সিলেটে হঠাৎই গ্যাসের গন্ধ, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বাতাসে গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে আতঙ্কিত নগরবাসী। তবে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের গন্ধে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিসন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২০ নভেম্বর) বিকেল থেকে সিলেট নগরীর আখালিয়া, শিবগঞ্জ, মিরের ময়দান, সুবিদবাজার, হাউজিং স্টেট, নয়াসড়ক, কুমারপাড়া, মদিনা মার্কেট, রিকাবী বাজার, শেখঘাট, উপশহর, টিলাগড়সহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকেল থেকে হঠাৎ করে আবাসিক বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যায়। কেউ কেউ বলছেন কোথাও কোনো লিকেজ রয়েছে তার জন্য এমনটা হচ্ছে। রাস্তার পাশে যেখানে গ্যাসের সরবরাহ লাইন, রাইজার রয়েছে সেসব এলাকায় গ্যাসের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দেয়।

মদিনা মার্কেটের বাসিন্দা মুহিত জানান, সোমবার বিকেল থেকে বাসার সামনে গ্যাসের তীব্র ঝাঁজালো গন্ধ পাচ্ছি। কোথাও গ্যাস লাইন লিকেজ হয়েছে, এমন সন্দেহ থেকে বাসার আশপাশের গ্যাস সঞ্চালন লাইন পরীক্ষা করে দেখি, কিন্তু কোনো লিকেজ পাইনি। গ্যাস অফিসে কল দিয়েছি। তারা এসে অনুসন্ধান করবেন বলে জানিয়েছেন।

আখালিয়া এলাকার বাসিন্দা রেজা রুবেল জানান, বাসার বাইরে প্রচণ্ড পরিমাণ গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যায়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, নগরীর অনেক জায়গা এ ধরণের গন্ধ বের হচ্ছে। এ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। গ্যাস লিকেজ থেকে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

জানা যায়, জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ নগরীতে গ্যাসের সরবরাহ সঠিক রাখতে লিকেজ শনাক্ত করছে। সে জন্য এক প্রকার স্প্রে গ্যাসের ব্যবহার করা হয়েছে। যার গন্ধ পুরোপুরিই গ্যাসের মতোই। এই গ্যাসের কাজ হচ্ছে লাইনের যেসব স্থানে ছিদ্র রয়েছে সেই স্থানগুলো শনাক্ত করার জন্য।

এব্যাপারে জালালাবাদ গ্যাসের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান মাহমুদ বলেন, এটা একটা স্বাভাবিক বিষয়। এখানে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ গ্যাসের মধ্যে যে গন্ধ দেয়া হয়, সেটা নিরাপত্তার জন্যই দেয়া হয়। এতে লিকেজ হলে গন্ধ বের হয়।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলের দিকে নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাস লাইন লিকেজ আছে কিনা সেটা জানার জন্য গ্যাসের মধ্যে গন্ধ দেয়া হয়। যাতে এই গ্যাসের গন্ধ মানুষ পায়, বিষয়টি জালালাবাদ কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারে। গন্ধের বিষয়ে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষকে কেউ অবহিত করলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে অনুসন্ধান করে লিকেজ বন্ধ করা হচ্ছে। এছাড়া আমরাও যেখানে গন্ধ পাচ্ছি সেখানে লিকেজ শনাক্ত করছি। 

কুমিল্লায় পুলিশের ৩ মামলায় আসামি ৭ হাজারের অধিক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
কুমিল্লায় পুলিশের ৩ মামলায় আসামি ৭ হাজারের অধিক

কুমিল্লায় পুলিশের ৩ মামলায় আসামি ৭ হাজারের অধিক

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় এ পর্যন্ত শতাধিক আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে বার্তা২৪.কম-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন।

তিনি বলেন, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় পুলিশ বাদি হয়ে করা ৩টি মামলায় এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা মিলিয়ে মোট ৭ হাজারের অধিক জনকে আসামি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত শতাধিক আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের ধরতে প্রতিদিনই সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।

প্রসঙ্গ, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কোটবাড়ী নন্দনপুর এলাকায় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা বাদী হয়ে ওই তিনটি মামলা দায়ের করেন।

;

সায়েদাবাদ থেকে ছেড়ে যাচ্ছে দূরপাল্লার বাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে চলছে কারফিউ। এমন অবস্থার মধ্যেও আজ ভোর থেকেই সায়েদাবাদ ও গোলাপবাগ কাউন্টার থেকে দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যেতে দেখা যায়। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সরেজমিনে সায়েদাবাদ ও গোলাপবাগ কাউন্টারে এমন চিত্রের দেখা মেলে। 

সরেজমিনে গতকালকের থেকে আজ যাত্রী উপস্থিতি ও বাস ছাড়ার সংখ্যা বেশি দেখা যায়। গতকাল বেশ কিছু কোম্পানির টিকিট কাউন্টার বন্ধ থাকলেও আজ সবগুলো কাউন্টার খোলা রয়েছে।

কুমিল্লাগামী যাত্রী রাফসান বলেন, কারফিউ থাকলেও দূরপাল্লায় যাচ্ছে বাস। এতে স্বস্তি নিয়ে বাড়ি ফেরা যাচ্ছে। সঠিক সময়েই বাস ছাড়তেছে। 

ঢাকা-নোয়াখালী-মাইজদী-কুমিল্লা-লাকসাম অঞ্চলে চলাচল করা লালসবুজ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার মনির বলেন, গতকাল থেকে আজ যাত্রীর চাপ একটু বেশি। সবগুলো কাউন্টার খোলা রয়েছে। সকাল থেকেই বাস ছেড়ে যাচ্ছে।

