মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ৪৯ শতাংশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ৪৯ শতাংশ। এ মাসে সারাদেশে সড়কপথে ছোট-বড় মিলিয়ে ৫ হাজার ৫০০টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে মারা গেছেন ৬৩১ জন এবং আহত হয়েছেন ৬ হাজার ৫৩৬ জন।

বুধবার (৭ জুন) সেভ দ্য রোডের মহাসচিব শান্তা ফারজানার পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশের ২২টি জাতীয় দৈনিক, ২০টি টেলিভিশন, আঞ্চলিক ও স্থানীয় ৮৮টি নিউজ পোর্টাল, স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী এবং সেভ দ্য রোডের স্বেচ্ছাসেবীদের তথ্যানুসারে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ১ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ১ হাজার ৬২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন ১ হাজার ১৮৭ জন, নিহত ৫০ জন। ১ হাজার ৪৯৬টি ট্রাক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত ১ হাজার ৭৫২ এবং ৬২ জন নিহত হয়েছেন। ১ হাজার ৬০৫টি বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত ১ হাজার ৮৫৩ এবং নিহত হয়েছেন ২৬৩ জন। এ ছাড়া নসিমন-করিমনসহ অন্যান্য তিন চাকার বাহনে ১ হাজার ৩৩৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন ১ হাজার ৭৪৪ এবং নিহত হয়েছেন ২৫৬ জন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ১ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ৫২টি নৌ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন ৯৭ জন, নিহত ১১ জন। এ সময় ৪১টি রেল দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত ৫৮ এবং নিহত হয়েছেন ২১ জন। তবে মে মাসে আকাশপথে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে প্রথমবারের মত ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস ’জিপিফাই আনলিমিটেড' আনল স্মার্ট কানেক্টিভিটি প্রদানকারী কোম্পানি গ্রামীণফোন। আয়োজকরা বলছেন, ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। একীভূত লাইসেন্সের নীতিমালা মেনে আবাসিক ও ব্যবসা ক্ষেত্রে ফিক্সড ওয়ারলেস অ্যাক্সেস (এফডব্লিউএ) প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য ও উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করবে উদ্ভাবনী এই প্রযুক্তি।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জিপিফাই’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার মো. সাজ্জাদ হাসিব, হেড অব নেটওয়ার্ক সার্ভিসেস আবুল কাশেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, হেড অফ অ্যাডজাসেন্ট নেটওয়ার্ক বিজনেস ইনোভেশন মইনুল মোমেন এবং কোম্পানিটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

’জিপিফাই আনলিমিটেড' গ্রামীণফোনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এর লক্ষ্য দেশের ডিজিটাল বিভাজন কমানো এবং ব্যবহারকারীদের অনলাইন অভিজ্ঞতা আরো উন্নত করা। উদ্ভাবনী এই প্রযুক্তি গ্রাহকদের নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদান করবে। এর মাধ্যমে দেশের যে কোন স্থানের গ্রাহকরা নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ উপভোগ করতে পারবেন।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার বক্তব্যে দেশের প্রথম ওয়্যারলেস ওয়াই-ফাই সল্যুশন ’জিপিফাই আনলিমিটেড'- এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন,“ ‘জিপিফাই আনলিমিটেড' বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিমণ্ডলে একটি পরিবর্তন আনবে। নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও ওয়্যারলেস ইন্টারনেট প্রদানের মাধ্যমে এটি সারা দেশের কানেক্টিভিটি ও অ্যাক্সেসিবিলিটি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে। সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও ব্যবসার ক্ষমতায়ন করবে এটি। এটি দূরবর্তী অবস্থান থেকে কাজ করতে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, অনলাইন শিক্ষা ও টেলিহেলথের ক্ষেত্রে এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক হবে; যা আর্থ-সামজিক উন্নয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ টেলিযোগাযোগ খাতে নেওয়া প্রগতিশীল পদক্ষেপগুলোর উপর তার মতামত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রবর্তনের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ শিল্পকে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে বিটিআরসি। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চমানের ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে জিপিফাই আনার জন্য আমরা গ্রামীণফোনকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা আশা করি, গ্রামীণফোন বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিমণ্ডল উন্নত করতে এবং দেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।”

