আকর্ষণীয় মেহেদী ডিজাইন

মেহেদি দিতে পারবে সবাই



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেখতে দেখতেই চলে এসেছে ঈদের সময়। তবে অন্যান্য বছরের মত এ বছরে ঈদ নিয়ে নেই কোন বাড়তি পরিকল্পনা, আনন্দ কিংবা মাতামাতি। করোনা পরিস্থিতি যেন কেড়ে নিয়েছে সবটুকু আনন্দ।

সবকিছু ছাপিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে ঘরেই কাটাতে হবে এ বছরের ঈদটি। ঈদের জন্য নতুন কেনাকাটা করা না হলেও সারা বছরে এ সময়ে হাতে মেহেদি দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন নারীরা। দু’হাত ভরে পছন্দসই নকশায় মেহেদি দেওয়ার আমেজই অন্যরকম।

কিন্তু সুন্দর ও আকর্ষণীয় নকশা এঁকে মেহেদি সবাই দিতে পারেন না। ঈদ উপলক্ষ্যে মেহেদি দেওয়ার জন্য তার কাছেই যেতে হয় যিনি নকশা করে মেহেদি দিয়ে দিতে পারেন। স্বাভাবিকভাবেই এ বছরে সেটা সম্ভব হচ্ছে না।

তবে এতে মন খারাপের কিছু নেই। হাতের কাছে মেহেদি কোন ও কটনবাড থাকলে সুন্দর নকশা এঁকে নিজের হাতে নিজেই মেহেদি দিতে পারবেন সহজে। সহজ পদ্ধতিটি শিখে নিন আজকের ফিচার থেকে।

১. প্রথমেই মেহেদি কোনের সাহায্যে হাতের উপর আলতোভাবে আউটলাইনের মত রেখা টেনে নিতে হবে। কলমের সাহায্যে করলে রঙ হবে না, মেহেদি কোনের সাহায্যে ধীরে ধীরে করতে হবে।

mehedi

২. পছন্দমত দুই-তিনটি আউটলাইন করা হয়ে গেলে আউটলাইনের উপরে মেহেদির মাঝারি আকৃতির ফোঁটা দিতে হবে। খুব বেশি বড় কিংবা ছোট নয়, ছবিতে দেখানো আকৃতির মত হতে হবে।

mehedi

৩. মেহেদির ফোঁটা দেওয়া হয়ে গেলে কটনবাডের সাহায্যে মেহেদি ফোঁটার একদিকে আলতোভাবে টেনে নিতে হবে। এতে করে ছবির মত পাতা তৈরি হবে। এভাবে সবগুলো মেহেদি ফোঁটা কটনবাডের সাহায্যে টেনে নিতে হবে।

mehedi

৪. মেহেদি ফোঁটাগুলো কটনবাডের সাহায্যে টেনে নেওয়ার পর তার চারপাশে মেহেদির সাহায্যে রেখা টেনে পছন্দমত আকৃতি দিতে হবে। এভাবে হাতের উভয় পাশ এবং আঙুলে মেহেদি ও কটনবাডের সাহায্যে পছন্দমত নকশা এঁকে নিতে হবে।

mehedi

   

ঈদে বেশি মাংস খেয়ে পেটের যত গণ্ডগোল!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ঈদের মাংস খাওয়ার আধিক্যে পেট ব্যথা / ছবি: সংগৃহীত

ঈদের মাংস খাওয়ার আধিক্যে পেট ব্যথা / ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুরবানির ঈদে গরু-ছাগল সহ নানারকম মাংস রান্না হয়। ঘরে ঘরে ঈদ আর ঈদের পরবর্তী বেশ কয়েকদিন এইরকম ভরপুর রান্না-বান্না হয়। এমনকি বেশ কয়েকদিন ধরে চলে আত্মীয় এবং প্রতিবেশীদের বাড়িতে দাওয়াত। মোটামুটি বেশ কয়েকদিন তাই প্রায় প্রতিদিনই গরু, ভেড়া, ছাগলের মাংস বা রেডমিট খাওয়া হয়।

এই রেডমিট বা লাল মাংস বেশি পরিমাণে খাওয়ায় কারো ক্ষেত্রে পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া এবং বদহজম অবধি হতে পারে। ঈদের মৌসুমে অতিরিক্ত মাংস খেলে যেসব সমস্যা হতে পারে, জেনে নিন সেসব-

