নিজেই নিজেকে বিষাদগ্রস্থ করছেন নাতো!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নিজেই নিজেকে বিষাদগ্রস্থ করছেন নাতো!

নিজেই নিজেকে বিষাদগ্রস্থ করছেন নাতো!

  • Font increase
  • Font Decrease

বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ঘটনা আপনার অখুশিকে প্রভাবিত করতে পারে।  জীবনে হতাশা, দুঃখ সহ আরও নানা কারণে নিজের খুশি থাকার পথে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। মানুষের  দৈনন্দিন জীবনে কিছু সাধারণ জিনিস থাকে যা প্রায়শই অসন্তুষ্টি নিয়ে অঅসে। ফলে জীবনের খুশিই হারিয়ে যায়্-

অবাস্তব আকাঙ্ক্ষা: নিজে অথবা সমাজের দ্বারা সফলতার মানদন্ড নির্দিষ্ট থাকলে তা বয়ে আনবে হতাশা। কারণ, আপনি একটা  নির্দিষ্ট গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে পড়েন।নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মনমতো ফলাফল করতে না পরলে আপনি নিজেকে অপারগ ভাবেন এবং জীবনে অখুশি ভর করে।

তুলনা: অন্যের সাথে অনবরত নিজেকে তুলনা করতে থাকলে শিঘ্রই হতাশা চলে আসে। সবার কিছু বিশেষত্ব থাকে। কিন্তু অন্যের সফলতা,বিশেষ গুণ বা সাফল্য থেকে অনেকেই আফসোসে নিজস্বতা হারাতে থাকেন।

কাজের চাপ: অতিরিক্ত কাজের চাপ, বিশ্রামহীনতা, ছুটির ঘাটতির কারণে অবসাদ চলে আসে এবং জীবনের ভারসাম্য ব্যাহত হয়।

জীবনসঙ্গী:  জীবনের প্রতি পদক্ষেপেই জীবন সঙ্গী গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। অসুস্থ সম্পর্ক মানুষের জীবনকে অসুখী করে। এছাড়াও, বন্ধু-বান্ধব, পরিবার পরিজনের সাথে অশান্তিও মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। তাদের সহযোগীতাই আপনাকে সবচেয়ে সুখী মানুষ বানায়।  

আর্থিক অবস্থা: আর্থিক দুরবস্থা জীবনে বিশেষ প্রভাব ফেলে।  বকেয়া বিল, ধার-দেনা ও অনিশ্চিত ভবিষৎ আর্থিক অবস্থার মধ্যে জীবন যাপন করলে খুশি থাকা যায় না।

মানসিক অবস্থা:  মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত হয়ে সুখী জীবনযাপন সম্ভব নয়। মানসিক অসুখকে অবহেলা করলে তা ধীরে ধীরে আরও বাড়তে পারে। ডিপ্রেশন, ট্রমা, উদ্বেগ সহ অন্যান্য রোগে আক্রা্ন্ত থাকলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।   

নেতিবাচক চিন্তা: নিজেই নিজের সম্পর্কে নেতিবাচক চিন্তা করতে থাকলে একসময় নিজের উপর ঘৃণা চলে আসা শুরু হতে পারে। নিজেকে বাজে ভাবে বিচার করা ও সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন।

শারীরিক সুস্থতা: শারীরিক সুস্থতা সুখী জীবনের পূর্বশর্ত। কথায় বলে, সুস্থ দেহে সুন্দর মন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকা  বা শরীরে ব্যথা হতাশ করে ফেলতে পারে। অথবা তৈরি করে পারে বিরক্তি ও মানসিক অস্থিরতা। তাই যথা সম্ভব  সুস্থ থাকার চেস্টা করুন। অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকুন।

তথ্যসূত্র: টাইমস্ অফ ইন্ডিয়া

 

   

চতুর্থ বছরে পা রাখলো দেশীয় কাপড়ের জনপ্রিয় ব্রান্ড 'হুর' 



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশীয় কাপড় ব্যবহার করে তৈরিকৃত নান্দনিক কাপড়ের জনপ্রিয় ব্রান্ড হুরের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪ টায় যমুনা ফিউচার পার্কের লেভেল-১ এ হুরের ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে জাঁকজমকভাবে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা পালন করে হুর কর্তৃপক্ষ।


