জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১৫ টাকা



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছর রমজানে বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১৫ টাকা ও সর্বোচ্চ দুই হাজার ৬৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর (২০২২) সর্বোচ্চ ফিতরা ছিল দুই হাজার ৩১০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৭৫ টাকা।

রোববার (২ এপ্রিল) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৪ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের (ফিতরা) এ হার নির্ধারণ করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

এতে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।

   

‘সেনানিবাস না থাকলে কক্সবাজার দখল করে নিত আরাকান আর্মি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারে সেনানিবাস না থাকলে এতো দিনে ওই এলাকা মিয়ানমারের আরাকান আর্মি দখল করে নিত বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার।

রবিবার (২৩ জুন) রাতে জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন কক্সবাজার-৩ আসনের এই সংসদ সদস্য। তিনি সংসদের হুইপও।

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজার-৩ আসনের (কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও উপজেলা) এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘মিয়ানমারের আরাকান আর্মি সশস্ত্র লড়াই করছে। আমার নির্বাচনী এলাকা থেকে মাত্র দুই কিলোমিটারের মধ্যে তাদের অবস্থান। প্রধানমন্ত্রী সেনানিবাস না দিলে আজ কক্সবাজার অনিরাপদ হয়ে যেত। এতো দিনে তারা দখল করে ফেলত। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন সেনানিবাসের জন্য। আমাদের রক্ষিত করেছেন।’

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি দেশটির জান্তা সরকার উৎখাতে লড়াই করছে। তারা রাখাইন রাজ্যের বেশির ভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়ে আজ সংসদে সাইমুম সরওয়ার আরও বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা নিয়ে একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিষদ গঠন করতে হবে। তাহলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাড়বে, ভারতের নিরাপত্তা বাড়বে।

;

মিন্টুকে বহিষ্কারের দাবি আজীমকন্যা ডরিনের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীমের মেয়ে ডরিন বলেছেন, ‘পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জেনেছি বাবা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু। একজন খুনির জায়গা আওয়ামী লীগে হতে পারে না। তাকে এখনই দল থেকে বহিষ্কার করা হোক। সেইসঙ্গে বাবার খুনের সঙ্গে জড়িত কালীগঞ্জে মিন্টুর অনুসারীদেরও আইনের আওতায় আনা হোক।’

রবিবার (২৩ জুন) বিকালে কালীগঞ্জ বাস টার্মিনালে আয়োজিত আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও এমপি আজীম হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে এ সময় মঞ্চে কান্নায় ভেঙে পড়েন ডরিন।

তিনি বলেন, ‘বাবা পরিবারকে বেশি সময় দিতেন না। তিনি সারাদিন এলাকার মানুষের কল্যাণে ছুটে বেড়াতেন। মৃত মানুষের জানাজায় যেতেন। বাবা হত্যার পর আজকের এই প্রতিবাদ সভায় আপনাদের উপস্থিতি দেখেই বুঝতে পারছি তিনি কতটা জনপ্রিয় ছিলেন। আপনাদের ভালবাসায় বাবা এই আসনে তিনবার এমপি হয়েছেন। আজ রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকারে তাকে খুন হতে হয়েছে। বাবার খুনিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন-উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান ওদু, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী, কালীগঞ্জ পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম আশরাফ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুজ্জামান রাসেল, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল প্রমুখ।

;

বিভক্ত কমলনগর উপজেলা আ.লীগ, পাল্টাপাল্টি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম লক্ষ্মীপুর
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দলীয়ভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজু।

যে কারণে রবিবার (২৩ জুন) আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পাল্টাপাল্টি পালন করেছে এ দুই নেতা। এ নিয়ে সাধারণ নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানা গেছে, গেল জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র (ঈগল) প্রার্থীর সমর্থনকে কেন্দ্র করে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের অন্য আরেকটি অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুন নাহার লাইলী।

দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান, রবিবার বিকালে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পৃথক পৃথক আলোচনা সভার আয়োজন করে সভাপতি নিজাম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজু। পৃথক আয়োজনের মাধ্যমে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের বিভক্তি প্রকাশ্যে আসে। এভাবে চলতে থাকলে দলে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে বলে জানান তারা।

জানা গেছে, উপজেলা সভাপতি নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন।

ওই সভার প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক রাখা হয়েছে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পীকে। তিনি সংসদ সদস্য আবদুলল্লহ আল মামুনের একান্ত সহকারীর (পিএস) দায়িত্বে রয়েছেন।

এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে আরেকটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজু নেতৃত্বে আয়োজিত ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুন নাহার লাইলীর নাম রাখা হয়। যদিও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইস্কান্দার মির্জা শামিম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সফিক উল্লাহ বাংলা নেতা, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আহসান উল্লাহ হিরণ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারেফ হোসেন রাসেল, সদস্য আব্দুল আহাদ দিদার, কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক সালা উদ্দিন দোলন, রামগতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, ছাত্রলীগ নেতা তানজুর রহমান রুবেলসহ প্রমুখ।