ফুড ইনটলারেন্স/অস্বস্তি: অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার পরে পেটে ব্যথা ও অস্বস্তি হতে পারে। এর লক্ষণগুলো হতে পারে- পেট ফুলে যাওয়া, থেকে থেকে ব্যথা হওয়া, বমি বমি ভাব, অম্বল, ডায়রিয়া, মাথাব্যথা এছাড়া খিটখিটে বা নার্ভাস বোধ করাও হতে পারে।

প্রতিবার রেডমিট খাওয়ার সময় বা পরে যদি বমি বমি ভাব বা অন্য হজমের লক্ষণ দেখা গেলে তা ফুড ইনটলারেন্স বা অস্বস্তির লক্ষণ। এই সমস্যার কোনো সরাসরি প্রতিকার নেই। তাই এইরকম সমস্যা খাওয়া এড়াতে বেশি পরিমাণে মাংস খাওয়া এড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই। পেটের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে খাদ্যতালিকায় শাক-সবজি রাখুন। এছাড়া সমস্যা গুরুতর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

অ্যালার্জি: রেডমিট একটি অত্যন্ত অ্যালার্জি জনিত খাবার। অনেকেরই এইরকম রেডমিট খেলে অ্যালার্জি দেখা যায়। যদিও এই ধরণের খাবারের অ্যালার্জি খুব স্বাভাবিক নয়। এক্ষেত্রে বমির সাথে ডায়রিয়া, কাশি-শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরার লক্ষণও দেখা যেতে পারে। রেডমিটে যদি অ্যালার্জি থাকে তবে তা একেবারেই এড়িয়ে চলা ভালো। সেক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে মুরগী বা টার্কি খেতে পারেন। তাছাড়া টফু, মটরশুটি এবং ডিমের মতো খাবার প্রোটিনের উৎস হিসেবে বেছে নিন। অ্যালার্জির কারণে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে, যেমন জ্ঞান না থাকা এবং শ্বাসকষ্ট হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সহায়তা নিন।

বদহজম: কোরবানি ঈদের সময় সবচেয়ে বেশি এই সমস্যা দেখা যায়। বার বার অনেক বেশি মাংস খাওয়ার কারণে বদহজম হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এর ফলে বমি, পেট ব্যথাসহ কোষ্ঠকাঠিন্যও দেখা দিতে পারে।  অল্প কিছুদিন ধরে এরকম সমস্যা হলে বেশ কিছুদিন তরল খাবার খেলে অন্ত্র স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। সমাধান না হলে ডাইভার্টিকুলাইটিসের চিকিৎসা নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করুন।

গ্যাস্ট্রাইটিস: এই সময় পেটে ব্যথার আরেকটি কারণ হতে পারে গ্যাস্ট্রাইটিস। পেটের আস্তরণে জ্বালাপোড়া, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, অটোইমিউন ডিসঅর্ডার, দীর্ঘদিন ব্যথার ওষুধ সেবনসহ আরও অনেক কারণেই এই সমস্যা হতে পারে।

ফুড পয়জনিং: অনেক সময় মাংস খাওয়ার পর ফুড পয়জনিং হতে পারে। খাবারে ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী বা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে এরকম হয়। সাধারণত গরুর মাংসে থাকা দু’টি ব্যাকটেরিয়া ই. কোলাই এবং সি. পারফ্রিনজেন এর প্রভাবে বেশি সমস্যা দেখা যায় ।

;

ঈদুল আজহায় গোশত সংরক্ষণ করবেন যেভাবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কাঁচা মাংস / ছবি: সংগৃহীত

কাঁচা মাংস / ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ মানেই আনন্দ এবং উচ্ছ্বাস। তার সাথে নতুন পোশাক-জুতা, আর নানা পদের খাওয়া-দাওয়া। কোরবানির ঈদে খাওয়া দাওয়ার পাট টা একটু বেশি ভারী থাকে। কারণ, ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি করা সুন্নত, যা প্রতিটি মুসলমানকেই করার জন্য নির্দেশ দেওয়া আছে। তাই গরু, ভেড়া. ছাগলসহ নানান পশু কোরবানি করার প্রচলন রয়েছে। যে প্রাণীই জবাহ করা হোক না কেন, দেখা যায় প্রত্যেকের ঘরেই রান্না-বান্না, খাওয়া-দাওয়ার পরও অনেক পরিমাণে মাংস রয়ে যায়। এই মাংসগুলো সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

