‘গুণী হতে কোন বয়স লাগে না’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
‘গুণী হতে কোন বয়স লাগে না’

‘গুণী হতে কোন বয়স লাগে না’

  • Font increase
  • Font Decrease

জাগ্রত গ্রুপের চেয়ারম্যান জাগ্রত মহানায়ক শিহাব রিফাত আলম বলেছেন, গুণী হতে কোন বয়স লাগে না। সমাজের জন্য কাজ করলেই কেবল গুণী হওয়া যায়। ‘যারা সমাজের জন্য, জাতির জন্য ও দেশের জন্য অবদান রাখেন, তাদের সম্মান করা, গুণিজনের সম্মান করাটাও আমি মনে করি আমাদের কর্তব্য।’ আজকের এই অনুষ্ঠানে অনেক গুণী ব্যক্তিদের গল্প শুনে আমার অনেক ভালো লাগছে।

শুক্রবার রাতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি কনফারেন্স রুমে কুষ্টিয়া জাগ্রত সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে 'সফল যারা কেমন তাঁরা' শীর্ষক আড্ডা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন।

তিনি বলেন, আমরা যদি গুণীজনদের খুঁজে বের করি, তাদের সম্মান দেখাই, তাহলে জাতিকেই সম্মান দেখানো হয় এবং তা জাতিকে সমৃদ্ধ করে। গুণীজনরা তাদের কাজের স্বীকৃতি পেলে ভালো থেকে আরও ভালো করেন, অন্যদেরও উৎসাহ বাড়ে।’

তিনি বলেন, মানুষের জন্ম হয় সফলতার জন্য, ব্যর্থতার জন্য নয়, তাই আমি মনে করি গুনি তো তারাই, যে পৃথিবী জয় করেছে সে কখনো কোন অযুহাত দেখায়নি। যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য সম্মান করতে না পারলে সমাজে গুণী ব্যক্তির সৃষ্টি হয় না। মানুষকে সম্মান করতে পারলেই কেবল সম্মান পাওয়া যায়। তাই মানুষের প্রতি যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ দেখাতেও অনুরোধ জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশটা আমার। আমি বাংলাদেশকে নিয়ে গর্ব করি। ‘আপনারা আজকে এখানে যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত, তাদের আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। কারণ আপনারা সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন। শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, প্রতিটি ক্ষেত্রেই আপনাদের অবদান রয়েছে।’

জাগ্রত গ্রুপের চেয়ারম্যান জাগ্রত মহানায়ক শিহাব রিফাত আলম আরও বলেন, ‘এ দেশে চিন্তাবিদ, সাধক, দার্শনিকের জন্ম হয়েছে। গায়ক, কবিদের জন্ম হয়েছে; লোকসাহিত্যের জায়গা তৈরি হয়েছে। সৃজনশীল প্রতিভাব বিকাশে কাজ করছে জাগ্রত সাহিত্য পরিষদ। তাছাড়া ব্যবসায়ীদের কল্যাণে জাগ্রত ব্যবসায়ীসহ মানবিক কর্মকাণ্ড, রক্তদান কর্মসূচি, অনাহারীদের খাবার বিতরণ সহ অলাভজনক ৮ টি সেবার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। আমরা আমাদের সীমিত সার্মথ্য দিয়ে কবি সাহিত্যিকদের সৃষ্টিকর্ম জাতির সামনে তুলে ধরতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছি। আলোকিত দেশ গড়তে সবসময় আমরা এই জাগ্রত কাজ করে যাবে।


নজরুল একাডেমি কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি ও কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক বাংলাদেশ বার্তা পত্রিকার আবদুর রশীদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক এসএম জামাল এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সুজন রহমান, জাগ্রত সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ভালোবাসার কুষ্টিয়ার চেয়ারম্যান হাসান টুটুল, সুইমিং ফেডারেশন এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা লেখক ও কলামিষ্ট মো: শহীদুল্লাহ, জাগ্রত ব্যবসায়ী জনতা কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম প্রচার সম্পাদক রাসেল মিয়া, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম, জাগ্রত সাহিত্য পরিষদের প্রচার সম্পাদক মেজবাহ উল আলম নাসিম প্রমুখ।

আড্ডায় অংশ নিয়ে জীবনের গল্প বলেন, রক্তযোদ্ধা সাদিক হাসান রহিদ, তিন প্রজন্মের নাট্যভিনেতা শাহীন সরকার, সফল ফ্রিল্যান্সার অনিক মাহমুদ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সুজন রহমান, দেশসেরা সাঁতারু আমীরুল ইসলাম, পশুপাখি প্রেমী শাহাবুদ্দিন মিলন, ,জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নাদিরা খানম, জেলার শ্রেষ্ঠ জয়ীতা নারী উদ্যোক্তা ঝর্ণা বেগম, ক্যান্সার সোসাইটির ফরিদুল ইসলাম, গনহত্যা বিষয়ক গবেষক ইমাম মেহেদী ও সমাজকর্মী কারশেদ আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষা, সাহিত্যে, সমাজসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ১৫ জনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