হুর ব্রান্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদেশি লন কাপড়ের আগ্রাসনে যখন দেশীয় বস্ত্রখাত হুমকির মুখে পড়ছিল তখন দেশজ লন কাপড় ব্যবহারে বাঙালি নারীদের অনুপ্রাণিত করতে যমুনা গ্রুপের স্বপ্নদ্রষ্টা মরহুম মো. নুরুল ইসলামের পরামর্শে তার যোগ্য উত্তরসূরী সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম ২০২০ সালে 'হুর' ব্রান্ডের আত্মপ্রকাশ ঘটান।
শুরু থেকেই হুর প্রত্যেক সিজনে বাহারি রঙের কালেকশন নিয়ে আসে। দেশীয় জনপ্রিয় মডেলদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মডেলদের মাধ্যমে হুরের। বিজ্ঞাপন, ফ্যাশন শো, বিশেষ প্রদর্শনী ইত্যাদির মাধ্যমে মাত্র চার বছরের পরিক্রমায় এখন হুর দেশের সীমানা ছাড়িয়ে প্রাচ্যের বাকি দেশগুলোর আকাশ ছুঁতে চলেছে।


এদিকে বাঙালি নারীদের কাছে হুর এখন ব্যাপক পরিচিত ও সমাদৃত। বিদেশি পণ্যের চেয়ে গুণে ও মানে ভালো হওয়া সত্ত্বেও এর সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে হুর এখন উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ছাড়িয়ে নিম্ন- মধ্যম আয়ের মানুষের নাগালেও ধরা দিয়েছে। সাশ্রয় হচ্ছে মানুষের পোশাকী ব্যয়।

এছাড়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে হুরে পাওয়া যাবে নিত্য নতুন চিত্তাকর্ষক ডিজাইন, মনোলোভা কারুকাজ, ডিজিটাল প্রিন্টের লন, চিকানকারি লন সালওয়ার-কামিজ, কাফতান-কুর্তি, ট্রাউজার, ছেলেদের জন্য থাকছে ফরমাল-ক্যাজুয়াল শার্ট প্যান্ট, কাবলি-পাঞ্জাবি। আরো আছে ছোটদের ট্র্যাডিশনাল জামা, বাবা-ছেলে, মা-মেয়ে ম্যাচিং কম্বো। সীমিত সময়ের জন্য থাকছে ৫০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট সুবিধা।
অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিনসহ অনেক খ্যাতনামা মিডিয়া ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যমুনা গ্রুপের পরিচালক মার্কেটিং, সেল্স এন্ড অপারেশন্স ডক্টর মোহাম্মদ আলমগীর আলমা আরও উপস্থিত ছিলেন হুরের অপারেশন হেড মেহমুদ গুঞ্জাল।

;

খিলগাঁওয়ে ‘লুক চেঞ্জ’ স্যালনের উদ্বোধন করলেন স্বপ্নীল



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সংগীতশিল্পী স্বপ্নিল সজীব ও ‘লুক চেঞ্জ’-এর কর্ণধার তানজিল জনি

সংগীতশিল্পী স্বপ্নিল সজীব ও ‘লুক চেঞ্জ’-এর কর্ণধার তানজিল জনি

  • Font increase
  • Font Decrease

তরুণ প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী স্বপ্নিল সজীব। ভিন্ন ধর্মী উপস্থাপনার জন্য তিনি দেশ ও দেশের বাইরে সমাদৃত। পেয়েছেন নানা ধরনের সম্মাননা। তার ফ্যাশন সচেতনতাও চোখে পড়ার মতো।

এবার এই শিল্পীকে দিয়ে উদ্বোধন করা হলো জনপ্রিয় মেনজ স্যালন ‘লুক চেঞ্জ’। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা পাওয়া ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার তানজিল জনির এই ‘লুক চেঞ্জ’ স্যালন এরইমধ্যে রাজধানীর তরুণদের পছন্দের তালিকায়। তাইতো জনি একের পর এক রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে এর শাখা খুলছেন।

ধানমণ্ডি, মিরপুর ও উত্তরার পর এবার ‘লুক চেঞ্জ’ স্যালন যাত্রা শুরু করেছে খিলগাঁও নাজমা টাওয়ারে। গতকাল নতুন এই শাখার উদ্বোধন করেন শিল্পী স্বপ্নিল সজীব। এ সময় মেনজ স্যালন ‘লুক চেঞ্জ’-এর কর্ণধার তানজিল জনিও উপস্থিত ছিলেন।

