কার্যালয়ে পুলিশের হস্তক্ষেপ নেই, কার্যক্রম চালাতে পারে বিএনপি 



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কার্যালয়ে পুলিশের হস্তক্ষেপ নেই, কার্যক্রম চালাতে পারে বিএনপি 

কার্যালয়ে পুলিশের হস্তক্ষেপ নেই, কার্যক্রম চালাতে পারে বিএনপি 

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশকে ঘিরে সংঘর্ষের পর থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মোতায়েন ছিল পুলিশ। শুরুতেই কড়া পুলিশ পাহারা থাকায় কার্যালয়ের আশপাশে ঘেঁষতে পারেনি কেউ। তবে গণমাধ্যম যেতে পারলেও সাধারণ মানুষ যেতে পারেনি কার্যালয়ের আশেপাশে। গ্রেফতার এড়াতে কার্যালয়ে আসেনি দলটির কোন নেতা কর্মীও।

তবে দীর্ঘদিন পর বর্তমানে কার্যালয়ের সামনে ও আসেপাশে পুলিশ সদস্যের অবস্থান কমেছে। যে কেউ কার্যালয়ে আসতে পারছে। বন্ধ গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে দেখারও সুযোগ পাচ্ছে সকলে।

পুলিশ বলছে, দলীয় কার্যালয়ে আমাদের কোনো হস্তক্ষেপ নেই, কখনো ছিলও না। বিএনপি চাইলে তাদের কার্যক্রম চালাতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) নয়া পল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেছে কার্যালয়ের সামনে দাঁড়ানো আছে বেশ কয়েকটি রিকশা। নেই কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান৷ সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করছে সেখান দিয়ে, চাইলেই কার্যালয়ের সামনে গিয়ে দেখতেও পাচ্ছে অনেকে। তবে কার্যালয়ের সামনে পুলিশ না থাকলেও বিশেষ নিরাপত্তায় কার্যালয় থেকে একটু দূরে বেশ কিছু পুলিশ সদস্য দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

বিএনপি কার্যালয়ের আশপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে কথা হয় স্থানীয় কয়েকজন দোকানদার ও রিকশাচালকদের সাথে৷ তাদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন, পরশু পর্যন্ত কার্যালয়ের দুই পাশে পুলিশ ছিল। এখন একটু সরে গেছে৷ আগে কাউকে দাঁড়াতে দিত না সাংবাদিক ছাড়া৷ এখন সবাই দাঁড়াচ্ছে। আগে যেমন কয়েকটা পুলিশ ছিল কার্যালয়ের সাইটে৷ তেমন আছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

নজরুল ইসলাম নামের এক রিকশা চালক বলেন, দুই-তিন দিন আগেও বিএনপির অফিসের সামনে গেলেই পুলিশ সরায় দিত, আশেপাশে যাইতে দিত না৷ এখন তো আমরা গিয়ে দাঁড়ায় থাকছি কিছু বলেনা। আপাতত সব ঠিক আগের মত।

তবে বিএনপি নেতা কর্মীরা বলছেন, কার্যালয়ে পুলিশ আতঙ্কে আসছে না তারা। বিএনপি পরিচয় পেলেই গ্রেফতার করছে পুলিশ অভিযোগ তাদের।

এ বিষয়ে ডিএমপির মতিঝিল জোনের ডিসি হায়াতুল ইসলাম খান জানান, বিশেষ নিরাপত্তায় সারাবছর সেখানে পুলিশ মোতায়েন থাকে। দলীয় কার্যালয়ে আমাদের কোন হস্তক্ষেপ নেই।

বিএনপি নেতাকর্মী জানলেই গ্রেফতারের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নাশকতার সাথে জড়িত কেউ আসলে বা আমাদের কাছে তথ্য থাকলে সে ক্ষেত্রে প্রশাসনের আইনি পদক্ষেপ তো অবশ্যই অব্যাহত থাকবে।

