বিএনপি নেতা চাঁদের বিরুদ্ধে রাজবাড়ীতে আরও একটি মামলা



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
বিএনপি নেতা চাঁদের বিরুদ্ধে রাজবাড়ীতে আরও একটি মামলা

বিএনপি নেতা চাঁদের বিরুদ্ধে রাজবাড়ীতে আরও একটি মামলা

  • Font increase
  • Font Decrease

জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদের বিরুদ্ধে রাজবাড়ীতে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজবাড়ীর ২ নম্বর আমলী আদালতের বিচারক মো. ইকবাল হোসেনের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জালাল উদ্দীন বিশ্বাস। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য রেখে দেন।

মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. নাদিম মোস্তফাসহ অজ্ঞাত ৪০/৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, রাজশাহীর পুটিয়ায় বিএনপির জনসভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেন যা রাষ্ট্রদ্রোহীতার অপরাধের শামিল। এই অপরাধের জন্য বিএনপির ৫ নেতাসহ অজ্ঞাত ৪০/৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিষয়ে পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দীন বিশ্বাস বলেন, আমি রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল হাকিমের সাথে পরামর্শ করে মামলার সিধান্ত গ্রহণ করেছি। আমি যুবলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আমার নেত্রীর নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি দায়ের করি।

মামলার বিষয়ে রাজবাড়ী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. আনোয়ার হোসেন বলেন, পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দীন বিশ্বাসের মামলাটি বিজ্ঞ আদালত আমলে নিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি আদেশ দিবেন।

এ সময় মদাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজনু, পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহিদুল ইসলাম মারুফ, জেলা পরিষদের সদস্য মো. ইউসুফ হোসেন, পাট্টা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুছ আলী বিশ্বাস, পাংশা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব মনসুর সরদার, বালিয়াকান্দির জঙ্গল ইউনি পরিষদের সদস্য কল্লোল কুমার বসুসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

   

রাঙামাটিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ইউপিডিএফ’র কালেক্টর নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে পার্বত্য চুক্তি বিরোধী সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মূল দলের অন্যতম প্রধান চাঁদা কালেক্টর সোগা ওরফে নিপুন চাকমাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় অপর সহকারী কালেক্টর সোহেল চাকমাও গুলিতে আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাঘাইছড়ি উপজেলাধীন ৩৫নং বঙ্গলতলী ইউনিয়নের বোধিপুর বনবিহার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল আউয়াল জানিয়েছেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি এবং পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কে বা কারা এই সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে এই মুহুর্তে সেটি আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, বঙ্গলতলী ইউনিয়নের বোধিপুর বনবিহার নামক এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন নিপুন চাকমা ও তার সহকর্মী সোহেল চাকমা।

বিষয়টি আগে থেকেই জেনে যায় ইউপিডিএফ এর প্রতিপক্ষ আঞ্চলিক সংগঠন জেএসএস। পরবর্তীতে রাতের অন্ধকারে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে নিপুণ চাকমাকে ব্রাশ ফায়ারে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

এই ঘটনায় সোহেল চাকমা পায়ে গুলিবিদ্ধ হলেও পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পায়। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ভূয়াছড়ির অজ্ঞাত স্থানের দিকে নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

ইউপিডিএফ প্রসিত দলের বঙ্গলতলী এলাকার সমন্বয়ক আর্জেন্ট চাকমা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইউপিডিএফ এর বেশ কয়েকজন সদস্য দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় জেএসএস সন্তু দলের  দুই সন্ত্রাসি অতর্কিত ব্রাশ ফায়ার করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনা স্থলে নিপুণ চাকমা চোগা মৃত্যুবরণ করে। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে খুনিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এদিকে জেএসএস সন্তু দলের উপজেলা সমন্বয়ক ত্রিদিপ চাকমা এই হত্যাকাণ্ড ইউপিডিএফ এর অভ্যন্তরিন কোন্দলে কারণে ঘটেছে বলে দাবি করেছেন।

;

সিলেটে হোটেল থেকে ১০ নারী-পুরুষ আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটের অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ ১০ নারী-পুরুষকে আটক করেছে সিলেট মহানগর ডিবি পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্বরের তিতাস আবাসিক হোটেল থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী রয়েছেন।

আটকের বিষয়টি শনিবার রাতে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

এ ব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকায় ১০ নারী-পুরুষকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

;

আশুলিয়ায় গণধর্ষণের শিকার পোশাক শ্রমিক: গ্রেফতার ৫



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সাভারের আশুলিয়ায় নারী পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব- ৪)। এ ঘটনায় পলাতক রয়েছে আরও ২ আসামি।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে গ্রেফতারকৃতদের আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করে র‍্যাব ৪। এর আগে শুক্রবার ( ২৩ ফেব্রুয়ারি) আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারী। পরে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ৫ আসামিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব ৪।

