পাইলট হবার স্বপ্ন আপনার, খরচ দেবে ইউএস-বাংলা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স নিজ খরচে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাইলট বানানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

যেসব মেধাবী বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞান বিভাগে গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানসহ এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অথবা এ লেভেলে নূন্যতম দুই বিষয়ে (গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞান) গ্রেড-বি পেয়েছেন তারা আবেদনের যোগ্য হবেন। স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানের  স্নাতকরাও আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময় বয়স সর্বোচ্চ ২৫ বছর হতে হবে। উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি নূন্যতম।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহযোগিতায় ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রার্থী নির্বাচনী সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রাথমিকভাবে সকল টেস্টে উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে ৫০জনকে নির্বাচিত করা হবে। নির্বাচিতদের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের খরচে বিশ্বের খ্যাতনামা ফ্লাইং একাডেমিতে পাঠানো হবে। দুই বছর মেয়াদি প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সম্পন্নের পর উত্তীর্ণ পাইলটগণ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে যোগদান করতে পারবেন।

স্টুডেন্ট পাইলটদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে আইকিউ টেস্ট, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষা। কোন ধরণের তদবির প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

   

কক্সবাজারে রেলের টিকিট নিয়ে প্রতারণা, ৯ যাত্রী পথে



আবদু রশিদ মানিক, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজার রেলস্টেশনে রেলের ভুয়া টিকিট নিয়ে প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন ৯ যাত্রী। কালোবাজারি থেকে রেলের এক আনসারের মাধ্যমে টিকিট নিয়ে এমন প্রতারণার স্বীকার হন তারা। 

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। 

যাত্রীরা জানান, গাজীপুর টঙ্গী থেকে দু'দিন আগে কক্সবাজারে ঘুরতে এসেছিলেন ৯ জন যাত্রী। সেখানে ঢাকা থেকে ট্রেনে আসার সময় পরিচয় হয় আনসার সদস্য বায়েজিদের সাথে। তার কাছ থেকে ফিরতি পথের টিকিট পাওয়া যাবে কিনা জানতে চাইলে কালোবাজারি থেকে টিকিট দেন আনসার সদস্য বায়েজিদ। টিকিট নিয়ে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে কক্সবাজার রেলস্টেশনে এসে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন রাত ১টা পর্যন্ত। কিন্তু ট্রেন আর আসেনি। ট্রেনের টিকিট নিয়ে এমন প্রতারণার স্বীকার হয়ে এখন পথে পথে পর্যটকরা।


বার্তা২৪.কম-এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে আনসার বায়েজিদ মুঠোফোনে জানান, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) থেকে টিকিট নিয়ে তাদের দিয়েছেন। ট্রেনটি রাত ১২.৩০ এ নয় দিন ১২.৩০ এর বলে জানান তিনি। 

তবে ৯ জনের মধ্যে এক যাত্রী মোহাম্মদ লালচান বাদশা জানান, টিকিটের দাম ৬৯৫ টাকা হলেও প্রতিটি ১২৫০ টাকায় ক্রয় করেছেন। আনসার বায়েজিদ আমাদের সাথে প্রতারণা করেছেন।

আরেক যাত্রী রিয়াদ হাসান রাসেল বলেন, আমাদের যাওয়ার জন্য টাকা নেই। টাকা ম্যানেজ করতে পারলেও বাসও নেই এত রাতে। ছোট্ট শিশু এবং আমরা সবাই এখন পথে পথে হয়ে গেলাম। এত রাতে কোথায় যাব।

কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানী বিষয়টি নিয়ে বার্তা২৪.কম-কে বলেন, এরকম প্রতারণার কোন সুযোগ নেই। টিকিট কালোবাজারি করার সুযোগ নেই। যদি কেউ অসাধু উপায়ে এরকম করে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

