শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলুন: রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

পৃথিবী শিশুর নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তুলতে এবং জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকল শিশুর ভেতর লুকায়িত পূর্ণ সম্ভাবনার উন্মেষ ঘটাতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় শিশু ও পুরস্কার প্রতিযোগিতা - ২০২০ ও ২০২১’ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভাষণদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রতিটি শিশুর একটা ব্যক্তিত্ব আছে এবং এই ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করার সুযোগ তৈরি করে দিন। আদর, স্নেহ, ভালোবাসার পাশাপাশি শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলুন।

শিশুরা যেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে অবদান রাখতে পারে, এ লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যদেরকেও এগিয়ে আসার তাগিদ দেন আবদুল হামিদ।

শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তারাই বহন করবে দেশের দায়িত্বভার। এজন্য শিশুদেরকে সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে হবে।

রাষ্ট্র্রপ্রধান বলেন, সৃজনশীল মেধাসম্পন্ন প্রজন্ম গড়তে সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রভাব অপরিসীম। বিদ্যার্জনের পাশাপাশি শিল্প-সাহিত্য ও ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিশুদের সম্পৃক্ত করে তাদের মানসিক বিকাশের পথ সুগম করা জরুরি।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র অবস্থাসম্পন্ন পরিবারের শিশু নয় সকল স্তরের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে বৈষম্যহীন মনোভাব নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের খুব ভালবাসতেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, তিনি সময় পেলেই শিশুদের সাথে মিশে যেতেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও শিশুদের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক।

রাষ্ট্রপতি বলেন, শিশুদের আলোকিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব পরিবার থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ সমাজের প্রত্যেকের। শিশুর মেধা বিকশিত করতে প্রয়োজন উপযুক্ত পরিবেশে, পরিচর্যা ও অনুপ্রেরণা।

আবদুল হামিদ বলেন, দেশের আনাচে কাঁনাচে ছড়িয়ে থাকা কোমলমতি মেধাবী শিশুদের খুঁজে এনে সঠিক প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে মানসম্পন্ন শিল্পী, আঁকিয়ে বা ক্রীড়াবিদ তৈরি করতে হবে যাতে তারা দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সফলতা লাভ করতে পারে।

সরকারের নানামুখী কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদে অনুস্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসেবে এবং বাংলাদেশের সংবিধানে সন্নিবেশিত মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির আলোকে শিশুর সার্বিক অধিকার নিশ্চিতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বহুমাত্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

রাষ্ট্রপতি জানান, জাতীয় কর্ম পরিকল্পনায় শিশুর স্বাস্থ্য-পুষ্টি, শিক্ষা-বিজ্ঞান প্রযুক্তি ইত্যাদিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের উন্নয়নের জন্যও রয়েছে নানা কর্মসূচি ও পরিকল্পনা।

তিনি শিশুদের জন্য যেন গবেষণা ও চাহিদাভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে খেয়াল রাখারও নির্দেশ দেন, কেননা এ প্রক্রিয়ায় শিশুদের মতামতেরও প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

অভিভাবকদের উদেশ্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিশুদের সঠিক শিক্ষা যেমন ন্যায়-নীতি, সত্য-মিথ্যার বিভেদ, সততা, দয়া, দেশপ্রেম, জীবপ্রেম ইত্যাদি প্রদানের মূল কাজ আপনাদের।

বর্তমান বিশ্বায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তির যুগে শিশুদের নৈতিক শিক্ষা প্রদানের প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। হামিদ বলেন, এখন প্রত্যেক ঘরে ঘরে শিশুদের হাতে মোবাইল, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন অত্যাধুনিক ডিভাইস, ফলে শিশুরা আজ মোবাইলে আসক্ত। তারা খেলার মাঠে বেশি যায় না, শিল্প-সাহিত্য চর্চা করে না, প্রকৃতি-পরিবেশ চিনেনা।

তিনি প্রযুক্তির ক্ষতিকর দিক থেকে সন্তানদের রক্ষা করে নিয়মিত লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করতে অভিভাবকদের প্রতিও অনুরোধ করেন।

