বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ‘মাউথওয়াশ’



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মুখের দুর্গন্ধের কারণে প্রিয়জনের সামনে প্রাণ খুলে হাসতে পারেন না। আবার দুর্গন্ধ দূর করতে বাজার থেকে কিনে মাউথওয়াশ ব্যবহার করাও সবার পক্ষে সম্ভব নয়। তা ছাড়া কেবল অর্থনৈতিক কারণেই নয়, বহু মানুষ ব্যক্তিগতভাবে এখন ভেষজ ও আয়ুর্বেদিক উপাদান কাজে লাগাতে বেশি পছন্দ করেন। যারা বাজারজাত মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে চান না, তারা বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ।

কী ভাবে বানাবেন?

উপকরণ: লবঙ্গ: ৪-৫টি, গোলমরিচ: ৪-৫টি, পানি: ২ কাপ

প্রণালী: একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে গোলমরিচ ও লবঙ্গ দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ভাল করে এক বার ফুটলে পাত্র নামিয়ে নিন। মিনিট পাঁচেক নাড়িয়ে ঠান্ডা করে নিন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেলো মাউথওয়াশ। মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করাই হোক, বা দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য ভাল রাখা— মুখ গহ্বর ভাল রাখতে এই প্রাকৃতিক মাউথওয়াশের জুড়ি মেলা ভার।

কী ভাবে ব্যবহার করবেন?

দাঁত মাজার পর দ্রবণটি মুখে নিয়ে ভাল করে কুলকুচি করে ফেলে দিতে হবে। এভাবে দিনে দু’বার মুখ পরিষ্কার করতে হবে। বাড়িতে তৈরি মুখ পরিষ্কার করার এই দ্রবণে কোনও কৃত্রিম রাসায়নিক যেমন থাকে না, তেমনই থাকে না অ্যালকোহল। ফলে যাদের মুখ স্পর্শকাতর, তাদের ক্ষেত্রেও এই মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকরী। কৃত্রিম মাউথওয়াশে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ অনেক সময়ে মুখের লালা গ্রন্থির ক্ষরণ কমে যায়। একে বিজ্ঞানের ভাষায় জেরোস্টোমিয়া বলে। বাড়িতে তৈরি এই মাউথওয়াশে এই ধরনের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় না।

   

মুগ্ধতা ছড়ালো চমনের নিউ জুট কালেকশন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশ ফ্যাশন লিগ্যাসি শোতে চমন চৌধুরী ও তার জুটন কালেকশন

বাংলাদেশ ফ্যাশন লিগ্যাসি শোতে চমন চৌধুরী ও তার জুটন কালেকশন

  • Font increase
  • Font Decrease

গতকাল ২৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হল এপেক্স বাংলাদেশ ফ্যাশন লিগ্যাসি-সামিট এবং শো ২০২৪। এই শোতে দেশ বিদেশের বেশ কয়েকজন ডিজাইনারের পোশাক প্রদর্শিত হয়। প্রথম কিউতেই ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়ানো ডিজাইনার চমন চৌধুরীর নতুন কালেকশন।

যারা তাকে চেনেন, তারা জানেন এই মেধাবী ডিজাইনার বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ, সোনালী আঁশখ্যাত পাট দিয়ে পোশাক ডিজাইন করেন। বরাবরের মতো তার নিউ জুট কালেকশন মুগ্ধতা ছড়িয়েছে। তিনি এবার পিওর পাটের পোশাকের পাশাপাশি তার ডিজাইনে পাটের সঙ্গে যুক্ত করেছেন জামদানি, কাতান। শাড়ির ব্লাউজের কাটিং প্যাটার্ণে বৈচিত্র্য এনেছেন, যা ফিউশন পোশাকের স্বাদ দেয়। ছেলেদের জন্য পাট দিয়ে দিব্যি তৈরী করে ফেলেছেন ব্লেজার ও হুডির মতো ট্রেন্ডি পোশাক।

বাংলাদেশ ফ্যাশন লিগ্যাসি শোতে গাইছেন স্বপ্নিল সজীব

চমন চৌধুরী বলেন, ‘সবসময় ডিজাইনে বৈচিত্র্য আনা বেশ কঠিন। কারন আমি শুধুই পাটকে প্রমোট করতে চাই। তারপরও নিরলস চেষ্টা করি নতুনত্ব আনতে। এবার অনেকগুলো নতুন ডিজাইন করেছি। তারমধ্যে বেশকিছু এই শোতে প্রেজেন্ট করেছি। অনেকেই আমাকে আলাদাভাবে বলেছেন যে আমার ডিজাইন তাদের ভালো লেগেছে। সামনে আরও অনেক নতুন কালেকশন আসবে। সেগুলো নিয়ে একটি একক শো করব। আশাকরি সেগুলোও সবার মন জয় করবে।’ 