এ বিষয়ে জানতে রবিবার রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিনের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রাজু বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের অনুষ্ঠান একটিই হয়েছে। সেটা আমার নেতৃত্বে হয়েছে দলীয় কার্যালয়ের সামনে হয়েছে। এতে দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিল। কিন্তু, হাজির হাট ইউনিয়ন পরিষদের সামনে যে অনুষ্ঠান হয়েছে, সেটি আমাদের দলীয় অনুষ্ঠান ছিল না। স্বতন্ত্র এমপির (আবদুল্লাহ আল মামুন) নিজস্ব অনুষ্ঠান ছিল। তিনি আমাদের দলের এমপি নন৷ ওই অনুষ্ঠান প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পি। আওয়ামী লীগের দলীয় অনুষ্ঠান হলে যুবলীগ নেতা কিভাবে আহ্বায়কের দায়িত্ব পান?

তিনি দাবি করেন, দলে কোন গ্রুপিং নেই। সভাপতি নিজাম উদ্দিন স্বতন্ত্র এমপির নির্বাচন করেছেন। তাই তিনি আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানে আসেননি।

;

দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে সর্বদা নিয়োজিত থাকব : সেনাপ্রধান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে সর্বদা নিয়োজিত থাকব। দুর্যোগ মোকাবিলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তার জন্য সরকার যে দায়িত্ব দেবে, সেই দায়িত্ব পালন করব। পাশাপাশি বিশ্বশান্তির জন্যও কাজ করবে সেনাবাহিনী।’

মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা উসকানিমূলক কিছু না করে সর্বদা প্রস্তুত আছি।’

রবিবার (২৩ জুন) দুপুরে বিদায়ি সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ তার দপ্তরে নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। তারপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে জেনারেল হিসাবে পদোন্নতির ব্যাজ পরিয়ে দেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।

বিকালে তিনি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। একই দিন বিদায়ি সেনাপ্রধানের বিদায়ের নানা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

এর আগে জেনারেল শফিউদ্দিন সকালে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সেনাকুঞ্জে তাকে বিদায়ি গার্ড অব অনার জানানো হয়। সেখানে তিনি গাছের চারা রোপণ করেন। সেনাসদরে দায়িত্ব হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতার পর উভয়ে ফটোসেশনে অংশ নেন।

তারপর প্রথা অনুযায়ী বিদায়ি সেনাপ্রধান পুষ্পসজ্জিত খোলা জিপে আরোহণ করেন। সেনাবাহিনীর অফিসাররা রশি দিয়ে টেনে নিয়ে যান। এ সময় রাস্তার উভয় পাশ থেকে কর্মকর্তারা ফুল দিতে থাকেন। তিনি অনেকটা আবেগাপ্লুতভাবে সেগুলো গ্রহণ করেন।

সাংবাদিকদের নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘প্রথমে আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এটা একটা গুরুদায়িত্ব। সবাই দোয়া করবেন যাতে সুন্দরভাবে সেই দায়িত্ব পালন করতে পারি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওনার সঙ্গে আমি কাজ করেছি। তার সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত ভালো। আমি যখনই যে সিদ্ধান্ত চেয়েছি; তিনি অত্যন্ত দ্রুত সেই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই। সব শহীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। কারণ, তারা তাদের সোনালি দিনগুলো আমাদের জন্য উৎসর্গ করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী সিভিল পাওয়ারের সহায়তায় কাজ করে থাকে। দুর্যোগ মোকাবিলায় যখন সরকার আমাদের দায়িত্ব দেবে, তখন আমরা সেই দায়িত্ব পালন করব। বিশ্বশান্তির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে সর্বদা নিয়োজিত থাকব।’

তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীকে সব সময় সুশৃঙ্খল রাখতে আমি কাজ করে যাব। ট্রেনিং আমরা সব সময় করছি। ট্রেনিংটা যেন জারি থাকে, সেটা দেখব। সেনাবাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে চ্যালেঞ্জিং দায়িত্ব পালন করছে। দেশ ও জাতি গঠনে যখনই আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে; তখনই আমরা সেই দায়িত্ব পালন করব।’

মিয়ানমারের সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে নতুন সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমরা এনগেইজড সব দেশের সঙ্গে। মিয়ানমারের সঙ্গেও আমরা এনগেইজড। দেশটিতে আমাদের ডিফেন্স অ্যাটাশে আছেন। তারা (মিয়ানমার) নিজেদের দেশেই একটা গৃহযুদ্ধের মধ্যে আছে। আমার মনে হয় না যে, এ মুহূর্তে তারা অ্যাগ্রেসিভ কিছু করবে। তারপরও সেনাবাহিনী সব সময় প্রস্তুত আছে। নৌবাহিনী টহল বাড়িয়েছে। বর্ডার গার্ডও প্রস্তুত আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা ছাড়া আমাদের আর কোনো অমীমাংসিত ইস্যু নেই। আমরা চাই, তারা রোহিঙ্গাদের ফেরত নিয়ে যাক। এছাড়া তাদের প্রতি আমাদের কোনো বিদ্বেষ কিংবা অন্য কোনো ধরনের সমস্যা আমি দেখি না। শান্তিপূর্ণ উপায়ে রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা কখনো হতাশ নই।’

;