যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ৫১ শতাংশ বেড়েছে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৭ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময়ে বাংলাদেশ থেকে তাদের পোশাক আমদানি বেড়েছে ৫০ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানির সর্বশেষ (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর ২০২২) পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। এটি মার্কিন অফিশিয়াল সোর্স ‘অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) তথ্য।

বাংলাদেশের পাশাপাশি চলতি বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর সময়ে বর্হিবিশ্ব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি ৩৪ দশমিক ৬১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ার নিয়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পোশাক আমদানির ৩য় বৃহত্তম উৎস হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি বৃদ্ধির বিষয়ে রফতানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, কোভিডকালীন সময়ে সরকার ও উদ্যোক্তাদের নানামুখী পদক্ষেপ এবং কমপ্লায়েন্স পরিস্থিতি ভালো হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের পোশাক কেনার আগ্রহ বেড়েছে। একইসঙ্গে দেশটির চীন থেকে পোশাক আমদানি কমানোর প্রভাব বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হয়েছে।

অটেক্সা পরিসংখ্যাণ অনুযায়ী, চীন ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সর্ববৃহৎ পোশাক সরবরাহকারী। এরপরে ১৮ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার নিয়ে ভিয়েতনামের অবস্থান। ২০২২ সালের প্রথম ১০ মাসে চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি ২৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি ১৪ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, বছরওয়ারি ৩৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এছাড়া, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ছিল।

চমেক হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ ২ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চমেক হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ ২ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন

চমেক হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ ২ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাটে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা সংকটাপন্ন। তবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, গুলিবিদ্ধ তিনজনের অবস্থা খারাপ। এর মধ্যে দুইজন সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। 

এর আগে, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব, সোয়াটের হামলা ও সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিতের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে কমপ্লিট শাটডাউন (সবকিছু বন্ধ) কর্মসূচি পালন করবে তারা। বুধবার (১৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৭টায় এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।

;

আমরা ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, দুর্বলতা নয়: হারুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, আমাদের সব ধরনের ব্যবস্থা আছে। তবে আমরা ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটা দুর্বলতা নয়।

আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের ধৈর্যকে যারা দুর্বলতা মনে করছেন তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। আমি অনুরোধ করছি আপনারা ঘরে ফিরে যান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে যাত্রাবাড়ী এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ডিবিপ্রধান বলেন, কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের মধ্যে মাদরাসার ছাত্র, ছাত্রদল, যুবদল, জামায়াত-শিবিরের লোক ঢুকে গেছে। তারা পুলিশের গায়ে হাত দিচ্ছে, ভাঙচুর করছে। আমরা কাউকে ছাড় দেবো না।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে সকাল থেকে উত্তপ্ত ঢাকা। পুলিশ-আন্দোলনকারীদের মধ্যে বেধেছে দফায় দফায় সংঘর্ষ। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক পুলিশ বক্স। আগুন দেওয়া হয়েছে বিটিভির ক্যানটিনে। টোল প্লাজায়ও ফের দেওয়া হয়েছে আগুন। অফিস-আদালতও থমথমে। রাস্তায় গণপরিবহন নেই বললেই চলে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হচ্ছেন না। সব মিলিয়ে উত্তাল ঢাকায় জনমনে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।

গতকাল থেকে রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়া যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, কাজলা অঞ্চল এখনো শান্ত হয়নি। গতকাল হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। রাতভর চলে সংঘর্ষ। বৃহস্পতিবার সকালেও দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে যাত্রাবাড়ী অঞ্চলে। আবারও টোল প্লাজায় আগুন দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাজলা সংলগ্ন টোলপ্লাজা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। পুলিশ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতে থাকে। আন্দোলনকারীরাও পুলিশ লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছে। তাদের হাতে লাঠিসোঁটাও দেখা গেছে।

;

বাস ভর্তি গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থীদের আনা হচ্ছে কুমেক হাসপাতালে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
বাস ভর্তি গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থীদের আনা হচ্ছে কুমেক হাসপাতালে

বাস ভর্তি গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থীদের আনা হচ্ছে কুমেক হাসপাতালে

  • Font increase
  • Font Decrease

দুপুরের পর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুপুর গড়িয়ে বিকেলেও মহাসড়কের পরিস্থিতি শান্ত হয়নি।

সংঘর্ষে ৫ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৩ জন শিক্ষার্থীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (কুমেক) ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহতদের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে হাসপাতালে আনতে দেখা গেছে।

এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও জেলা জুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় আহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করলে ৪০ মিনিট পরই আন্দোলনকারীদের সাথে সংঘর্ষে জড়ায় পুলিশ।

এসময় আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। বিপরীতে আন্দোলনকারীরাও পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। দুই পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। একপর্যায়ে কোটবাড়ি বিশ্বরোড ইউটার্ন এলাকায় পুলিশের ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডা. ফজলে মীর রাব্বি বলেন, সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিট পর্যন্ত ৫৩ শিক্ষার্থীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

ডা. ফজলে রাব্বি আরও বলেন, এ পর্যন্ত ছাত্র, পুলিশ এবং বিজিবি সদস্যসহ প্রায় ১২০ জন আহত রোগী কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন। আহত বিজিবি দুজন সদস্য হলেন শাহীন ও নাহিদ। এছাড়া পুলিশের তিনজন সদস্য হলেন- কনস্টেবল সাইফুল, সাব ইন্সপেক্টর মনির, এএসআই আফজাল হোসেন। এদের মধ্যে সাইফুলের অবস্থা গুরুতর।

অন্যদিকে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ২৩ জন ভর্তি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আরও বেশ কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানা গেছে।

;

নীলফামারীতে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, থমথমে শহর



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ

পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী, পুলিশ সদস্য ও দুই সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে শহরের পিটিআই মোড় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীদের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ পালনে সকাল থেকেই জেলা শহরের বিভিন্নস্থানে জড়ো হতে থাকেন। পরে সকাল ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি নিয়ে বাটার মোড় এলাকায় যাওয়ার সময় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভাঙরের চেষ্টা করেন। এছাড়াও শহীদ মিনার এলাকায় ১০ থেকে ১৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। পরে তারা ডিসি অফিসের গেট, চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর ও ডিসির বাংলোতে ইটপাটকেল ছুঁড়ে মারে।

এদিকে এসব ভাঙচুরের কিছু সময় পর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়া খেয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা শহরের পিটিআই মোড়ে অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা পুলিশকে
লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়ে মারে। পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় র‍‍্যাব ও বিজিবি। প্রায় ৩০ মিনিটের মতো চলে এই সংঘর্ষ। বর্তমানে শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

নীলফামারীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিরুল ইসলাম বলেন, সারাদেশে কোটা বাতিলের যে আন্দোলন চলছে। তারই অংশ হিসেবে নীলফামারীতে কিছু শিক্ষার্থী মিছিল বের করে। এ সময় আমাদের পুলিশ সদস্যরা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে তাদেরকে নিবৃত করার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে তারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করার চেষ্টা করে। পরে বাধ্য হয়ে আমরা একশনে যেতে বাধ্য হয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেণে রয়েছে।

;