পশুর মাংসে সাধারণত আর্দ্রতার পরিমাণ শতকরা ৭৫ ভাগের মতো থাকে। পানি হল অণুজীবের প্রধান প্রজনন স্থান। মাংসে পানি জমে থাকলে দ্রুত পচতে শুরু করে অণুজীবের ক্রিয়ার ফলেই। তাই মাংস সংরক্ষণ করতে এদের থেকে পানি অপসারণ করা দরকার।

মাংস বিভিন্ন ভাবে সংরক্ষণ করা যায়। যেমন চুলায় সেকে পানি শুকিয়ে এবং সেটি ফ্রিজে হিমায়িত করে রাখতে পারেন। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে এই কৌশল অবলম্বন করে নিরাপত্তার মান পূরণ করা হলে মাংস দীর্ঘদিনের জন্য মাংস সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

তাছাড়া রোদে শুকিয়েও অনেকে মাংস সংরক্ষণ করে। তবে এইসময় মাংসে মাছি, পোকামাকড় বা ধুলাবালি পরতে পারে। এসব অস্বাস্থ্যকর দিক থেকে মাংস সুরক্ষিত করে মাংস শুকাতে হবে। পাতলা একটা কাপড় দিয়ে মাংস পোকা ও ধূলা থেকে রক্ষা করা যায়। তিন বা চার ঘণ্টা করে কড়া রোদে শুকাতে দিন। এতে পুরো মাংসের উপরে প্রোটিনের আবরণ তৈরি হয়, আর্দ্রতা শুকিয়ে যায় এবং মাংস দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

কাঁচা গোশত

অ্যাসিড বা অম্লজাতীয় পদার্থে জীবাণু বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। তাই মাংস রোদে শুকানোর আগে লবণ, লেবুর রস (সাইট্রাস এসিড) বা ভিনেগার ছিটিয়ে দিন। সাইট্রাস এসিড বা লেবুর রস দিয়ে শুকানো মাংস আয়রনের ঘাটতি আছে যে ব্যক্তিদের, তাদের জন্য বেশি উপযুক্ত।

এখন যেহেতু বর্ষাকাল, যেকোনো সময় বৃষ্টি হতে পারে বা আকাশ মেঘলা থাকার সম্ভাবনা থাকে। এই কারণে সূর্যের তাপ পর্যাপ্ত না পাওয়ায় বিকল্প পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে। মাংসগুলো কেটে তার উপর লবণ ছড়িয়ে দিন এবং ওভেনে বা চুলায় কিছুক্ষণ গরম করুন।

যদিও দীর্ঘ সময়ের জন্য মাংস সংরক্ষণের জন্য ডিপফ্রিজে রাখা সবচেয়ে  নিরাপদ উপায়। কারণ বরফ অবস্থায় জীবাণুর বৃদ্ধি ধীর হয়ে যায়। ডায়েটিশিয়ানদের মতে ফ্রিজের মাংস তিন থেকে চার মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ এবং ব্যবহার করা যেতে পারে। যদি ফ্রিজার ঘনঘন খোলা না হয় বা দীর্ঘক্ষণ লোডশেডিং-এর সমস্যা না হয়, তাহলে প্রায় ৬ মাস পরও সংরক্ষিত করা মাংস ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কোরবানির মাংস খেয়ে শেষ করা উচিত।

মাংস ফ্রিজে রাখার ক্ষেত্রে ছোট প্লাস্টিকের পাত্র এবং নিউজপেপার ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। কারণ খবরের কাগজে ব্যবহৃত প্রিন্টের কালিতে সীসা থাকে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। তার বিকল্প হিসেবে বাটার পেপারও ব্যবহার করা যেতে পারে।

তথ্যসূত্র: ফুড সাইন্স ইউনিভার্স

 

;

সহজেই রেঁধে নিন অসাধারণ স্বাদের বিফ কারি!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিফ কারি / ছবি: বার্তা২৪

বিফ কারি / ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

রাত পোহালেই ঈদুল আজহা। ঘরে ঘরে রান্না হবে, কুরবানির মাংস। সাধারণ কিছু মশলা দিয়ে অসাধারণ পদ্ধতিতে গরুর মাংস রান্না শিখে নিন!  