   

বিএনপির ষড়যন্ত্র বাংলার জনগণ সফল হতে দিবে না: পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বিএনপির অপপ্রচার করার মতো বলার ভান্ডার শূন্য হয়ে গেছে। বিশ্ব মোড়লদের কথায় ক্ষমতার ঘোর স্বপ্ন দেখেছিল তারা। সেটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। তাই বিএনপির কোন ষড়যন্ত্র আর বাংলার জনগণ সফল হতে দিবে না।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে তিনদিন ব্যাপী 'পাট বহুমুখী পন্য মেলার' উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, কোন কুচক্রীয় মোড়লের চোখ রাঙানোর কাছে মাথা নত করার পর্যায়ে বাংলাদেশ আর নেই। পোশাক শিল্প যেভাবে বিশ্ববাজার দখল করেছে। ঠিক সেভাবে পাট ও চামড়াজাত শিল্পকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে সরকার। এছাড়াও পাট পণ্যের হারোনো গৌরবোজ্জ্বল ফেরাতে নানামুখী উদ্যোগের কথা জানান মন্ত্রী।

পরে মন্ত্রী রংপুর শিল্পকলা অডিটরিয়ামে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও পাট অধিদপ্তর, জেডিপিসি,বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

;

১১ দফা দাবি নিয়ে প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

১১ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আশিকুল আলম বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নৌপরিবহন শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রায় শত ভাগ ব্যক্তিমালিকানায় পরিচালিত এই শিল্প স্বল্প ব্যয়ে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। প্রটোকল রুটসহ বহিঃবিশ্বের সাথে আমদানি ও রফতানি পণ্য পরিবহন অনেকাংশেই নৌপরিবহনের উপর নির্ভরশীল হওয়া সত্ত্বেও নৌযান শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও নিরাপত্তার বিষয়টি সব সময় উপেক্ষিত থেকেছে। আমরা সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে বছরের পর বছর দাবি জানিয়ে ও সংগ্রাম করে আসছি। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে দাবি মেনে নিয়ে কিছু কিছু কার্যকর করলেও অধিকাংশ সিদ্ধান্তই অকার্যকর অবস্থায় উপেক্ষিত থেকে যায় বছরের পর বছর।

তিনি বলেন, নৌযান শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে কন্ট্রিবিউটারি প্রভিডেন্ট ফান্ড ও নাবিক কল্যাণ তহবিল গঠন এবং প্রত্যেক শ্রমিককে মালিক কর্তৃক নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র-সার্ভিসবুক প্রদানের দাবি মালিক, শ্রমিক ও সরকারের মধ্যে ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে ত্রিপক্ষীয় সভায় সর্বসম্মতভাবে মেনে নেওয়ার ৪ বছর অতিবাহিত হলেও এখন অব্দি তা বাস্তবতার মুখ দেখেনি। দুর্ঘটনা ও কর্মস্থলে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরন ১০ লাখ টাকার যৌক্তিক দাবির বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। মালিকদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং এক শ্রেণির অতি মুনাফা লোভী অসৎ ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যে পণ্য পরিবহনের শৃঙ্খলা ভেঙ্গে যাওয়ায় এ শিল্প আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক বলেন, শ্রমিকের জীবিকা ও শিল্পের প্রয়োজনে অচিরেই সকল মালিক সমিতিকে এক প্লাটফর্মে এনে এককেন্দ্রীক সিরিয়ালের মাধ্যমে পণ্যপরিবহনে সমতা বিধান করা না গেলে চট্টগ্রাম থেকে পণ্যপরিবহনে নিয়োজিত প্রায় ২ হাজার জাহাজের অর্ধেক জাহাজ লোকসানের বোঝা বহন করতে না পেরে বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ হাজার হাজার নৌশ্রমিক বেকার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে শতাধিক যাত্রীবাহী লঞ্চ বন্ধ হয়ে কয়েক হাজার বেকার হয়ে পড়া শ্রমিকের সাথে যুক্ত হয়ে বেকার সমস্যা প্রকট আকার ধারন করবে। পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী জাহাজের অনেক মালিক নিয়মিত বেতন পরিশোধ করতে পারছে না। ২০২২ সালের নভেম্বর মাস থেকে নতুন-মজুরি কাঠামো কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও পণ্য পরিবহনে সমতা না থাকায় বিশেষ সুবিধাভোগী মালিক সম্প্রদায়ের মালিকরা গেজেট অনুযায়ী মজুরি প্রদান করলেও এখনো ৪০ শতাংশের বেশি শ্রমিক গেজেট মোতাবেক বেতন না পেয়ে চরম অর্থ সংকটের মধ্যে দিনাতিপাত করছে।

