‘আমার কথা নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বলা হচ্ছে দুর্ভিক্ষ হতে পারে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে দীর্ঘায়িত বৈশ্বিক সংকটের কারণে দেশকে যাতে কখনই দুর্ভিক্ষের কবলে পড়তে না হয় সেজন্য জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে সচিবদের নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এটি আমার কথা নয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বলা হচ্ছে যে বিশ্বে দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে।

রোববার (২৭ নভেম্বর) নিজ কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক সচিব সভায় তিনি বলেন, দুর্ভিক্ষ আমাদের দেশকে কখনই যেন ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে সেজন্য এখন থেকেই আমাদের আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকটি প্রস্তাব বাস্তবায়নের পরামর্শ দিয়েছেন যার মধ্যে রয়েছে সরকারি ব্যয়ে সাশ্রয়ী হওয়া, অগ্রাধিকার ভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা এবং প্রতি ইঞ্চি পতিত জমি চাষের অধীনে নিয়ে আসার জন্য জনগণকে সচেতন করা এবং বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া।

তিনি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি যখন করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে বিপর্যস্ত, তখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা এবং পাল্টা নিষেধাজ্ঞা বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা তৈরি করেছে। এক-দুটি দেশ এই সংকটের সুবিধা পাচ্ছে এবং উন্নত দেশসহ বাকি দেশগুলো কষ্টে রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোও গুরুতর সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে যার জন্য তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং রিজার্ভ অর্থ হ্রাস পাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বহুগুণ বেড়েছে। আমাদের দেশ এর আওতার বাইরে নয় এবং এটি আমাদের দেশেও আঘাত করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, যারা রেমিটেন্স পাঠায় তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগ ও প্রণোদনা আমরা দিয়েছি। পাশাপাশি আমাদের ভালো রিজার্ভ রয়েছে। আমাদের তিন মাসের খাদ্য কেনার মতো রিজার্ভ থাকলেই যথেষ্ট। সেখানে আমাদের ৫/৬ মাসের রিজার্ভ আছে। তারপরও আমাদের এখন যা অবস্থা তাতে আমাদের একটু সাশ্রয়ী হতে হবে, আরেকটু সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা এখনই যে বিপদে পড়েছি তা কিন্তু না। কিন্তু আমার কথাটা হচ্ছে আমার আগাম ব্যবস্থাটা নিতে হবে যেন ভবিষ্যতে দেশ কোন বিপদে না পড়ে বা দেশের মানুষ না পড়ে। আমাদের সেই সতর্কতাটা একান্তভাবে দরকার এবং সেই সতর্ক বার্তাটাই কিন্তু আমরা দিচ্ছি।

পাশাপাশি আমাদের রফতানি বহুমুখীকরণ করতে হবে। এটার উপরও আমাদের গুরুত্ব দেওয়া একান্তভাবে দরকার বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের তথ্য তাদের ওয়েবসাইটে থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে যাতে যেকেউ যেকোনো তথ্য ওখান থেকে জানতে পারে, নিতে পারে। সেখানে আমাদের সাফল্যগুলো তুলে ধরতে হবে। প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে যদি এই সাফল্যগুলো প্রতিনিয়ত আপডেট করে সেগুলো তুলে ধরেন তাহলে মানুষ জানতে পারবে যে কি কি কাজ আপনারা করলেন।

ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়াসহ মানুষের কল্যাণে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও সভায় তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, আমাদের অনেক জিনিস এখনো কিনতে হয়। যে সমস্ত জিনিস আমাদের বাইরে থেকে কিনতে হয় তারমধ্যে যে সব জিনিস আমরা দেশে উৎপাদন করতে পারি সেই দিকে আমাদের এখন দৃষ্টি দিতে হবে যেন দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে আমরা আমাদের চাহিদা পূরণ করতে পারি। অন্তত বাইরের উপর নির্ভরশীলতা যতটা কমাতে পারি।

বিদ্যুৎ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হলেও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য জ্বালানি তেলের দাম বা গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় এক্ষেত্রেও বাংলাদেশে কিছুটা সমস্যা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আগামীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চলে আসলে সংকট অনেকাংশে কেটে যাবার আভাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে আমাদের গ্রিড লাইন নির্মাণ কাজ আরও দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

শেখ হাসিনা সকলকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।

নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ, কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি দেশকে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে এবং সেইভাবে মানুষকে সঙ্গে নিজে কাজ করতে হবে।'

