ধান ও পশুর দাম নিম্নমুখী, সার-বীজ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটের পুরোদমে ভুট্টা, আলু, পেঁয়াজ, রসুন চাষাবাদের কাজ ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। সার, বীজ, কীটনাশক কিনতে ঘরের ধান ও গৃহপালিত পশু বিক্রি করছেন তারা। কিন্তু বাজারে আমন ধান আর পালিত বিভিন্ন পশুর দাম প্রতিনিয়ত নিম্নমুখী হচ্ছে। প্রতিবছর ৩টি লাভজনক ফসল চাষাবাদের মধ্যে অন্যতম হলো, আমন ধান চাষ।

এ ফসল ঘরে তুলে এবং বাজারে বিক্রি করে কৃষক প্রয়োজনমত সার, বীজ, কীটনাশক কিনে ভুট্টাসহ অন্যান্য ফসল চাষাবাদের প্রস্তুতি নেয়। এবারে হাটবাজারে বাইরের ক্রেতা না আসায় কাঙ্খিত দরে ধান ও পশু বিক্রয় হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিগত বছরের তুলনায় এ বছরে আমন ধান ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু বাজারে ধানের দাম নিম্নমুখী। শুধু ধান নয় অন্যান্য কৃষিপণ্য ও গৃহপালিত পশুর উপযুক্ত দামও মিলছে না। গত দশ দিনে মণ প্রতি (৪০ কেজি এক মণ) ১০০ থেকে ১১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে ধানের দাম। এতে হাটবাজারে ধানের দামের পাশাপাশি গৃহপালিত পশু/গরু-মহিষের দামও নিম্নমুখী হওয়ায় বিপাকে পড়েছে কৃষকরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাটগ্রাম উপজেলা কার্যালয় জানায়, এ জেলায় এক লাখ ৩ হাজার হেক্টর চাষযোগ্য জমি রয়েছে। জেলায় আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩শত হেক্টর জমিতে আর ভুট্টা ৩২ হাজার ৯২০ হেক্টর জমিতে। এ ছাড়া পেঁয়াজ ৯০০ হেক্টর ও রসুন ৪০০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।

কৃষি বিভাগ জানায়, লালমনিরহাটের বিভিন্ন চরাঞ্চলের ৪৫ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার আবাদ করা হয়ে থাকে।

একাধিক কৃষক জানান, বর্তমান বাজারে একমণ আমন ধান বিক্রয় হচ্ছে ১০৫০ থেকে ১০৭০ টাকা। গত দশ দিন আগে ছিল ১১৫০ থেকে ১১৮০ টাকা। ধানের উৎপাদন খরচ পড়ে সবমিলে মণপ্রতি প্রায় ৯০০ টাকা। ২৫ শতাংশ (স্থানীয় ভাষায় এক দোন) জমিতে ধান হয় ১৩ থেকে ১৪ মণ। বর্তমানে কৃষি উপকরণের দাম বেশি। ধান বিক্রয় করে চাষাবাদের খরচ আর নিজের (কৃষকের) পারিশ্রমিক ঠিকমত হচ্ছে না। ভুট্টা ও অন্যান্য আবাদ শুরু করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। একই অবস্থা জানা গেছে ফার্মে পালিত পশু/গরু-মহিষ নিয়ে। গত একমাস আগে বাজারে যে গরু-মহিষ বিক্রি হত তা প্রতিটিতে কমেছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।

পাটগ্রাম উপজেলার একাধিক ধান ও চাল ব্যবসায়ী জানায়, জেলার পাটগ্রাম উপজেলার রসুলগঞ্জ হাটবাজারটি মূলত বাইরের বিভিন্ন খরিদদার/ক্রেতার উপর নির্ভরশীল। অবরোধ আর হরতালে বাইরের কোনো খরিদদার না আসায় এবং এখান হতে ধান কিনে বাইরে পাঠানো সম্ভব না হওয়ায় ধানের দর কিছুটা কমেছে।

