ফটিকছড়িতে জিপ-অটোরিকশা সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জিপ-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের মো. একরাম উদ্দিন (৪৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আরও দুজন আহত হন।

রোববার (১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কে উপজেলা পাইন্দং পেলাগাজী দিঘীর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত মো. একরাম হোসেন উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের আজিমপুর এলাকার ছালেহ আহমদের ছেলে। আহতরা হলেন, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকার মো. মুছার ছেলে অটোরিকশা চালক মো.শহীদুল (৩০) ও ফটিকছড়ি পৌরসভার ধুরুং এলাকার মৃত হাফিজুর রহমানের ছেলে মো. হারুন (৬৫)। তারা অটোরিকশার যাত্রীর ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে বিবিরহাট বাজারমুখী যাত্রীবাহী একটি অটোরিকশা পেলাগাজী দিঘির মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি জিপ গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ভেতরে থাকা যাত্রীরা গুরুত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আহত তিনজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে একরাম নামে একজনের অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আরেফিন আজিম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত অবস্থায় তিনজনকে ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়া তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়। আহত বাকি দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

নাজিরহাট হাইওয়ের থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল মাহমুদ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, অটোরিকশা সঙ্গে জিপে মুখোমুখি সংঘর্ষে একরাম নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পরপর জিপ গাড়িটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে যায়৷ এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।



   

সাংবাদিকদের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন বিএনপির দুই বহিষ্কৃত নেতা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে আপিল করতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। দুপুরে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নে খেপে যান বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মেজর (অব.) শাহজাহান ওমর।

ইসি সূত্র জানায়, হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন করায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামানের মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল আবেদেন নেওয়া শুরু হয়েছে আজ থেকে। তাই আপিল আবেদন করতে বেলা ১১টার দিকে ইসিতে আসেন মেজর আখতারুজ্জামান।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, রিটার্নিং অফিসার দুটি কারণে আমার মনোনয়ন বাতিল করেছেন। প্রথমটি হল অতীতে আমার নামে কোনো মামলা ছিল কিনা সেই জায়গায় আমি কিছু লিখি নাই। তবে আমি যতটুকু জানি কেউ যদি সাজাপ্রাপ্ত হয় তাহলে সেটি লিখতে হয় কিন্তু আমি যেহেতু সাজাপ্রাপ্ত নই তাই আমি ওই জায়গাটা ফাঁকা রাখি। কারণ আমরা যারা বিএনপি করি আমাদের নামে তো হাজার হাজার মামলা কোনটা থেকে কোনটা বলবো। আরেকটি জায়গায় তথ্য চেয়েছিলো সেখানে আমি লিখেছিলাম 'প্রযোজ্য নয়'। এই দুই কারণে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজকে আমি এখানে এসেছি জানতে। আগামী দু-একদিনের মধ্যেই আমি আপিল আবেদন করব। পরে ক্যামেরায় তার নাম পরিচয় দিতে বললে এক সাংবাদিকের ওপর ক্ষুব্ধ হন বিএনপির সাবেক এই নেতা। ওই সাংবাদিককে হোম ওয়ার্ক করে আসার পরামর্শ দেন।

গতবছরের ফেব্রুয়ারিতে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মেজর (অব) আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

মঙ্গলবার দুপুরে ইসিতে আসেন বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত ভাইস চেয়ারম্যান, ঝালকাঠি-১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহজাহান ওমর বীর উত্তম। এ সময় সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চান, নির্বাচন ভবনে কেন এসেছেন? এর জবাবে তিনি বলেন, ইসিতে কেন এসেছি আপনাকে কেন বলবো? আমি কেন এসেছি, এ বিষয়ে আপনাদের জবাবদিহিতা করতে হবে? আমি এমননিতেই ঘুরতে এসেছি, আপনাদের দেখতে এসেছি।

কয়েকজন সাংবাদিক ছবি তুলতে চাইলে রেগে যান তিনি। ছবি তোলা ও প্রশ্ন করায় সাংবাদিকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন শাহজাহান ওমর। এমনকি সাংবাদিকদের ক্যামেরায় থাবাও মারতে উদ্যত হন।

ইসিতে কেন এসেছেন, এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পেপারে দেখে নিয়েন। আইন ভঙ্গ করেছেন কি না- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আপনি আইন জানেন? কে বললো আমি আইন ভেঙেছি?