সরকার প্রধান সভায় বলেন, আমাদের যে স্বাক্ষরতার হার আজকে আমরা বাড়াতে পেরেছি প্রায় ৭৫ ভাগে এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। আমরা এখন ডিজিটাল শিক্ষা গ্রামের প্রাইমারি পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছি সেটাও আমাদের ধরে রাখতে হবে, স্বাস্থ্য সেবা গ্রাম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছি সেগুলোও যাতে চলমান থাকে আমাদের দেখতে হবে এবং সর্বোপরি খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, পাশাপাশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেখান থেকে বিনিয়োগ আসে সেইগুলো সম্পর্কে আমাদের নজরে দিতে হবে এবং দ্রুততার সঙ্গে যেন এটা কার্যকর হয়।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, 'এই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমাদের সমস্ত পরিকল্পনাগুলো বা প্রকল্পগুলো বাছতে হবে। বেছে নিয়ে এবং কোনগুলো দ্রুত শেষ করা যায় আমরা সেগুলো আগে শেষ করে ফেলে নতুনটা যাতে ধরতে পারি সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।'

মাদক সমাজে বিরাট সমস্যা সৃষ্টি করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের একটা ঘটনা ঘটেছিল হলি আর্টিজানে। আমরা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটা নিয়ন্ত্রণ করি। তারপর থেকে আর বাংলাদেশে এই রকম কোনো দুর্যোগ দেখা দেয় নাই। কিন্তু তারপরেও এই ব্যাপারে সব সময় সজাগ থাকতে হবে। মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যেন এই মাদক আর জঙ্গিবাদ থেকে আমাদের যুব সমাজ দূরে থাকে সেইদিকে আমাদের বিশেষভাবে দৃষ্টি দেওয়া একান্তভাবে দরকার।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি, সামাজিক পরিস্থিতিতে তার ভালো ও মন্দা দুই ধরনের প্রভাবই পড়েছে এবং অনেক সময় অপপ্রচারের মুখোমুখিও হতে হয় বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি এসব বিষয়েও সকলকে সতর্ক থাকার আহবান জানান।

টুনা মাছ ধরার জাহাজ পাওয়া নিয়ে সংশয়



তরিকুল ইসলাম সুমন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গভীর সমুদ্র থেকে টুনাসহ সমজাতীয় মাছ সংগ্রহের জন্য তিনটি লং লাইনার জাহাজ সংগ্রহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে।

মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক এবিষয়ে বার্তা২৪.কমকে বলেন, টুনা ও সমজাতীয় মাছ সংগ্রহের জন্য আমরা বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করেছিলাম। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসেনি। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরামর্শ ও নির্দেশনায় ‘গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ও সমজাতীয় পেলজিক মাছ আহরণ’ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কিন্তু করোনা পরবর্তী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আমরা প্রয়োজনীয় অর্থ দিতে পারছি না। এতে করে আমাদের জাহাজ পেতে বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। যাতে করে অর্থমন্ত্রণালয় আমাদের গুরুত্ব ও প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ ছাড়ের উদ্যোগ নেয়।

‘গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ও সমজাতীয় পেলজিক মাছ আহরণ’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. জুবায়েদুল আলম বার্তা২৪.কমকে বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা জাহাজ সরবরাহে ৬টি প্রতিষ্ঠান থেকে সিঙ্গাপুরভিত্তিক জাহাজ সররবাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইউনিমেরিন সার্ভিসেস পিটিই লিমিটেডের সঙ্গে জাহাজ সরবরাহের চুক্তি করেছিলাম। কিন্তু সেই মেয়াদ শেষ হবে ৯ ফেব্রুয়ারি। এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ২৮দশমিক ৮৬ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু সরকারিভাবে জলযান ক্রয় সংক্রান্ত সরকারি বিধিনিষেধের কারণে প্রয়োজনীয় ডলার সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এ কারণে যদি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাদের সঙ্গে আমাদের থাকা চুক্তির মেয়াদ না বৃদ্ধি করে তাহলে আমরা বিপদে পড়বো। জাহাজ নির্দিষ্ট সময়ে পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বঙ্গোপসাগরে এক লাখ ৩১ হাজার ৯৮ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকার একচ্ছত্র অর্থনৈতিক এলাকার (ইইজেড) জলসম্পদের মালিক হয়েও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে গভীর সমুদ্র থেকে টুনা মাছ সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।