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, ”আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্মার্ট ডিভাইস ও সংযোগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ফলে আধুনিক প্রযুক্তির সহযোগে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও উপভোগ্য জীবনযাপন শুরু করার এখনই সময়। গ্রামীণফোন ডিজিটালভাবে অন্তর্ভুক্ত একটি সমাজ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেখানে প্রত্যেকে ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ মানের সেবার

মাধ্যমে উপকৃত হবেন। এরই ধারাবাহিকতা ‘জিপিফাই আনলিমিটেড’। 'স্মার্ট বাংলাদেশ' রূপকল্পের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন প্রযুক্তি ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন সংকল্পবদ্ধ।

;

প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

প্রথম ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে প্রথমবারের মত ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস সার্ভিস ’জিপিফাই আনলিমিটেড' আনল স্মার্ট কানেক্টিভিটি প্রদানকারী কোম্পানি গ্রামীণফোন। আয়োজকরা বলছেন, ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। একীভূত লাইসেন্সের নীতিমালা মেনে আবাসিক ও ব্যবসা ক্ষেত্রে ফিক্সড ওয়ারলেস অ্যাক্সেস (এফডব্লিউএ) প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য ও উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করবে উদ্ভাবনী এই প্রযুক্তি।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জিপিফাই’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার মো. সাজ্জাদ হাসিব, হেড অব নেটওয়ার্ক সার্ভিসেস আবুল কাশেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, হেড অফ অ্যাডজাসেন্ট নেটওয়ার্ক বিজনেস ইনোভেশন মইনুল মোমেন এবং কোম্পানিটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

’জিপিফাই আনলিমিটেড' গ্রামীণফোনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এর লক্ষ্য দেশের ডিজিটাল বিভাজন কমানো এবং ব্যবহারকারীদের অনলাইন অভিজ্ঞতা আরো উন্নত করা। উদ্ভাবনী এই প্রযুক্তি গ্রাহকদের নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদান করবে। এর মাধ্যমে দেশের যে কোন স্থানের গ্রাহকরা নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ উপভোগ করতে পারবেন।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার বক্তব্যে দেশের প্রথম ওয়্যারলেস ওয়াই-ফাই সল্যুশন ’জিপিফাই আনলিমিটেড'- এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন,“ ‘জিপিফাই আনলিমিটেড' বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিমণ্ডলে একটি পরিবর্তন আনবে। নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও ওয়্যারলেস ইন্টারনেট প্রদানের মাধ্যমে এটি সারা দেশের কানেক্টিভিটি ও অ্যাক্সেসিবিলিটি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে। সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও ব্যবসার ক্ষমতায়ন করবে এটি। এটি দূরবর্তী অবস্থান থেকে কাজ করতে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, অনলাইন শিক্ষা ও টেলিহেলথের ক্ষেত্রে এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক হবে; যা আর্থ-সামজিক উন্নয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ টেলিযোগাযোগ খাতে নেওয়া প্রগতিশীল পদক্ষেপগুলোর উপর তার মতামত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রবর্তনের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ শিল্পকে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে বিটিআরসি। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চমানের ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে জিপিফাই আনার জন্য আমরা গ্রামীণফোনকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা আশা করি, গ্রামীণফোন বাংলাদেশের ডিজিটাল পরিমণ্ডল উন্নত করতে এবং দেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।”

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, ”আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্মার্ট ডিভাইস ও সংযোগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ফলে আধুনিক প্রযুক্তির সহযোগে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও উপভোগ্য জীবনযাপন শুরু করার এখনই সময়। গ্রামীণফোন ডিজিটালভাবে অন্তর্ভুক্ত একটি সমাজ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেখানে প্রত্যেকে ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ মানের সেবার

মাধ্যমে উপকৃত হবেন। এরই ধারাবাহিকতা ‘জিপিফাই আনলিমিটেড’। 'স্মার্ট বাংলাদেশ' রূপকল্পের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন প্রযুক্তি ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন সংকল্পবদ্ধ।

;

বিদ্যুৎ উৎপাদনে পরিস্কার ও সবুজ জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

ছবি: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ২০৪১ সালের লক্ষ্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। পরিস্কার ও সবুজ জ্বালানি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

