একাত্তরের নৃশংসতা ঘুমাতে দেয় না অঞ্জু রায়কে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জু রায়

বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জু রায়

  • Font increase
  • Font Decrease

অঞ্জু রায় (৭২), একজন নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা । তার বাড়ি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে। ১৯৭১ সালে শরণার্থী ক্যাম্পে আহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা দিয়েছেন তিনি।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের হানাদারবাহিনীর ভয়াবহ নৃশংসতা এবং বাংলার মুক্তিকামী মানুষের স্বদেশ প্রেমের কথা এখনো মনে পড়ে তার। পাকিস্তানিদের বর্বরতার কথা মনে পড়লে তিনি এখনো ঘুমাতে পারেন না বলে জানান। সেদিনের সেই ভয়াল রাত্রিগুলো তাকে এখনো তাড়া করে ফেরে।

বার্তা২৪.কমের এই প্রতিনিধির সঙ্গে কথা হয় অঞ্জু রায়ের। একান্ত সাক্ষাৎকারে গল্প শোনান তিনি সেই দুর্বিষহ দিনের কথা। সেদিনের সেই ভয়াবহতার বর্ণনা দিতে গিয়ে অঝরে কেঁদে ফেলেন তিনি। স্মরণ করেন স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে।

মুক্তিযোদ্ধা সনদ

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অঞ্জু রায় বলেন, দেশে যখন যুদ্ধ বাঁধে তখন আমি কুষ্টিয়া গার্লস কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হলে আমি বাবার বাড়ি ইসলামপুর ইউনিয়নের ঠাকুর নওপাড়া গ্রামে চলে আসি। তারপরের ইতিহাস অনেক কষ্টের ইতিহাস।

নিজ জন্মভূমি ছেড়ে ১৯৭১ সালে সম্ভবত এপ্রিলের মাঝামাঝি আমরা সপরিবারে দেশ ত্যাগ করে পাড়ি জমায় ভারতে। আশ্রয় মেলে কল্যানীর ৬নং ক্যাম্পে। বাবা মৃত কুঞ্জ বিহারী রায় ছিলেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। আমরা যে ক্যাম্পে আশ্রিত ছিলেন সেই ক্যাম্পে বাবা অসুস্থ শরণার্থী ও আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা প্রদান করতে থাকেন। বাবার সঙ্গে আমিও নার্সিংয়ের কাজ করতে থাকি।

একদিন কলকাতার বনগাঁ থেকে আমাদের ক্যাম্পে আসেন ডাক্তার ননী গোপাল সাহা। তিনি ক্যাম্পে এসে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুচিকিৎসা ও সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ম্যাট্রিক পাস মেয়ে খুঁজতে থাকেন। ওই ক্যাম্পে আমিই একমাত্র মেয়ে ছিলাম যে কিনা বিজ্ঞানে ম্যাট্রিক পাস। প্রথম দিকে আমি একটু সংশয়ে ছিলাম। বিষয়টি মা শিশু বালা রায় ও বাবা বুঝতে পেরে তারা আমাকে বলেন- আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তুমি সামনে না আগালে আমরা পিছিয়ে পড়ব। এ কথার পর আর বসে থাকিনি। ডা. ননী গোপাল সাহার সঙ্গে চলে আসি এক কাপড়ে। তারপর ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে কাঁধে নেই দুটি হাসপাতালের দায়িত্ব।

বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জু রায়

আমার সেবার আন্তরিকতা দেখে আমাকে টিম লিডার করে দেন। আমার নিয়ন্ত্রণে ৭ জন স্বেচ্ছাসেবক নার্স ছিলেন। আমাদের টিম দিনরাত ২৪ ঘণ্টা আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্থ করতে কাজ করেছে। বালিয়াকান্দির সাধুখালী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সুকুমারকেও আমি চিকিৎসা দিয়েছি। তিনি গুলিবিদ্ধ ছিলেন। এখনো তিনি বেঁচে আছেন।

দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে আমরা আবার সপরিবারে দেশে ফিরে আসি। স্বাধীন দেশের মাটিতে পা রাখার কি অনুভূতি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। তবে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ দেখে কেঁদে ছিলাম। কি বর্বরতায় না চালিয়েছিল পাকিস্তানি দোসররা। একাত্তরের ভয়াবহতার কথা মনে পড়লে আজও ঘুমাতে পারি না।

আবেগজড়িত কণ্ঠে অঞ্জু রায় বার্তা২৪.কম-কে বলেন, যেদিন দেশ শত্রুমুক্ত হলো সেদিন প্রতিটি শরণার্থী ক্যাম্পে কি আনন্দ। সবাই উচ্ছ্বসিত। সবার কণ্ঠেই একই স্লোগান ‘জয় বাংলা’। সবাই মন খুলে গাইতে থাকে দেশের গান।

স্বাধীন দেশে এখন কেমন আছেন- এমন প্রশ্ন করলে তার জবাবে অঞ্জু রায় বার্তা২৪.কম-কে বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদের আত্মত্যাগের এই রক্তস্নাত সোনার বাংলায় আজও শকুনের থাবা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে সোনার বাংলা গড়তে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন তা নিঃসন্দেহে আরেকটি এযুগের মুক্তিযুদ্ধ। যতদিন শেখ হাসিনা থাকবেন ততদিন আমরা মুক্তিযোদ্ধারা ভালো থাকব। ততদিন দেশ ভালো থাকবে, দেশের মানুষ ভালো থাকবে।

