মায়ের জানাজা পড়তে গিয়ে প্রবাসী ছেলে, মেয়ের বর নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, নরসিংদী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মায়ের জানাজা পড়তে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় ইতালিপ্রবাসী ছেলে এবং মেয়ের বর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দু'জন। 

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুর উপজেলার ঘাসিরদিয়া এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহজাহান মেম্বারের ছেলে ইতালি প্রবাসী শাহ আলম (৫০) এবং তার ভগ্নিপতি একই উপজেলার শামসু উদ্দিনের ছেলে সেলিম মিয়া (৪০)।

নিহতের পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৪ বছর ধরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ইতালিতে বসবাস করছেন শাহ আলম। বুধবার বার্ধক্যজনিত কারণে তার মায়ের মৃত্যু হয়। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে সেদিনই বাংলাদেশের উদ্দেশে রওয়ানা হন শাহ আলম। বৃহস্পতিবার ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভগ্নিপতি সেলিম মিয়া, তার ভাগ্নেসহ মোট চারজন একটি মাইক্রোবাস করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হন।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিবপুর উপজেলার ঘাসিরদিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাথর বোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শাহ আলম এবং নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেয়ার পর তার ভগ্নিপতি সেলিম মিয়ার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় মাইক্রোবাসের চালকসহ দুইজন আহত হন।

ইটাখোলা হাইওয়ে থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) আরিফুর রহমান জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী একটি মাইক্রোবাস ঘাসিরদিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাথর বোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় আহত মাইক্রোবাসচালক এবং অপর যাত্রী নরসিংদী জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

   

নীলফামারীতে বৃষ্টির জন্য বিশেষ নামাজ আদায়



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
নীলফামারীতে বৃষ্টির জন্য বিশেষ নামাজ আদায়

নীলফামারীতে বৃষ্টির জন্য বিশেষ নামাজ আদায়

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীতে তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে রক্ষায় বৃষ্টি চেয়ে ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। বিশেষ এ নামাজে এলাকাবাসীসহ অনেক মুসল্লি অংশ নেন।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকালে জেলা শহরের মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই নামাজের আয়োজন করে আহলে হাদিস আন্দোলন বাংলাদেশ।

এ নামাজে ইমামতি করেন নীলফামারী মুন্সিপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. আব্দুস সামাদ। সেখানে দুই রাকাত নামাজ শেষে নীলফামারীসহ সারাদেশে বৃষ্টির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। মোনাজাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষায় দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।

এলাকাবাসী জানান, পানির অভাবে চাষাবাদ কাজেও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মাঠের ফসল। সেজন্য গ্রামবাসী খোলা মাঠে বৃষ্টির জন্য নামাজ আদায় ও দোয়া করেছেন।

ইমাম মাওলানা মো. আব্দুস সামাদ বলেন, হাদিসে এসেছে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, দুইটা সময় জাহান্নাম নিশ্বাস ছাড়ে গ্রীষ্মকাল ও শীতকালে। অতিরিক্ত শীত যখন হয় তখন সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা হয় এবং অতিরিক্ত গরমেও সমস্যার সমাধানে দোয়া করা হয়। অতীতে আরব দেশে যখন এমন প্রখর রোদ আর গরম ছিল তখন হযরত মুহাম্মদ (সা.) গরম থেকে পরিত্রাণ চেয়ে সাহাবাদের নিয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন।

আহলে হাদিস আন্দোলন বাংলাদেশ নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি হাকীম মোস্তাফিজুর রহমান সবুজ বলেন, সারাদেশ তাপদাহে পুড়ছে। এমতাবস্থায় বৃষ্টি এবং তাপদাহ থেকে রেহাই পেতে ইসতিস্কার নামাজ আদায় করা হয়। এতে বিভিন্ন জন অংশ নেন। আল্লাহ চাইলে এ নামাজ কবুল করে রহমতের বৃষ্টি দিয়ে মানুষ, প্রাণীসহ সকলকে শান্তিতে থাকার পরিবেশ করে দেবেন ইনশাল্লাহ।

;

সিলেটে উপজেলা নির্বাচনে প্রতীক পেলেন ৫৮ জন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, সিলেট
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে সিলেটে চারটি উপজেলায় ২৪ জন চেয়ারম্যানসহ ৫৮ জন প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) জেলা নির্বাচন অফিস থেকে প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

উপজেলাগুলো হলো- সিলেট সদর , দক্ষিণ সুরমা, বিশ্বনাথ ও গোলাপগঞ্জ। চারটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ নারীসহ ২৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেটের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও চার উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান।

