টাঙ্গাইলে মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে এক মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (২২ মে) রাত ১টা দিকে শহরের পার দিঘুলীয়া সেতুর পাশে তাকে হত্যা করা হয়।

নিহত মাছ ব্যবসায়ীর নাম আলী আকবর বাপ্পী (৩৩)। তিনি চর দিঘুলীয়া এলাকার দেলবর বেপারির ছেলে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এএসআই আতিকুর রহমান বলেন, রাতে বাপ্পীর লাশটি উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে রেখেছে সদর থানা পুলিশ। তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য জখমের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

   

নড়াইলে কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নড়াইল
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নড়াইলের নড়াগাতী থানার খাশিয়াল ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামের কিশোর নিলয় মোল্লাকে (১৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) রাত ১১টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসময় নিলয়ের আরো ২ বন্ধু টোনা গ্রামের তামিম ও অপু আহত হয়েছেন।

নিহত নিলয় টোনা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য সুলতান আহমেদ পিকু মোল্লার ছেলে।

নিলয়ের পরিবার ও বন্ধুসূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ দিন আগে টোনা গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীকে উত্যক্ত করে পাশের পাটনা গ্রামের কামরুল খানের ছেলে শাকিলসহ তার বন্ধুরা। নিলয় মোল্লাসহ তার বন্ধুরা এ উত্যক্তকরণের প্রতিবাদ জানায়। এর জের ধরে শুক্রবার রাতে সুযোগ বুঝে নিলয়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

নিলয়ের সঙ্গে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী মেজবাহ ও অপু খন্দকারসহ কয়েকজন জানান, ওয়াজ মাহফিলের পাশে ডেকে নিয়ে পাটনার শাকিল খান, তালবাড়িয়া গ্রামের সবুজ খান, মুসা শেখ ও অশ্রু দাসসহ কয়েকজন প্রথমে নিলয়কে মারধর করে। ঠেকাতে গেলে আমাদেরকেও মারধর করেন। একপর্যায়ে নিলয়ের কোমরের ওপরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় তারা।

নড়াগাতি থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিলয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নিহত নিলয়ের বাবা পিকু মোল্লাসহ এলাকাবাসী এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তি দাবি করেন।

;

বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন নয়ন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোলা সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ইউনিয়ের চরকুমারিয়া গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান মো. নয়ন। বয়স মাত্র ১৮ বছর। টাকার অভাবে অষ্টম শ্রেণির পরে আর লেখাপড়া করতে পারেননি নয়ন। আগে কখনো ঢাকায়ও আসেননি। ৫ ভাই-বোনের মধ্যে নয়ন ছিল সবার ছোট হলেও বাবা মায়ের দেখাশোনার দায়িত্ব ছিল তার। সে দায়িত্ব মিটিয়ে দিয়েই বেইলি রোডের কাচ্চি ভাইয়ের রেস্তোরাঁর ভয়াল আগুনের শিকার হলেন নয়ন। ঢাকায় আসার মাত্র ৫ দিন পরেই নিভে গেল তাজা প্রাণ।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বেইলি রোডে গ্রীণ কজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে যে ৪৬ জন নিহত হয়েছেন, তাদের একজন নয়ন হোসেন। গতকাল ভোররাতেই নয়নের মৃত্যুর খবর পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন।

চেয়ারম্যান বলেন, ‘ঢাকা থেকে ফোন আসার পরে আমি থমকে গেছি। আমার জীবনে এতবড় পরীক্ষায় কখনো পড়তে হয়নি। ছেলের মৃত্যুর খবর ফোন করে বাবাকে জানাতে হয়েছে। শান্ত স্বভাবের নয়ন খুব ভালো ছেলে ছিলেন। এর বেশি বলতে পারছি না। আমিও এখন বলার মতো অবস্থায় নেই।’ 

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অভাব অনটনের সংসারে নয়নের বড় ভাইয়েরা সবাই আলাদা সংসার পেতেছেন। এতে বিপাকে পড়তে হয় বৃদ্ধ বাবা-মাকে। বড় ছেলেরা ঠিকমতো ভরণপোষণ না দেওয়ায় সংসারের হাল ধরতে কাজের সন্ধানে ২৫শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আসেন নয়ন। ঢাকায় এসে গ্রীন কেজি কটেজ ভবনে কাচ্চি ভাই বিরানী রেস্তোরাঁয় বয় হিসেবে ১২ হাজার টাকা বেতনে চাকরি নেন নয়ন। তবে ভাগ্য তাকে পরিবারের হাল ধরতে দেয়নি। বাবা-মায়ের দায়িত্ব নেয়ার আগেই ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে মারা যান নয়ন। 

নিহত নয়নের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের অস্থায়ী মর্গে রাখা হয়েছে। তবে শরীরে অগ্নিদগ্ধের তেমন কোনো চিহ্ন নেই। মর্গের ভলান্টিয়ার জানান, অতিরিক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়েই মারা গেছেন নয়ন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের অস্থায়ী মর্গে মরদেহ নিতে আসেন নিহত নয়নের চাচাতো ভাই হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমার চাচা সিরাজ আলী অসুস্থ। টাকার অভাবে ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারেন না। তাই নয়ন সংসারের হাল ধরতে ঢাকায় এসেছিল। ঢাকায় এসে ওর বন্ধুর মাধ্যমে বেইলি রোডের গ্রীন কজি কটেজ ভবনের ৫ তলায় একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে চাকরি নেন। গতকাল সন্ধ্যায়ও ফোনে কথা হয়েছে। আগুন লাগার খবর শুনে রাত ১১টা ২০ মিনিটে নয়নকে ফোন করে ফোন বন্ধ পাই। রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করি। কিন্তু ওরে আর পাইনি। পরে মেডিকেলে এসেও সন্ধান পাইনি। সকালে ভোলা থেকে পরিবারের লোকজন ফোন করে জানালো নয়ন মারা গেছে। পরে মর্গে এসে লাশ খুঁজে পাইছি।’

