‘দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় বড় যোগান দেয় মাছ’



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় বড় যোগান দেয় মাছ’

‘দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় বড় যোগান দেয় মাছ’

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় মাছ বড় যোগান দেয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের রজতজয়ন্তী উদযাপনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের মৎস্য সম্পদকে গুরুত্ব দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন মাছ হবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে মাছ ও প্রাণিসম্পদের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সে সময় তুলে ধরেছিলেন বঙ্গবন্ধু। মৎস্যসম্পদ আহরণের জন্য তার সময়ে বিদেশ থেকে মাছ ধরার ট্রলার আনা হয়। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে সমুদ্র সংক্রান্ত আইন তৈরি করেছেন। এ আইনের উপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ আয়তনের সমুদ্র সীমায় আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেই সমুদ্রসীমা আমাদের সুনীল অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করছে। সুনীল অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রচলিত ও অপ্রচলিত মাছ, সামুদ্রিক শৈবালসহ অন্যান্য সম্পদ।

মৎস্যবিজ্ঞানের ক্ষেত্র উন্মুক্ত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশে ও দেশের বাইরে মৎস্যবিজ্ঞানের ব্যাপ্তি ও কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি। এ বিষয়ে দেশে গবেষণার প্রচুর সুযোগ ও বরাদ্দ রয়েছে। মৎস্যবিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। মৎস্য খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মৎস্যবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। মৎস্য খাত উদ্যোক্তা তৈরি করছে। বেকারত্ব দূর করতে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ অর্থনীতি সচলে ভূমিকা রাখছে।

দেশে মাছের উৎপাদন ৫ দশমিক ৬৫ লাখ মেট্রিক টন উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও যোগ করেন, এক সময় বলা হত ভাতে-মাছে বাঙালি। তারপর একটা সময় বলা হত মাছের আকাল। বর্তমানে মাছের উৎপাদন অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মৎস্য খাতে উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। সরকার এ খাতে স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ দিচ্ছে, উদ্যোক্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে ৩৭ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছ ফিরিয়ে এনেছে। দেশীয় মাছ সংরক্ষণে লাইভ জিন ব্যাংক করা হয়েছে। কোন অঞ্চলে মাছের শূন্যতা দেখা দিলে জিন ব্যাংক থেকে মাছের পোনা সে অঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে। ফলে দেশের কোথাও আর মাছের আকাল হবে না। এখন গ্রাম থেকে শহরে সর্বত্র পুষ্টিসমৃদ্ধ পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা ও পৃষ্ঠপোষকতা বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা এগিয়ে আসায় এটা সম্ভব হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন মনির।

‘তোয়ারাল্লাই আঁর পেট পুরে’: চট্টগ্রামবাসীকে প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
‘তোয়ারাল্লাই আঁর পেট পুরে’ চট্টগ্রামবাসীকে প্রধানমন্ত্রী

‘তোয়ারাল্লাই আঁর পেট পুরে’ চট্টগ্রামবাসীকে প্রধানমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ এক দশক পর চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের সমাবেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে ভাষণের শুরুতেই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বললেন, 'অনরা ক্যান আছন? বিয়াগ্গুর গম আছন নি? তোয়ারাল্লাই আঁর পেট পুরে, তাই চাইতো আসসি’ (আপনারা কেমন আছেন? সবাই ভালো আছেন তো? আপনাদের জন্য মন জ্বলছে, তাই দেখতে আসছি।)

তখন পুরো পলোগ্রাউন্ডে উপস্থিত নেতাকর্মীরা সমস্বরে 'আঁরা ভালা আছি' বলে জবাব দেয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণ শুরু করেন।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার পর চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ডে জনসভা মঞ্চে পৌঁছান শেখ হাসিনা। এসময় তাকে ফুল ও করতালির মধ্য দিয়ে তাকে বরণ করে নেন দলের নেতাকর্মীরা।

এর আগে আজ সকালে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন তিনি। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে নামেন। পরে সিআরবি হয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠে আসেন তিনি। মাঠে এসেই চট্টগ্রাম কলেজ, সিটি কলেজসহ জেলার বিভিন্ন স্থানের ২৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং চার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে ঘিরে মিছিলের নগরীতে রূপ নিয়েছে চট্টগ্রাম। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠেছে বন্দরনগরী। নেতাকর্মীদের গায়ে ছবি সম্বলিত নানা রঙয়ের গেঞ্জিতে পুরো জনসভাস্থল রঙিন হয়ে ওঠেছে। এছাড়া পলোগ্রাউন্ড মাঠের আশপাশ ছেয়ে গেছে ব্যানার আর পোস্টারে।

সমাবেশ শুরুর আগেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে পলোগ্রাউন্ডে জড়ো হতে থাকেন আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় পুরো ময়দান। ময়দানের বাইরে আশাপাশের সড়কগুলোতেও বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অবস্থান করছেন।