পোশাকের পাশাপাশি এই শোতে চমনের কালেকশন শোকেসে ভিন্নতা এনেছে মনিপুরি নাচ ও গান। মডেলদের ক্যাটওয়াকের সঙ্গে চলে নাচ ও গান। সংগীত পরিবেশন করেন তরুণ প্রজন্মের মেধাবী শিল্পী স্বপ্নিল সজীব।

প্রসঙ্গত, বৈশ্বিক ফ্যাশনের সাথে তাল মিলিয়ে ঐতিহ্য, উদ্ভাবন ও টেকসই নির্মাণকে উদ্বুদ্ধ করে দেশীয় ফ্যাশনকে এগিয়ে নিতে প্রথমবারের মত রাজধানীর আলোকি কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত হয় এপেক্স বাংলাদেশ ফ্যাশন লিগ্যাসি-সামিট এবং শো। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ ফ্যাশন লিগ্যাসি।

বাংলাদেশ ফ্যাশন লিগ্যাসি শোতে চমন চৌধুরী ও তার জুটন কালেকশন

লিগ্যাসির কো-ফাউন্ডার তৌহিদুর রশিদ। দেশ-বিদেশের ফ্যাশন উদ্যোক্তা, ভোক্তা এবং অনুরাগীদেরকে একত্রিত করতে প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি যাত্রা শুরু করেছে। সংগঠনটির দূরবর্তী অভিলক্ষ্যের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হল একটি ফ্যাশন সামিট। দেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির গতিপথ নিয়ে দিক-নির্দেশনামূলক আলোচনার পরে আমন্ত্রিত দর্শকেরা উপভোগ করেন মনোমুগ্ধকর ফ্যাশন শো।

;

শব-এ-বরাত পালন করা হয় যেভাবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শব-ই-বরাত

শব-ই-বরাত

  • Font increase
  • Font Decrease

হিজরি ১৪৪৫ সনের ১৪ শা‘বানের দিন আজ বিশ্বব্যাপী শব-ই-বরাত পালন করা হচ্ছে। ইসলাম ধর্মানুসারীদের জন্য আজ পবিত্র একদিন। শবে বরাতের রাত ‘ক্ষমার রাত’ হিসেবেও পরিচিত। এই পবিত্র অনুষ্ঠানটির ইতিহাস, আচার-অনুষ্ঠান এবং আধ্যাত্মিক তাৎপর্য সম্পন্ন একবিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

ইসলামী দিনপঞ্জিকার অষ্টম মাস শা'বানের ১৫ তম দিন পালন করা হয় শব-ই-বরাত। এই রাতে নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে মুসল্লীরা ক্ষমা প্রার্থনা করে। এই রাত হলো ক্ষমা, রহমত এবং ঐশ্বরিক আশীর্বাদ প্রার্থনা একটি রাত। এইদিন মুসলিমরা তাদের প্রিয়জনের জন্য প্রার্থনা করে এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্কের প্রতি চিন্তা করে। প্রার্থনা, দান-দক্ষিণা এবং সৎকর্মের মাধ্যমে, আল্লাহের অনুসারীরা এই পবিত্র রাতের সর্বাধিক সদ্ব্যবহার করার চেষ্টা করেন।  পরবর্তী বছরের জন্য আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনায় মত্ত হন তারা।

নবী মুহাম্মদের সময় থেকে শব-এ-বরাত পালন শুরু হয়। বিশ্বাস করা হয় যে এই রাতে, আল্লাহ আসন্ন বছরের মুসল্লীদের ভাগ্য লেখেন। তাই পূর্ববর্তী বছরের জন্য ক্ষমা চেয়ে রহমত ও বরকত প্রার্থনা করা হয়। সারাবছরের পাপের জন্য সারারাত জেগে নামাজ পরে অনুতাপ করা হয়।  যেভাবে মুসলিমরা শব-এ-বরাত পালন করে:   

ক্ষমা চাওয়া: মুসলমানরা তাদের পাপের জন্য ক্ষমা চেয়ে নামাজ পড়েন। আগামী বছরের জন্য আশীর্বাদ প্রার্থনা করে সারা রাত কাটায়। তারা বিশ্বাস করেন, আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হলে তাদের উপর আল্লাহ করুণা ও ক্ষমা বর্ষণ করেন।