তবে কৃষকদের দাবি- স্থানীয় অটোরাইস মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা কৃষকদেরকে হরতাল অবরোধের নামে ঠকাচ্ছেন। তারা ইচ্ছে করেই ধানের দর কম নির্ধারণ করে কিনছেন। অবশ্য মিলচাতাল মালিকেরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

জগতবেড় ইউনিয়নের কৃষক আতাউর রহমান বলেন, ৩৫ দোন/৯ একর জমিতে আমন ধান চাষাবাদ করেছি। সরকার ধানের দর নির্ধারণ করে দিয়েছে ১২০০ টাকা। কিন্তু বাজারে একহাজার বা একহাজার বিশ টাকা। একজন কৃষক কঠোর পরিশ্রম করে ধান আবাদ করে ন্যায্য দাম না পেলে খুব খারাপ লাগে। সবকিছুর দর ঊর্ধ্বগতি। আমরা মহাচিন্তায়।

পাটগ্রাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল চন্দ্র রায় বলেন, পশুর (গরু, মহিষ, ছাগল) দর কমার মূল কারণ খোঁজা কঠিন। মানুষ হয়ত কিনছে কম এজন্য দাম কম। পর্যবেক্ষণ করতে হবে-কি কারণে দাম কমেছে। পশুর দাম কম এটা বেশিদিন থাকবে না। কয়েকদিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।

লালমনিরহাট কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক হামিদুর রহমান জানান, এবারে ধানের আবাদ বেড়েছে। অপরদিকে সারের দাম সরকারি ভাবে কিছুটা বেড়েছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও বর্তমান যে ধানের বাজার দর গত বছরের তুলনায় বেশি, সেটা কৃষকের জন্য লাভজনক। হতাশ হওয়ার কিছু নেই।

   

‘ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীন দেশ গড়ার ইচ্ছা মনে জন্ম নিয়েছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীন দেশ গড়ার ইচ্ছা বাঙালির মনে জন্ম নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো রেজাউল করিম।

শুক্রবার (১ মার্চ) সিআরবি শিরীষতলায় চসিক আয়োজিত অমর একুশে বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বইমেলা মঞ্চের সাংস্কৃতিক আয়োজনের সমাপ্তি ঘটলেও শনিবারও চলবে বইমেলা।

মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, অনেক দেশে গিয়েছি। কোন দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড কেবল বিদেশি কোন ভাষায় লিখতে দেখিনি। আমরা রক্ত দিয়ে বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। তবে, ভাষাপ্রেমের চেতনা যেন আমাদের অনেকের মাঝে কমে গেছে৷ আমি কিছুটা হতাশাবোধ করতাম৷ তবে, এবার বইমেলায় তরুণদের যে সাড়া দেখেছি তাতে আমি আশাবাদী৷ তরুণরা জাগলে বাংলা ভাষা বাঁচবে, বাঙালি বাঁচবে৷বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকবে বাঙালি জাতি। আসুন আমরা বাঙালি হই। আগামী বছর আন্তর্জাতিক মানের চট্টগ্রাম বইমেলা আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মেয়র৷

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অমর একুশে বইমেলার আহ্বায়ক ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রধান সমন্বয়ক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূ-স্বম্পত্তি কর্মকর্তা সুজন চৌধুরী।  

