দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখতে যা খাবেন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পৃথিবীর সব মানুষই চান যৌবন ধরে রাখতে। কিন্তু বাস্তবে কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। বার্ধক্য আসবেই। কিন্তু সেই স্বাভাবিক জৈবিক নিয়মকে অনেকেই মেনে নিতে পারেন না। বয়স তিরিশের কোঠা পেরোতে না পেরোতেই মাথায় শুধু একটিই চিন্তা, ‘বয়স্ক দেখাচ্ছে না তো?’ অনেকের ধারণা, নামীদামি প্রসাধনী ব্যবহার করলেই বুঝি বয়স বাগে আনা সম্ভব! তবে তার পাশাপাশি ডায়েটেও যে নজর রাখতে হবে, সে বিষয়টি ভুলে যাই আমরা। রেস্তরাঁর মশলাদার খাবার, ভাজাভুজি কেবল আমাদের শরীরের ভিতরের ক্ষতি করে এমনটা নয়, এর প্রভাব পড়ে ত্বকেও। ত্বকের জন্য কয়েকটি বাদাম কিন্তু ভীষণ উপকারী। জেনে নিন, কোন কোন বাদাম ডায়েটে রাখলেই যৌবন ধরে রাখা সম্ভব।

কা‌ঠবাদাম

এই বাদাম ভিটামিন ই-র একটি দারুণ উৎস। ভিটামিন ই আপনার ত্বককে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করতে, আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং ত্বকের টিস্যু মেরামত করতে সাহায্য করে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত কাঠবাদাম খেলে ঋতুবন্ধের পর ত্বকের বলিরেখার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

আখরোট

এতে আছে প্রদাহরোধী ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। তা ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। আখরোট পলিফেনলের ভাল উৎস। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট উপাদান। যে কোনও রকম প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে এগুলি। ত্বক টান টান রাখতেও সাহায্য করে।

পেস্তা

এই বাদামে ভরপুর মাত্রায় পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে এই দুই উপাদান বেশ জরুরি। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ত্বকের জেল্লা বাড়ায়। ত্বকের কোষের ক্ষয় রোধ করে। ব্রণ কমাতেও সাহায্য করে এই বাদাম।

   

ঘি খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো?



লাইফস্টাইল, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘি বাঙালির মুখরোচক খাবার। খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বাড়াতে ঘিয়ের জুড়ি নেই। শুধু কি তাই? এটি আমাদের সুস্থ রাখতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে।

কেউ কেউ রয়েছেন প্রতিদিনের রান্নায় তেলের পরিবর্তে ঘি ব্যবহার করেন। আবার কারো পাতের গরম ভাতের সঙ্গে ঘি না হলে তো চলেই না! তাই বলে কি প্রতিদিন ঘি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ভারতের পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. মিলটন বিশ্বাস জানিয়েছেন, অনেকেরই মনে হয় ঘি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। সারাদিনে যে খাবারটা খাওয়া হয় সেটা অবশ্যই সুষম ডায়েট হওয়া উচিত। অর্থাৎ এই পুষ্টিবিদের মতে, খাবারে ৫০ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট ,৩৫ শতাংশ প্রোটিন এবং ১৫ শতাংশ ফ্যাট হওয়া উচিত।


যদি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ঘি তৈরি করা যায় তাহলে, এক চামচ ঘি-এর মধ্যে ১৩৫ ক্যালরি পাওয়া যায়। যার মধ্যে ১৫ গ্রামই পাওয়া যায় ফ্যাট, এবং ফাইবার কার্বোহাইড্রেট ও সুগারের পরিমাণ থাকে শূন্য । তবে এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ,কে, ডি এবং ই পাওয়া যায় ।

ঘি টাকে যদি অল্প আঁচে জ্বালিয়ে তৈরি করা সম্ভব হয় তাহলে ভিটামিনের সব পুষ্টিগুণগুলো ওই ঘি-এর মধ্যে বজায় থাকে। ঘি এর মধ্যে সাধারণত যে ফ্যাট পাওয়া যায় সেটা স্যাচুরেটেড ফ্যাট হিসেবে থাকে। এই স্যাচুরেটেড ফ্যাট স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী!

এছাড়াও ঘি এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি, ফ্যাটি এসিডও পাওয়া যায়, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী।


তবে পরিমাণে বেশি নয়। প্রত্যেক দিন যদি এক চামচ করে ঘি খাওয়া যেতে পারে তাহলে, এটি আপনাদের শরীরের ‘এলডিএল কোলেস্টেরলের’ পরিমাণটি কমাতে সাহায্য করবে। ঘি-এর মধ্যে যেহেতু সুগারের পরিমাণ পুরোপুরি জিরো থাকে তাই ঘি খেলে রক্তে সুগারের লেভেলও কম থাকবে!

