‘গবেষণা বাড়ানো গেলে বঙ্গপোসাগর থেকে অনেক সম্পদ অর্জন সম্ভব’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, সাগর নিয়ে আলাদা মন্ত্রণালয় করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। দরকার কাজ করা। বিশেষ করে গবেষণা বাড়ানো গেলে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগর থেকে অনেক সম্পদ অর্জনে সক্ষম হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে নীল অর্থনীতি: সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ শীর্ষক গোল টেবিল আলেচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

সমুদ্র বিষয়ক পরিবেশবাদী সংগঠন সেভ আওয়ার সি এই গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সুন্দরবন একসময় কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল অথচ পরিকল্পনার অভাবে এখন অনেক ছোট হয়ে গেছে। আমাদের সরকার প্রধানের আগ্রহ সর্বব্যাপী। তিনি সবকিছু নিয়ে মাথা ঘামান। বিগত সময়ে অন্যরা যতটা কাজ করেছে তারা চেয়ে বর্তমান সরকার অনেক বেশি করেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও কাজ করতে চান। আমরা আশ্বস্ত করতে চাই সমুদ্র অর্থনীতি ও পরিবেশ নিয়ে সেভ আওয়ার সি-সহ বিভিন্ন সংগঠন যে আগ্রহ দেখিয়েছে আমরা সেটি বাস্তবায়নে অনেক আগ্রহী। সমুদ্র অর্থনীতি নিয়ে আমরা অনেক কাজ করবো। সাগর নিয়ে বেসরকারি সংগঠনগুলো এগিয়ে আসলে সরকার সহযোগিতা করতে চাই।

সাগর বিষয়ক পাঠ্যসূচি তৈরির দাবির প্রেক্ষিতে মন্ত্রী জানান, দেশের সব সম্পদ সম্পর্কে শিশুরা জানুক সেটা প্রধানমন্ত্রী চান।

ব্লু ইকোনমি সেল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের ইচ্ছার ঘাটতি নেই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী চাইলেও কলমের খোঁচায় কিছু করে ফেলতে পারেন না। অনেকগুলো বিষয় আছে প্রক্রিয়া মেনে করতে হয়। যেহেতু ১৭টি মন্ত্রণালয় জড়িত সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে আমরা আশ্বস্ত করতে পারি ব্লু ইকোনমিকে আমরা আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখবো।

সেভ আওয়ার সি-এর সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ারুল হকের সঞ্চালনায় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশেনোগ্রাফি ডিপার্টমেন্টের সভাপতি ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দীন মুন্না।

গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জসীম উদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সন্তুস কুমার দেব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কেএম আজম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিটাইম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড স্ট্যাটিজিক স্টাডিস ডিপার্টমেন্টের প্রধান কমোডর ওয়াহিদ হাসান কুতুবুদ্দিন (এনডিসি), বাংলাদেশ বন অধিদফতরের সহকারী প্রধান বন সংরক্ষক ড. মরিয়ম আকতার, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের উপপরিচালক (অপারেশন) এম নূর-উজ জামান প্রমুখ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সেভ আওয়ার সি-এর পরিচালক, মেরিন এক্সপ্লেরার এস এম আতিকুর রহমান, রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ, নোঙর এর সভাপতি সুমন শামস প্রমুখ।

   

ফেনী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনের উদ্বোধন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফেনী
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফেনীতে খেতাবপ্রাপ্ত ৩১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তন 'অবিনাশী ৩১' এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) কমপ্লেক্সের তৃতীয়তলায় উন্নয়ন কাজটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী। জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তারের সভাপতিত্বে ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেবের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জাকির হাসান, শিল্পপতি নুরুল নেওয়াজ সেলিম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বহুবিধ সুবিধা নিশ্চিত করেছেন। ফেনীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হোল্ডিং কর মওকুফ করা হয়েছে। তাঁদের সম্মানে সবধরণের সুবিধাদি পেতে সহজ করা হয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ আমরা বিভিন্ন পদপদবীতে রয়েছি। তা না হলে পরাধীন জাতি হিসেবেই আমাদের জীবন অতিবাহিত করতে হত।

জেলা প্রশাসক বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিকথা নিয়ে ইতোপূর্বে ফেনী হতে বই প্রকাশিত হয়েছে। দ্বিতীয় খন্ডের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাঁদের যুদ্ধদিনের স্মৃতিকথা লিখিতভাবে সরবরাহ করতে পারেন।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন ফেনীর দুই শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক ব্যক্তিত্ব। সভা শেষে মিলনায়তনের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ফেনীর ৩১ বীর সন্তান মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত হন। তাঁদের স্মরণে মিলনায়তনটি 'অবিনাশী ৩১' নামকরণ করা হয়েছে।

;

