিলেন্ট ইন্টিগ্রেটেড সাউথওয়েস্ট প্রজেক্ট ফর ওয়াটার রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এডিবি এ ঋণ দেবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)। 

শনিবার ( ২০ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। ঋণচুক্তি ও প্রকল্পচুক্তিটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয় বলে জানা গেছে।

এ সময় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং এডিবির পক্ষে বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন জিনটিং উভয় চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় বাংলাদেশ সরকার ও এডিবির আবাসিক মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঋণটি এডিবির Ordinary Operations (Concessional) বা নমনীয় শর্তে পাওয়া গিয়েছে যার সুদের হার ২ শতাংশ এবং ৫ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ২৫ বছরে পরিশোধযোগ্য। এছাড়া অন্য কোনো চার্জ নেই।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রকল্পটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে। আলোচ্যে প্রকল্পের মাধ্যমে প্রকল্প এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন করে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, আনুষঙ্গিক উন্নয়নের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন আনয়ন, সমন্বিত পানি সম্পদ ও অংশগ্রহণমূলক পানি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং উন্নত অবকাঠামো নির্মাণ ও সমন্বিত সহায়তার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব হবে।

এছাড়া প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত সুবিধাদির দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব বজায় রাখার নিমিত্ত পানি ব্যবস্থাপনা সংঘ গঠন করা হবে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল জানুয়ারি ২০২৪ হতে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত।

এডিবি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে সদস্যলাভের পর থেকে এডিবি থেকে এর অর্থনীতির অগ্রাধিকারভুক্ত বিভিন্ন খাতসমূহে ধারাবাহিকভাবে আর্থিক সহায়তা পেয়ে আসছে। এডিবি এ যাবত বাংলাদেশ সরকারকে ৩১ হাজার ৫৪৭.৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ সহায়তা ও ৫৭১.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অনুদান সহায়তা প্রদান করেছে। বাংলাদেশে উন্নয়ন সহায়তার ক্ষেত্রে এডিবি সাধারণত বিদ্যুৎ, জ্বালানি, পরিবহন, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, কৃষি, পানিসম্পদ ও সুশাসনকে প্রাধান্য দেয়।

;

হিট স্ট্রোকে ২ জনের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র তাপদাহ। তীব্র এই দাবদাহে চুয়াডাঙ্গা ও পাবনায় হিট স্ট্রোকে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। এসময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ১৮ শতাংশ।পাবনার ঈশ্বরদীতে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা জেলায় চলতি মৌসুমের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

চুয়াডাঙ্গায় আজ সকালে মাঠে কাজ করতে গিয়ে জাকির হোসেন (৩৩) নামের এক কৃষক হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

জাকির হোসেনের বাবা আমির হোসেন ও দর্শনা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জাকিরের বাবা আমির হোসেন বলেন, তীব্র গরমে মাঠের ধান মরার মতো অবস্থা। তাই জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য সকাল ৮টার দিকে মাঠে যায় জাকির হোসেন। মাঠে যাওয়ার ঘণ্টাখানেক পর খবর পাই ছেলে স্ট্রোক করেছে। মাঠের অন্য কৃষকরা ছেলেকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথেই সে মারা যায়।

এদিকে, দুপুরে পাবনায় তীব্র দাবদাহে হিট স্ট্রোক করে সুকুমার দাস (৬০) নামের এক বৃদ্ধ মারা গেছেন।

জানা গেছে, পাবনা শহরের রুপকথা রোডে একটি চায়ের দোকানে চা খাওয়ার সময় হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হন সুকুমার দাস। এ সময় আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সুকুমার দাস শহরের শালগাড়িয়ার জাকিরের মোড়ের বাসিন্দা।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, কয়েক দিন ধরেই পাবনায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজকে রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

;