প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২৯ ডিসেম্বর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষার আগামী ২৯ ডিসেম্বর। ২৭ ডিসেম্বর বিতরণ করা হবে প্রবেশপত্র।

ওই দিন উপজেলা পর্যায়ে বেলা ১১টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টায় পরীক্ষা শেষ হবে। দুই ঘণ্টার এ পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে ২৫ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে।

এর আগে ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে স্কুল থেকে প্রবেশপত্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সুষ্ঠুভাবে বৃত্তি পরীক্ষা নিতে বৃহস্পতিবার উপজেলা ও থানা শিক্ষা অফিসগুলোকে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পঞ্চম শ্রেণির বার্ষিক মূল্যায়নে প্রতিদিনের উত্তরপত্র প্রতিদিন মূল্যায়ন করতে হবে। ১৯ ডিসেম্বর পরীক্ষা শেষে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে হবে। এরপর ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে পঞ্চম শ্রেণির ফল প্রকাশ করতে হবে।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে প্রস্তুতকৃত ডিআর ফরম ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে উপজেলা শিক্ষা অফিস সংগ্রহ করবে। উপজেলা শিক্ষা অফিস ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে জেলায় ডিআর পাঠাতে হবে। জেলা থেকে অবশ্যিকভাবে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ডিআর পাঠাতে হবে।

দেশে আর্সেনিক আক্রান্ত রোগী ৬৫ হাজার ৯১০ জন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমানে দেশে আর্সেনিক রোগে আক্রান্ত রোগী ৬৫ হাজার ৯১০ জন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংসদে সরকারি দলের সদস্য মামুনুর রশীদ কিরনের টেবিলে উপস্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০১২ সালের সর্বশেষ খানা তল্লাশি হিসাব অনুযায়ী এ তথ্য তৈরি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ফলে জনগণের মাঝে সচেতনা সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ এখন আর্সেনিক মুক্ত নিরাপদ পানি পান করছেন, ফলে বর্তমানে আর্সেনিক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত রোগী কমে গেছে।

আর্সেনিক রোগীর চিকিৎসায় সরকার আন্তরিক উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, তাদের চিকিৎসার জন্য সরকার দেশের সব সরকারি হাসপাতালে মাল্টিভিটামিন জাতীয় ওষুধ, ভিটামিন এ ক্যাপসুল, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, স্যালিসাইলেট ক্রিম বিতরণসহ অন্যান্য সুলভ চিকিৎসা নিশ্চিত করে যাচ্ছে।

সরকারি দলের সদস্য হাবিবে মিল্লাতের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভিটামিন-ডি লেভেল পরীক্ষার জন্য জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবরেটরিতে একটি আধুনিক ভিটামিন-ডি পরিমাপক এনালাইজার কোভিডকালীন স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভিটামিন-ডি পরীক্ষা করা হয়।

কোভিড পরবর্তী পুষ্টি পরিস্থিতি এবং জনগণকে উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে সমীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

;

মানসম্পন্ন শিক্ষা না থাকায় ৫ মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম স্থগিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, আইন ও নীতিমালা অনুসারে মানসম্পন্ন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা না করায় ৫টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গার টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে মোট ৭৬টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতিমালা অনুসারে মানসম্পন্ন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা না করায় ৫টি মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে এবং ১টি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।

বর্ণিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর এবং বিএমএন্ডডিসি কর্তৃক তদারকি করা হয়। একই সাথে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়/মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও তদারকি করা হয়।

তিনি বলেন, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন, ২০২২ এবং বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা নীতিমালা ২০১১ (সংশোধিত) অনুযায়ী গঠিত কমিটির মাধ্যমে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার মান তদারকি করা হয়। বর্ণিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজসমূহে সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে মানসম্পন্ন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারায় এ সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী গঠিত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ৫টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে এবং ১টি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।

ইতিপূর্বে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ পরিচালনা নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করায় প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

যে ৫টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে এগুলো হলো- ঢাকার আশুলিয়ার নাইটিংগেল মেডিকেল কলেজ, নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, রংপুরের নর্দান প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ, ঢাকার আইচি মেডিকেল কলেজ এবং রাজশাহীর শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ।

;

হেম আশ্রমে লালন সঙ্গীত শুনলেন তুরস্কের রাষ্ট্রদূত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
হেম আশ্রমে লালন সঙ্গীত শুনলেন তুরস্কের রাষ্ট্রদূত

হেম আশ্রমে লালন সঙ্গীত শুনলেন তুরস্কের রাষ্ট্রদূত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর হেম আশ্রম পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত হিজ এক্সসিলেন মিস্টার মুস্তফা উসমান তুরান। এসময় তিনি লালন সঙ্গীত শুনেন।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রাগপুর হেম আশ্রমে আসলে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। প্রবীণ বাউল ফকির নহির শাহ এই আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা।

বাংলাদেশে বসবাসরত ফরাসি নাগরিক ও লালন সাধক দেবোরাহ কিউকারম্যান জান্নাতের আমন্ত্রণে মোস্তফা ওসমান তুরান হেম আশ্রম পরিদর্শন করেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত আশ্রমে সাধু ভক্তদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সেখানে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন। এরপর বিকেলের দিকে ঢাকার উদ্দেশে দৌলতপুর ত্যাগ করেন।

এদিন বেলা ১১টার দিকে হেলিকপ্টার যোগে দৌলতপুর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের মথুরাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে নামেন তিনি। এসময় তাকে দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এজাজ আহম্মেদ মামুন ,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল জব্বার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু রাসেল রাষ্ট্রদূতকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