নতুন শাখার উদ্বোধনী দিনের ফেসবুক লাইভ দেখেই অনেকে সেরা নিতে ছুটে আসেন। একাধিক নারীকেও পুরুষদের এই স্যালনে আসতে দেখা গেছে। তারা এসে জানিয়েছেন, তাদের সন্তান তানজিন জনির ভিডিও খুব পছন্দ করে।

নতুন শাখার উদ্বোধনী দিনে কর্মীদের সঙ্গে জনি

আর তানজিল জনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘‘সবার দোয়া আর ভালোবাসার আমার এই অগ্রযাত্রা। খুব অল্প সময়ে আমার মেনজ স্যালন ‘লুক চেঞ্জ’ এবং আমার পোশাকের ব্র্যান্ড ‘পান্থি’ গ্রাহকের মন জয় করেছে। ‘লুক চেঞ্জ’ স্যালনে প্রতিদিন দারুণ ভিড় থাকে। কোন কোন সময় লম্বা সিরিয়াল পড়ে যায়। আসলে অল্প খরচে ভালো সেবা দিলে যে কোন ব্যবসাতেই উন্নতি সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করছি।’

;

আন্না সেবার সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন রাধিকা মার্চেন্ট এবং অনন্ত আম্বানি



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আন্না সেবার অনুষ্ঠানে সব্যসাচীর ডিজাইন করা পোশাকে রাধিকা, সাথে হবু বর অনন্ত আম্বানি

আন্না সেবার অনুষ্ঠানে সব্যসাচীর ডিজাইন করা পোশাকে রাধিকা, সাথে হবু বর অনন্ত আম্বানি

  • Font increase
  • Font Decrease

অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট, ভারতের এই যুগল এখন বেশ চর্চায় আছেন। শিঘ্রই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন তারা। তারকা না হলেও জনপ্রিয়তায় কোনো অংশে তারকার চেয়ে কম নন এই হবু-দম্পতি। ছোটবেলার বন্ধুত্ব থেকে আজীনের জন্য গাঁটছড়া বাঁধতে যাচ্ছেন অনন্ত-রাধিকা। বাগদান হওয়ার পর থেকেই তারা বেশ আলোচনায় রয়েছেন।

সম্প্রতি তদের বিবাহ পূর্ববর্তী প্রথম অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। আম্বানি পরিবারের অনুষ্ঠানে উদযাপন তো ধুমধাম করে হবেই! তা নজরে পড়ছে ইতোমধ্যেই। গতকালকের অনুষ্ঠান বেশ জাঁকজমকভাবেই শুরু হয়। সেই অনুষ্ঠানে  নববধূ রাধিকা ভারতীয় বিখ্যাত ডিজাইনার সব্যসাচীর পোশাক পরেছিলেন।

ছোটবেলার বন্ধুত্ব থেকে প্রণয়, অবশেষে পরিণয়ে অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট
 

ভারতীয় বিবাহ রীতি আন্না সেবা’র অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন আম্বানি এবং মার্চেন্ট পরিবার। ভারতীয় ধনাঢ্য পরিবারের কন্যা রাধিকা মার্চেন্টের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন মুকেশ আম্বানি এবং নীতা আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি। 

গতকাল জামনগরে বিবাহের উৎসব শুরু হয়। অনুষ্ঠানে রাধিকা এবং অনন্ত ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেন। রঙিন সালোয়ার কামিজের সেট পরার সিদ্ধান্ত নেন রাধিকা। রানি গোলাপি এবয় কমলা রঙের মিশ্রণের সালোয়ার স্যুটে কনে রাধিকাকে বেশ মানিয়েছে। কনের পাশে বরকেও গর্জিয়াস দেখাচ্ছিল্ রঙের সমন্বয় রেখে অনন্ত পড়েছিলেন লাল রঙে সিল্কের কুর্তা এবং প্যান্ট।  তার সাথে ছিল ম্যাচিং এমব্রয়ডারি করা নেহরু জ্যাকেট।