ঘি ইনফ্লামেশন কমানোর পাশাপাশি যাদের করোনারি আরটারি ডিজিজ রয়েছে তাদের সেই রোগ প্রতিরোধ করতেও যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে। তাই কোনওরকম দুশ্চিন্তা না করে প্রত্যেকদিন এক চামচ ঘি খাওয়া যেতে পারে। এমনকি যাদের সুগার রয়েছে তারাও ঘি খেতে পারেন।

;

রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ বেশি কার্যকর



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রোগ প্রতিরোধ বনাম রোগ নিরাময়

রোগ প্রতিরোধ বনাম রোগ নিরাময়

  • Font increase
  • Font Decrease

সুস্থ মানুষই সুখী মানুষ। অসুস্থ হলে মানুষের জীবনের স্বাভাবিক গতি বাধাপ্রাপ্ত হয়। স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসকরা বরাবরই বলেন,  ‘নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধ ভাল’। এই কথাটি খুব গভীর অর্থ বহন করে।  সময় থাকতেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখা যায়। তাছাড়া, অসুস্থ হওয়ার প্রবণতাও কমে। যেমন- নিয়মিত শরীর চর্চা, সুস্থ থাকতে উদ্যোগ গ্রহণ এবং টিকাগ্রহণ। ভারতীয় চিকিৎসক শচীন পাওয়ার রোগ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধকে প্রাধান্য দিয়েছেন। জেনে নেওয়া যাক, তার পরামর্শ-

প্রতিরোধ ক্ষমতা:  রোগ প্রতিরোধ করার পদক্ষেপ দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। এটি একটি বিচক্ষণ পদক্ষেপ হতে পারে। জীবনধারায় সাধারণ পরিবর্তন করেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। আগে থেকেই টিকা নিয়ে রাখলে এবং চিকিৎসকের থেকে নিয়মিত পরামর্শ নেওয়ার মাধ্যমে আক্রান্ত হওয়া এড়ানো যায়। এতে অসুস্থ হওয়ায় বাড়তি খরচ এবং শারীরিক অস্বস্তি এড়ানো যায়।

নিরাময়ের খরচ: অনেক সময় রোগ প্রতিরোধের চেয়ে  চিকিৎসা বেশি খরচ সাপেক্ষ হয়। দীর্ঘস্থায়ী রোগের থেকে নিরাময়ের খরচ সময়ের সাথে সাথে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অথচ সময় থাকতেই রো গ বৃদ্ধির প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করলে এই করচ এড়ানো সম্ভব হতো। জীবন মান: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে নিয়মের মধ্যে চলতে হয়। আমাদের শরীর কিরকম প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা জীবনধারা বাছাই করার সিদ্ধান্তের চারপাশে আবর্তিত হয়। যেমন- প্রতিদিন সুষম খাদ্য তালিকা বজায় রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং মানসিক চিন্তামুক্ত থাকা ভালো অভ্যাস। এই অভ্যাসগুলো রোগের সূত্রপাত প্রতিরোধ করে। তার সাথে সামগ্রিক সুস্থতাও রক্ষা করে। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং ওজন আধিক্যের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগ গুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায় সুন্দর জীবনধারার মাধ্যমে।   

লোড অফ হেলথকেয়ার সিস্টেম গ্রহণ যখন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উপর চাপ কমানোর কথা আসে, তখন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা প্রতিরোধযোগ্য রোগের জন্য চিকিত্সার সন্ধানকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা হ্রাসের সুবিধা দেয়, যার ফলে উদীয়মান স্বাস্থ্য সংকট সমাধানের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সংস্থানগুলির দক্ষ বরাদ্দের অনুমতি দেওয়া হয় এবং গুরুতর চিকিত্সার প্রয়োজন রয়েছে এমন ব্যক্তিদের জন্য আরও ভাল যত্ন প্রদান করে।

প্রতিরোধ এবং নিরাময় ভারসাম্য: প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ স্পষ্টত কার্যকরী একটি পদক্ষেপ। তবে তাই বলে রোগ নিরাময় করার পদ্ধতিকে অবহেলা করলে হবে না। দিন দিন চিকিৎসা পদ্ধতির অগ্রগতি হচ্ছে। চিকিৎসার মাধ্যমে অগণিত জীবন বাঁচানো এবং কষ্ট লাঘব করা সম্ভব হয়েছে। প্রতিরোধ এবং নিরাময় উভয়ই স্বাস্থ্যের জন্য প্রভাব বিস্তারকারী।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

;

ডাল খেতে খেতে বিরক্ত? বদলে নিন রেসিপি



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আমরা বাঙালিরা খাবারের সাথে প্রতিদিন কম-বেশি ডাল খেয়ে থাকি। বাড়ি কিংবা রেস্তোরাঁয় খাবারের সাথে ডাল পরিবেশন করা একটা নিয়ম হয়ে গেছে। এই ডাল প্রতিদিন খেতে খেতে একঘেয়ে লাগে অনেকের কাছেই।

তবে ডাল রান্নায় একটু বৈচিত্র্য আনলেই বাদলে যাবে স্বাদ। খাবার হয়ে উঠবে সুস্বাদু। গ্রাম্য উপায়ে ঘরেই রান্না করা যায় কচু পাতার ডাল। এ ডাল একবার খেলে বারবার খেতে মন চাইবে। গ্রাম বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় খাবার কচু পাতার ডাল।