   

বেইলি রোডে আগুন: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বেইলি রোডে আগুন

বেইলি রোডে আগুন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে আগুনে পুড়ে নিহত বেড়ে ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। দগ্ধ আরও বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এতথ্য জানিয়েছেন।

আইজিপি বলেন, বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট নিহত হয়েছেন ৪৪ জন। রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে ১ জন, ঢামেক হাসপাতালে ৩৩ জন ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১০ জনের মরদেহ রয়েছে।

এর আগে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, বার্ন ইন্সটিটিউটে এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। অপর দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৩ জন মারা গেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, যারা এখন পর্যন্ত বেঁচে আছেন। তাদের বেশির ভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা বেঁচে আছে তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন। বাইরে কেউ আছে কি না এখনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঢামেক ১৪ জন ও বার্নে ৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাদের অবস্থা গুরুতর।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সবাইকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান তারা। প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৯টা ৫৬ মিনিটে। পরে আগুনের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়লে আরও ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও এনএসআই।

;

অগ্নিঝরা মার্চের শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাঙালি জাতির স্বপ্নসাধ যৌক্তিক পরিণতির মাস অগ্নিঝরা মার্চ আজ শুরু। বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম ঘটনা হচ্ছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এই ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক-রাজনৈতিক স্বপ্নসাধ পূরণ হয় এ মাসে। এই মাসেই জাতি এবার পালন করবে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী।

একাত্তরে এই মাসের ২৫ মার্চে বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে গ্রেফতার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা হয়। আবালবৃদ্ধবনিতা যোগ দেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে জাতি লাভ করে স্বাধীনতা।

এর আগে জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চ পাকিস্তানি শাসকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবে না। মরতে যখন শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না। রক্ত যখন দিয়েছি, আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো- ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসর্কোস ময়দানে দেওয়া এই ঐতিহাসিক ভাষণের সময় মুহুর্মুহু গর্জনে উত্তাল ছিল জনসমুদ্র। লাখো কণ্ঠের একই আওয়াজ উচ্চারিত হতে থাকে দেশের এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। ঢাকাসহ গোটা দেশে পতপত করে উড়ছিল সবুজ জমিনের উপর লাল সূর্যের পতাকা।

২৫ মার্চের কালোরাতে পাকিস্তানিরা বাঙালির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার লক্ষ্যে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে বাঙালি নিধনে গণহত্যা শুরু করে। ঢাকার রাস্তায় বেরিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যরা নির্বিচারে হাজার হাজার লোককে হত্যা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ছাত্র-শিক্ষককে হত্যা করে।

;

তরুণকে থানায় পেটানোর অভিযোগে এসআই ক্লোজড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সেনবাগ থানায় আবদুল্লাহ আল নোমান (২৩) নামের এক তরুণকে পেটানোর অভিযোগে উপপরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় সিকদারকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী আবদুল্লাহ আল নোমান উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের উত্তর কাদরা মজুমদার বাড়ির বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে জেলা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপারের দায়িত্বে থাকা নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ ইব্রাহীম। একই দিন দুপুরের দিকে থানায় আটক বড় ভাইয়ের খবর নিতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে শাহাদাত হোসেনকে বাড়ির পাশ থেকে বিনা কারণে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। খবর পেয়ে তার ছোট ভাই নোমান খোঁজ নিতে থানায় যায়। থানায় উপপরিদর্শক সঞ্জয় সিকদারের কাছে তার বড় ভাইকে আটকের কারণ জিজ্ঞাসা করেন। এ নিয়ে ওই উপপরিদর্শকের সঙ্গে নোমানের কথা-কাটাকাটি হয়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে নোমানকে থানার একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে বেধড়ক পিটান ওই উপপরিদর্শক। এতে নোমান অসুস্থ হয়ে পড়লে পুলিশ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-পরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় সিকদার বলেন, শাহাদাত হোসেনকে গাঁজাসহ আটক করা হয়েছে। তাকে থানায় আনার পর তার আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সামান্য ঝামেলা হয়েছে। নোমান নামে কাউকে তিনি চেনেন না। নোমানকে কারা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন, সেটিও তিনি জানেন না বলে জানান।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, আটক ভাইয়ের খোঁজ নিতে যাওয়া তরুণকে থানায় পেটানোর অভিযোগ উঠায় সেনবাগ থানায় কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় সিকদারকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড (সংযুক্ত) করা হয়েছে। অভিযোগ তদন্তে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

;

বেইলি রোডে আগুন: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা আনোয়ার ইসলাম দোলন।

তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরীকে। সদস্য সচিব ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন। কমিটির বাকি তিন সদস্য হলেন ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট জোনের ডিএডি, সিনিয়র স্টেশন অফিসার ও ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর।

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে আগুনে পুড়ে নিহত বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে। দগ্ধ আরও বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান তারা। প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৯টা ৫৬ মিনিটে। পরে আগুনের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়লে আরও ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও এনএসআই।

;