যেখানে ১০ দিন আগে টিকিট ছাড়লে ২ মিনিটে টিকি হাওয়া হয়ে যায় সেখানে কীভাবে ৯ টি টিকিট পেল সেটা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। টিকিট কালোবাজারির সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি পর্যটক এবং স্থানীয়দের।



;

আলু বোঝায় ট্রলিতে ট্রাকের ধাক্কা, চালক নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়িতে আলু বোঝাই ট্রলিতে পাথর বোঝাই একটি ট্রাকের ধাক্কায় ট্রলি উল্টে চালক নিহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে সাপ্টিবাড়ি বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ট্রলি চালকের নাম ফরিদুল ইসলাম (৩০)। তিনি হাতিবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানান, রাত ১১ টার দিকে আলু বোঝাই ট্রলি নিয়ে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক হয়ে লালমনিরহাটের একটি কোল্ড স্টোরেজে যাচ্ছিল ফরিদুল। ট্রলিটি সাপ্টিবাড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে পিছন থেকে আসা একটি পাথর বোঝায় ট্রাক আলু বোঝাই ট্রলিকে ধাক্কা দেয়। পরে ট্রলিটি উল্টে গুরুতর আহত হয়ে চালক ফরিদুল ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আর ট্রলি চালকের সহযোগী দূরে ছিটকে পড়ে আহত হন।

সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাপ্টিবাড়ি বাজার এলাকায় সড়ক দূর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। ট্রলিকে ধাক্কা দেওয়া ট্রাকটি কৌশলে পালিয়ে গেছে।

;

ভালো নেই গাবতলীর কয়লা শ্রমিকরা



রাকিব হাসান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রস্তাবিত মাস রাপিড ট্রানজিট (মেট্রোরেল) বা এমআরটি লাইন-৫-এর জন্য গাবতলী বাস টার্মিনালের উত্তরাংশে ভূগর্ভস্থ স্টেশন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে । বলিয়ারপুর-আমিনবাজার থেকে গাবতলী হয়ে মিরপুর-১০ পর্যন্ত যাবে এমআরটি লাইন-৫। সেখান থেকে বনানী-গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত যাবে। এর মধ্যে হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার ও নতুনবাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত লাইনটি যাবে উড়ালপথে (এলিভেটেড)। মাঝে আমিনবাজার থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত যাবে আন্ডারগ্রাউন্ডে। সব মিলে লাইনটির দৈর্ঘ্য হবে ১৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এর কাজ। তাই আংশিক সরিয়ে ফেলা হয়েছে গাবতলী গরুর হাট, ইট বালু ও কয়লার গদি। 


বৈদ্য নাথ দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে গাবতলীতে কাজ করছেন কয়লা শ্রমিক হিসেবে। এক ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে ছিল তার সুখী পরিবার। অভাবের কারণে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া করাতে না পারার আক্ষেপ বৈদ্য নাথের। বর্তমানে ছেলে রিকশা চালিয়ে বাবার সাথে পরিবারের হাল ধরার চেষ্টা করছে। মা মরা দুই মেয়ের বিয়ে দিয়ে অনেকটা নির্ভার বৈদ্য নাথ। গ্রামের বাড়িতে গেলে মেয়েদের নিয়ে একসঙ্গে সময় কাটানোর গল্প করলেন তিনি। পরিবারের এই সুখের মধ্যে এখন বিষাদের ছায়া নেমে এসেছে বৈদ্য নাথের।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) গাবতলী আমিন বাজারে বার্তা২৪.কম এর সাথে কথা হয় বৈদ্য নাথের। তিনি জানান, দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে এই গাবতলীতে কাজ করছেন তিনি। বছরের ছয় মাস কৃষি কাজ করলেও বাকি ছয় মাস (কার্তিক-জৈষ্ঠ) তার কাটে গাবতলীর এই কয়লা ঘাটে। একটা সময় সারাদিন পরিশ্রম করে ১৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা আয় হতো তার। কিন্তু বর্তমানে দিনে ৬০০-৭০০ টাকা উপার্জন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে নৈদ্য নাথ জানায়। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ক্রেনের মাধ্যমে এখন ইট বালু ও কয়লা জাহাজ থেকে উত্তোলন করে ঘাটে রাখা হয়। তাই দিন দিন শ্রমিকের চাহিদা কমে যাচ্ছে এই ঘাটে। এছাড়া গাবতলী থেকে বালুর গদি, কয়লার গদি সরিয়ে নেয়ার কারণেও বিপাকে পরেছেন তারা। 