কচু পাতার ডাল রান্নার রেসিপি:

কালোজিরা, পাঁচফোড়ন ও পেঁয়াজ দিয়ে মসুর ডাল তৈরি করেন অনেকেই। মসুর ডাল তৈরিতে ব‍্যবহার করে দেখতেই পারেন কচুপাতা। সাথে রসুন, কাঁচালঙ্কা। এই ডাল তৈরি করতে কচি কচু পাতা সংগ্রহ করতে হবে। রসুন, আদা, লঙ্কা, মসুর ডাল তো ঘরেই থাকে।


প্রথমে ১৫-২০টি কচু পাতা সংগ্রহ করতে হবে। গ্রাম বাংলায় মাঠেই কচু গাছ দেখা যায়। তবে শহরের বাজারগুলোতে ঘুরলে কচু পাতা পাওয়া যাবে। কচু পাতা আগের দিন রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখলে হয়। তাহলে পাতায় লেগে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়। অথবা তাৎক্ষণিক ভালোভাবে ময়লা পরিষ্কার করে নিলেও হবে। এরপর মসুর ডাল সেদ্ধ করে নিতে হবে। পাশাপাশি কচু পাতাগুলোও সেদ্ধ করে নিতে হবে।

ডাল পুরো সেদ্ধ হয়ে গেলে তা নামিয়ে রেখে কড়াইয়ে সরিষার তেল অল্প পরিমাণে দিয়ে কালো জিরা, ফোড়ন দিতে হবে। এরপর রসুন দিয়ে ভেজে নিতে হবে। কচু পাতা পুরো ভাজা হলে সেদ্ধ ডাল দিয়ে দিতে হবে। চাইলে সাথে আদা বেটে দেওয়া যেতে পারে। হলুদ ও লবণ দিতে হবে পরিমাণ মত। এরপর ফুটিয়ে নামিয়ে নিলেই হয়ে যাবে সুস্বাদু ডাল রান্না।

;

মেজাজ নিয়ন্ত্রণ এবং উদ্বেগ কমায় যেসব খাবার



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মেজাজ নিয়ন্ত্রণ এবং উদ্বেগ কমায় যেসব খাবার

মেজাজ নিয়ন্ত্রণ এবং উদ্বেগ কমায় যেসব খাবার

  • Font increase
  • Font Decrease

মাসনিক ভাবে সুস্থ থাকা পরিবর্তিত হয় আমরা কি খাই তার ভিত্তিতে। কারণ খাদ্য এমন এক বস্তু, যা আমাদের সমগ্র শরীরের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করে। কিছু খাবার আছে যা আমাদের মেজাজকে প্রভাবিত করতে পারে। যেমন- বেরি, বাদাম, বীজ জাতীয় খাবার উচ্চ নিউট্রিয়েন্টসম্পন্ন হয়। এসব খাবার যেমন মানসিক স্বাস্থ্যকে উন্নত রাখতে সাহায্য করে, তেমন মেজাজকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে।      

ভারতের নিউট্রিশনিস্ট এবং জীবনধারা বিশেষজ্ঞ গীতিকা বাজাজ বলেছেন মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণকারী কিছু খাবারের নাম-

. খাবার নিয়ন্ত্রণ: উচ্চ চিনি বা সুগার এবং স্নেহজাতীয় খাবার পরিত্যাজ্য। এসব খাবার মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ বৃদ্ধি করে।  

. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: ‍বেরিজাতীয় ফলে উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এসব খেলে মস্তিষ্ক কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করা যায়। তাছাড়া, মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে।

৩. জিঙ্ক:  কাজু বাদামে জিঙ্কের আধিক্য থাকে। শতকরা ১৪ থেকে ২০ ভাগ জিঙ্ক প্রদান করার ক্ষমতা আছে কাজু বাদামে। কাজু খেলে উদ্বেগ হ্রাস পায়।

৪. ম্যাগনেসিয়াম: চিয়া বীজ, কুমড়ার বীজ এবং ডিমে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ম্যাগনেসিয়াম।

৫. ট্রিপটোফ্যান: ট্রিপটোফ্যানের অনন্য উৎস হলো ডিম। এছাড়াও, এই খাবার সেরোটোনিন উৎপাদনে এবং মেজাজ নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখে।

৬. দুগ্ধজাতীয় খাবার: দুধে ট্রিপটোফ্যান, মেলাটোনিন এবং ভিটামিন বি থাকে। দুধের পুষ্টি মানসিক চাপ কমায় এবং ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে।

৭. শাক: ফোলেট সমৃদ্ধ শাক-সবজি নিউরোট্রান্সমিটার উৎপাদন করে। এরা উদ্বেগের বিরুদ্ধে লড়াই করে মানসিক অশান্তি নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৮. ভিটামিন ডি : ভিটামিন ডি এর উন্নত উৎস সালমন এবং সার্ডিন। এই খাবারগুলো উদ্বেগের সাথে মেজাজ সম্পর্কিত সমস্যাও উপশম করতে পারে।

;