নবায়ণযোগ্য জ্বালানির বিভিন্ন উৎস হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চলমান ৪৭টি প্রকল্প হতে ৩৭৪৯.০৭ মেগাওয়াট ও প্রক্রিয়াধীন ৭৯ টি প্রকল্প হতে ৯৩১৮.১৫ মেগাওয়াট অর্থাৎ মোট ১২৬টি প্রকল্প হতে ১৩০৬৭.২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাংলাদেশে ৫০০ মেগাওয়াট সোলার প্রকল্প উন্নয়নের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড ও ইন্দোনেশিয়ার পিটি পারতামিনা পাওয়ার ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী বাংলাদেশ লিমিটেড’ এর পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবং ‘পারতামিনা পাওয়ার ইন্দোনেশিয়া’র পক্ষে স্ট্র্যাটেজিক পরিচালক ফাদলি রহমান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে ১১টি সৌরভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৫২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। বেসরকারি খাতে চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৯ টি পিপিএ ও আইএ স্বাক্ষরিত প্রকল্পের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৬৯.২৭ মেগাওয়াট। বেসরকারি খাতে চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে ২৯টি এলওআই স্বাক্ষরিত প্রকল্পের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৬০৮ মেগাওয়াট। নবায়ণযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশগুলো হতেও নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ আমদানির প্রচেষ্টা চলছে। একই সাথে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি ও জমির স্বল্পতা নিয়েও আমরা কাজ করছি।
বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো: হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হিরু হারতান্তো সুবুলো।

;

কুয়াকাটার সৈকত পরিচ্ছন্নতায় 'বৃহন্নলা'



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.ক্‌ (কলাপাড়া-পটুয়াখালী)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বৃহন্নলা’।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রায় ১ ঘন্টা ধরে সৈকতের জিরো পয়েন্টের এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা,প্লাস্টিক বর্জ্য পরিষ্কার করেন তারা। এতে 'বৃহন্নলার' সদস্যদের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে রবিবার (১৪ জুলাই) বিকেলে সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে সৈকতের তীরে ম্যারাথান অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জনসহ 'বৃহন্নলার' ২৫ সদস্য অংশ নেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাদিকুল ইসলাম এবং অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের পরিচালক ইন্দ্র বংশ ভিক্ষু, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু, সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির সহ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মিরাজ এবং আবুল হোসেন রাজু প্রমুখ।

ব্যতিক্রমী এ আয়োজনে অংশ নেওয়া তৃতীয় লিঙ্গ জনগোষ্ঠীর সদস্য পিয়া (হিজড়া) বলেন, ‘কুয়াকাটার মত এত সুন্দর একটি জায়গায় সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। মনে হয়েছে আমিও এ সমাজের একজন গর্বিত সদস্য। এটা কী যে ভালো লাগার তা বলে শেষ করা যাবে না।’

সমাজে মানুষে-মানুষে বৈষম্য কমাতে তৃতীয় লিঙ্গ জনগোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতে আমাদের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন উল্লেখ করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বৃহন্নলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাদিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সবাই মানুষ হিসেবে এই সমাজে বসবাস করতে চাই। কে নারী, কে পুরুষ কিংবা কে তৃতীয় লিঙ্গের—এই পরিচয়ে কেউ যেন অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়। এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই এই আয়োজন।’

সাদিক আরো জানান, একীভূত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তৃতীয় লিঙ্গের সম্প্রদায়কে মূলধারায় ফিরিয়ে আনাই ‘বৃহন্নলা’র লক্ষ্য

লিঙ্গ বৈচিত্র্যময় মানুষদের নিয়ে গবেষণা করা ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সাবেক সহকারী অধ্যাপক আসিবুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে যদি আমরা সবার সঙ্গে এগিয়ে নিতে চাই, তাহলে তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার বিকল্প নেই। এ কারণে সবার আগে পরিবার, সমাজ এবং সমাজ পরিবর্তনে যারা কাজ করেন তাদের এগিয়ে আসতে হবে। সেই জায়গা থেকে 'বৃহন্নলা' যে কাজগুলো করছে সেগুলো সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

;