শিশুদেরকে তিনি উপদেশ দিয়ে বলেন, দেশকে ভালবাসতে হবে, দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে, দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তোমরা সবসময় সচেষ্ট থাকবে।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ২০২০ এবং ২০২১ সালের জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় প্রায় সাড়ে ৬ লাখ শিশু অংশগ্রহণ করে। ৩০টি বিষয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এর মধ্যে প্রতিযোগিতার বিজয়ী ৪৭৪ জন শিশু পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। ২০২২ সালের ৬ জন ও ২০২১ সালের ৬ জন মোট ১২ জন রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানে শিশুর উন্নয়ন, বিকাশ ও সুরক্ষা বিষয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র ও প্রদর্শন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে স্মারক গ্রন্থ ‘আলোর ফুল’ প্রকাশিত হয়।মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এমপির সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান লাকী ইনাম এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল প্রমুখ।

   

দক্ষিণখানে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন তরুণের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর দক্ষিণখান থানার আশকোনা এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- রবিন, জুনায়েদ ও ওমর ফারুক। এরমধ্যে একজন স্পট ডেড এবং অপর দুইজন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণখান থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে দক্ষিণখান আশকোনা আশিয়ান সিটি এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলে থাকা ৩ জন মারা গেছেন।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় রবিউল ইসলাম নামের একজন ঘটনাস্থলে মারা যায়। জুনায়েদ মারা গেছে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে। আর ওমর ফারুক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

নিহত ওমর ফারুকের বাবার পরিচিত মোহাম্মদ হোসেন জানান, ওমর আশকোনার একটি মাদ্রাসায় কিতাব বিভাগের ছাত্র ছিল। তার বাবার নাম রাজন। বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রুপসি। ওই মাদ্রাসায় থেকেই পড়ালেখা করতো সে।

;

র‍্যাবের ৪৯ কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
র‍্যাবের ৪৯ কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন

র‍্যাবের ৪৯ কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন

  • Font increase
  • Font Decrease

পুলিশের এলিট ফোর্সে (র‍্যাব) কর্মরতরা পেশাগত ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এ বছর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ৪৯ জন কর্মকর্তা ও সদস্য 'বিপিএম' (বাংলাদেশ পুলিশ পদক) ও 'পিপিএম' (রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক) পদক পাচ্ছেন।

এই তালিকায় সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কামরুল হাসান, আটজন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও), পাঁচজন পরিচালকসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা আছেন। এছাড়া দুইজন মরণোত্তর পদক (বিপিএম, সাহসিকতা) পাচ্ছেন।

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদেরকে পদক পরিয়ে দিবেন। এবছর ৪০০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য পদকে ভূষিত হয়েছেন।

র‌্যাবের বিপিএম পদক পাচ্ছেন নয়জন। তারা হলেন- সাবেক এডিজি কামরুল হাসান, মরণোত্তর দুইজন হলেন- কর্পোরাল আনিচুর রহমান ও কনস্টেবল মো. মোমিনুল ইসলাম, র‌্যাব-১৪ অধিনায়ক মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান, র‌্যাব-১০ অধিনায়ক ফরিদ উদ্দিন, র‌্যাব-৭ অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহবুব আলম, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, র‌্যাব-১৫ অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন ও র‌্যাব-৬ অধিনায়ক ফিরোজ কবীর।

বিপিএম সেবা পাচ্ছেন ১৪ জন। এই তালিকায় আছেন- র‌্যাব-১২ অধিনায়ক মারুফ হোসেন, লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, র‌্যাব-৪ অধিনায়ক মোহাম্মদ লে. কর্নেল আবদুর রহমান, র‌্যাব-৯ অধিনায়ক উইং কমান্ডার মো. মোমিনুল হক, র‌্যাব-১৩ অধিনায়ক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম, র‌্যাব-৩ মেজর জুলকার নায়েন প্রিন্স, র‌্যাব-৮ মেজর জাহাঙ্গীর আলম, র‌্যাব-১১ মেজর সানরিয়া চৌধুরী, মেজর রিফাত বিন আসাদ, গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিচালক মেজর শেখ ইউসুফ আহমেদ, র‌্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান, র‌্যাব সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এইচ এম মনজুর মোর্শেদ, র‌্যাব-১৫ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান ও র‌্যাব-১৪ আনোয়ার হোসেন।