জানা যায়, সিলেট সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়াম্যান পদে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তন্মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীরা হলেন- ডা. মো.খলিলুর রহমান (টেলিফোন), মো.সুজাত আলী রফিক (কাপ-পিরিচ), মিল্লাত আহমদ চৌধুরী (ঘোড়া), মো. আহাদ মিয়া (দোয়াত-কলম), মো.এজাজুল হক (মোটর সাইকেল), মো.সামসুল ইসলাম (আনারস)।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীরা হলেন-নিজাম আহমদ (টিউবওয়েল), নুরুল ইসলাম (তালা), বিলাশ বোনার্জী (বৈদ্যুতিক বাল্ব), মো.ওলিউর রহমান (টিয়াপাখি), মো.জাকির হুসাইন (চশমা ), মো.সাইফুল ইসলাম (উড়োজাহাজ), রথীন্দ্র লাল দাস (বই), সেলিম আহমেদ (মাইক)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে মোছা.দিলরুবা বেগম (পদ্মফুল), মোছা.হাছিনা আক্তার (ফুটবল)।

দক্ষিণ সুরমায় উপজেলায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়াম্যান পদে ১৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তন্মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ার‌ম্যান ৩ জন।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীরা হলেন-মো.মইনুল ইসলাম (আনারস), মোহাম্মদ জুয়েল আহমদ (ঘোড়া), মো. বদরুল ইসলাম (টেলিফোন), মো. শামীম আহমদ (মোটরসাইকেল) ও মো. সাহেদ মোশারফকে (কাপপিরিছ) প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (মাইক), ফয়েজ আহমদ (তালা), আলী আছগর খাঁন শামীম (চশমা), নন্দন চন্দ্র পাল (টিউবওয়েল) ও মো. আব্দুর রহমানকে (উড়োজাহাজ) প্রতিক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আইরিন রহমান কলি (পদ্মফুল), মোছা. হালিমা বেগম (কলস) ও মোছা. ফাহিমা বেগামকে (ফুটবল) প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

বিশ্বনাথ উপজেলায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়াম্যান পদে ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তন্মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীরা হলেন- আকদ্দুছ আলী(হেলিকাপ্টার), আলতাব হোসেন (টেলিফোন), গিয়াস উদ্দিন আহমদ (আনারস), গৌছ খান (কৈ মাছ), মোহাম্মদ এস আলী এনামুল হক চৌধুরী (মোটরসাইকেল), মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরী (কাপ পিরিচ), মো.আব্দুল রোসন চেরাগ আলী (ঘোড়া), মো. সেবুল মিয়া (দোয়াত কলম), সফিক উদ্দিন (উট), শামসাদুর রহমান রাহিন(শালিক)।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে আব্দুর রব (চশমা), পার্থ সারথি দাশ পাপ্পু (টিয়া পাখি), মুহিবুর রহমান সুইট (মাইক), মোহাম্মদ কাওছার খান (তালা), মো.ইসলাম উদ্দীন(বই), মো.সিরাজ মিয়া (টিউবওয়েল)।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- মোছা.করিমা বেগম (কলস), মোছা.জুলিয়া বেগম (ফুটবল), বেগম স্বপ্না শাহীন (প্রজাপতি)।

গোলাপগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তন্মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীরা হলেন মঞ্জুর কাদির শাফি(দোয়াত-কলম), আবু সুফিয়ান(আনারস), শাহিদুর রহমান (ঘোড়া)।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে-আকমল হোসেন (বই), আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ আজম (টিয়া পাখি), ফরহাদ আহমদ (তালা), মো.নাবেদ হোসেন (চশমা), মো. লবিবুর রহমান (টিউবওয়েল)।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- মোছা. নার্গিস পারভীন (কলস), সেলিনা আক্তার শিলা (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

;

অনুমোদন নেই, ব্যবস্থাপত্রে তবু এন্টিবায়োটিক লিখছেন বিপ্লব-জাকির



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাতক্ষীরা
অনুমোদন নেই, ব্যবস্থাপত্রে তবু এন্টিবায়োটিক লিখছেন বিপ্লব-জাকির

অনুমোদন নেই, ব্যবস্থাপত্রে তবু এন্টিবায়োটিক লিখছেন বিপ্লব-জাকির

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি পশু ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রকল্পে এআই টেকনিশিয়ান পদে চাকরি করেন আজিজুর রহমান বিপ্লব ও জাকির হোসেন। নিজস্ব প্যাডে সিল স্বাক্ষর করে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পশুদের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন তারা।

বিধি অনুযায়ী তাদের এন্টিবায়োটিক লেখার অনুমোদন না থাকলেও ব্যবস্থাপত্রে তারা লিখছেন সেটাও। বলছেন, ঊর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশের কথা, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন তারা এমন অনুমোদন দেননি।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নিয়মের তোয়াক্কা না করে উপজেলা ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের আস্থাশীল পরিচয় দিয়ে পশু দেহে ক্ষতিকর এন্টিবায়োটিক ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। অতিমাত্রায় এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে পশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে কালীগঞ্জ উপজেলা ও জেলা কর্মকর্তাদের আশীর্বাদে আজিজুর রহমান বিপ্লব ও জাকির হোসেন দীর্ঘদিন দাপট দেখিয়ে অন্যান্য পশু চিকিৎসকদের কোণঠাসা করে রেখেছেন।

ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক পশুপালনকারী নারী অভিযোগ করে বলেন, সরকারি প্রকল্পে চাকরি করেন বলে জাকির হোসেনের কাছ থেকে গরু-ছাগলের চিকিৎসা করাই। তিনি নিজেকে সরকারি ডাক্তার বলে পরিচয় দেন। তার ভুল চিকিৎসায় অনেক গরু অসুস্থ হতে দেখেছি।

গরু অসুস্থ হলেই তিনি ব্যবস্থাপত্রে এন্টিবায়োটিক লিখে থাকেন। এন্টিবায়োটিকের প্রভাবে গরুর সমস্যা আরও প্রকট হয় বললে দাবি করে বলেন, সরকারি জেলা কর্মকর্তারা আমার চিকিৎসা সম্পর্কে জানেন। তারা যেভাবে চিকিৎসা দিতে বলেছেন সেভাবে এন্টিবায়োটিক চিকিৎসা দিচ্ছি বলে তিনি দাপটের সঙ্গে বলেন।

এ-বিষয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শংকর কুমার দে বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আজিজুর ও জাকিরের তাদের চিকিৎসাপত্রে এন্টিবায়োটিক লেখার অনুমোদন নাই। তাদের এই ধরনের চিকিৎসার অনুমতি আমি দিইনি। এ আই টেকনিশিয়ান আজিজুর রহমান বিপ্লব ও জাকির আমার নাম ভাঙিয়ে চলছেন।

অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন উপজেলা পর্যায়ের এ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, সরকারি ভেটোরিনারি রেজিস্টার্ডপ্রাপ্ত ছাড়া এন্টিবায়োটিক লেখার অনুমোদন কারো নাই।

বিপ্লব ও ও জাকির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চলছেন এমন অভিযোগের জবাবে জেলা প্রাণিসম্পদ এ কর্মকর্তা বলেন, এগুলো ভুয়া; তারা আমাদের নাম ভাঙিয়ে চলে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ আই টেকনিশিয়ান আজিজুর রহমান বিপ্লব বলেন, আমি জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নির্দেশে এন্টিবায়োটিক লিখি। তারা আমার লেখার ক্ষমতা দিয়েছেন। আপনি যা খুশি করতে পারেন। তারা আমার রক্ষা করবে।

আরেক অভিযুক্ত জাকির হোসেন বলেন, আমি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের নির্দেশে এন্টিবায়োটিক লিখি। তারা আমার লেখার ক্ষমতা দিয়েছেন।

;

৯ মাসে রাজস্ব আয়ে ১৫.২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি ২০২৩-২৪ করবর্ষের ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর, স্থানীয় পর্যায়ের মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এবং আমদানি-রফতানি শুল্ক মিলে মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা যা বিগত করবর্ষের একই সময়ের তুলনায় ১৫ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি।

গত করবর্ষের ৯ মাসে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ২৫ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা।

এনবিআর সূত্র জানায়, খাতভিত্তিক রাজস্ব আয়ের হিসাব হলো ৯ মাসে আমদানি ও রফতানি শুল্ক খাত থেকে আয় হয়েছে ৭৪ হাজার ২৬২ কোটি ৭২ লাখ টাকা, স্থানীয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) থেকে ১ লাখ ৭০২ কোটি ৩৯ লাখ এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতে ৮৪ হাজার ৯০১ কোটি টাকা আয় হয়েছে। তবে এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আয় কিছুটা পিছিয়ে আছে। ৯ মাসে যে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিলো, তার ৯২ দশমিক ২৩ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।

এনবিআরের তথ্যমতে, গত ২০২২-২৩ করবর্ষের ৯ মাসে আমদানি-রফতানি শুল্ক থেকে রাজস্ব আহরণ ছিল ৬৭ হাজার ৩৮০ কোটি ৩৪ লাখা টাকা। চলতি করবর্ষের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ২৬২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। প্রবৃদ্ধি ১০ দশমিক ২১ শতাংশ।

আলোচ্য সময়ে আয়কর আহরণ বেড়েছে ১৯ দশমিক ২০ শতাংশ। গত করবর্ষের ৯ মাসের ৭১ হাজার ২২৭ কোটি ২২ লাখ টাকার আয়কর রাজস্ব আয় এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। আমদানি-রফতানি শুল্ক ও আয়করের মত মূসক আহরণের ক্ষেত্রেও উল্লেখ করার মত প্রবৃদ্ধি এসেছে। প্রবৃদ্ধি ১৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। গত করবর্ষের ৯ মাসে মূসক রাজস্ব আয় ছিলো ৮৬ হাজার ৯০৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, চলতি করবর্ষে এনবিআরের রাজস্ব আয়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।

;