;

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহত 



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক রোহিঙ্গা যুবককে খুনের ঘটনা ঘটেছে। নিহত ইমাম হোসেন (৩০) উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-০১ ইস্ট ব্লক-জি/১২ এর মনির উল্লাহর ছেলে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৩ টার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ এর এফ/১৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসাইন দাবি করেন, সন্ত্রাসীদের গুলিতে ওই যুবক খুন হয়।

ওসি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা হতে পারে। পুলিশ ঘটনাস্থলের পাশের বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানতে পারে ১০-১২ জনের একটি সন্ত্রাসী দল ইমাম হোসেনকে গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ইমাম হোসেনের।

খবর পেয়ে এপিবিএন ও থানা পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে বলে জানায় ওসি শামীম হোসাইন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ।

এদিকে গত ১৫ দিনে ৬ হত্যার ঘটনা ঘটে ক্যাম্পে। ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিতরা বলছে প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষিতেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, মিয়ানমার কেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আসরা-আরএসও’র মধ্যে ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার নিয়েই ঘটে বেশির ভাগ হত্যার ঘটনা।

;

স্ত্রী হত্যার ১১ দিন পর স্বামীর আত্মসমর্পণ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম,গাজীপুর
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মাটিচাপা দেয়ার ১১ দিন পর স্বেচ্ছায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে স্বামী। পরে স্বামীর মুখ থেকে হত্যার বিবরণ শুনে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) রাত ১২ টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ।

এর আগে গত ২৪ নভেম্বর গাজীপুর সদর উপজেলার হোতাপাড়া পাকুরিয়া গ্রামের হুরমুস আলীর ছেলে বেলায়েত হোসেন (৪২) হাড়িনাল দক্ষিণ পাড়া আমজাদ হোসেনের বাউন্ডারি করা বাড়ির ভেতর বাক বিতন্ডার জেরে তার স্ত্রীকে হত্যা করেন। হত্যার পর ওই বাড়ির উঠানে মাটি খুঁড়ে মরদেহ চাপা দেন।

এরপর অনুশোচনা থেকে গত ৪ ডিসেম্বর গাজীপুর সদর থানায় এসে স্ত্রীকে হত্যার ঘটনা বিস্তারিত বলে আত্মসমর্পণ করেন।

গাজীপুর সদর থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, 'বেলায়েত হোসেন স্বেচ্ছায় থানায় এসে আত্মসমর্পণ করলে  আমরা গিয়ে মাটির নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। এরপর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা চলমান।' 

;

পঞ্চগড়ে পৃথক ঘটনায় ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, ছুরিকাঘাতে আহত ২



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম,পঞ্চগড়
পঞ্চগড়ে পৃথক ঘটনায় ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, ছুরিকাঘাতে আহত ২

পঞ্চগড়ে পৃথক ঘটনায় ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, ছুরিকাঘাতে আহত ২

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পৃথক দুই ঘটনায় ছোট ভাইয়ের হাতে খুন হয়েছে বড় ভাই ও প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছে ২ জন। 

জেলার সদর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের কিল ঘুষিতে ইয়াকুব আলী (৮৩) নামের বড় ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের সাহেবীজোত ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, নিহত ইয়াকুব আলী ওই এলাকার মৃত আফসার আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানায়, বেশ কিছুদিন ধরে জমি নিয়ে বৈপিত্রেয় বড় ভাই ইয়াকুব আলীর সাথে ছোট ভাই আব্দুল মোমিনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিসও হয়। মঙ্গলবার সকালে আবারও বিরোধে জড়ায় দুই ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা। এক পর্যায়ে ছোট ভাই আব্দুল মোমিনের কিল ঘুষিতে বড় ভাই ইয়াকুব আলীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে  ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এদিকে ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছেন আব্দুল মোমিনসহ তার পরিবারের সদস্যরা।

পঞ্চগড় সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রঞ্জু আহম্মেদ বলেন, 'রাস্তা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। ছোট ভাইয়ের কিল ঘুষিতে বড় ভাই ইয়াকুব আলী মারা গেছেন বলে তারা অভিযোগ করেছে। আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেছি। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।' 

অপরদিকে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে শাহিন হোসেন (২০) ও ইমন ইসলাম মিনাল (১৮) নামে দুই যুবক আহত হয়েছেন।

গত সোমবার (৪ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টায় দেবীগঞ্জ পৌরসভার দোসীমানায় এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পরে তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। 

আহত শাহিনের বাড়ি দেবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব দেবীডুবা ডাঙ্গা পাড়া এলাকায়। তিনি ওই এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে। শাহিন পেশায় একজন সিএনজি চালক।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, গত ১০/১২ দিন আগে শাহিনের সাথে তাহের নামে এক ব্যাক্তির জমির নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে শালিসে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেন জনপ্রতিনিধিরা। এদিকে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে পৌরসভার দোসীমানার দোকান পাড় এলাকায় শাহীন সহ ৩ জন বসেছিলেন। এক পর্যায়ে শাহীন প্রসাব করার জন্য একটি দোকানের পাশে গেলে তাহের ছুরিকাঘাত করেন। পরে শাহীনের চিৎকার করলে মিনাল ও মিলন এগিয়ে গেলে মিনালকেও ছুরি মেরে পালিয়ে যান তাহের।

দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বলেন, 'এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।' 

;