রোস্টেড মশলা-

১. টমেটো কুচি: ৪ টি

২. কাজু: ১৫-২০ টি

৩. লবঙ্গ: ৬-৭ টি

৪. শুকনো মরিচ: ৯-১০ টি

৫. দারচিনি: ৪ টুকরা

৬. এলাচ: ৮-১০

প্রথমে টমেটো বাদে বাকি সব মশলা একটি শুকনো কড়াই বা ফ্রাইয়িং প্যানে নিতে হবে।  চুলায় কম আঁচে ২-৩ মিনিট রোস্ট করে নিতে হবে। এগুলো ঠান্ডা করে নিয়ে ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। মশলাগুলো ভালো করে গুড়ো হলে তার মধ্যে কুচি করা টমেটো দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই মশলার মধে্য আধা কাপ টক দই মিশিয়ে পেস্ট একপাশে রেস্টে রেখে দিতে হবে।

 

মূল উপকরণ:

১. গরুর মাংস: ২ কেজি (খাসির মাংসের ক্ষেত্রেও পরিমাণ ও পদ্ধতি একই)  

২. আলু বড় আকারে কেটে নেওয়া: ১/২ কেজি

৩. তেল: ১/৪ কাপ

৪. ঘি: ২ টেবিল চামচ

৫. ছোট এলাচ: ৬ টি

৬. দারচিনি: ২ টি

৭. স্টার মশলা: আস্ত ১ টি

৮. বড় এলাচ: ২ টি

৯. কালো গোরমরিচ: ৭-৮ টি

১০. তেজপাতা: ২ টি

১১. হলুদ গুড়া: ১ চা চামচ

১২. কাশ্মেরী মরিচ গুড়া: ১ টেবিল চামচ

১৩. গুড়া মরিচ: ১/২ টেবিল চামচ

১৪. ধনিয়া গুড়া: ১/২ টেবিল চামচ

১৫. জিরা গুড়া: ১ টেবিল চামচ

১৬. আদা-রসুন বাটা: ৩ টেবিল চামচ

১৭. পেঁয়াজ বাটা: ২ টেবিল চামচ

১৮. লবণ: স্বাদমতো

১৯. পেয়াজ বেরেস্তা: ১/৪ কাপ

২০. গরম পানি: পরিমাণমতো

করণীয়-

১. প্রথমে একটি বড় কড়াই চুলায় দিয়ে তাতে  তেল আর ঘি নিতে হবে। এরপর আলুগুলো দিয়ে হালকা বাদামি রঙ করে ভেজে তুলে নিতে হবে। এরপর ভাজা হলে আলুগুলো তুলে একপাশে রেখে দিতে হবে।

২.এরপর সেই তেলে একে একে ছোট এলাচ, দারচিনি, স্টার মশলা, বড় এলাচ, কালো গোরমরিচ, তেজপাতা এসব দিয়ে হালকা ভাজা করে নিতে হবে। ভাজা হলে তাতে পানি ঝরানো মাংসগুলো দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ভালো করে ভেজে নিতে হবে।

৩. মাংস থেকে বের হওয়া পানি টেনে বাদামি রঙ হয়ে এলে আদা, রসুন এবং পেঁয়াজ বাটা দিতে হবে। বাটা মশলাগুলো ভালো করে কষিয়ে মাংসে মিশিয়ে নিতে হবে। অনবরত নেড়ে কষিয়ে নিতে হবে।

৪. এরপর বাটা মশলা ভাজা ভাজা হলে চুলার আঁচ কমিয়ে নিতে হবে। এই পর্যায়ে একে একে গুড়া মশলাগুলো দিতে হবে। ভালো করে মিশিয়ে মশলা ভাজা ভাজা করে নিতে হবে।

৫. মিডিয়াম আঁচে তেল ভেসে ওঠা অবধি কষাতে হবে। এই পর্যায়ে টক দই মেশানো পেস্ট করা মশলা কড়াইয়ের মাংসে মিশিয়ে দিন। ভাল করে কষাতে থাকুন।

৬. মাংস কষানো হলে তাতে ভাজা আলুগুলো দিয়ে দিন। আরও কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। এই পর্যায়ে পেঁয়াজের বেরেস্তা মিশিয়ে নিন।

৭. মাংস কষানো যত ভালো হয়,  রান্না তত ভালো হয়। এখন গরম পানি ঢেলে, ঢেকে হাইহিটে জ্বাল করতে হবে। পানি ফুটে উঠলে আঁচ মিডিয়াম করে ১৫ মিনিট জ্বাল করতে হবে। এরপর হালকা আঁচে জ্বাল করতে থাকুন। ঝোল টেনে এলে নামিয়ে নিন।