সীতাকুণ্ডে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোরসহ নিহত ২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামেন সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় কিশোরসহ ২ জন নিহত হয়েছে।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বার আউলিয়া ও ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বানুর বাজার এলাকায় পৃথক দুইটি দুর্ঘটনা ঘটে।

বার আউলিয়া দরগা এলাকায় নিহত কিশোরের নাম শাহাদাত হোসেন (১৩)। অন্যদিকে বানু বাজার মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীর মৃত্যু হয়। তবে তার নাম জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে বার আউলিয়া দরগার এর সামনে রাঙ্গামাটি থেকে আসা ঢাকামূখী একটি দ্রুতগতির প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে কার স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা আরো তিনটি কারের উপর গিয়ে উল্টে পড়ে। এতে ৪টি প্রাইভেট কারের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়। এসময় ৫জন পথচারী গুরুত্বর আহত হলে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে শাহাদাত হোসেন (১৩) নামে এক শিশুকে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে বানুর বাজার এলাকায় গাড়ি চাপায় এক মানসিক প্রতিবন্ধী মহিলা নিহত হয়েছে।

বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ দুর্ঘটনার বিষয়টি দুটি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বার আউলিয়ায় একটি দ্রুতগামী প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অপর তিনটি দাড়িয়ে থাকা প্রাইভেটকারের উপর পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন গুরুত্বর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় গাড়িনহ চালককে আটক করা হয়েছে।

অন্যদিকে বানু বাজার এলাকায় মহাসড়কে লরী চাপায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন অজ্ঞাত এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তবে লরিটি পালিয়ে যায়। দুটি ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে যোগ করেন ওসি।

;

কর্ণফুলীতে গোসল করতে নেমে দুই ভাই নিখোঁজ, একজনের মরদেহ উদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে আপন দুই চাচাতো ভাই নিখোঁজের ৭ ঘন্টা পর একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছে আরও এক কিশোর।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজের ৭ ঘণ্টা পর আপনকে মৃত উদ্ধার করেছে কাপ্তাই নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। অন্যদিকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত অন্যজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

উদ্ধার নিহত শিশুর নাম আপন বড়ুয়া (৯)। নিখোঁজ রয়েছে সোহম বড়ুয়া (১১)। তারা সম্পর্কে চাচাতো জেঠাতো ভাই। তাদের বাড়ি উপজেলার শিলক ইউনিয়নের পূর্ব বড়ুয়াপাড়া গ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোহমের জেঠাতো ভাই আপন বড়ুয়া ঈদ ও নববর্ষের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরের বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যায়। গ্রামের বাড়িতে থাকা সোহমের সঙ্গে ঘরের পাশে কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে যায় আপন। গোসলের একপর্যায়ে পানির স্রোতে তারা তলিয়ে যায়। টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন নদীতে খোঁজ চালায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের রাঙ্গুনিয়া স্টেশনে খবর দিলে চট্টগ্রাম নগর থেকে ডুবুরি গিয়ে অভিযান চালায়।

প্রতিবেশী ও শিক্ষক অর্পণ বড়ুয়া বলেন, স্থানীয় বাসিন্দা সুজন বড়ুয়ার ছেলে সোহম স্থানীয় একটি স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ও রাজু বড়ুয়ার ছেলে আপন চট্টগ্রাম নগরের একটি স্কুলের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সুমন বলেন, খবর পেয়ে চট্টগ্রাম নগরের ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিকে খবর দিলে তারা গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। পাশাপাশি কাপ্তাই নৌ বাহিনীর ডুবুরি দলও নদীতে নামে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান স্থগিত করলেও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল আপনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

;

বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়ে টমটম উল্টে চালকের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্ধুদের সাথে নাইক্ষ্যংছড়ির সোনাইছড়ি ঘুরতে গিয়ে ফেরার পথে উঁচু নিচু ঢালু রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এক টমটম চালকের মৃত্যু হয়েছে। ওই চালকের নাম মোহাম্মদ ইসমাঈল।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল সন্ধ্যা ৭টার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইসমাঈল কক্সবাজার সদর উপজেলার বাসিন্দা কামাল হোসেনের ছেলে।

ইসমাইলের বন্ধু বাপ্পী জানান, তারা ১০ জন বন্ধু মিলে সিএনজি ও টমটম যোগে সোনাইছড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলো। ফেরার পথে টমটম উল্টে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অনেকেই বলছেন তারা মদ্যপান করেছিলো। এ বিষয়ে ইসমাঈলের বন্ধু বাপ্পীর কাছে জানতে চাইলে সে মদপানের কথা স্বীকার করে।

বাপ্পী জানান, ফেরার পথে তাদের টমটমটি দুর্ঘটনায় পতিত হয়। এতে ইসমাঈল গুরুতর আহত হলে তাকে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন তারা। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর নিহতের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

;