হেম আশ্রমের প্রতষ্ঠাতা ফকির নহির শাহ জানান, লালন সাধক দেবোরাহ কিউকারম্যান জান্নাতের আমন্ত্রণে মোস্তফা ওসমান তুরান হেম আশ্রম পরিদর্শন করেন। এসময় আশ্রমে সাধু ভক্তদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আমরা লালন সঙ্গীত শুনিয়েছি। পরে আশ্রমে একটি আমের গাছ রোপণ করেন তিনি (রাষ্ট্রদূত)।

মরমি সাধক ফকির লালন শাহকে নিয়ে গবেষণার জন্য সুদূর ফ্রান্স থেকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম গবেষণার কাজে বাংলাদেশে আসেন দেবোরা কিউকারম্যান। সাধুসঙ্গে এসে লালন দর্শনের প্রেমে পড়ে যান এই নারী। তারপর আর দেশে ফিরে যাননি। এরপর প্রখ্যাত বাউল ফকির নহির শাহের শিষ্য হন। অবিবাহিত দেবোরা গুরুর আস্তানায় বসবাসকারী নহির শাহের আরেক শিষ্য রাজনকে বিয়ে করেন। এখনো গুরুর কাছে আত্মিক শান্তি ও সৃষ্টি রহস্য খুঁজতে দীক্ষা নিচ্ছেন। ফকির লালন শাহকে যতই জেনেছেন ততই তার প্রেমে পড়েছেন তিনি। বেড়েছে শ্রদ্ধা, ভক্তি ও প্রেমবোধ। বর্তমানে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বসবাস করছেন তিনি। মাঝে মাঝে ফ্রান্সে ঘুরতে যান। নাম বদল করে হয়েছেন দেবোরা জান্নাত।

;

শত বছরের ডুবের মেলায় জনস্রোত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ডুবের মেলা

ডুবের মেলা

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের বাসাইলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঐতিহ্যবাহী ডুবের মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বাসাইল সদর এবং কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের বংশাই নদীর পূর্ব-উত্তর তীরে রাশড়া-সৈয়দামপুর গ্রামে দিনব্যাপী কয়েক হাজার লোকের সমাগমে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

দেবতার (মাদব ঠাকুর) মূর্তিতে প্রণাম স্মরণ করে ভোরে গঙ্গাস্নানের মাধ্যমে মেলার বা পূজার কার্যক্রম শুরু করা হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের পাপ মোচনের লক্ষে ভোরে মানত ও গঙ্গাস্নান পর্ব সমাপন করে।

তবে চলাচলের সুবিধা না থাকায় মেলায় আগতরা মেলাস্থলে যাতায়াত এবং ঠিক সময়ে গঙ্গাস্নানের জন্য পৌঁছাতে পারছেন না বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানায়, বৃটিশ শাসনামলে বক্ত সাধু নামে খ্যাত এই সন্যাসীর (মাদব ঠাকুর) মূর্তি প্রতিস্থাপন করে মনোবাসনা পূর্ণ করতে গঙ্গাস্নান, পূজাঅর্চনা করা শুরু হয়। ওই সময়ে অনেকে এসব করে সফল হয়েছে বলে লোকমুখে প্রচলিত। তখন থেকে প্রতিবছর মাঘী পূর্ণিমার রাত থেকে গঙ্গাস্নান, পূজাঅর্চনা চলতে থাকে এবং পরে স্থানীয় সনাতনীরা একে মেলা এবং আনন্দ উৎসব হিসেবে পালন করে আসছে। ওই সময় থেকে এটা ডুবের মেলা নামে পরিচিত।

মেলায় বিভিন্ন মিষ্টি জাতীয় খাবার, বাঁশবেতের তৈজসপত্র, মাটির তৈরি খেলনা, হাঁড়িপাতিল, বড় মাছ এবং চিড়া-দই, খইসহ বিভিন্ন দোকানিরা তাদের পসরা সাজিয়ে বসে। মেলায় আসা দোকানি সাধুকর বলেন, প্রত্যন্ত গ্রামে এত লোকের সমাগম হয় এটা অবিশ্বাস্য। বেচাকেনাও ভালো।

মিষ্টি দোকানি দীপক বলেন, প্রতিবছর প্রায় ১০ মণ মিষ্টি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার বিক্রি করি। কোন বাকি নেই । নগদ বিক্রি হয় বলে বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের এই মেলায় দোকান দেবার বেশি আগ্রহ দেখা যায়।

ডুবের মেলার আয়োজক জীবন মন্ডল বলেন, প্রায় দেড়’শ বছর ধরে মাঘীপূর্ণিমার সময় আমার পূর্বপূরুষেরা এই মেলার আয়োজন করে আসছে। আমি এই মেলায় ষাট বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছি। এই মেলা উপলক্ষে পার্শ্ববর্তী সখিপুর, মিজার্পুর, ভালুকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের কয়েক হাজার লোকজনের সমাগম হয়। ভোর স্নানের মাধ্যমে শুরু করে দিনব্যাপী এই মেলা চলে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় জমির আইল ধরে পায়ে হেঁটে এই মেলায় আসতে হয় দর্শনার্থীদের। যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় গতবছর অনেক পূর্ণার্থী গঙ্গাস্নানে আসতে পারেনি।

কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আল মামুন জানান, শুনতে পেরেছি ডুবের মেলা যুগ যুগ ধরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ, জমির আইল ধরে দর্শনার্থীরা যাতায়াত করছে। চেষ্টা করছি এবছর নিজ উদ্যোগে বা প্রকল্পের মাধ্যমে এই রাস্তা করে দেবো।

;