হানিফ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার ইকবাল বলেন, ভোর থেকে এখন পর্যন্ত দূরপাল্লার উদ্দেশ্যে মোট ৮টি বাস ছেড়ে যায়। আজ সারাদিন বাস চলবে। গতকালও ভোর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বাস চলাচল করেছে।

;

আজ থেকে সীমিত পরিসরে চলবে যাত্রীবাহী ট্রেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী অস্থিরতার মধ্যে রেল চলাচল বন্ধের এক সপ্তাহ পর আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) থেকে সীমিত পরিসরে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু করবে।

বুধবার (২৪ জুলাই) চলমান পরিস্থিতিতে রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ট্রেন চলাচলের বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর গণমাধ্যমকে বলেন, কারফিউ শিথিল সময়টাতেই স্বল্প দূরত্বের ট্রেন চলবে। এরপর সরকার কারফিউ নিয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সে অনুযায়ী আগামীকাল ট্রেন চালানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

হুমায়ুন কবীর বলেন, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা-টঙ্গী রুটসহ রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অঞ্চলের অন্যান্য রুটেও স্বল্প দূরত্বে কমিউটার ট্রেনগুলো চলাচল করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনা করে সার্বিকভাবে দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলের বিষয়ে আমরা আগামীকাল আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’

সচিব বলেন, মালবাহী ট্রেনগুলি আজ থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে, অন্যান্য ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকার সময় তেল ট্যাঙ্কার বহনকারী ট্রেনগুলি বাধাহীন ছিল।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার মধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে ১৮ জুলাই বিকেল থেকে সমস্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখে।

;

বিএনপি-জামায়াত অহিংসতার নামে সহিংস আন্দোলন চালিয়েছে: জয়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সজীব ওয়াজেদ জয়

সজীব ওয়াজেদ জয়

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত চক্র তাদের নিজেদের একটি সহিংস আন্দোলন চালাতে মূলত একটি অরাজনৈতিক ও অহিংস আন্দোলনকে ব্যবহার করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) সম্প্রতি দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “এরকম শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলন কীভাবে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, সহিংসতা এবং লুটপাটের আন্দোলনে পরিণত হল? কারণ যথারীতি বিএনপি ও জামাত জোট তাদের নিজস্ব একটি সহিংস আন্দোলন চালানোর জন্য মূলত একটি অরাজনৈতিক ও অহিংস আন্দোলনকে ব্যবহার করেছে।”

জয় লিখেছেন, স্বার্থান্বেশী মহলের সম্পৃক্ততা উপলব্ধি করে, প্রতিবাদকারীরা নিজেরাই সহিংসতায় লিপ্ত থাকার কথা অস্বীকার করে বেশ কয়েকটি বিবৃতি দিয়েছে এবং নিশ্চিত করেছে যে, এসব কর্মকা-ের পিছনে একটি তৃতীয় পক্ষ জড়িত রয়েছে, যার সাথে প্রতিবাদকারীদের কোনও সম্পর্ক নেই।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে, এই কাপুরুষরা বিক্ষোভকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে জনগণকে আতংকের মধ্যে ঠেলে দিয়ে ব্যাপক সহিংসতা চালিয়েছে। তারা আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সরকারী ও বেসরকারী পরিবহন এবং সম্পত্তি, গুরুত্বপূর্ণ সরকারী প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহকে টার্গেট করেছে।

জয় বলেন, তারা যেখানেই সুযোগ পেয়েছে সেখানেই সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তিতেও ব্যাপক লুটপাট করেছে। তারা একটি কারাগারে হামলা করে সকল বন্দীকে মুক্ত ও অস্ত্র লুট করে।

তিনি বলেন, এই ধরণের নজিরবিহীন মাত্রার সহিংসতার কারণেই সরকার সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন এবং অস্থায়ীভাবে কারফিউ জারির মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর কারণ হল, আরও কোনো সহিংসতা প্রতিরোধ, সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি রক্ষা এবং দেশের জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখা সরকারের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।

দেশের শিক্ষার্থীরা মোটেও সন্ত্রাসী নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা বলেন, বিএনপি-জামায়াত চক্র তাদের বাংলাদেশ ভাঙার দলীয় এজেন্ডার আড়ালে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করেছে। তিনি মঙ্গলবারের এই পোস্টে লিখেছেন, “বিএনপি-জামাত কিভাবে সাধারণ ছাত্রদেরকে বাংলাদেশ ভাঙার দলীয় এজেন্ডার জন্য ব্যবহার করেছে, বাংলাদেশের জনগণ রাষ্ট্রের এই শত্রুদের ক্ষমা করবে না।”

অন্য এক পোস্টে, জয় একটি ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করে উল্লেখ করেছেন, যখন আওয়ামী লীগ সরকার এবং ছাত্র আন্দোলনকারীরা সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার বা বিলুপ্তি নিয়ে একই আন্দোলনে ছিল, তখন কীভাবে শান্তিপূর্ণ ও অরাজনৈতিক কোটা আন্দোলন সহিংস হয়ে উঠল?

১৮ জুলাইয়ের এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা আরেকটি ভিডিও শেয়ার করে বলেছেন, এই ভিডিও থেকে তিনটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে যায়। তিনি বলেন, কোন ছাত্র সরকারী ও বেসরকারী সম্পত্তির প্রতি এতটা অবজ্ঞা প্রদর্শন করতে পারে না, এসব ঘটনার জন্যই কারফিউ আরোপ করতে হয়েছে এবং সরকারের এসব পদক্ষেপ তাদের একটি ইতিবাচক দায়িত্ব।

;