এদিকে দীর্ঘদিন বিএনপি কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা না আসায় ধুলোর স্তূপ জমেছে সেখানে।কার্যালয়ে প্রবেশ মুখে অভ্যর্থনা সেন্টারের টেবিলের বর্ণ চেনা দায়৷ দলীয় কার্যক্রম না থাকলেও প্রতিদিন কার্যালয়টিতে আসছে দৈনিক পত্রিকা গুলো। এমন অবস্থায় ধারণা করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই আবারও চিরচেনা রূপ পাবে বিএনপির আঁতুড়ঘর। নেতা কর্মীদের স্লোগান আর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বন্ধ দুয়ার খুলবে এই কার্যালয়ের।

   

সন্ধ্যায় নতুন মন্ত্রিদের শপথ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভায় নতুন করে আরও বেশ কয়েকজন যুক্ত হতে যাচ্ছেন।

বঙ্গভবনে শুক্রবার (১ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নতুন সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে।

মন্ত্রিসভার একজন সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ১১ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ওই দিন প্রধানমন্ত্রীসহ ৩৭ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

এর পর থেকেই আলোচনা চলছে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে। এ বিষয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের পর বর্তমান মন্ত্রিসভার পরিধি বাড়তে পারে বলে কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ জন সংসদ সদস্য শপথ নিয়েছেন গত বুধবার। এরপর মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

জানা যায়, একজন পূর্ণমন্ত্রী, চারজন প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী যোগ হতে পারেন মন্ত্রিসভায়। যদিও কারা এই নতুন মুখ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তাদের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রাথমিক প্রস্তুতি নিয়েছে বলেও জানা গেছে।

;

ভবনের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত: সিআইডি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

সিআইডির প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড (নিচতলা) থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে আমরা জেনেছি। তবে শর্টসার্কিট না গ্যাসের কারণে হয়েছে সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আলামত সংগ্রহ করে ল্যাবে ক্যামিকেল টেস্ট করা হবে। এরপর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সিআইডির প্রধান বলেন, আগুনের ঘটনায় মরদেহের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার করা হবে। এই ঘটনায় কারো যদি দায়িত্বে অবহেলা থাকে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ভবনটিতে আগুন লাগে। এতে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

;

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর শুরু হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শুক্রবার (১ মার্চ) ভোর ৫টা ৪১ মিনিটে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এর আগে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার পর থেকে ঢাকা জেলা প্রশাসন লাশ হস্তান্তরের জন্য নিহতদের স্বজনদের তথ্য চান। তথ্য সংগ্রহ সাপেক্ষে মরদেহ শনাক্তের পর লাশ হস্তান্তর শুরু হয়।

লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এখন পর্যন্ত ১৬ জনের তথ্য রয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসনের কাছে। রাতেই ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ। এরপর মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এএসআই) গোলাম হোসেন বলেন, নিহতদের স্বজনেরা যাদের শনাক্ত করেছেন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে আগুনে পুড়ে ৪৪ জন নিহত হয়েছেন। দগ্ধ আরও বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, বার্ন ইন্সটিটিউটে এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। অপর দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৩ জন মারা গেছে।

তিনি আরও জানান, আগুনের ঘটনায় আহত বেশির ভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থা গুরুতর। তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।

;

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেইলি রোডের আগুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৪ জন মারা গেছে। দগ্ধ আরও বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। এরপর প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আন্তার্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স, এপি, আলজাজিরা, দ্য গার্ডিয়ানসহ প্রধান প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হচ্ছে আগুনের খবর। দুর্ঘটনার পর থেকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘তাৎক্ষণিক খবর’ হিসেবে এটি প্রচার করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আগুনের ঘটনায় আহত বেশির ভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থা গুরুতর। তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।

ফায়ার সার্ভিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা ৭৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। বেইলি রোডের বহুতল ওই বিল্ডিংয়ে প্রধানত রেস্তোরাঁর পাশাপাশি বেশ কিছু পোশাক এবং মোবাইল ফোনের দোকান ছিল জানায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান তারা। প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৯টা ৫৬ মিনিটে। পরে আগুনের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়লে আরও ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও এনএসআই।

;