বক্তব্যে আরো বলা হয়, পণ্যপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ইতিপূর্বে আমরা গত ২ ও ২৫ জানুয়ারি নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বরাবর ২ টি চিঠি পাঠাই। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় নৌপরিহন অধিদপ্তর পণ্যপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে যৌক্তিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও স্বার্থান্বেসি মহলের চক্রান্তে সেটা থমকে গেছে। অতিদ্রুত পণ্যপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হল আসন্ন ঈদ-উল-আযহার বেতন বোনাস না পাওয়াসহ চাকরি রক্ষার বিষয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে নৌ শ্রমিকরা।

এসব সমস্যার সমাধানে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ১১ দফা দাবি নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর নিকট উপস্থাপন করা হলেও এখন অব্দি তার কোনো অগ্রগতি হয় নি।তবে আগামী ৩০ মে আমাদের দাবি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রনালয় সভা আহবান করা হয়েছে। এরপরেও দাবি বাস্তবায়িত না হলে আমরা কর্ম বিরতির কর্মসূচি শুরু করতে বাধ্য হবো।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো শাহ আলম,কোষাধ্যক্ষ হাবিবুল্লা বাহার, নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের সভাপতি আজিজুল হক প্রমুখ।

;

সংসদ সদস্য আজীম হত্যা: কলকাতায় ক্যাবচালক আটক, জিজ্ঞাসাবাদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে অ্যাপচালিত এক ট্যাক্সিক্যাবচালককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে কলকাতার গোয়েন্দা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক আনন্দবাজার এ খবর জানায়।

খবরে জানানো হয়, বাংলাদেশের সংসদ সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এবার সিআইডির নজরে এক অ্যাপ ক্যাবচালক। মামলার তদন্তের সূত্র ধরে ওই চালককে তলব করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তাকে আটক করে জেরা করছেন সিআইডি গোয়েন্দারা। হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তবে দৈনিক পত্রিকাটি আটক ক্যাবচালকের নাম প্রকাশ করেনি।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, চিকিৎসা করাতে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় এসেছিলেন সে দেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম। কলকাতায় এসে প্রথমে তিনি উঠেছিলেন বরাহনগরে এক বন্ধুর ফ্ল্যাটে। দুইদিন সেখানে থাকার পর সেখান থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি তিনি।

আনোয়ারুল আজীম আনার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। পরে এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি।

বাংলাদেশের সংসদ সদস্য খুনের ঘটনার তদন্তে নিউ টাউনের একটি ফ্ল্যাটের খোঁজ পায় স্থানীয় থানার পুলিশ। সেই ফ্ল্যাটেই চাপ চাপ রক্তের দাগ। সেখান থেকেই নমুনা সংগ্রহ করেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা।

তদন্তভার হাতে নেওয়ার পরে বুধবার এই ফ্ল্যাটে ঘুরে যান সিআইডির আইজি অখিলেশ চতুর্বেদী।

তিনি জানান, গত ১৮ মে একটি নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। তারপর ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট একটি এসআইটি গঠন করে। তদন্ত করতে গিয়ে তারা এই ফ্ল্যাটের খোঁজ পান।

তদন্ত করতে এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেন গোয়েন্দারা। তদন্তে তারা জানতে পারেন, বরাহনগর থেকে একটি গাড়িতে চেপে নিউ টাউনের ফ্ল্যাটে যান আনোয়ারুল আজীম। সিআইডি ইতোমধ্যে সেই গাড়িরচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সেখানকার আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে গোয়েন্দারা একটি অ্যাপ ক্যাবের খোঁজ পান।

এদিকে, বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল ঢাকা এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি ও তথ্য জানাতে তারা ঢাকা আসছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।  

;

‘এখন অধিকাংশ নিরক্ষর জনগোষ্ঠী শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

এখন অধিকাংশ নিরক্ষর জনগোষ্ঠী শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন মন্তব্য করে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত ও শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রকল্প পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করেছে সরকার। প্রকল্পটির আওতায় অধিকাংশই সমাজের অবহেলিত, দরিদ্র ও নিরক্ষর জনগোষ্ঠী শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাজশাহী ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের গুরুত্ব’ বিষয়ে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগীয় কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত ও শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের মাধ্যমে মসজিদের ইমামরা শিক্ষাকেন্দ্রে শিশু শিক্ষার্থীদেরকে বাংলা, অঙ্ক, ইংরেজি, আরবি, নৈতিকতা ও মূল্যবোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা দিয়ে আসছেন। এর ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগীয় কার্যালয় রাজশাহীর পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) ফয়সাল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. মহিনুল হাসান, আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার নূর আলম সিদ্দিকী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. এএনএম মাসউদুর রহমান প্রমুখ।

;