বাগদান অনুষ্ঠানে অনন্ত-রাধিকা

বর্তমানে প্রায় সকল সেলিব্রিটি বিয়েতে সব্যসাচী মুখার্জির ডিজাইন করা পোশাক পরতে পছন্দ করে। রাধিকাও কোনো তারকার থেকে পিছিয়ে নন। আন্না সেবার অনুষ্ঠানে পরা পোশাকটি সব্যসাচীর কালেকশনেরই। পোশাকের সাথে সাজ ফুটিয়ে তুলতে হালকা গয়না পরেছিলেন রাধিকা। গলায় সোনার হালকা হার, চাঁদবালি, কানে ঝুমকো এবং হাত ভর্তি চুরি পরেছিলেন তিনি। তার সাথে সিম্পল ও এলিগেন্ট সাজে তাকে খুব সুন্দর লাগছিল।

রাধিকা এবং অনন্ত তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে আনন্দ উদযাপনে মেতে ওঠেন। উভয় পরিবারের সকলের সাজ নেটিজেনদের মুগ্ধ করেছে।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তার টাইমস 

;

বন্ধুত্বে একাকিত্ব বোধ করলে যা করবেন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বন্ধুত্বে একাকিত্ব বোধ করা

বন্ধুত্বে একাকিত্ব বোধ করা

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্ধু হলো এমন এক মানুষ, যাকে বিপদে আপদে সব সময় পাশে পাওয়ার আশা মানুষ করে। জীবনে আমাদের কাছের যে মানুষ থাকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। অন্যান্য সম্পর্ক আমরা নিজেরা বাছাই করতে না পারলেও, বন্ধু এমন এক সম্পর্ক যা আমরা আমাদের পছন্দ অনুযায়ী বাছাই করতে পারি।

অনেক সময় বন্ধুদের সাথে থেকেও আমরা একাকিত্ব অনুভব করি। বন্ধুদের প্রতি আমাদের প্রত্যাশা ভিন্নরকম হতে পারে। সবসময় হয়তো পরিবেশে ও পরিস্থিতি একরকম থাকে না। বন্ধুদের মধ্যে থেকে একাকিত্ব অনুভব করলে তা হৃদয়কে ভারী করে তুলতে পারে।

অনেক সময় এরকম অনুভূতি যোগাযোগের অভাবে হতে পারে। অথবা আগ্রহ, মূল্যবোধ বা অনুভূতির ভারসাম্য ঠিক না থাকার কারণেও হতে পারে। সেই ব্যাপারেই মন্তব্য করেছেন থেরাপিস্ট ইসরা নাসির।

১. বন্ধুমহলে একাকিত্ব অনুভব করলে তা নিজেকেই কাটিয়ে উঠতে হবে। বন্ধুত্বে চাহিদা এবং প্রত্যাশার প্রতিফলন না ঘটালে সামনের মানুষ কখনোই আমাদের অনুভূতি বুঝবে না। কারণ যত ভালো বন্ধুই হোক, নির্দিষ্ট সময়ে ব্যক্তিগত অনুভূতি বোঝা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়।   তাই নিজের অনুভূতি প্রকাশে নিজেকে আগে সোচ্চার হতে হবে।

২.অন্যদের উদ্যোগের অপেক্ষা করা যাবে না। অনেক সময় বন্ধুদের সাথে আমাদের দেখা করার ইচ্ছা থাকলেও আমরা প্রকাশ করি না বা কাউকে জানাই না। আমরা অপেক্ষা করি , অন্য বন্ধুদের প্ল্যান করার। সেই কাজটা চাইলেই আমরা করতে পারি। দেখা করার এবং সুন্দর একটা সময় কাটানোর পরিকল্পনা করা খুব কঠিন কিছু নয়।     

৩.আমাদের নিজেদের পরিবেশের ব্যাপারে আরও মনোযোগী হতে হবে। আমাদের চারপাশে আমাদের সাথে কারা বন্ধুত্ব করতে আগ্রহী, তা লক্ষ্য করতে হবে। এভাবে বন্ধুবৃত্ত বড় করার পরিকল্পনা করতে হবে।

৪. কারো সাথে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাচ্ছে এমন মনে হলে তার সাথে একান্তে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। তাদের থেকে আমরা যেরকম ব্যবহার আশা করছি তা সরাসরি জানাতে হবে। একাকিত্ব অনুভব করার সম্পর্কেও তাদের জানাতে পারেন।

৫.শুধু সংখ্যায় বন্ধু বাড়ানোর চেয়ে, বন্ধুত্বে গভীরতা বাড়ানোতে মনোযোগী হতে হবে। কারণ, বিপদে পাশে থাকবে এমন বন্ধুই প্রয়োজন। তাই সংখ্যায় কম হলেও, প্রকৃত বন্ধুর গুরুত্ব বেশি।    

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

;