গ্রেফতারকৃতরা হল, মনিরুল ইসলাম ওরফে পাপ্পু (২৫), আহসান আহম্মেদ রায়হান (২২), রফিকুল মিয়া (২২), আরাবি হুসাইন শান্ত (১৯), মো. জুয়েল (২২)। পলাতক আসামিরা হল, সাগর ওরফে লিটন (২২) ও মো. তুহিন (২৩)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী নারী ও তার এক বান্ধবীকে নিশ্চিন্তপুর স্কুল মাঠে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায় সাগর ওরফে লিটন। সেখানে তাকে কুপ্রস্তাব দেয় পাপ্পু। পরে পাপ্পু ও রায়হান তাকে ধর্ষণ করে এবং বাকিরা সহায়তা করে। পরে রফিকুল মিয়া ধর্ষণের চেষ্টা করলে ভুক্তভোগীর ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এসে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে। পরে র‍্যাবের কাছে অভিযোগ দিলে অভিযান চালিয়ে ৫ আসামিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন্স) নির্মল কুমার দাস বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান আছে। অভিযুক্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। গ্রেফতারকৃতদের আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে।

 

;

বিদেশ থেকে স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করে স্বামী, ঘাতক গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ড, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের উত্তর পাট্টা গ্রামে গৃহবধূ রোজিনা আক্তার আরজিনা (৩০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত মোঃ শিহাব শেখ (৪৫) নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পাংশা মডেল থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

শনিবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা পুলিশ।

গ্রেফতার মোঃ শিহাব শেখ পাংশা উপজেলার বাজেয়াপ্ত বাগলী গ্রামের হেকমত আলী শেখের ছেলে। নিহত রোজিনা আক্তার ওরফে আরজিনা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের উত্তর পাট্টা গ্রামের দুবাই প্রবাসী লিটন শেখের স্ত্রী।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোজিনার স্বামী দুবাই প্রবাসী। রোজিনা তার ছেলে রাসেল (১২) ও রাকা (৬) কে নিয়ে পাংশার পাট্টায় তার স্বামীর বাড়িতে থাকতো। রোজিনা তার ছেলেকে গত ৮ই ফেব্রুয়ারি রাত ১০ টার দিকে তার স্বামীর বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়ে এবং তার মেয়ে অন্য বাড়িতে দাদা-দাদির কাছে ছিলো।

অজ্ঞাতনামা আসামিরা গত ৮ই ফেব্রুয়ারি রাত ১০ টা থেকে ৯ই ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৬ টার মধ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে রোজিনাকে হত্যা করে পাট্টা এলাকার ওসমান মোল্লার বাঁশ বাগানে দক্ষিণপাশে আম বাগানে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রোজিনার বাবা আবজাল খাঁ বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পরে জেলা পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখে তদন্ত শুরু করে এবং গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মোঃ শিহাব শেখকে গ্রেফতার করে।

জেলা পুলিশ আরও জানায়, রোজিনার সাথে তার দুবাই প্রবাসী স্বামী লিটন শেখের পারিবারিক কলহ ছিলো। এছাড়াও রোজিনার স্বামীর একাধিক পরকিয়া ছিলো। এ বিষয়টি রোজিনা জানার পর তাদের মধ্যে আরও ঝামেলা শুরু হয়। মাঝেমধ্যেই লিটন শেখ তার স্ত্রী রোজিনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। এ কারণে রোজিনা তার ছেলে ও মেয়েকে বাবা বাড়িতেও চলে গিয়েছিল। পরে রোজিনা তার স্বামীর বাড়িতে আবার ফিরে আসে। এরপর লিটন শেখ দুবাই চলে যায়। সে দুবাইতে গিয়ে তার স্ত্রী কে হত্যার পরিকল্পনা করে। লিটন তার স্ত্রী রোজিনাকে হত্যা করার জন্য স্থানীয় শিহাব শেখ নামের এক ব্যাক্তিকে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে ঠিক করে। শিহাব লিটনের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা গ্রহণ করে। পরে আসামি শিহাব ও সহযোগীরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রোজিনা কে সুকৌশলে তার বাড়ি থেকে বের করে এনে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে ও গাছের ডাল দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করে মরদেহ বাগানে ফেলে রেখে যায়।

এ বিষয় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মুকিত সরকার বলেন, হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত শিহাব নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে রোজিনাকে হত্যা করে। পরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি শিহাবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আজ আদালতে পাঠানো হলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

;