গরম গরম বিফ কারি পরিবেশন করুন ভাত, পোলাও, রুটি বা পরোটা দিয়ে।

;

ঈদ-উল-আজহা: কুরবানির পশুর প্রতি করণীয়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কুরবানির পশু / ছবি: সংগৃহীত

কুরবানির পশু / ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আর মাত্র দু’দিনের অপেক্ষা। তারপরই মুমিনদের আনন্দের ধারায় বয়ে আসবে মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। এবছরের দ্বিতীয় তথা শেষ ঈদের আমেজে মশগুল চারদিক। কসাই বুকিংয়ে যেমন লম্বা লাইন, তেমন গরুর হাটে উপচে পড়া ভীড়। সাধ্যের মধ্যে ছোট বা বড় গরু, মহিষ, ছাগল, ভ্যাঁড়া কিনে বাড়ি ফিরছে সকলে। তবে বাড়ি নিয়ে ঈদের বাকি যে ক’দিন আছে, এই কিছুদিন কুরবানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে কেনা পশু কিভাবে রাখবেন!

শুনলে আশ্চর্যজনক মনে হলেও আসলে অনেকে কুরবানি দেওয়া গরুর যত্ন নেওয়ার ব্যাপারটি সঠিকভাবে জানেন না। অথবা অনেকে জেনেও পশুদের যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না। আমরা সেই কুরবানির ঈদের সূত্রপাতের গল্পই ভুলে যাই। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এবং তাঁর পুত্র ইসমাঈল (আঃ) আল্লাহর জন্য ত্যাগ করতে ইচ্ছুক ছিলেন। নিজ সন্তানের পরিবর্তে পশু কুরবানি করার নিয়ম হয়েছে। তাই পশুদের প্রতি সন্তানস্নেহ থাকা প্রয়োজন। জেনে নিই, কুরবানির আগে পশুদের যত্নে ব্যাপারে যেসব জিনিস মনে রাখবেন-

১. কুরবানির ঈদের সময় ঘনিয়ে আসলে প্রাণীদের দুর্ভোগ বেড়ে যেতে দেখা যায়। এর প্রধান কারণ হলো বিশ্বব্যাপী মাংসের অতিরিক্ত চাহিদা। যতটা প্রয়োজন ততটুকু পশু কুরবানি করাই শ্রেয়। সামর্থ্য আছে বলে অতিরিক্ত খরচ করা নিরর্থক। এই ব্যাপারে ধর্মীয় নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। ইসলামের মৌলিক নীতি অনুসরণ করে চললে পশুদের দুর্ভোগ হ্রাস পাবে, আবার মানুষের শারীরিক সমস্যার ঝুঁকিও কমবে।

২. অনেক মুসলমান জবাই করার একটি সাধারণ নিয়ম জানেন না। কখনোই একটি পশুর সামনে অন্য একটি পশুর প্রাণ নেওয়া উচিত নয়। ইসলামে একটি পশুকে অন্য পশুর সামনে জবাই করার অনুমতি নেই, যা ঈদুল আজহার সময়েও প্রযোজ্য। তবে দুঃখজনকভাবে সামান্য সংখ্যক মুসলমানই এই নীতির ক্ষেত্রে সচেতনতা প্রকাশ করেন।

কুরবানির পশু / ছবি: সংগৃহীত

৩. মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, এক নারী তার কাছে রাখা একটি বিড়ালের প্রতি আচরণের কারণে জাহান্নামে গিয়েছিলেন। বিড়ালটিকে যখন তিনি আটকে রেখেছিলেন, তখন ঠিকমতো খাবার খাওয়াননি। বিড়ালটিকে মুক্ত করে দিলেও সে নিজে শিকার করে খেয়ে বেঁচে থাকতে পারতো। তবে তা হয়নি, কারণ নারীটি বিড়ালটিকে আটকে রেখেছিল। এই গল্পটির পাঠ হলো আপনার কাছে থাকা পোষা প্রাণীর পর্যাপ্ত যত্ন নিন। তা একান্ত সম্ভব না হলে, তাদের মুক্ত করে দিন।

৪. ধর্মীয় মতে নির্দেশনা আছে, পশুর জবাই করার সময় তার কষ্ট যেন কম হয় তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মজা বা দুষ্টুমি করেও কোনো প্রাণীর প্রতি কঠোর ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

তথ্যসূত্র: হিডেন পার্লস

;