মহাপরিচালক মাহবুবুল হক আরও বলেন, আমরা একদিকে জাহাজ সংগ্রহ করছি। অপরদিকে গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় মাছের ক্ষেত্র সমূহ চিহ্নিত করার কাজ করছি। এজন্য আমরা আমাদের উপকূলীয় এলাকার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র সমূহে গবেষণার কাজ চলছে। কিছু তথ্য আমরা হাতে পেয়েছি। গবেষণায় আমরা সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেশের বিশাল সমুদ্রে টুনা মাছ ধরার জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯টি প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছ থেকে টুনা মাছ ধরার জন্য অনুমতি নিয়েছে। তারাও এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ আমদানি বা নির্মাণ করেছে কীনা সে রকম কোনো তথ্য পাইনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ধরতে তিনটি লং লাইনার প্রকৃতির ফিশিং ভ্যাসেল সংগ্রহ, ভ্যাসেল পরিচালনায় দেশি-বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ, টুনা ও সমজাতীয় পেলজিক মৎস্য আহরণ, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি, ক্রুসহ টুনা আহরণে নিয়োজিত ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ এবং ৩৭ জন দেশীয় ও সাতজন আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগ কাজ চলমান রয়েছে।

;

এইচএসসির ফল জানা যাবে যেভাবে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বুধবার। বরাবরের মত এবারও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি যে কোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে। এছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়েও ফল জানা যাবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়কারী ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, তিন পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা ফলাফল জানতে পারবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এর রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়া, www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এসএমসের মাধ্যমেও ফল সংগ্রহ করা যাবে। মোবাইল থেকে এসএমএস অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। (উদাহরণ: HSC Dha 123456 2022 Send to 16222)। ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।

আলিমের ফল পেতে Alim লিখে একটি স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনের মাধ্যমে পাওয়া ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বরের মাধ্যমে ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ঢাকা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে।

;

এইচএসসির ফল প্রকাশ বুধবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি)।এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে ফলাফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেবেন।

পরে দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার ২৯ জানুয়ারি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়কারী ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, তিন পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা ফলাফল জানতে পারবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এর রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়া, www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এসএমসের মাধ্যমেও ফল সংগ্রহ করা যাবে। মোবাইল থেকে এসএমএস অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। (উদাহরণ: HSC Dha 123456 2022 Send to 16222)। ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।

আলিমের ফল পেতে Alim লিখে একটি স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2022 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনের মাধ্যমে পাওয়া ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বরের মাধ্যমে ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ঢাকা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে।

করোনা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় গত ৬ নভেম্বর সারা দেশে অনেকটা স্বাভাবিক পরিবেশে শুরু হয়েছিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন।

;

উপহারের মাইক্রোকে অ্যাম্বুলেন্স বানাবেন হিরো আলম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কথা অনুযায়ী হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামের বাসিন্দা অধ্যক্ষ মাওলানা এম মোখলিছুর রহমান নিজের ব্যবহৃত মাইক্রোবাস বহুল আলোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এম মোখলিছুর রহমান। কয়েকশ মানুষের সামনে গাড়িটি হিরো আলমকে বুঝিয়ে দেন তিনি।

উপহার পেয়ে হিরো আলম বলেন, ভালোবাসার এ গাড়ি আমি নিজে ব্যবহার করবো না। এটি অ্যাম্বুলেন্স বানিয়ে রোগী বহনের কাজে ব্যবহার করবেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমার ভাই আমাকে একটি গাড়ি উপহার দিয়েছেন। আমি ব্যস্ত থাকার কারণে আসতে বিলম্ব হয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে অনেকেই আমাকে বলেছেন কেউ উপহার দিলে তা গ্রহণ করতে হয়। আমি উপহারের গাড়িটি গ্রহণ করেছি। কিন্তু এটির অবস্থা বেশি ভালো নয়। তবে যেমনই হোক, এটি আমি অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে দান করে দিলাম। এটিতে নম্বর থাকবে। কেউ ফোন দিলেই সেটি চলে যাবে। অনেক গরিব, অসহায় মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকেন। চিকিৎসা করানোর সুযোগ থাকে না। হাসপাতালে নিতে পারেন না। তাদের সেবার জন্য গাড়িটি ব্যবহৃত হবে।

এদিকে ঢাকা থেকে চুনারুঘাট যাওয়ার সময় পথিমধ্যে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার সামনে পুলিশ হিরো আলমের গাড়ি আটকে আড়াই হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। ওসি মাইনুল ইসলাম ভূইয়া জানান, হিরো আলমকে বহন করা গাড়িটি দ্রুতগতি থাকার কারণে এ জরিমানা করা হয়।

;