;

অতিরিক্ত টাকা দিয়েও মিলছে না চিকিৎসা সেবা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে ধাপে ধাপে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে ৩ টাকা মূল্যের টিকিট ৫ টাকা ও জরুরি বিভাগে ৭ টাকা মূল্যের টিকিট ১০ থেকে ২০ টাকা করে নেওয়া হয়। এছাড়াও রোগীদের বিনামূল্যে ড্রেসিং সেবা পাওয়ার কথা থাকলেও দিতে হয় ৫০ থেকে ২০০ টাকার বেশি। এভাবেই প্রবেশের পর থেকে শুরু হয় হয়রানি।

হাসপাতালের প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার কারণে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং হাসপাতালের নার্স ও ওয়ার্ডবয়দের দ্বারা হয়রানির শিকার হন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা ।

শনিবার (২ মার্চ) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার প্রায় কয়েক শত মানুষের প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসে এ হাসপাতালে। যেসব রোগী দুর্ঘটনাসহ অন্যান্য কারণে ড্রেসিং করেছেন তাদের সবাইকে ৫০-২০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাড়িয়ে থেকেও অতিরিক্ত টাকা দিয়ে নিতে হচ্ছে টিকিট। হাসপাতালে ওয়ার্ডে দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মত অবস্থা। হাসপাতালের ভিতরে গ্যারেজ করে রাখা হয়েছে মোটরসাইকেল। যেখানে সেখানে পড়ে আছে ময়লা আর্বজনা। অপরদিকে জরুরি রোগী বহনের জন্য ব্যবহৃত দুটি এ্যাম্বুলেন্স থাকলেও একটি বিকল অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে। অপরদিকে রোগী আর সঠিক চিকিৎসা সেবা না মেলায় দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ পড়ে আছে কুষ্ঠ বিভাগ।

গদা গ্রাম থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রহিম উদ্দিন জানায়, 'আমার হঠাৎ জ্বর এসেছে তাই আমি চিকিৎসা নিতে এসেছি । এখানে টিকিটের জন্য অপেক্ষা করে ৫ টাকা দিয়ে টিকিট নিলাম। অনেক্ক্ষণ ধরে দাড়িয়ে আছি। ডাক্তারকে এখনো দেখাতে পারিনি।' 

চিকিৎসা নিতে আসা আরেক রোগীর স্বজন সালমা বেগম জানায়, 'আমার ছেলের পেটের ব্যথা এখানে টেস্ট করাতে এসেছি। অনেক্ক্ষণ আগে  টাকা জমা দিয়েছি তবুও এখনো টেস্ট করতে পারিনি। আমার ছেলেকে ভর্তি করার সময় ২০ টাকা দিয়ে ভর্তি করেছি। এখানে কোন ঔষধপত্র দেওয়া হয়না। আমাদের লিখে দেয় সব কিনে আনতে হয়। এখানে নার্সরা অনেক খারাপ ব্যবহার করে। তাদের ডাকতে গেলে তারা রাগ হয়। সরকারি হাসপাতালের চেয়ে প্রাইভেট হাসপাতালেই ভালো।' 

টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা আলমগীর জানায়, 'এখানে টিকিট নিলে ৫ টাকা লাগবে। এখানে ৩ টাকায় টিকিট দেওয়া হয়না। লেখা ৩ টাকা থাকলেও ৫ টাকা দিতে হবে। না হলে টিকিট পাবে না।'

ড্রেসিংরুমে দায়িত্ব পালন করা বাবু জানায়, 'এখানে যারা চিকিৎসা নিতে আসে তারা খুশি হয়ে চা খাওয়ার জন্য কিছু টাকা দেয়। আমি জোড় করে কিছুই নেইনা।' 

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তানজিমুল মিল্লাতকে খুদে বার্তা পাঠিয়েও এ বিষয় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আল মামুনের মুঠোফোনে একাধিক বার কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। 

;

রোববার থেকে নতুন দামে ভোজ্যতেল: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

খুচরা পর্যায়ে রোববার থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬৩ টাকায় কিনতে পারবেন ভোক্তারা বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

শনিবার (২ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘দি অ্যাসোসিয়েশন অব গ্রাসরুট ওমেন এন্ট্রেপ্রেনার্স বাংলাদেশ (এজিডব্লিউইবি) আয়োজিত এক সেমিনারে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুক্রবার থেকে ভোজ্যতেলের মনিটরিং শুরু হয়েছে। আজ সকাল থেকেও সব মিলগেটে টিমগুলো মনিটরিংয়ে আছে। টেরিফ কমানোর পরে কত মাল তারা আমদানি করেছে এবং তাদের বাফারস্টোক তৈরির জন্য যে সময় দেওয়া হয় তা কতটা কাজে লাগিয়েছে সে বিষয়ে এরই মধ্যে তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমি মনে করি রোববার থেকে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬৩ টাকায় বিক্রি হবে। আর প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়।

তিনি আরও বলেন, ভারত থেকে চল‌তি সপ্তাহে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আসা শুরু হবে। আমাদের লক্ষ্য হ‌লো রমজানের আগে যেন ভোক্তাদের বে‌শি দামে নিত্য প্রয়োজনীয় জি‌নিস কিনতে না হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রমজান বা রমজানের বাইরেও সাধারণ ভোক্তারা নিত্যপণ্যের ব্যাপারে কোনো ব্যবসায়ী বা কোনো গোষ্ঠী কারও কাছে জিম্মি থাকতে পারবে না।

;