আওয়ামী লীগের জনসভা ঘিরে এদিন সকাল থেকেই বাদ্য বাজিয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংসদীয় এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলের দিকে আসতে থাকেন। আর চট্টগ্রামের বাইরের উপজেলা থেকে বাস-ট্রাকে করে নগরীতে প্রবেশ করেন নেতাকর্মীরা। এরপর পায়ে হেঁটে মিছিল নিয়ে তারা জনসভাস্থলে যান। পুরো নগরীতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

পলোগ্রাউন্ড ময়দানের পশ্চিম প্রান্তে ১৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের নৌকা প্রতিকৃতির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে বিরাট মঞ্চ। লাল-নীল, সবুজ, সাদা, হলুদসহ নানা রঙের বেলুনে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে পুরো মাঠ।

নিরাপত্তার জন্য বাঁশের বেরিকেড দিয়ে কয়েক স্তরে ভাগ করা হয়েছে জনসভা মাঠকে। মঞ্চ ও মঞ্চের আশপাশের ব্লকগুলোতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

;

নিত্যপণ্য আমদানিতে এলসি সহজ করার নির্দেশ



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নিত্যপণ্য আমদানিতে এলসি সহজ করার নির্দেশ

নিত্যপণ্য আমদানিতে এলসি সহজ করার নির্দেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ নিশ্চিতে আমদানিতে সর্বোচ্চ সহায়তা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য ব্যাংকগুলোকে নিত্যপণ্যের (ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল, পেঁয়াজ, খেজুর, ফলমূল এবং চিনিসহ অন্যান্য পণ্য) আমদানি এলসি সহজ করতে বলা হয়েছে।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) এর বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও নতুন মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক।

বৈঠক শেষে মেজবাউল হক বলেন, আজকের বৈঠকে বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) সহজীকরণের বিষয়টি। এ নিয়ে ব্যাংকসমূহের এমডিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আমদানিতে সব ধরনের সহায়তা করতে সব ব্যাংকের এমডিকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

এলসি বিষয়ে তিনি আরও বলেন, অপ্রয়োজনীয় এলসি খোলা বন্ধ রয়েছে। তবে রমজানে নিত্যপণ্যের আমদানি অর্থায়নের ক্ষেত্রে মার্জিনের হার ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্যও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

;

চট্টগ্রামে ২৯ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে ২৯ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে ২৯ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড জনসভার মাঠ থেকে ২৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি নতুন করে ৪টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) বেলা ৩টা ১০ মিনিটে নগরের সিআরবি হয়ে পলোগ্রাউন্ডে মাঠে আসেন প্রধানমন্ত্রী। মাঠে এসেই ২৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং চার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে উদ্বোধন হওয়া প্রকল্পগুলো হল-জেলার ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলায় হালদা নদী ও ধুরং খালের তীর সংরক্ষণ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প, সন্দ্বীপ উপজেলার ৭২ নং পোল্ডারের ভাঙন প্রবণ এলাকায় স্লোপ প্রতিরক্ষা কাজের মাধ্যমে পূনর্বাসন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প ও বাঁশখালী উপজেলার ৬৪/১এ, ৬৪/১বি এবং ৬৪/১সি পোল্ডারের সমন্বয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের স্থায়ী পুনর্বাসন প্রকল্প (২য় সংশোধিত)।
কারিগরী ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে সীতাকুন্ড টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, ফটিকছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এবং রাউজান টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ উদ্বোধন করা হয়।

এছাড়া, কোতয়ালী থানাধীন দারুল উলুম আলীয়া মাদ্রাসার একটি ৬ তলা ভবন এবং সীতাকুন্ড টেকনিক্যাল স্কুলে একটি ৫ তলা ভবন ও একটি ৪ তলা প্রশাসনিক ভবন, ওয়ার্কশপ, একতলা সার্ভিস এরিয়া ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণসহ ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীনে কোতয়ালী থানাধীন গুল-এ জার বেগম সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা ভবন, কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা ভবন, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে ১০ তলা একাডেমিক ভবন, কুসুমকুমারী সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা ভবন, পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা ভবন, মিরসরাই উপজেলার করেরহাট কে.এম. উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবন, পাঁচলাইশ থানাধীন বন গবেষণাগার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা ভবন, বোয়ালমারী উপজেলাধীন হাজী মোহাম্মদ জানে আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবন, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবন, সন্দ্বীপের সন্তোষপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবন এবং ডবলমুরিং থানাধীন সরকারি সিটি কলেজে ১০ তলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয়।

পলোগ্রাউ- বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি ভবন সম্প্রসারণ, সরকারী মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের লালদিঘী মাঠের ৬ দফা মঞ্চ নির্মাণসহ সংস্কার কাজ এবং খুলশী থানাধীন সিএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি ভবনের সম্প্রসারণ কাজ উদ্বোধন করা হয়।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীনে উদ্বোধন হওয়া প্রকল্পগুলো হলো- মীরসরাইয়ে হিংগুলি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র এবং লোহাগড়ায় চুনতি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিটাক চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নারী হোস্টেল নির্মাণকাজও উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে নাসিরাবাদ শিক্ষানবিসি প্রশিক্ষণ দপ্তর সংস্কার ও আধুনিকায়ন কাজ।