নবীর সুপারিশ: তাদের আরেকটি বিশ্বাস হলো, নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার অনুসারীদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও রহমতের জন্য সুপারিশ করেন।

শব-ই-বরাত


 

ভাগ্য: শব-ই-বরাতের দিনে, আল্লাহ পরের বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। তাই নিজের প্রতিফলন, আত্মদর্শন এবং ঐশ্বরিক নির্দেশনা উপলব্ধি করা হয় এই রাতে।

প্রয়াতদের স্মরণ: অনেক মুসলমানও তাদের মৃত আত্মীয় এবং প্রিয়জনের কথা স্মরণ করে। মৃত্যু পর তাদের আত্মার শান্তি প্রার্থনা করেন।  

ইবাদত: নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত এবং প্রার্থনায় ব্যস্ত রাত কাটায় ইসলাম-ধর্মীরা। অনেকে মসজিদে বিশেষ প্রার্থনা করতে সমবেত হন।

দান ও সৎকর্ম: শব-ই-বরাতের দিন দান করার প্রথা রয়েছে। দরিদ্রদের দান করে, অভুক্তদের খাবার দিয়ে এবং উদারতার প্রকাশের মাধ্যমে আল্লাহকে খুশি করা হয়।

কবর জিয়ারত: অনেক মুসলমানরা শব-ই-বরাতের দিন প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করতে যান। পরকালে যেন তারা ভালো থাকেন, সেই প্রার্থনা করেন। একই সাথে এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়োর মোহে জর্জরিত না হওয়ার কথা স্মরণ করেন।

খাবার: এই শুভ রাতে আনন্দ এবং আশীর্বাদ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মিষ্টিজাতীয় খাবারের আয়োজন করা হয়। বন্ধু,আত্মীয় এবং প্রতিবেশীদের জন্য বিশেষ খাবার এবং মিষ্টি তৈরি করে।

 

;

শিশু জন্মদানের পর নারীদের মধ্যে যেসব পরিবর্তন আসে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নবজাতক এবং মা

নবজাতক এবং মা

  • Font increase
  • Font Decrease

শিশু জন্মদানের প্রক্রিয়াটি খুবই জটিল এবং স্পর্শকাতর। একাধিক জীবন এর সাথে জড়িত থাকে। প্রায় সকল নারীদের জীবনেই কখনো না কখনো এই সময়টা আসে। নবজাতক অনেক বেশি কোমল হয়, তাই তাদের বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। তবে অনেক সময় মা শিশুর যত্ন নিতে গিয়ে নিজের পেছনেই সময় দিতে পারেন না।

শিশু জন্মদানের পর কয়েক মায়ের নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে। এসময় মায়ের শরীরে নানারকম পরিবর্তন আসে। এসবের কারণে অনেক নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়তে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে প্রসবের ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ পরও যন্ত্রণা স্থায়ী হতে পারে।  

চিকিৎসক রাশি আগরওয়াল একজন ভারতীয় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি প্রসব পরবর্তী মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন,‘সন্তান প্রসবের পরই শরীর গর্ভাধারণের আগের পর্যায়ে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করে। এই সময়ে নিজের এবং সন্তানের যত্ন নেওয়া অনেক বেশি প্রয়োজন। সেই জন্য যথাযথ প্রস্তুতিও নেওয়া উচিত। শরীর বড় একটি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া দিয়ে গেছে, তাই যত বেশি সম্ভব বিশ্রাম নিন। বলা সহজ হলেও এই নিয়মটি অনুসরণ করা সহজ নয়। 

নবজাতক এবং মা

পরিবারের সদস্যদের এই সময় বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হয়। পারিবারিক কাজগুলো তাদের সামলানো উচিত। যেন মা শিশুর প্রতি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে। পাশাপাশি নিজের অনুভূতি এবং বিশ্রামের প্রতিও মনোনিবেশ করতে পারে। মায়ের জন্য ভাল এবং পুষ্টিকর খাদ্যের যোগান অনেক বেশি প্রয়োজন। কারণ, মায়ের শরীর থেকিই শিশুর শরীরে খাদ্য এবয় পুষ্টি সরবরাহ হবে।  প্রসব পরবর্তী সময়ে শাক-সবজি, ফল এবং লেবু জাতীয় খাদ্য মায়ের শরীর পুনরুদ্ধার করতে পারে।’

চিকিৎসক রাশি আরও পরামর্শ দেন,‘শারীরের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যেরও যত্ন নিতে হবে। সন্তান আসার পর একজন নারীর জীবন পরিবর্তিত হয়ে যায়। নতুন দায়িত্ব এবং হরমোনের পরিবর্তনের কারণে অনেসে মানসিক অশান্তিতে ভোগেন। এই পর্যায়ে স্বামীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। তার কাছ থেকে প্রচুর সমর্থন এবং যত্ন প্রয়োজন।