বক্তব্য রাখেন সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদের সভাপতি শাহাবুদ্দিন বাবু, সাধারণ সম্পাদক আলী প্র‍য়াস। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, চসিক সমাজ কল্যাণ স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর আবদুস সালাম মাসুম, মো. জাবেদ, হাসান মুরাদ বিপ্লব, শাহেদ ইকবাল বাবু, নুরুল আমিন, আবদুল মান্নান, আতাউল্লাহ চৌধুরী, মো. ইলিয়াছ, আনজুমান আরা, বইমেলা কমিটির সদস্য সচিব ও মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, চসিক উপসচিব আশেকে রসুল চৌধুরী টিপু। সঞ্চালনা করেন কঙ্কণ দাশ এবং রুমিলা বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানে সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন অপর্ণাচরণ সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং কুসুমকুমারী সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা৷ নৃ-গোষ্ঠী শিল্পী দল, দ্যা স্কুল অব ক্লাসিক্যাল এন্ড ফোক ডান্স, শিমুল শীল ও তার দল, ঐশী রক্ষিত, অনন্য সেন নিপা, সমাপ্তি বড়ুয়া গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন৷ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের স্টল বিশেষ পুরস্কার পায়৷ বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশকে সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা স্মারক দেয়া হয়৷

;

হবিগঞ্জে পাল গার্মেন্টসের গোডাউন আগুনে পুড়ে ছাই



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, হবিগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

হবিগঞ্জে মাধবপুরে কামিনী প্লাজা পাল গার্মেন্টসের পঞ্চম তলায় গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে গোডাউনে ঈদের জন্যে আনা মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯ টায় মাধবপুর উপজেলা পৌর শহরের কামিনী প্লাজায় এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে মাধবপুর ফায়ার সার্ভিস প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় কাউন্সিলর শেখ জহির জানান,রাত সাড়ে ৮ টায় হঠাৎ পাল গার্মেন্টস ৫ তলায় কাপড়ের গোডাউনে আগুন লেগে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আগুনের লেলিহান শিখা পুরো গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় বিল্ডিং থাকা মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

পাল গার্মেন্টস ও গোডাউনে মালিক সুখ দেব পাল জানান, ঈদের জন্য প্রায় এক কোটি টাকার মালামাল তারা গোডাউনে ছিল। সম্পূর্ণ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

মাধবপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাধবপুর ফায়ার সার্ভিস ইউনিট উপস্থিত হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

 

 

 

 

 

;

ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে আগুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর ওয়ারীতে পেশওয়ারাইন রেস্টুরেন্টে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে সূত্রাপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট যাচ্ছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) রাত ১০টা ২০ মিনিটে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন।

তিনি জানান, রাস্তায় জ্যামের কারণে সিদ্দিকবাজার থেকে আরও ২টি ইউনিট পাঠানো হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে..

;

ভাসানচরে পৌঁছাল আরও ১ হাজার ১৪১ রোহিঙ্গা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ২৪তম ধাপে নোয়াখালীর ভাসানচরে গেল ১ হাজার ১৪১রোহিঙ্গা। এর মধ্যে ভাসানচর থেকে বেড়াতে যাওয়া ১১০ জন রয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) দুপুর ৩টার দিকে নৌবাহিনীর চারটি জাহাজে তারা চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালীর ভাসানচরে পৌঁছান।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাতে রোহিঙ্গাদের প্রথমে উখিয়া কলেজ মাঠে নিয়ে আসা হয়। এরপর শুক্রবার দুপুরের দিকে তাদের চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। সেখান থেকে নৌবাহিনীর জাহাজে তারা ভাসানচর পৌাঁছান। এ নিয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণকেন্দ্রে রোহিঙ্গা নাগরিকের সংখ্যা ‌দাঁড়াল ৩৬ হাজারে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, নতুন রোহিঙ্গাদেরে নৌবাহিনীর বানৌজা তিমি, বানৌজা টুনা, বানৌজা ডলফিন, বানৌজা পেঙ্গুইন জাহাজে করে ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। এরপর নৌবাহিনীর পন্টুন সংলগ্ন হ্যালিপ্যাডে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে গাড়ির মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লাস্টারে বসবাসের জন্য হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের চার ডিসেম্বর কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসান চর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রথম দফায় এক হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর করা হয়েছিল। পরে বিভিন্ন ধাপে ৩৬হাজার রোহিঙ্গাকে ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হয়।

;