তিনি জানান, একটা সময় এখানে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু এখন তা কমে এসে ১৫০ জনের আশেপাশে ঠেকেছে। গত ৫ বছর আগেও যেখানে শ্রমিকদের পদচারণায় মুখর ছিল এই গাবতলী ঘাট। সেখানে এখন কাজের অভাবে অনেকে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। বদলে ফেলছেন পেশা। 


কয়লা শ্রমিকদের ভালো মন্দ নিয়ে ভাবার মতো কোন শ্রমিক সংগঠন এখানে না থাকায় বিপদে আপদে কোন সাহায্য সহযোগিতাও পান না তারা। কয়লার গদি সরিয়ে ফেলার খবরে তিনি বলেন, আমরা গরীব মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে এই কাজ করে খাই। যেভাবে দিন দিন আমার কাজ কমে যাচ্ছে তাতে করে আগামীতে কীভাবে চলবো তাই ভাবছি। এক বেলা কাজ না করতে পারলে আমরা তো খাইতে পারি না।

এখানে কাজ করে এমন আরও একজন শ্রমিক আব্দুল হান্নান বার্তা২৪-কে বলেন, দীর্ঘ পনেরো বছর ধরে এখানে কয়লার গাড়ি চালান তিনি। আগে এখানে নিয়মিত কাজ করলেও ভবিষ্যতে তার কাজ নিয়মিত হওয়া নিয়ে সংঙ্কায় আছেন তিনি। মাসে অন্তত বিশ দিন কাজ থাকলেও এখন আর আগের মতো নেই। আগে প্রতিদিন গাড়ির জমা বাদ দিয়ে ১ থেকে ২ হাজার টাকা আয় হলেও এখন তা নেমে এসেছে অর্ধেকে।

পরিবারের তিন মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে পাঁচ সদস্যের পরিবার নিয়ে আগামীদিনগুলো কীভাবে কাটাবেন এখন সেই পরিকল্পনাই করছেন তিনি।

;

পরিচয় মিলেছে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত মা-মেয়ের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেট, বার্তা ২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহ নগরীতে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত নারী ও শিশুর পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন তানিয়া আক্তার (২২), তার দুই বছর বয়সী মেয়ে রাইসা আক্তার। নিহত তানিয়া আক্তার নগরীর বাদেকল্পা এলাকার রাজমিস্ত্রী মো. মুস্তাকিনের স্ত্রী ।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দীপক পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের স্বজনরা থানায় এসেছেন। 

ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুপুরে জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী একটি লোকাল ট্রেন সানকিপাড়া এলাকায় আসতেই তানিয়া আক্তার ও তার মেয়ে শিশু রাইসা আক্তার (২) ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, নিহতের স্বজনরা কেউ আসেনি। নিহতরা মা মেয়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কালো বোরকা পড়া এক নারী রেললাইনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। ট্রেন কাছাকাছি আসতেই ওই নারী রেললাইনে শুয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই নারী ও শিশুর মৃত্যু হয়। ঘটনার প্রায় ৫ ঘণ্টা পর তাদের পরিচয় মিলে। 

নিহতের স্বামী মোস্তাকিন বলেন, তানিয়া দীর্ঘদিন যাবত মানসিক সমস্যা ভুগছিলেন। এর আগে ও বেশ কয়েকবার বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। আজ সকালে আমি কাজে বের হই। কিছুক্ষণ আগে খবর পেলাম আমার স্ত্রী ও মেয়ে মারা গেছে। এসময় স্ত্রী ও মেয়েকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

;