নবজাতকের মায়ের মধ্যে মেজাজ পরিবর্তন, ঘন ঘন কান্নাকাটি- সাধারণ কিছু লক্ষণ হতে পারে। তবে অনেকের মধ্যে শিশুর প্রতি অনুভূতিহীনতা, এমনকি বাঁচতে না চাওয়ার মতো গুরুতর মানসিক পরিবর্তনও লক্ষ্য করা যেতে পারে। সেসব ক্ষেত্রে চিকিৎসক, ওষুধ এবং থেরাপির সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজনও হতে পারে।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

;

গর্ভপাতের সিদ্ধান্তে নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যে গর্ভপাত করানোর সিদ্ধান্তের প্রভাব

নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যে গর্ভপাত করানোর সিদ্ধান্তের প্রভাব

  • Font increase
  • Font Decrease

যখন একজন মা গর্ভধারণ করে তবে তার শরীরে বিপুল পরিবর্তন আসতে শুরু করে। এক নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে শরীর প্রস্তুত হয়। তাই অভ্যন্তরীণ গঠন পরিবর্তনের সাথে মস্তিষ্ক বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থও নিঃসরণ করে। যখন শরীরে শিশুর বেড়ে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ হয় বা গর্ভধারিনীর ইচ্ছায়, চিকিৎসক গর্ভপাত করান। অনেক সময় শারীরিক জটিলতার কারণেও প্রাকৃতিকভাবে বা দুর্ঘটনার কারণে এরকম ঘটনা ঘটতে পারে। গর্ভপাত নারীদের শরীরের খুবই ভিন্ন ধরনের এক পরিবর্তন আনে। এই ঘটনা মায়ের শরীরে জটিল পরিবর্তন হতে থাকে।

গর্ভপাতের প্রভাব শুধুমাত্র শরীরের উপরই পড়ে না, মানসিকভাবেও পড়তে পারে। গর্ভপাতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়কালে এবয় পরেও গভীর মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব বহন করে। এটি এক কঠিন সিদ্ধান্ত, যা পরিস্থিতির কারণে নিতে েহতে পারে।  এমন কি নারীর মনস্তাত্ত্বিক স্বাস্থ্যে স্থায়ী প্রভাবও ফেলতে পারে।

ভারতের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কোমল ভাদু বলেছেন, ‘ এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে কারণ যাই থাকুক না কেন, গর্ভপাত ব্যক্তির উপর বিভিন্ন ধরনের মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে। গর্ভপাতের এই প্রভাব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। মূলত এসব নির্ভর করে কারণ এবং গরর্ভপাতের সময়ের উপর। মানসিক জটিলতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে, ডা. ভাদু গর্ভপাত পরবর্তী ব্যক্তিদের উপর মানসিক প্রভাবের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন:

১. কেউ কেউ গর্ভপাতের পরে স্বাভাবিক থাকতে পারে। তারা অনুভব করে যে, পরিস্থিতি অনুযায়ী তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পেশাগত বা আর্থিক ভাবে কঠিন সময় কাটানোর কারণে এই অনুভূতি হতে পারে।

২. অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, গর্ভপাতের সিদ্ধান্তের কারণে মা অপরাধবোধ অনুভব করেন। এই অপরাধবোধ সামাজিক বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে হতে পারে। অনেকেই গর্ভপাতকে নৈতিকভাবে ভুল বলে মনে করে। অথবা

৩. অনেক নারীরা তাদের গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিধায় ভোগেন। অনেক মা গর্ভে থাকা সন্তানকে হারানোর বা বাঁচাতে না পারার দুঃখের কারণেও কষ্টে ভোগেন। তাদের মনে প্রশ্ন জাগে এবং আবেগের উদ্ভব হয়। 

৪.  সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর অনেকের মধ্যে উদ্বেগ দেখা যায়। গর্ভধারণের পর এমনিই  শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তন আসে। তার ভিন্ন পরিণতি নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কারণে মা উদ্বিগ্ন হতে পারে।

৫. কিছু ক্ষেত্রে নারীর গর্ভপাতের পরে পোস্ট ট্রমাটিক সেট্রস ডিসওর্ডার (পিটিএসডি)-র লক্ষণ দেখা যায়। তারা  অনেক বেশি চিন্তাভাবনা করে, দুঃস্বপ্ন দেখে বা মাসসিক অশান্তি অনুভব করে।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

;