কলকাতা নৌ-রুটে ফের চালু হলো পর্যটকবাহী নৌযান



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কলকাতা নৌ-রুটে ফের চালু হলো পর্যটকবাহী নৌযান

কলকাতা নৌ-রুটে ফের চালু হলো পর্যটকবাহী নৌযান

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা নৌ-রুটে বহুল প্রতীক্ষিত যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল ফের শুরু হলো।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকালে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ঐতিহাসিক এই রুটে নারায়ণগঞ্জের পাগলা বিআইডব্লিউটিএ’ ভিআইপি জেটিতে পর্যটকবাহী এই নৌযান চলাচলের শুভসূচনা করেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোস্তফা কামাল।

কার্ণিভাল ক্রুজ লাইনের নৌযান ‘রাজারহাট সি’ সকাল ১০টার কিছু পরে পর্যটকদের নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে প্রথম যাত্রাটি শুরু করে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যার কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, কার্ণিভাল ক্রুজ লাইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।  

ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা ঐতিহাসিক নৌ-রুটে ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ২০১৯ সালে বিআইডব্লিউটিএ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছিল একটি নৌযান। কিন্তু একটি মাত্র যাত্রা করেই তা বন্ধ হয়ে যায়।

নৌ-পথে পর্যটক পরিবহনের সমূহ সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে এই নৌ-রুটটিতে ক্রুজ চালুর পরিকল্পনা নেয় বেসরকারি নৌযান পরিচালনা প্রতিষ্ঠান কার্ণিভাল ক্রুজ লাইনস।

কোভিডের কারণে সেই পরিকল্পনা বিলম্বিত হওয়ায় এ সংক্রান্ত অনুমতি পেতে দীর্ঘ সময় চলে যায়। অবশেষে বুধবার নৌযানটি আনুষ্ঠানিক যাত্রা করতে সক্ষম হলো।

   

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর শুরু হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শুক্রবার (১ মার্চ) ভোর ৫টা ৪১ মিনিটে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এর আগে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার পর থেকে ঢাকা জেলা প্রশাসন লাশ হস্তান্তরের জন্য নিহতদের স্বজনদের তথ্য চান। তথ্য সংগ্রহ সাপেক্ষে মরদেহ শনাক্তের পর লাশ হস্তান্তর শুরু হয়।

 

;

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেইলি রোডের আগুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৪ জন মারা গেছে। দগ্ধ আরও বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। এরপর প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আন্তার্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স, এপি, আলজাজিরা, দ্য গার্ডিয়ানসহ প্রধান প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হচ্ছে আগুনের খবর। দুর্ঘটনার পর থেকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘তাৎক্ষণিক খবর’ হিসেবে এটি প্রচার করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আগুনের ঘটনায় আহত বেশির ভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থা গুরুতর। তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।

ফায়ার সার্ভিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা ৭৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। বেইলি রোডের বহুতল ওই বিল্ডিংয়ে প্রধানত রেস্তোরাঁর পাশাপাশি বেশ কিছু পোশাক এবং মোবাইল ফোনের দোকান ছিল জানায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান তারা। প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৯টা ৫৬ মিনিটে। পরে আগুনের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়লে আরও ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও এনএসআই।

;

বেইলি রোডে আগুন: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বেইলি রোডে আগুন

বেইলি রোডে আগুন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে আগুনে পুড়ে নিহত বেড়ে ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। দগ্ধ আরও বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এতথ্য জানিয়েছেন।

আইজিপি বলেন, বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট নিহত হয়েছেন ৪৪ জন। রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে ১ জন, ঢামেক হাসপাতালে ৩৩ জন ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১০ জনের মরদেহ রয়েছে।

এর আগে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, বার্ন ইন্সটিটিউটে এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। অপর দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৩ জন মারা গেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, যারা এখন পর্যন্ত বেঁচে আছেন। তাদের বেশির ভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা বেঁচে আছে তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন। বাইরে কেউ আছে কি না এখনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঢামেক ১৪ জন ও বার্নে ৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাদের অবস্থা গুরুতর।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সবাইকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান তারা। প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৯টা ৫৬ মিনিটে। পরে আগুনের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়লে আরও ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও এনএসআই।

;

অগ্নিঝরা মার্চের শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাঙালি জাতির স্বপ্নসাধ যৌক্তিক পরিণতির মাস অগ্নিঝরা মার্চ আজ শুরু। বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম ঘটনা হচ্ছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এই ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক-রাজনৈতিক স্বপ্নসাধ পূরণ হয় এ মাসে। এই মাসেই জাতি এবার পালন করবে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী।

একাত্তরে এই মাসের ২৫ মার্চে বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে গ্রেফতার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা হয়। আবালবৃদ্ধবনিতা যোগ দেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে জাতি লাভ করে স্বাধীনতা।

এর আগে জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চ পাকিস্তানি শাসকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবে না। মরতে যখন শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না। রক্ত যখন দিয়েছি, আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো- ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসর্কোস ময়দানে দেওয়া এই ঐতিহাসিক ভাষণের সময় মুহুর্মুহু গর্জনে উত্তাল ছিল জনসমুদ্র। লাখো কণ্ঠের একই আওয়াজ উচ্চারিত হতে থাকে দেশের এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। ঢাকাসহ গোটা দেশে পতপত করে উড়ছিল সবুজ জমিনের উপর লাল সূর্যের পতাকা।

২৫ মার্চের কালোরাতে পাকিস্তানিরা বাঙালির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার লক্ষ্যে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে বাঙালি নিধনে গণহত্যা শুরু করে। ঢাকার রাস্তায় বেরিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যরা নির্বিচারে হাজার হাজার লোককে হত্যা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ছাত্র-শিক্ষককে হত্যা করে।

;