উদ্বোধনের তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রকল্প হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেওয়ানহাটে হর্টিকালচার সেন্টারে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও অফিস, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘দুইটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন (প্রতিটি ৫০০০ বিএইচপি/ ৭০ টন বোলার্ড পুল) টাগবোট সংগ্রহ’ শীর্ষক প্রকল্প ও ‘চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড এবং টার্মিনালের জন্য প্রয়োজনীয় ইক্যুইপমেন্ট সংগ্রহ শীর্ষক প্রকল্প।

এসব প্রকল্পের বাইরে আরও চারটি প্রকল্পের ভিত্তি স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেগুলো হচ্ছে- নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চট্টগ্রামের মিরসরাই ও সন্দ্বীপ অংশে জেটিসহ আনুষাঙ্গিক স্থাপনাদি নির্মাণ, আনোয়ারায় বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির আধুনিকরণ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকায় আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন জাতিসংঘ সবুজ উদ্যান স্থাপন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে চট্টগ্রামস্থ বিপিসি ভবন নির্মাণ কাজের।

 

;

রাস্তার কাজ না করেই টাকা আত্মসাৎ



আরিফুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
রাস্তার কাজ না করেই টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

রাস্তার কাজ না করেই টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভার ৫, ৯ নং ওয়ার্ডে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের টি আর কর্মসূচির ২টি প্রকল্পের গ্রামীণ রাস্তা সংস্কারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাইফুল ইসলাম ও এইচ এম এরশাদ আলমের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, বাসাইল পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ২০২১-২২ অর্থবছরে টি আর কর্মসূচির আওতায় অবকাঠামো উন্নয়নে বালিনা বাবু মন্ডলের বাড়ির উত্তর পাশ হতে সফিক মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত মাটির রাস্তা মেরামতের জন্য ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় এবং ৯ নং ওয়ার্ডের বাসাইল নলুয়া রাস্তা হতে বিকাশের বাড়ি পর্যন্ত মাটি ভরাট ও তালগাছ রোপণের জন্য ৪৮ হাজার টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়। এ টাকা উত্তোলন করা হলেও সরেজমিনে কোনো ধরনের কাজ না করে আত্মসাত করেন ৫নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম ও ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এইচ এম এরশাদ আলম।

অভিযোগ উঠেছে, এই রাস্তার কাজে কোনো টাকা ব্যয় করা হয়নি। এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন বাসাইল পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম ও ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এইচ এম এরশাদ আলম সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এ ব্যাপারে বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, কেউ কোনো টাকাও দেয় নাই, তালগাছও রোপণ করে নাই। আমাদের নিজস্ব টাকা দিয়ে নিজেরাই মাটি ভরাট করেছি। এই রাস্তার মাটি ভরাটের জন্য দেড় লাখ টাকার মতো লেগেছে। সরকারি কোনো অনুদান পাইনি।

বিকাশের বাবা নিবারণ চন্দ্র সরকার বলেন, আমার নিজের রাস্তা নিজের টাকা দিয়েই করছি। এই রাস্তার জন্য সরকারি কোন অনুদান নাই, কেউ কোনো টাকা দেয় নাই।

প্রকল্পের সভাপতি কাউন্সিলর এইচ এম এরশাদ আলম মুঠোফোনে বলেন, আমি আপনার সাথে সরাসরি কথা বলি বলে ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে সফিক মিয়া বলেন, গত পাঁচ বছরে এই রাস্তায় কোন মাটি তো দূরের কথা এক চিমটি বালিও পরে নাই।

স্থানীয় বাসিন্দা উমর আলী বলেন, বালিনা বাবু মন্ডলের বাড়ির উত্তর পাশ হতে সফিক মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় ৪-৫ বছরে এক কোদাল মাটিও পরে নাই। প্রতিনিয়ত এই রাস্তা দিয়েই আমি বাজারে যায়।

প্রকল্পের সভাপতি কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, বন্যার আগে মাটি দিয়ে রাস্তা মেরামত করেছিলাম পানিতে ধুয়ে গেছে। টি আরের কাজ তো আর সবসময় হয় না আপনারা তো বোঝেন।

এ ব্যাপারে বাসাইল পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ বলেন, ৫, ৯ নং ওয়ার্ডে টি আর প্রকল্পের কাজের সভাপতি সাইফুল ও এরশাদ। ওরা দুইজন বলতে পারবে মাটি কতটুকু ফেলছে। পৌরসভা ঐ ভাবে প্রকল্পের কাজ গুলো দেখে না, টি আর প্রকল্পের কাজ গুলো দেখে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস। প্রকল্পের লেনদেন কাজ বুঝে নেওয়ার দায়িত্ব হলো উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেনের মুঠোফোনে কল দিলে মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

;