পিপিএম পদক পাচ্ছেন ১১ জন সদস্য। তারা হলেন- র‌্যাব-১০ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান, সদরদপ্তরের মেজর নুর এ শহীদ ফারাবী, র‌্যাব-১৩ মেজর সরফরাজ আখতার, র‌্যাব-১০ এর উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম, র‌্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার এম সারোয়ার হুসাইন, র‌্যাব-৫ এর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মারুফ হোসেন খান, র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার নোমান আহমদ, র‌্যাব সদরদপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার রকিবুল হাসান, র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার জামিলুল হক, র‌্যাব-১২ কনস্টেবল কৃষ্ণ চন্দ্র এবং র‌্যাব-৬ এর সৈনিক নাজমুল হোসেন।

পিপিএম সেবা পাচ্ছেন- সদরদপ্তরের পরিচালক লে. কর্নেল মীর আসাদুল আলম, পরিচালক উইং কমান্ডার মো. রোকনুজ্জামান, র‌্যাব-১ এর মেজর মাসুদ হায়দার, সদরদপ্তরের মেজর এ এইচ এম আদনান তফাদার, মেজর এ এস এম মাঈদুল ইসলাম, মেজর মো. মশিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব হোসেন কাজল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল চৌধুরী, র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ রানা, র‌্যাব-৭ পতেঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল, র‌্যাব-১১ এর লে. কমান্ডার মাহমুদুল হাসান, র‌্যাবের কমিউনিকেশন অ্যান্ড এমআইএস উইংয়ের স্কোয়াড্রন লিডার জেহাদী হাসান, র‌্যাব-৭ এর স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, র‌্যাব-২ এর স্কোয়াড্রন লিডার সানোয়ার হোসেন, র‌্যাব-১২ এর এসআই উত্তম কুমার রায়।

;

ট্রাক চাপায় প্রাণ গেলো দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রাম সদরে মোটরসাইকেল ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাদমান সাদিক (১৬) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহত সাদমান সাদিক কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এসময় মোটরসাইকেলের থাকা হিমু নামের অপর আরোহী গুরুতর আহত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় কুড়িগ্রাম ধরলা ব্রিজ পশ্চিম পাড় ঠ্যানারি পাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত সাদিক পৌর শহরের পলাশবাড়ী বানিয়া পাড়া গ্রামের ঠিকাদার ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে। সে আগামী বছর এসএসসি পরিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের ঠ্যানারি পাড়া এলাকায় ভুরুঙ্গামারী থেকে ছেড়ে আসা ট্রাকের সাথে মোটরসাইকের সংঘর্ষ ঘটে। এসময় ট্রাকের ভিতরে ঢুকে পরে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ট্রাকের ভেতরে আটকে পড়া মোটরসাইকেলের দুই আরোহীকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। হাসাপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শারমিন সিদ্দিকী, ওই কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর মোটরসাইকেল আরোহী হিমুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে। ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

কোম্পানীগঞ্জে পুকুরে ধরা পড়ল রুপালী ইলিশ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পুকুরে ধরা পড়েছে একটি রুপালী ইলিশ। খবর পেয়ে স্থানীয়রা মাছটি দেখতে ভিড় জমায় ও ছবি তোলে এবং ভিডিও ধারণ করে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের ভূমি মার্কেট এলাকার নাডার দোকান সংলগ্ন এনামুল হক ওরফে মিয়া মেম্বারের প্রজেক্টের পুকুরে মাছটি ধরা পড়ে।

পুকুরের মালিকের ছেলে বসুরহাট পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তা আবু নাছের সজিব বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আমাদের প্রজেক্টের মসজিদের পুকুরে মাছ ধরতে সেচ মেশিন বসানো হয়। পুকুরের পানি কমলে শুক্রবার সকালে জাল টেনে কোরাল, কার্ফু, তেলাপিয়াসহ কিছু মাছ ধরা হয়। একই সময়ে একটি ইলিশও জালে ধরা পরে। ইলিশটির ওজন প্রায় ৬'শ গ্রাম হবে। তাৎক্ষণিক আমি মাছটির ঘ্রাণ রং দেখে এটি ইলিশ মাছ বলে নিশ্চিত হয়েছি। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, আমি এ ইলিশ মাছের ছবি দেখেছি। চরফিকরা ও চরএলাহী ইউনিয়ন হচ্ছে নদী বেষ্টিত এলাকা। হয়তো জোয়ারের পানিতে ইলিশ মাছ ঢুকে পড়ে এই পুকুরে বড় হয়।

;